ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

রাশিয়ার হয়ে লড়বে উত্তর কোরিয়ার ৫০ হাজার সেনা, দাবি জেলেনস্কির


রাশিয়ার হয়ে লড়বে উত্তর কোরিয়ার ৫০ হাজার সেনা, দাবি জেলেনস্কির

রাশিয়া, ইউক্রেনীয় সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রায় ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে। এ ছাড়া ইউক্রেনের মাটিতে পিয়ংইয়ংয়ের কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের অংশবিশেষ পাওয়া গেছে। ভয়াবহ এই পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, যিনি দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে সাহায্য চেয়েছেন নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য।

শনিবার এক্সে দেওয়া বার্তায় জেলেনস্কি জানান, রাশিয়ায় ৩০ থেকে ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, তবে তিনি এই তথ্যের উৎস স্পষ্ট করেননি। তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়া গেছে, তবে সেগুলোর সঠিক অবস্থান গোপন রেখেছেন। তার মতে, উত্তর কোরিয়া এই যুদ্ধের মাধ্যমে আধুনিক রণকৌশলের অভিজ্ঞতা এবং রাশিয়ার সামরিক সরঞ্জাম নিচ্ছে।

ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, পশ্চিম রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মোতায়েন শুরু হয়েছে। তাদের কাছে ১২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ৬টি লঞ্চার থাকতে পারে। ইউক্রেনের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে তীব্র ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে। সেই দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে রাশিয়া কঠিন ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়ে।

আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ায় দাবানল নেভাতে গিয়ে প্রাণ গেল ৪ জনের

এই সংকট মোকাবিলায় সিউলের সহযোগিতা চেয়ে জেলেনস্কি বলেন, আমাদের যে জায়গায় ঘাটতি রয়েছে, সেখানে দক্ষিণ কোরিয়ার সমর্থন চাই। মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা বিষয়টির কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। ‘ড্রোন চুক্তি’ এবং অন্যান্য বিষয়ে সিউলের সঙ্গে ইউক্রেনীয় কূটনীতিকরা যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানান তিনি।

২০২৪ সালের জুনে পুতিন এবং কিমের মধ্যে চুক্তির অংশ হিসেবে কোরিয়া ইতোমধ্যে রাশিয়াকে লাখ লাখ গোলা ও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে। এছাড়া ইউক্রেনীয়দের আক্রমণ ঠেকাতে রাশিয়ার কুরস্কে প্রায় ১৪ হাজার সেনা পাঠিয়েছে পিয়ংইয়ং।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেকনাফের সংরক্ষিত বনে নতুন বাগানে চারা রোপণ পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


টেকনাফের সংরক্ষিত বনে নতুন বাগানে চারা রোপণ পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর

কক্সবাজার, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম আজ রোববার দুপুরে কক্সবাজারের টেকনাফের মুচনী বিটের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে সৃজিত ৪০ হেক্টর বাগানে গাছের চারা রোপণ করেছেন।

এর আগে, গতকাল শনিবার সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মধ্যভাগে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কার্যালয় মাঠে নারকেলের চারা রোপণের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছিল। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তিনি বলেন, কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু হয়েছে। দেশে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ৮ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত তিন দিনে ২০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে। পরিবেশ সংকটাপন্ন এ দ্বীপের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এসব গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে প্লাস্টিক ও দূষণমুক্ত রাখতে দ্বীপবাসীর সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, আজ বিকেলে প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন এক হাজার ১০৩ হেক্টর বনভূমি পরিদর্শন করেন। সেখানে ইতোমধ্যে সাড়ে ২৭ লাখ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সৃজিত এসব বাগানে ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছসহ প্রায় ৫৬ প্রজাতির বৃক্ষ রয়েছে।

পরিদর্শনকালে বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী বন সংরক্ষক (টেকনাফ ও উখিয়া) মো. মনিরুল ইসলাম, টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশীদসহ বিভিন্ন বিটের বিট কর্মকর্তা, পুলিশ, ফরেস্ট গার্ড এবং বন পাহারা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়তে ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ পি.এম


ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়তে ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগ

ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মাণের পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলা কিউআর-এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার লক্ষ্যে আলেমদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল।

সেশনটি অনুষ্ঠিত হয় শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে, যেখানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি আয়োজন করেছিল।

অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী মন্তব্য করেন, "প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন এসেছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত করা সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।" বাংলা কিউআর-এর মতো সহজ ও আধুনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আরও স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খলভাবে আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।

তিনি ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ে তোলার এই যাত্রায় আলেম-উলামা ও ধর্মীয় নেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, "দেশ দ্রুত ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশনের দিকে এগিয়ে চলেছে।" তিনি উল্লেখ করেন, আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে ডিজিটাল পেমেন্টের প্রসার অত্যন্ত জরুরি। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলা কিউআর-এর আওতায় এনে, একটি বিশাল জনগণের ডিজিটাল আর্থিক সেবা ও লেনদেনে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসাইন বলেন, "বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যে যদিও গ্রাহকদের অকৃত্রিম আস্থা ও সহযোগিতায় ইসলামী ব্যাংক অগ্রসর হচ্ছে।" ব্যাংকটি গ্রাহকদের আরও সহজ, নিরাপদ ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী। বিশেষ অতিথি মোহাম্মদ জহির হোসেন, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত। ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হোসাইনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম। এছাড়া ‘বাংলা কিউআর’ বিষয়ক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার।

তদুপরি, অনুষ্ঠানে ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান মুফতি শামছুদ্দীন জিয়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি বোর্ডের সদস্য শাহ মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ এবং ব্যাংকের ইসলামী ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন অন্যান্য বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ব্যাংকের সুপারভাইজরি কমিটির সদস্যরা এবং শীর্ষ নির্বাহীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালিগঞ্জে যুবসমাজের উদ্যোগে সড়ক সংস্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:০৩ এম


কালিগঞ্জে যুবসমাজের উদ্যোগে সড়ক সংস্কার

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের রহমতপুরে স্থানীয় যুবকরা স্বেচ্ছাশ্রমে দুটি সড়ক সংস্কার করেছেন। এর ফলে কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা-নওয়াবেকী সড়কের রহমতপুর হাটখোলা থেকে সংকরকাটি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা এবং রহমতপুর হাটখোলা থেকে মধ্য রহমতপুর হয়ে সংকরকাটি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার ইটসলিংসহ কাঁচা রাস্তা সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে দুই দফায় তিন দিন ধরে এই সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়। এতে অর্ধশতাধিক যুবক স্বেচ্ছাশ্রম দেন। পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামের মানুষদের আর্থিক সহায়তায় রাস্তা দুটিতে ইটের খোয়া, মাটি ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করে সংস্কারকাজ করা হয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবী দলের সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, বিল্লাল হোসেন ও মাহাদী বলেন, "রাস্তা দুটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করেন।" এ ছাড়াও, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে এই পথ গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাগুলো অবর্ণনীয় খারাপ অবস্থায় ছিল, যার কারণে মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠে গিয়েছিল। তাই আপাতত নিজেদের উদ্যোগে হেঁটে এবং যানবাহনে চলাচলের উপযোগী করতে সংস্কার করা হয়েছে। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

রহমতপুর শাপলা সংঘের সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, "রাস্তা দুটি সংস্কারে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।" যদিও যুবক ও গ্রামবাসীরা সহযোগিতা করেছেন, এখনো প্রায় অর্ধেক অর্থের ঘাটতি রয়েছে। ঘাটতি পূরণের জন্য তিনি বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

তিনি আরও জানান, গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়ে শাপলা সংঘ এবং স্থানীয় যুবকরা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন। সবাই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অধ্যুষিত রহমতপুরের এই দুটি সড়ক এবং এর আশেপাশের সার্বিক উন্নয়নে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসার প্রয়োজন।

স্থানীয়দের দাবি, যদিও যুবকদের স্বেচ্ছাশ্রমে আপাতত দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে, সরকারের উদ্যোগে রাস্তা দুটির স্থায়ী সমাধানের জন্য টেকসই সংস্কার কিংবা পাকা করার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই রুশ ঘাঁটি নিয়ে মস্কোর সঙ্গে সিরিয়ার চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:০৬ এম


দুই রুশ ঘাঁটি নিয়ে মস্কোর সঙ্গে সিরিয়ার চুক্তি

ক্ষমতাচ্যুত বাশার আল-আসাদের সমর্থনে দেওয়া দুটি রুশ সামরিক ঘাঁটির চূড়ান্ত ভাগ্য এখন নির্ধারিত হয়েছে। দামেস্ক জানিয়েছে, দীর্ঘ দেড় বছরের আলোচনার পর খেমেইমিম বিমানঘাঁটি ও তারতুস নৌঘাঁটিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে ‘যৌথ প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা-বৃদ্ধি কেন্দ্রে’ রূপান্তরিত করা হবে।

রবিবার সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, নতুন সমঝোতা অনুযায়ী, ঘাঁটিগুলোর বেসামরিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ পাবে দামেস্ক। আলোচনা চলাকালে, এগুলো স্বাভাবিকভাবেই কার্যকর ছিল।

এদিকে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে খেমেইমিম সংলগ্ন লাতাকিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষের প্রধান ওমর আল-হাসরি এটিকে সিরিয়ার বিমানবন্দরগুলো পুনরুদ্ধারের ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, বিমানবন্দরটি সংস্কারের জন্য প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া, চুক্তির স্থাপনাগুলো সরাসরি পরিদর্শন করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি। তবে এ বিষয়ে রাশিয়া এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

১৩ বছরের গৃহযুদ্ধে আসাদকে টিকিয়ে রাখার প্রধান মিত্র ছিল রাশিয়া। কিন্তু ২০২৪ সালে আসাদের পতনে মস্কোর প্রভাব বড় ধাক্কা খায়। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বাইরে নিজেদের একমাত্র সামরিক ঘাঁটি দুটি বাঁচাতে, সিরিয়ার নতুন ইসলামি সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।

ক্ষমতা গ্রহণের পর, প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা ইতিমধ্যে দুবার মস্কো সফর করেছেন। পুতিন সিরিয়ার অখণ্ডতা রক্ষায় তার প্রচেষ্টার প্রশংসাও করেছেন। তবে, সম্পর্ক উন্নয়নের এ চেষ্টার মাঝেই মস্কোয় আশ্রয় নেওয়া আসাদকে ফেরত দেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে দামেস্ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%