রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১২ পি.এম
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ভাড়া যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাদের নয়
গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া, মিটার ভাড়া এবং অন্যান্য অভিযোগের কারণে, যা প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার রিচার্জের সময় দেখা দিয়েছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি (ডিপিডিসি) জরুরি ব্যাখ্যা প্রদান করেছে।
সম্প্রতি ডিপিডিসি জানায়, গ্রাহকদের ভোগান্তি ও উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে প্রিপেইড মিটার, বিলিং, ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট, মিটার ভাড়া এবং বিদ্যুৎ সংযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
মিটার ভাড়া কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
যেসব গ্রাহক নিজ খরচে প্রিপেইড মিটার কিনে স্থাপন করেছেন, তাদের জন্য কোনো মিটার ভাড়া প্রযোজ্য নয়। তবে, ডিপিডিসি কর্তৃক সরবরাহিত মিটারের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে সিঙ্গেল-ফেজ মিটারের জন্য ৪০ টাকা এবং থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য ২৫০ টাকা ভাড়া কাটা হবে।
যদি মিটার নষ্ট হয়ে যায় এবং গ্রাহক নিজে নতুন মিটার কিনে স্থাপন করেন, তাহলে সেই ক্ষেত্রে মিটার ভাড়া প্রযোজ্য হবে না।
অভিযোগ কোথায় করবেন
ডিপিডিসি জানায়, অস্বাভাবিক বিল, বিলিং-সংক্রান্ত অসঙ্গতি বা কারিগরি ত্রুটির কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট গ্রাহকসেবাকেন্দ্র, অভিযোগকেন্দ্র বা ডিপিডিসির হটলাইন ১৬১১৬-এ যোগাযোগ করতে হবে।
অভিযোগ করার সময় গ্রাহক নম্বর ও মিটার নম্বর প্রদান করলে বিষয়টি যাচাই করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের সদরে একটি কারেন্ট জাল উৎপাদন কারখানা অভিযান চালিয়ে মনোফিলামেন্ট সুতাসহ আনুমানিক ১০ হাজার রিল জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের আদারিয়া এলাকায় বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পরে জব্দ করা মনোফিলামেন্ট সুতা রিলগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসেমের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সহযোগিতা করে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ সদস্যরা। এ সময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. গোলাম মেহেদী হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে মুক্তারপুর নৌপুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ মো. আব্দুল মাবুদসহ নৌপুলিশের সদস্য এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মচারীরা অংশ নেন।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসেম বলেন, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে অবৈধ কারেন্ট জালের উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধে এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের নিকটবর্তী ওভেরবিলিয়ে শহরে একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের ফলে নাহিল (২) নামের এক বাংলাদেশি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় সাতজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেইন-সাঁ-দনি (৯৩) ডিপার্টমেন্টের ওভেরবিলিয়ে শহরের রু পল-ভেরলেন এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত নাহিল হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নের কাটখাল গ্রামের বাসিন্দা রাসেলের সন্তান। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণে গুরুতর আহত নাহিলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
বিস্ফোরণের শব্দ ও ধাক্কায় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকল বাহিনী, পুলিশ এবং জরুরি উদ্ধারকারী দল। ধসে পড়া অংশের নিচে কেউ আটকে আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উদ্ধার অভিযানে প্রায় ১১০ জন দমকলকর্মী অংশগ্রহণ করেন। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দলও মোতায়েন করা হয়।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম লো মোঁদ, লো প্যারিজিয়াঁ ও এএফপির প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিককে বিস্ফোরণের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে গ্যাসের উৎস বা কী কারণে তা জমে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
বিস্ফোরণে হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করে ওভেরবিলিয়ে শহরের মেয়র সোফিয়েন কারুমি জানান, ঘটনায় একজন শিশু নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় মেয়র এ তথ্য জানান। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া দমকলকর্মী, পুলিশ সদস্য ও সামু (SAMU)-এর জরুরি চিকিৎসাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
বিস্ফোরণের ফলে বাড়িটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে বসবাসকারী পরিবারগুলোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ক্ষতিগ্রস্তদের সাময়িকভাবে রাখার জন্য পৌরসভার একটি কক্ষ ও অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনে একটি স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এদিকে বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে বিচারিক তদন্ত শুরু হয়েছে। ববিনি প্রসিকিউটরের অধীনে তদন্তকারীরা গ্যাস লিকের উৎস ও বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ খতিয়ে দেখছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘রিসার্চ অ্যাবস্ট্রাক্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড একাডেমিক মেন্টরশীপ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের কনফারেন্স রুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা (এমসিজে) ডিসিপ্লিন এবং কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক (সিজেএন), বাংলাদেশ যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।
এতে সার্বিক সহযোগিতা করে জার্মান কোঅপারেশনের ডয়চে ভেলে (ডিডব্লিউ) একাডেমি। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন খুবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিন প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সারা মনামী হোসেন।
সহকারী অধ্যাপক মো. মাহদী আল মুহতাসিম নিবিড়ের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিজেএন নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও ইউল্যাবের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক জুড উইলিয়াম হেনিলো, ডয়চে ভেলে (ডিডব্লিউ) একাডেমির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জিমি আমির এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন অধ্যাপক শেখ শরাফত হোসেন।
কর্মশালায় দুটি পৃথক টেকনিক্যাল সেশনে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রথম সেশনে ‘গুণগত গবেষণার দর্শন ও উপাত্ত বিশ্লেষণ’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার চন্দ। দ্বিতীয় সেশনে ‘পরিমাণগত গবেষণা: উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন অধ্যাপক ড. জিয়াউল হায়দার।
কর্মশালায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং নর্দান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজনৈতিক বৈরীতায় ২০১৩ সালের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে সমর্থকদের আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখির জন্য অপেক্ষা করে থাকতে হয়।
সবশেষ বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতো বড় টুর্নামেন্টগুলোতে ভারত এই লড়াইয়ে আধিপত্য বিস্তার করেছে। এমন পরিস্থিতিতে আইসিসি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় বা চতুর্দেশীয় সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এটি একটি বড় সিরিজ হতে পারে যা কোনো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজন করা সম্ভব, যেখানে কোনো দলেরই খেলতে আপত্তি থাকবে না।
‘এআরওয়াই নিউজ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুবাইয়ে অনুষ্ঠেয় আইসিসির আসন্ন সভায় এই ত্রিদেশীয় বা চতুর্দেশীয় সিরিজের বিষয়টি আলোচনার জন্য তোলা হতে পারে। ২২-২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় এই সভায় আন্তর্জাতিক ম্যাচের সময়সূচি এবং ২০২৭-২০৩১ চক্রের ‘ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম’ (এফটিপি) নিয়ে আলোচনা করা হবে। এই সিরিজের মাধ্যমে ভক্তরা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার লড়াই দেখার সুযোগ পাবেন।
এর আগে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, ভারত আইসিসির কাছে আরও বেশি ত্রিদেশীয় ও চতুর্দেশীয় সিরিজ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এসব সিরিজ নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে এবং ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে বেশ প্রচলিত ছিল। আসন্ন আইসিসি বৈঠকেও বিষয়টি আলোচনার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, কারণ তাদের ধারণা, দ্বিপাক্ষিক সিরিজের তুলনায় এ ধরনের সিরিজ থেকে বেশি আয় করা সম্ভব।
রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে পাকিস্তান বড় টুর্নামেন্টের বাইরে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে আরও বেশি ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দুই দেশের মধ্যে শীতল সম্পর্কের কারণে বিসিসিআই ভারত সরকারের কাছ থেকে এ বিষয়ে সবুজ সংকেত পায়নি।
ত্রিদেশীয় সিরিজে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সর্বশেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালে ‘কিটপ্লাই কাপ’-এ, যেখানে আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশও অংশ নিয়েছিল। এরপর থেকে তারা আর কোনো ত্রিদেশীয় সিরিজে একে অপরের মুখোমুখি হয়নি। দুই দেশর সবশেষ অনুষ্ঠিত সিরিজে পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজটি ড্র হয়েছিল।
এর মধ্যে গত বছরে পাহালগামে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হামলায় বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হওয়ার পর দুই দলের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এর জেরে ওই বছরে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ চলাকালীন ভারতের ক্রিকেটাররা টস বা ম্যাচ-পরবর্তী সময়ে প্রচলিত করমর্দন করেন নি। এমনকি পিসিবির চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করতেও অস্বীকৃতি জানায়। ফলে চেয়ারম্যান ট্রফিটি নিজের সাথেই নিয়ে যান এবং সূর্যকুমার যাদবের দল ট্রফি ছাড়াই জয় উদযাপন করে।
পরবর্তীতে চলতি বছরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার বিষয়ে পাকিস্তান সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করায় পিসিবি। তবে শেষ পর্যন্ত তারা মাঠে নামে তারা হেরে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ