সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২৬ পি.এম
বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে, যা মেয়েদের বিভিন্ন খেলায় সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। এই সমঝোতার আওতায় অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য রাগবি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
সোমবার, রাজধানীর ধানমন্ডিতে শহীদ রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে উভয় সংগঠনের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সহসভাপতি মৌসুম আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উভয় সংগঠনের অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এই সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ তিন বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা তৃণমূল ও রাজধানী থেকে আগ্রহী মেয়েদের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে রাগবি প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে। রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়ন প্রশিক্ষণে সহযোগিতা করবে। ফেডারেশন প্রশিক্ষকদের, খেলার উপকরণ ও সরঞ্জাম সরবরাহ করবে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে এবং ফেডারেশনের হয়ে খেলার জন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই করা হবে।
বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা মন্তব্য করেন, "সারা বিশ্বে রাগবি একটি জনপ্রিয় খেলা। বাংলাদেশেও খেলাটির জনপ্রিয়তা বাড়ছে।"
তিনি আরও বলেন, "বিশ্বব্যাপী নারীদের খেলাধুলায় গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে মেয়েদের জনপ্রিয় ও অপ্রচলিত বিভিন্ন খেলা শেখার সুযোগ তৈরিতে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চব্বিশের গণ-আন্দোলন দমনে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া ও জালকুড়ি এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যা সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের নেতৃত্বে ঘটে। এই গোলাগুলিতে আদিল ও ইয়াছিনসহ কয়েকজন নিহত হন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য প্রদানকালে প্রসিকিউশনের সাক্ষী মাহমুদ হোসেন এই তথ্য তুলে ধরেন, যিনি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি।
মাহমুদ হোসেন তাঁর সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন, আন্দোলনের সময় ফতুল্লা, সিদ্দিরগঞ্জ, জালকুড়ি লিংক রোড ও নারায়ণগঞ্জ সদরে কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হন তাঁরা। এই হামলায় অনেক নেতাকর্মী আহত ও নিহত হন। উল্লেখযোগ্যভাবে, তাদের দলের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান টিপু গুলিবিদ্ধ হন এবং টিয়ারশেলের আঘাতে তিনি নিজেও আহত হন।
১৯ জুলাইয়ের ঘটনার বর্ণনায় মাহমুদ হোসেন বলেন, চাষাঢ়া ও জালকুড়ি এলাকায় শামীম ওসমানের নেতৃত্বে ব্যাপক গোলাগুলি সংঘটিত হয়। এই গোলাগুলিতে আদিল ও ইয়াছিনসহ কয়েকজন নিহত হন। একই দিন সন্ধ্যায় ডিআইটি সড়কে রিয়া গোপ নামে এক শিশুকন্যা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।
৫ আগস্টের ঘটনার বর্ণনায় মাহমুদ হোসেন উল্লেখ করেন, সেদিন একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় শামীম ওসমানের অনুসারীরা দলের কর্মী ও মামাতো ভাই বদিউজ্জামানকে ধরে নিয়ে যায়। পরে শহীদ মিনার মোড়ে তাকে লোহার রড, পাইপ ও গাছের ডাল দিয়ে মারধর করা হয়।
সাক্ষী মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘শহীদ মিনারে গিয়ে দেখি শামীম ওসমান বলছে, ‘মার মার’। তার নির্দেশে কয়েকজন বদিউজ্জামানকে পিটাচ্ছিল। আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
মামাতো ভাই বদিউজ্জামানের মৃত্যুর জন্য শামীম ওসমানসহ আসামিদের দায়ী করে মাহমুদ হোসেন ট্রাইব্যুনালের কাছে বিচার চান। এরপর প্রসিকিউশনের আরেক সাক্ষী মোশারফ ব্যাপারী সাক্ষ্য দেন। ফতুল্লার বাসিন্দা মোশারফ ব্যাপারীর ছেলে রাকিব ২০২৪ সালের ২১ জুলাই নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। মোশারফ বলেন, ‘শুনেছি শামীম ওসমানের ছেলে, ভাতিজা ও আওয়ামী লীগের লোকজন আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের বিচার চাই।’ শামীম ওসমানসহ এ মামলার আসামি ১২ জন। তাঁদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের বেকারত্ব হ্রাসে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এসময়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষার্থীদের একাধিক ভাষায় দক্ষতা অর্জন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে তিনি তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারার উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের মুলাদী ও বাবুগঞ্জের মাঝখানে আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর বহুল প্রতীক্ষিত মীরগঞ্জ সেতুর নির্মাণকাজ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ৯ মাস পরেও শুরু হয়নি। মাটি পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট) সম্পন্ন হলেও নকশা অনুমোদন এবং ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতায় প্রকল্পের মূল কাজ থমকে রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নকশা জমা দিলেও সেতুর নির্মাণস্থলে এখনো কোনো দৃশ্যমান কাজ শুরু হয়নি।
চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে সেতু, সংযোগ সড়ক এবং নদী শাসনের কাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় বছর আগে পর্যন্ত মূল নির্মাণকাজ শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
গত বছরের ৭ ডিসেম্বর মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। তখন জানানো হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নির্মাণকাজ শুরু হবে। কিন্তু জানুয়ারি পেরিয়ে গেলেও সেতুর কোনো দৃশ্যমান নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।
মুলাদীর বাসিন্দা আক্কাস শিকদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘৯ বছর ধরে শুনছি আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর সেতু হবে। ৯ মাস ধরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাথর দেখছি। কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।’
হিজলার বাসিন্দা রব মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মুলাদী, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের বাসিন্দারা মীরগঞ্জ সেতুর অপেক্ষায় রয়েছেন। বছরের পর বছর ধরে সেতুর প্রতিশ্রুতি শুনলেও বাস্তবে কাজের অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। এখন আমরা সেতুর বাস্তব নির্মাণকাজ দেখতে চাই।’
সড়ক ও জনপথ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর একনেক সভায় মীরগঞ্জ সেতু প্রকল্প অনুমোদন পায়। প্রায় ১ হাজার ৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৪৮৪ মিটার। এর মধ্যে মূল সেতু ৫৪৪ মিটার এবং ভায়াডাক্ট ৯৪০ মিটার।
প্রকল্পের আওতায় দুই প্রান্তে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি নদীর তীর রক্ষা, ভূমি অধিগ্রহণ, টোলপ্লাজা, সড়কবাতি, ড্রেন, ফুটপাত এবং কালভার্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
পায়রা সেতুর আদলে কেবল-এক্সট্রাডোজড ধরনের এই সেতু নির্মাণে চীনের চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনকে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সয়েল টেস্ট সম্পন্ন করে গত আগস্টে নকশা অনুমোদনের জন্য জমা দিয়েছে। বর্তমানে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নকশাটি যাচাই-বাছাই করছে। পরবর্তীতে নকশা প্রণয়ন কমিটির অনুমোদন পেলেই মাঠপর্যায়ে নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
তবে শুধু নকশা নয়, ভূমি অধিগ্রহণ নিয়েও জটিলতা রয়েছে। অ্যাপ্রোচ সড়কের জন্য মুলাদী ও বাবুগঞ্জ অংশে প্রায় ২১ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছে সওজ। জমির মালিকানা নিয়ে কিছু আপত্তি ও অভিযোগ থাকায় বিষয়টি তদন্ত করছে জেলা প্রশাসন।
বরিশাল জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সহকারী কমিশনার মুহাম্মদ শাফিনুর রহমান আকন্দ গণমাধ্যমকে জানান, মুলাদী ও বাবুগঞ্জ অংশে প্রায় ২১ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এর যাচাই-বাছাই চলছে। কিছু জমির মালিকানা নিয়ে জটিলতা রয়েছে এবং কিছু জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। এসব সমস্যা সমাধানের পর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। তবে তা কতদিন লাগবে, এখনই বলা যাচ্ছে না।
বরিশাল সওজের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাসুদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, নকশার কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। আগামী নভেম্বরে নকশা অনুমোদনের আশা করা হচ্ছে। এরপর ডিসেম্বরেই সেতুর নির্মাণকাজ দৃশ্যমান হবে।
প্রকল্প পরিচালক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফারহানা হুসনা গণমাধ্যমকে জানান, নকশা যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াগুলো শেষ হলে কাজ শুরু হবে। নকশার অনুমোদন পাওয়ার পর মূল সেতু নির্মাণে সমস্যা নেই। জমির প্রয়োজন অ্যাপ্রোচ ও সংযোগ সড়কের জন্য। আশা করা হচ্ছে, জমি অধিগ্রহণের কাজ সময়মতো শেষ হবে।
এদিকে আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে মীরগঞ্জ সেতুর গুরুত্ব বাড়ছে। ভোলাকে বরিশালের সঙ্গে যুক্ত করার নতুন পরিকল্পনায় এই সেতুর মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়টি রয়েছে। ফলে সেতুটিকে ঘিরে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা থাকলেও নির্মাণকাজের ধীরগতিতে স্থানীয়দের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নগরের চকবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) অনুমোদনহীন পোস্টার ও ব্যানার অপসারণ করেছে এবং সড়ক দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
অভিযানের সময়, সড়কের ওপর নির্মাণসামগ্রী রেখে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে, সড়কে রাখা মালিকানাবিহীন প্রায় ১ হাজার ঘনফুট বালু ও কংকর জব্দ করা হয়েছে।
আজ চকবাজারের গুলজার মোড় ও প্যারেড কর্ণার এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুবাইদা আক্তারের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
চসিকের সূত্রে জানা যায়, ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে প্যারেড কর্ণার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে সড়কের ওপর নির্মাণসামগ্রী রেখে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনার সত্যতা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয় এবং সড়কে রাখা মালিকানাবিহীন প্রায় ১ হাজার ঘনফুট বালু ও কংকর জব্দ করা হয়।
এছাড়া, গুলজার মোড় এলাকার বিভিন্ন স্থানে সাঁটানো অনুমোদনহীন পোস্টার ও ব্যানার অপসারণ করা হয়।
চসিক জানিয়েছে, জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে এবং নগরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ