০২:৩২ এম
ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : নারী ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের চিকিৎসাক্ষেত্রে যদি কোনো দূরদর্শী ব্যক্তিত্বের নাম স্মরণ করা হয়, তবে অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর নাম সর্বপ্রথম উচ্চারিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ডা. হাদী শুধুমাত্র চিকিৎসকদের পেশাগত উন্নয়ন ও কল্যাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বরং নার্স ও টেকনোলজিস্টসহ সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে তিনি যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন।
অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) শহীদ ডা. মিলন হলে আয়োজিত আলোচনা ও স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এই মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: সাভার-আশুলিয়ার গার্মেন্টস শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন
সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এবং ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, "দেশটা আমাদের সকলের, এ দেশের মানুষকে সেবা করার দায়িত্বও আমাদের সকলের।"
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য বিএমইউতে রেফার করা রোগীদের জন্য বছরের ৩৬৫ দিন ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও চিকিৎসা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে গতানুগতিক ধারার বাইরে এসে কাজ করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে হবে।
আরও পড়ুন: আ. লীগের সহিংসতায় বিরোধী দলকেও খেসারত দিতে হবে: রাশেদ খান
চিকিৎসকদের মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণায় ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রণোদনা বৃদ্ধির বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
সভায় আলোচক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রয়াত অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর কর্মময় জীবন, কঠোর সময়ানুবর্তিতা, চিকিৎসাসেবায় তার ঐতিহাসিক ভূমিকা, রোগীদের প্রতি গভীর মমত্ববোধ এবং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষাদানের বিষয়গুলো গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন