ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এমপি গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার


এমপি গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

রাজধানী শেরেবাংলা নগরে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত একটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান।

তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী গ্রেফতার দুজনের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ, মূল্য ২৭ লাখ টাকা

এর আগে, রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

পরে শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ, সিআইডি, পিবিআই ও ডিবির দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, কক্ষটি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্যের। পরবর্তীতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।    

গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত জুলাইয়ে ঢাকার মগবাজারের একটি হোটেলে মরিয়মের সঙ্গে এমপি নজরুলের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জামায়াতের নেতাকর্মীরা প্রথমে এটি এআই ব্যবহার করে তৈরি করা বলে দাবি করেন।

এ ঘটনার পর সংসদ সদস্য তার ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে এক পোস্ট দেন। সেখানে ওই তরুণীকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন।

আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার

এরপর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনি পেশা ছেড়ে কুকুর হাঁটিয়েই লাখপতি নারী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০০ এম


আইনি পেশা ছেড়ে কুকুর হাঁটিয়েই লাখপতি নারী!

কর্পোরেট জীবনের প্রচণ্ড চাপ আর মানসিক অবসাদ কাটাতে আইনজীবী পেশা ছেড়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পথ বেছে নিয়েছেন যুক্তরাজ্যের ৩০ বছর বয়সি এক নারী। লিজ ইস্ট নামের ওই নারী এখন পেশাদার কুকুর হাঁটনো বা ‘ডগ ওয়াকার’ হিসেবে কাজ করছেন। আর এতে তিনি আগের চেয়ে অনেক কম কাজ করে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন। 

পিপল ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

এর আগে চার বছর ধরে ফৌজদারি মামলা ও অপরাধ দমন সংক্রান্ত আইনি সেবায় (ক্রিমিনাল ডিফেন্স) যুক্ত ছিলেন লিজ। প্রশাসনিক কাজ থেকে শুরু করে আদালতে যাওয়া, এমনকি কারাগারে গিয়ে মক্কেলদের সঙ্গে কথা বলা—সবকিছুই করতে হতো তাকে। তবে এই কাজের মাত্রাতিরিক্ত চাপ তার মানসিক শান্তি কেড়ে নিয়েছিল।

লিজ জানান, দীর্ঘ সময় কাজ এবং লন্ডনের ব্যস্ত জীবনযাত্রার কারণে তার জীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল। মাঝেমধ্যে রাত ৯টা বা ১০টা বেজে যেত বাসায় ফিরতে। তার মনে হয়েছিল, এই জীবন পরিবার গঠনের জন্য একেবারেই টেকসই নয়। অতিরিক্ত চাপের কারণে তিনি একসময় পুরোপুরি মানসিক অবসাদের (বার্নআউট) শিকার হওয়ার ভয় পেয়েছিলেন। 

এরই মধ্যে তার স্বামীর ডগ ওয়াকিং ও ডগ বোর্ডিংয়ের ব্যবসা দেখে তার মনে অনুপ্রেরণা জাগে। তিনি ভাবলেন, স্বামী যদি নিজের কাজ এত ভালোবেসে করতে পারেন, তবে তিনি কেন ছুটির দিনেও কাজের ভয়ে মন খারাপ করে থাকবেন? 

এরপরই তিনি বড় সিদ্ধান্ত নেন। নিজের ব্যবসার কাস্টমার বা মক্কেল জোগাড় করার সময় খরচ চালানোর জন্য প্রথমে একটি স্থানীয় পাবে চাকরি নেন তিনি। এভাবে মাত্র এক বছরের মধ্যে তার নিয়মিত ব্যবসার পরিধি বেশ বড় হয়ে যায়। 

বর্তমানে লিজ প্রতিদিন চারটি দলে ভাগ করে প্রায় ২০ থেকে ৩০টি কুকুর নিয়ে হাঁটেন। প্রতি কুকুরের জন্য ঘণ্টায় ১৪ পাউন্ড করে নিয়ে তার প্রতিদিন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ পাউন্ড আয় হয়।

অনেকেই তাকে প্রশ্ন করেন, এত পড়াশোনা করে শেষ পর্যন্ত কুকুর হাঁটার কাজ বেছে নিলেন?

উত্তরে লিজ বলেন, ‘অনেকে মনে করেন এই পেশায় আয় কম। কিন্তু আমি কর্পোরেট চাকরির চেয়ে এখন অর্ধেক সময় কাজ করে তার চেয়ে অনেক বেশি টাকা আয় করছি। আইন পড়ার দিনগুলোকে আমি নষ্ট মনে করি না, কারণ সেখান থেকে শেখা অভিজ্ঞতা এখনো আমার নানা কাজে লাগে।’ 

তবে এই পেশায় আসার জন্য কেবল অর্থের পিছু ছুটলে চলবে না বলে সতর্ক করেছেন লিজ। তার মতে, কুকুর ও প্রকৃতির প্রতি যার নিঃশর্ত ভালোবাসা রয়েছে, কেবল তার জন্যই এই পেশাটি উপযুক্ত।

লিজ বলেন, ‘আমার ডিগ্রিটি সবসময় আমার সঙ্গেই থাকবে, চাইলে আমি যেকোনো সময় আইন পেশায় ফিরে যেতে পারব। যদিও মনে হয় না যে আমার আর কখনো সেখানে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন হবে, কারণ বর্তমান কাজটিকে আমি সত্যি ভীষণ ভালোবাসি।’ 

সূত্র: এনডিটিভি 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বয়কট করেছে এনসিপি: আখতার হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২১ এম


সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বয়কট করেছে এনসিপি: আখতার হোসেন

জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠক বয়কট করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), এমনটি জানিয়েছেন দলটির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের মতামতকে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকালে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী মনছারের ঘাটে আয়োজিত কৃষক সমাবেশ ও গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

আখতার হোসেন আরও বলেন, এনসিপি শুরু থেকেই সরকারকে সংবিধান সংশোধন পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু সরকার সেই পথে না গিয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে সংবিধান সংশোধনের জন্য। প্রচলিত পদ্ধতিতে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হলে চলমান সংকটের সমাধান না হয়ে তা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধানের সংশোধন কীভাবে হবে, সেটি গণভোটে রায় দেওয়া হয়েছে। এটি অবশ্যই সংবিধান সংশোধন পরিষদের মাধ্যমে সুরাহা করতে হবে। যদি সংবিধান সংশোধনের বিষয়গুলো সংশোধনীর মাধ্যমে করা হয়, তাহলে বাংলাদেশ যে সাংবিধানিক সংকটের মধ্যে রয়েছে, সেটি আরও ঘনীভূত হবে।

গণভোটের রায় সম্পর্কে এনসিপির এই নেতা বলেন, সরকার বিভিন্নভাবে গণভোটের রায় অস্বীকার করার চেষ্টা করছে। তার দাবি, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটের পক্ষে ভোট দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধন পরিষদ গঠন করে বিষয়টির সমাধান করতে হবে। অন্যথায় দেশের চলমান সাংবিধানিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, আমরা শুরু থেকেই বলেছি, সংবিধান সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধন পরিষদ গঠন করতে হবে। সরকার যদি সেই প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসে, তাহলে আমরা সেখানে আলোচনা করতে প্রস্তুত। কিন্তু প্রচলিত সংসদীয় পদ্ধতিতে গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আমরা অংশ নেব না।

এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও দিনাজপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক আবু সাঈদ লিওনসহ দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মামলাজটে ব্যাহত সারাদেশের শিক্ষা প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ এম


মামলাজটে ব্যাহত সারাদেশের শিক্ষা প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম

মামলাজটে ব্যাহত হচ্ছে সারাদেশে শিক্ষা প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম। বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩টি বিভাগ, ১৬টি দপ্তর, ১১টি শিক্ষা বোর্ড এবং সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে দেশের বিভিন্ন আদালতে ১৩ হাজার ৭৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তার মধ্যে ১০ হাজার ১৫২টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট মামলা। আর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বিরুদ্ধে ৮ হাজার ৮৯৩টি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিরুদ্ধে এক হাজার ১৫৯টি মামলা রয়েছে। ওসব মামলায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, এমপিও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। তবে চলমান মামলার প্রায় ৩০ শতাংশ বিগত ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হয়েছে। আর ওই অধিকাংশ মামলাই স্কুল-কলেজের অ্যাডহক কমিটি বাতিল বা নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে হয়েছে। মামলার কারণে বর্তমানে শত শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক অচলাবস্থা। কোথাও একাধিক কমিটি, কোথাও নিয়মিত প্রতিষ্ঠানপ্রধান না থাকায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্থবিরতা বিরাজ করছে। বর্তমানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট ৩ হাজার ৪২৬টি মামলার মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) বিরুদ্ধেই ৩ হাজার ২৮২টি মামলা রয়েছে। ওসব মামলার কারণে বিলম্বিত হচ্ছে বহু প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, এমপিও, কমিটি অনুমোদন, এমনকি নিয়মিত বেতন-ভাতা প্রদানের কাজ। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, শিক্ষা প্রশাসনে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, জ্যেষ্ঠতা, গ্রেডেশন, এমপিও, বেতন-ভাতা, বিভাগীয় শাস্তি, চাকরিচ্যুতি, জাতীয়করণ, কোটা, ভর্তি, পেনশন, অডিট আপত্তি, শিক্ষা বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত এবং পাবলিক পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়ে সবচেয়ে বেশি মামলা হচ্ছে। শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়াতেই ১২ ধরনের ত্রুটি নিয়ে মামলা হচ্ছে। আর স্কুল-কলেজের পরিচালনা কমিটি নিয়ে ১৮ ধরনের মামলা রয়েছে। শিক্ষা প্রশাসনে মোট ১০৮টি বিষয়ে মামলা হচ্ছে। তার মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ ধরনের বিষয়ে মামলার কারণে নিয়মিত আদালতে যেতে হচ্ছে। মামলার কারণে প্রায় ৬ বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষকের পদোন্নতি আটকে ছিলো। তবে সমপ্রতি তার নিষ্পত্তি হলেও অন্য নিয়োগ-সংশ্লিষ্ট মামলার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক সংকট তীব্র হচ্ছে। পাশাপাশি অচল হয়ে পড়ছে প্রশাসনিক কাঠামো।

সূত্র জানায়, আদালতে মামলার কারণে মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা সমপ্রসারণে পরিচালিত সেসিপ প্রকল্পের কয়েকশ শিক্ষক কাজ চালাতে পারছে না দীর্ঘন। বিগত ২০০৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত নিয়োগ পাওয়া ওই শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ীকরণ ও নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা থাকায় অনেককেই বিদ্যালয়ে পাঠানো যাচ্ছে না। ফলে ব্যবহার হচ্ছে না দেশের শত শত বিদ্যালয়ে কোটি কোটি টাকার বিজ্ঞানাগারের যন্ত্রপাতি। আর ওসব যন্ত্রপাতি পড়ে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালাবদ্ধ অবস্থায়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সংশ্লিষ্ট সবচেয়ে বেশি ৫ হাজার ৮৩১টি মামলা রয়েছে। যা ওই বিভাগের মোট মামলার প্রায় ৬৮ শতাংশ। ওসব মামলার বেশির ভাগ শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, এমপিও, ইনসিটু, ওএসডি, গভর্নিং বডি গঠন, বেতন বিল, জাল কাগজে এমপিও এবং শিক্ষার্থী ভর্তি-সংক্রান্ত। তাছাড়া দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড-সংশ্লিষ্ট এক হাজার ৬৬৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তার মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এক হাজার ৫৫২টি, আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ১১১টি মামলা রয়েছে। মামলার দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। মামলার সংখ্যা ২৭৩টি। আর ২৬৩টি মামলা নিয়ে তার পরের অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড। তাছাড়া রাজশাহী ২০৯টি, দিনাজপুর ১৮৩টি, ময়মনসিংহ ১৬৩টি ও সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৬৯টি মামলা রয়েছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রায় ৭১ শতাংশ মামলা ব্যবস্থাপনা কমিটি, পরীক্ষার ফল পুননির্রীক্ষণ, গভর্নিং বডি ও বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে হয়েছে।

সূত্র আরো জানায়, দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪ -এর সংশোধনী আনে গত বছর। সংশোধনীতে কমিটির সভাপতি মনোনয়ন-সংক্রান্ত ১৩(১) বিধি এবং যোগ্যতা-সংক্রান্ত বিধিতে সংশোধনী আনা হয়।  ইতিপূবে স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটিকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন সুপারিশ করেছিল। কিন্তু ওই সুপারিশে ম্যানেজিং কমিটিতে সরকারি চাকরিজীবীদের রাখার কথা বলা হয়। তখন সরকার বিধিমালায় সংশোধন এনে সিদ্ধান্ত দেয়, সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্মরত নবম গ্রেডের নিচে নন এমন কর্মকর্তা এবং অবসরপ্রাপ্ত হলে পঞ্চম গ্রেডের কর্মকর্তা সভাপতি হতে পারবেন। ওই সংশোধিত বিধি চ্যালেঞ্জ করে চারটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি উচ্চ আদালতে রিট মামলা করেছেন।

এদিকে মামলার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরগুলো প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ দিলেও সরকারের নির্ধারিত ফি কম হওয়ায় দক্ষ ও অভিজ্ঞ আইনজীবীরা আগ্রহী হয় না। বর্তমানে ফি কাঠামো অনুযায়ী আরজি বা জবাব প্রস্তুতের জন্য ২০ হাজার টাকা, চূড়ান্ত শুনানির জন্য ২০ হাজার টাকা এবং আইনি মতামতের জন্য ৩ হাজার টাকা দেয়া হয়। আইনজীবীদের মতে, সরকারি মামলায় যে পারিশ্রমিক দেয়া হয়, তা অত্যন্ত কম। অথচ প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও মামলা হচ্ছে। অথচ নিষ্পত্তির গতি কম। 

এদিকে এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, দেশের বিভিন্ন আদালতে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওসব মামলার কারণে ব্যাহত হচ্ছে নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ। মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নানা সংকটে তলানিতে দেশের মেডিকেল শিক্ষার মান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ এম


নানা সংকটে তলানিতে দেশের মেডিকেল শিক্ষার মান

নানা সঙ্কটে তলানিতে নামছে দেশের মেডিকেল শিক্ষার মান। দেশের ৩৯টি সরকারি মেডিকেল কলেজের প্রায় সবটিতে শিক্ষক, জনবল সংকটসহ নানামুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বর্তমানে দেশের সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে মোট শিক্ষক পদের ৪৩ দশমিক ৩৮ শতাংশই শূন্য। আর সব মেডিকেল কলেজেই শূন্য রয়েছে মৌলিক বিষয়ে শিক্ষকের পদ। বর্তমানে মেডিকেল কলেজগুলোয় মৌলিক বিষয়ে মোট ২ হাজার ৬৯টি শিক্ষকের পদ রয়েছে। কিন্তু মাত্র ১ হাজার ৫৬০ জন শিক্ষাদান করছে। অর্থাৎ মৌলিক বিষয়ে প্রায় এক-চতুর্থাংশ পদই শূন্য। বিশেষ করে নতুন কলেজগুলোতে ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেসিক সাবজেক্টে শূন্য পদের হার। তাছাড়া নতুন মেডিকেল কলেজগুলোর স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকা, শিক্ষক সঙ্কটের পাশাপাশি অনেক প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষ, আবাসন ও ল্যাব সংকট রয়েছে। চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিজিএমই) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতো সংবেদনশীল ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে মৌলিক সুবিধার অভাব দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে অন্তরায়। ফলে স্বাস্থ্য খাত ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীরা প্রস্তুত হতে পারছে না। ২০১৮ সালে নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজ নেত্রকোনা ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালের কোয়ার্টারে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু দীর্ঘ ৮ বছরেও প্রতিষ্ঠানটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। বরং শিক্ষক, আবাসন ও ক্লাসের সংকট, সীমিত হাতেকলমে শেখার সুযোগ নিয়েই ৩৩৩ শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে পড়াশোনা করছে। বলা হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত পেলেই শুরু হবে মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাজ। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিকে যে জায়গাটা দেয়ার কথা তা অনেকটা রাস্তা ঘুরে যেতে হবে। ফলে মেডিকেল কলেজের সুবিধা পেতে মানুষকে ঘুরে আসতে হবে দীর্ঘ পথ। আবার নতুন করে জায়গা নির্বাচন করার সুযোগ নেই। 

সূত্র জানায়, বর্তমানে যেসব মেডিকেল কলেজ অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে তার মধ্যে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ, মাগুরা মেডিকেল কলেজ, নওগাঁ মেডিকেল কলেজ, নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজ, নীলফামারী মেডিকেল কলেজ ও সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রয়েছে। আর স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় ওসব মেডিকেল কলেজে সঙ্কট রয়েছে শ্রেণিকক্ষ, আবাসন ও ল্যাবের। বিগত ২০১৪ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র মেডিকেল কলেজ হিসেবে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ যাত্রা করে। কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিট ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শুরু হয়। কিন্তু দীর্ঘ এক যুগেও মেডিকেল কলেজটির কোনো স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ হয়নি। আর বর্তমানে ওই প্রতিষ্ঠানে বেসিক ও ক্লিনিক্যাল বিষয়ে শিক্ষকের ৫৮টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে মাত্র ২৫ জন কর্মরত আছেন। অধ্যাপকের ৭টি পদ আর সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকের ১৩টি করে পদ শূন্য। ৩৩ শূন্য পদে বর্তমানে ১৮ জন শিক্ষক সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছে। যদিও রাঙ্গামাটি শহরের সুখী নীলগঞ্জ এলাকায় ২৮ একর জমির ওপর ১ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তাছাড়া নওগাঁও মেডিকেল কলেজেরও নিজস্ব ক্যাম্পাস নেই নওগাঁ। পাশাপাশি কাটেনি জনবল সংকটও। বর্তমানে কলেজটিতে একজন অধ্যক্ষ, ১২ জন অধ্যাপক, ২৩ জন সহযোগী অধ্যাপক, ২৬ জন সহকারী অধ্যাপক, ২৬ জন প্রভাষক এবং দুজন কিউরেটরসহ মোট ৯০টি অনুমোদিত পদ রয়েছে। কিন্তুএকজন অধ্যক্ষ, তিনজন অধ্যাপক, ৯ জন সহযোগী অধ্যাপক, ৬ জন সহকারী অধ্যাপক, ২৪ জন প্রভাষক এবং দুজন কিউরেটরসহ মাত্র ৪৫ জন কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে আবার একজন কিউরেটর প্রেষণে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে আছেন। আর চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে অনুমোদিত লোকবল ১০৯ জন হলেও কর্মরত আছেন ৪৭ জন। বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক সংকট থাকায় একজন শিক্ষককে ৩-৪টা দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আর জামালপুর মেডিকেল কলেজ, সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ নিজস্ব ক্যাম্পাস পেলেও কাটেনি জনবল সংকট কাটেনি। সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজে শিক্ষকসহ মোট পদ রয়েছে ১৭৩টি। তার মধ্যে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপক, প্রভাষকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে ৫৯ জন কর্মরত আছেন। পদ শূন্য ১১৪টি। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ৯৪টি পদের মধ্যে ৫১টি পদ শূন্য আর জামালপুর মেডিকেল কলেজে ৮৬টি পদের বিপরীতে ৩১টি শূন্য। শিক্ষকের সঙ্গে অনেক কলেজের শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকটেও ভুগছেন। সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজের ১০০ আসনের হোস্টেলে ৩১৮ জন ছাত্রীকে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে।

সূত্র আরো জানায়, সরকার স্থায়ী ক্যাম্পাসবিহীন সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণকাজ শুরুর লক্ষ্যে ৬টি মেডিকেল কলেজের উন্নয়ন প্রকল্প পুনর্গঠন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় ভবন, অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণ এবং নার্সিং কলেজের পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে প্রকল্প ব্যয় কমিয়ে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একটি ৫০ শয্যার মেডিকেল কলেজের জন্য আদর্শভাবে ১৫ একর জমিই যথেষ্ট। নতুন পরিকল্পনায় বহুতল প্রশাসনিক ভবনের মাধ্যমে জায়গা ও নির্মাণ ব্যয় কমানো হবে। তাছাড়া মেডিকেল কলেজগুলোর সংকট বিশেষ করে শিক্ষক কাটাতে সরকার প্রণোদনা দেয়ার বিষয়েও চিন্তা-ভাবনা করছে। 

এদিকে সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে বেসিক সাবজেক্টে শিক্ষক সংকটের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন জানান, ক্লিনিক্যাল বিষয়ের তুলনায় অ্যানাটমি, ফিজিওলজি ও বায়োকেমিস্ট্রির মতো বেসিক বিষয়ে শিক্ষক ঘাটতি বেশি। সংকট মোকাবিলায় বেসিক বিষয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণোদনা চালুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি কর্মরত শিক্ষকদের আর্থিক প্রণোদনা, অবসরপ্রাপ্ত যোগ্য শিক্ষকদের পুনর্নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগও নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিদ্যমান মেডিকেল কলেজগুলোর সংকট সমাধানের আগেই নতুন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠায়ও সরকার উদ্যোগী হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দুটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ঠাকুরগাঁও ও নরসিংদী জেলায় নতুন একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সরকার আরো ৭টি জেলায় নতুন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%