ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সমর্থন চাইলেন


জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সমর্থন চাইলেন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা দেন।

অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির চট্টগ্রাম দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। তিনি পেকুয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রোকন সদস্য এবং রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আরও পড়ুন: লাইভে রাশেদ খাঁনের পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় মিয়া গোলাম পরওয়ারের মন্তব্য

২০১৬ এবং ২০২১ সালের রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আজকে থেকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বিদায় নিলাম। রাজাখালী জামায়াতে ইসলামী ন্যায়-ইনসাফ টাকার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠা করেছে। টাকার বিনিময়ে বিক্রি হওয়া ব্যক্তিরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে।’

অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, দলের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কঠিন সময়ে যখন অনেকে নিজেদের জামায়াত পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক ছিলেন, তখন তিনি ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে সংগঠনের হয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলেন। সেই সময় তাকে সামনে রেখেই রাজাখালীতে জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে তাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে, তাই তিনি স্বেচ্ছায় জামায়াতের রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আমি জনগণের মনোনীত রাজাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইনশাআল্লাহ। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।

আরও পড়ুন: সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে বাধ্য হবো: জামায়াত আমির

অন্যদিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, হুমায়ুন কবিরের দল ছাড়ার বিষয়টি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হতে পারে। সংগঠনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জেলা আমির অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী এবং সাংগঠনিক সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসাইন ও আল আমিন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, অর্থ বা প্রভাবের কোনো বিষয় নেই।

তিনি আরো বলেন, ‘সংগঠনের পক্ষ থেকে যোগ্যতা, সাংগঠনিক অবস্থান, জনসম্পৃক্ততা ও নির্বাচনী সার্বিক সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ বা বক্তব্য থাকার কথা নয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফয়’স লেকে চসিকের অভিযান, অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


ফয়’স লেকে চসিকের অভিযান, অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ

চট্টগ্রাম, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : শহরের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র ফয়’স লেক এলাকায় ফুটপাত মুক্ত করার উদ্দেশ্যে, পরিবেশের সৌন্দর্য রক্ষা এবং জনগণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) একটি বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা বিপুলসংখ্যক অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে, চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেনের উপস্থিতিতে ফয়’স লেক-চিড়িয়াখানা এলাকায় এই অভিযান ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়।

অভিযানের সময়, প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন মন্তব্য করেন, ‘ফুটপাত পথচারীদের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য, অবৈধ দখলদারদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য নয়। নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফয়’স লেক চট্টগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একটি পরিচ্ছন্ন, দৃষ্টিনন্দন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে।

প্রশাসক জানান, নগরীর ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখলমুক্ত রাখা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলোর পরিবেশ ও সৌন্দর্য সংরক্ষণে চসিকের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজনৈতিক দল ও জনগণের ঐক্য ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


রাজনৈতিক দল ও জনগণের ঐক্য ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের জন্য সকল রাজনৈতিক দলের এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও রাজনৈতিক সমঝোতা অপরিহার্য।

আজ ঢাকায় শেরেবাংলা নগরের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর মনসুন থিয়েটারে অনুষ্ঠিত ‘গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ সেমিনার সিরিজের প্রথম পর্বে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। আলোচনায় আরও অংশগ্রহণ করেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ফিরোজ আহমেদ এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাবিবুর রহমান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা এবং তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী ভবিষ্যতে বাংলাদেশে যেন আর কোনোদিন স্বৈরতান্ত্রিক বা ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা বা স্বৈরশাসকের উৎপত্তি না ঘটে, সেই জন্য প্রাতিষ্ঠানিক চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স নিশ্চিত করে ঐকমত্য ও সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা প্রয়োজন, যাতে তা টেকসই হয়।

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার স্থায়ী আইনি কাঠামো এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য কার্যকর ‘ওয়াচডগ’ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট বিধান থাকা সত্ত্বেও ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল, যা দেশের সাংবিধানিক সংকট ও স্বৈরতন্ত্রের ভিত্তি তৈরি করে।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করা ছিল বাকশাল-পরবর্তী বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস ও ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থানের মূল কারণ। যা পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি করেছিল, যেখানে এ দেশের ছাত্র-জনতা একত্রিত হয়ে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার পতন ঘটায়।

মন্ত্রী বলেন, উচ্চকক্ষ প্রবর্তন, নির্বাচনী ব্যবস্থা এবং গণভোট সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবনার বিষয়ে বিরোধী দলসহ সকল পক্ষের সঙ্গে টেবিল-আলোচনা ও রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাটিং ও বোলিংয়ে 'আরেকটু ভালো' করতে না পারার আক্ষেপ প্রকাশ করলেন শান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


ব্যাটিং ও বোলিংয়ে

বাংলাদেশের জন্য ঢাকা টেস্টে জয়টি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে নিজেদের পছন্দের কন্ডিশন তৈরি করেও টাইগাররা পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছে। হারের পর সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক ব্যাটিং ও বোলিংয়ের ব্যর্থতা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।

প্রথম ইনিংসে লিড পাওয়ার পরেও বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ১০০ রানের মধ্যে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তবে টাইগাররা ১৪২ রান করে ১৭০ রানের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। অধিনায়ক বলেছেন, '১৭০ হওয়ার পরে আমাদের বিশ্বাস ছিল, এই রান ডিফেন্ড করা সম্ভব। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওটা হয়নি। ওদেরকে কৃতিত্ব দিতে হবে। কিন্তু আমরা এই উইকেটে আরেকটু ভালো বল করতে পারতাম। আমরা খুব বেশি ভালো বল করিনি।'

দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের স্পিনাররা একটি উইকেটও নিতে পারেননি। যেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান স্পিনাররা ৯ উইকেট নিয়েছেন, সেখানে ঘরের মাঠে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী মিরাজরা কোনো উইকেট নিতে পারেননি। অধিনায়কের কণ্ঠে স্পিনারদের বোলিং নিয়ে হতাশা স্পষ্ট।

তিনি মন্তব্য করেছেন, 'লেংথটা আমরা ভালোভাবে পিক করতে পারিনি। একটু এলোমেলো ছিল। অন্যথায় এত সহজে... বিশেষ করে চতুর্থ ইনিংসে আমরা ওদের দুই উইকেট নিয়েছি। ম্যাচ হারলেও অন্তত ৭-৮টা উইকেট নিতে পারলে বুঝতাম যে রানটা কম হয়েছে। আমার মনে হয় একটু এলোমেলো ছিল (বোলিং)।'

চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশের ভাগ্যও কিছুটা খারাপ ছিল। পাঁচবার আম্পায়ার্স কলে প্রতিপক্ষ ব্যাটাররা বেঁচে গেছেন। অধিনায়ক এটিকে দুর্ভাগ্যজনক বললেও অযুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চান না। তিনি বলেন, 'যখন ১৭০ রান টার্গেট হয় তখন আম্পায়ারস কল পাঁচটার মধ্যে তিনটা আপনার দরকার হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটা হয়নি। এটা ক্রিকেটের অংশ। এটা আম্পায়ারকে দোষও দেয়া যায় না। ধরে নিতে হবে, আমাদের ভাগ্যে ছিল না। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে যদি তিনটা পেয়ে যেতাম বা শুরুতে যেটা পাইনি, সেটি হলে মোমেন্টাম ভিন্ন হতো। তবে এসব অযুহাত দিতে চাই না।'

বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হারের পর অধিনায়ক বলেন, 'সত্যি বলতে এখন একটু কঠিন। তবে আমি প্রথম সংবাদ সম্মেলনেও বলেছি, আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ এগোতে চাই। এই ম্যাচে আমরা সেরটা খেলিনি। দ্বিতীয় ম্যাচে কিভাবে ভালো কামব্যাক করতে পারি সেটাই চিন্তায় আছে।'

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে মাঠে নামার এক সপ্তাহ আগে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছিলেন দলের একাধিক ক্রিকেটার। অধিনায়ক এই প্রস্তুতির ঘাটতি নিয়ে বলেন, 'আমার মনে হয়, আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। এক ফরম্যাট ভালো হবে (প্রস্তুতি), আরেক ফরম্যাট ভালো হবে না। এগুলো তো থাকবেই। তবে আমার কাছে মনে হয়, আমাদের প্রস্তুতি ভালো ছিল। প্রতিটি ক্রিকেটার তাদের যে যে জায়গায় কাজ করা দরকার, সেই জায়গা থেকে প্রস্তুত হয়েই ম্যাচ খেলতে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেসবুক লাইভে আমার দেশ-এর কপি ছিঁড়লেন রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


ফেসবুক লাইভে আমার দেশ-এর কপি ছিঁড়লেন রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান ফেসবুক লাইভে আমার দেশের কপি ছিঁড়েছেন। শনিবার, সম্প্রতি প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এই কাজটি করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, রাশেদ তার ক্ষোভ প্রকাশ করে পত্রিকার কপি ছিঁড়ে ফেলছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এই দুই প্রতিবেদনের মাধ্যমে তার সুনাম ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে।

শনিবার আমার দেশে ‘এক হয়েছেন হাসিনাপুত্র জয় ও কিছু নব্য বিএনপি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর আগে ১৫ অক্টোবর ‘প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সহকারীরা কী করছেন’ শিরোনামে লিড নিউজ প্রকাশিত হয়েছিল। উভয় প্রতিবেদনে রাশেদ খানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

লাইভ ভিডিওতে রাশেদ অভিযোগ করেন, ১৫ অক্টোবরের প্রতিবেদনে তাকে ঢালাওভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, তার কাজের বিষয়ে সামান্যই উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, গতকালকের প্রতিবেদন নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রাশেদ বলেন, বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পরও তাকে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

রাশেদ খান বলেন, জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে তার সাম্প্রতিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমার দেশ-এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, জ্যেষ্ঠ ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বৈঠক করেছেন। এ বিষয়ে জামায়াতকে তদন্তের চ্যালেঞ্জ জানান তিনি। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বা দলটির গঠিত তদন্ত দলকে প্রমাণ সরবরাহ করতে পারেন তিনি। যদি বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত হয়, জামায়াত তার নামে মানহানির মামলা করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%