ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে খুলনায় ২ যুবক গ্রেপ্তার


পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে খুলনায় ২ যুবক গ্রেপ্তার

খুলনার পাইকগাছায় পুলিশের তালিকায় নাম রয়েছে—এমন ভয় দেখিয়ে এক স্কুলশিক্ষকসহ একাধিক ব্যক্তির কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নের হোগলারচক গ্রামের জামাত আলী সরদারের ছেলে আবদুল কাদের সরদার (৩৮) এবং খোকন গাইনের ছেলে রনি গাইন (২৬)।

পুলিশ এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাইনবাড়িয়া এলাকার স্কুলশিক্ষক ঠাকুরদাসসহ স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির নাম পুলিশের তালিকায় রয়েছে বলে দাবি করেন ওই দুই যুবক। তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য তারা টাকা দাবি করেন। এছাড়াও, বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্যও তাদের পক্ষ থেকে বলা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

একপর্যায়ে, বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে মুঠোফোনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে বাইনবাড়িয়া সেতুর কাছ থেকে স্থানীয় ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খায়রুলসহ থানার পুলিশের সদস্যরা কাদের ও রনিকে আটক করেন।

বুধবার সকালে স্কুলশিক্ষক ঠাকুরদাস মুঠোফোনে জানান, ওই দুই যুবক তার নামসহ স্থানীয় আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে পুলিশের তালিকায় থাকার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করেন। তবে দুপুরের পর থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ভয়ে ওই শিক্ষক মামলা করতে রাজি হননি। তবে এ বিষয়ে পরে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুই যুবককে চলতি বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর পাইকগাছা থানায় দায়ের করা ১৭ নম্বর চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পাইকগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম মিজানুর রহমান বলেন, ওই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: বালিয়াডাঙ্গীতে পতিলাভাষা যুব সমাজের উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিসি টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে হাসানের বড় লাফ, লিটন-ইবাদতেরও উন্নতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


আইসিসি টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে হাসানের বড় লাফ, লিটন-ইবাদতেরও উন্নতি

আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বড় পুরস্কার লাভ করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ সাপ্তাহিক হালনাগাদে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস, পেসার হাসান মাহমুদ এবং ইবাদত হোসেনের।

বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সর্বশেষ টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে বোলারদের মধ্যে হাসান ৩৮তম স্থানে অবস্থান করছেন। গত অগাস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো খেলার পর প্রথমবারের মতো ৩৮ নম্বরে উঠে আসেন এই ডানহাতি পেসার।

আবু ধাবিতে প্রথম ইনিংসে হাসান হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে টেস্টে টানা তিন বলে তিন উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে তার প্রাপ্তি একটি উইকেট। এই পারফরম্যান্সের ফলে হাসান ৭ ধাপ এগিয়ে গেছেন।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ এক ধাপ এগিয়ে ২২তম স্থানে আছেন। এবাদত হোসেন ১১ ধাপ এগিয়ে ৬৭তম স্থানে উঠেছেন। অন্যদিকে, পুরো ম্যাচে একটি উইকেট নেওয়া তাইজুল ইসলাম তিন ধাপ পিছিয়ে ১৮তম স্থানে নেমে গেছেন।

আফগানিস্তানের মোহাম্মাদ সালিম ৭২তম স্থানে ২১ ধাপ, ইয়ামিন আহমাদজাই ৭৯তম স্থানে ছয় ধাপ এবং ইসমাত আলাম ১০০তম স্থানে ১৯ ধাপ এগিয়েছেন।

আফগানিস্তানের ক্রিকেটারদেরও র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি ঘটেছে। রহমত শাহ দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করে ১৩ ধাপ এগিয়ে ১৩তম স্থানে পৌঁছেছেন। সেদিকুল্লাহ আতাল ৪১ ধাপ এগিয়ে ৯১তম স্থানে অবস্থান করছেন। বোলারদের তালিকায় মোহাম্মদ সালিম ২১ ধাপ এগিয়ে ৭২তম স্থানে উঠেছেন।

লিটন কুমার দাস টেস্টের দুই ইনিংসে ৫৩ ও ১০২ রান করে তিন ধাপ এগিয়ে ভারতের লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যৌথভাবে ২৯তম স্থানে রয়েছেন। প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা তানজিদ হাসান ১০ ধাপ এগিয়ে ৯২তম স্থানে অবস্থান করছেন।

মুশফিকুর রহিম এক ধাপ পিছিয়ে ১৮তম স্থানে আছেন। তিনি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের সবার ওপরে অবস্থান করছেন। নাজমুল হোসেন শান্তও এক ধাপ পিছিয়ে ২১ নম্বরে রয়েছেন, যেখানে তিনি অধিনায়ক।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাট রেনশ ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন। ১৯০ ও ৮২ রানের ইনিংস খেলে তিনি টেস্ট ব্যাটারদের র‍্যাংকিংয়ে ১৪৯ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৪৯তম স্থানে পৌঁছেছেন। অস্ট্রেলিয়ার মারনাস লাবুশেন চার ধাপ এগিয়ে ৩৪তম স্থানে রয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার এইডেন মার্করামও চার ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে দশম স্থানে উঠেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার জশ হ্যাজলউডের বোলারদের র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি ঘটেছে। ডারবান টেস্টের শেষ দিনে ৪৯ রানে ছয় উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন তিনি। ফলে দুই ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছেন। বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থানে তার সতীর্থ মিচেল স্টার্ক রয়েছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার আনরিখ নরকিয়া তিন বছরের বেশি সময় পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে র‍্যাংকিংয়ে স্থান করে নিয়েছেন। টেস্ট বোলারদের তালিকায় তার অবস্থান ৩৪তম।

টেস্ট অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ে ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার উইয়ান মুল্ডার এক ধাপ এগিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠেছেন। তার সতীর্থ সিমন হারমার পাঁচ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২৩তম স্থানে রয়েছেন।

টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে পরিবর্তন এসেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজের প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ব্যাটারদের তালিকায় ক্যারিয়ারসেরা চতুর্থ স্থানে উঠেছেন। তিনি তিন ধাপ এগিয়েছেন।

এই তালিকার প্রথম দুই স্থান ধরে রেখেছেন ভারতের ঈশান কিষান ও অভিষেক শর্মা। তৃতীয় স্থানে পাকিস্তানের অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহান রয়েছেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর তিনি ক্যারিয়ারসেরা রেটিং পয়েন্ট অর্জন করেছেন। ফলে টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের র‍্যাংকিংয়ের সেরা চার স্থানের তিনটি এখন ভারতীয়দের দখলে রয়েছে।

ব্যাটারদের তালিকায় শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস তিন ধাপ এগিয়ে ২৩তম স্থানে উঠেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেরফান রাদারফোর্ড ১৩ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২৪তম এবং ভারতের সাঞ্জু স্যামসন চার ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২৭তম স্থানে রয়েছেন। পাকিস্তানের তরুণ ব্যাটার মাজ সাদাকাতও সেরা ১০০-এর বাইরে থেকে উঠে এসেছেন ৪৫তম স্থানে।

টি-টোয়েন্টি বোলারদের র‍্যাংকিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রস্টন চেজ ২৪ ধাপ এগিয়ে ২৩তম স্থানে উঠেছেন। অলরাউন্ডারদের তালিকায়ও তিনি দুই ধাপ এগিয়ে তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। পাকিস্তানের সালমান মির্জা নয় ধাপ এগিয়ে ১৪তম এবং সাইম আইয়ুব আট ধাপ এগিয়ে ৫৪তম স্থানে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত সমস্যা সমাধানে সংসদীয় ককাসের কাজ: ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


জলবায়ু ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত সমস্যা সমাধানে সংসদীয় ককাসের কাজ: ডেপুটি স্পিকার

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট সকলকে একত্রিত করে কাজ করার পরিকল্পনা করেছে সংসদীয় ককাস, এমনটি জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, সেগুলো মোকাবিলার জন্য সংসদীয় ককাস গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করা হয়েছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে সংসদ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, এই উদ্দেশ্যে দীর্ঘ সময় পর সকলকে নিয়ে ককাসটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) আয়োজিত সংস্থাটির ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন এবং ‘সোনার মানুষ সম্মিলন ২০২৬’-এর ‘ইন্ট্রোডিউসিং দ্য পার্লামেন্টারি ককাস অন ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডিসপ্লেসমেন্ট’ শীর্ষক অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ডেপুটি স্পিকার এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, বর্তমান সংসদ হচ্ছে জনগণের সংসদ, যা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। এই সংসদ জনগণের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা সমাধানে সংসদ সদস্যদের সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যদের নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুতি বিষয়ক সংসদীয় ককাস গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা তাদের নিজ নিজ এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সুপারিশ প্রদান করতে এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় সাধনে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

কায়সার কামাল আশা প্রকাশ করেন যে, তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা নিয়ে কাজ করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই সংসদীয় ককাস সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের দায় খুব সামান্য হলেও, দেশটি এর বিরূপ প্রভাবের শিকার হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সকলকে একত্রিতভাবে কাজ করতে হবে এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুতি বিষয়ক সংসদীয় ককাসের চেয়ারপারসন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী তার বক্তব্যে এই ককাসকে সর্বদলীয় ককাস হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জনগণের সমস্যা দূরীকরণ এবং দুর্যোগ থেকে তাদের সুরক্ষায় সংসদের ভেতরে ও বাইরে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাধ্যমতো অবদান রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে রামরুর নির্বাহী পরিচালক ড. তাসনিম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সংসদীয় ককাসের সদস্য সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, আবুল হোসেন খান ও মো. আনোয়ারুল হক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক উপস্থিত ছিলেন।

দুই দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও গবেষক, বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধি, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের লাগাম টানতে স্বচ্ছতা ছাড়া কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


চীনের লাগাম টানতে স্বচ্ছতা ছাড়া কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন

চীনের ক্রমবর্ধমান কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পশ্চিম ফিলিপাইন সাগরে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য শুধুমাত্র তথ্য প্রকাশ ও স্বচ্ছতার নীতি যথেষ্ট নয়। ফিলিপাইন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সামুদ্রিক এলাকায় চীনের জাহাজের উপস্থিতি, বাধা সৃষ্টি এবং জবরদস্তিমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার এবং তথ্যযুদ্ধ মোকাবিলায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

ফিলিপাইনের পশ্চিম ফিলিপাইন সাগরবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্স জানিয়েছে, পালাওয়ান প্রদেশের ফিলিপাইন-নিয়ন্ত্রিত কোটা দ্বীপের নিকটবর্তী এলাকায় চীনের সামুদ্রিক মিলিশিয়ার ২২টি জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬২২ নম্বর চীনা সামুদ্রিক মিলিশিয়া জাহাজটি ২২টি ছোট নৌযান নিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ পর পুনরায় একই স্থানে ফিরে এসেছে। টাস্কফোর্সের তথ্যমতে, সেখানে তারা অনুমতি ছাড়া মাছ ধরা এবং সমুদ্রে বর্জ্য ফেলার কাজ অব্যাহত রেখেছে।

এছাড়া, ৮ অক্টোবর আয়ুঙ্গিন শোল এলাকায় ফিলিপিনো সেনাদের চিকিৎসা ও উদ্ধার মিশনে জলকামান ব্যবহার করে চীনা কোস্টগার্ড। ওই মিশনের উদ্দেশ্য ছিল বিআরপি সিয়েরা মাদ্রে জাহাজ থেকে এক ফিলিপিনো সেনাকে সরিয়ে নেওয়া। চীনের নিকটবর্তী মিসচিফ রিফে সামরিকীকরণের প্রতিক্রিয়ায় ১৯৯৯ সালে ফিলিপাইন ইচ্ছাকৃতভাবে আয়ুঙ্গিন শোল বা দ্বিতীয় টমাস শোলে জাহাজটি স্থাপন করেছিল।

অচল অস্থায়ী সমঝোতা

উত্তেজনা কমাতে এবং ভুল হিসাব-নিকাশের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে ২০২৪ সালে চীন ও ফিলিপাইন একটি অস্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে, ২৫ সেপ্টেম্বর বিআরপি সিয়েরা মাদ্রেতে সেনা পরিবর্তন ও রসদ সরবরাহের মিশনে চীনের কোস্টগার্ড এবং পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভি বাধা দিয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিপাইন।

এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর ফিলিপিনো জেলেদের কাছে জ্বালানি পৌঁছানোর পথে চীনের কোস্টগার্ডের একটি জাহাজের ধাক্কায় ফিশিং সাপোর্ট ভেসেল ‘বিআরপি দাতু মাগাত সালামাত’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ফিলিপাইনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, গত এক মাসে পশ্চিম ফিলিপাইন সাগরে চীনের সামরিক ও কোস্টগার্ড জাহাজের উপস্থিতি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ফিলিপাইন জানায়, পাক-আসা দ্বীপ, আয়ুঙ্গিন শোল, এসকোদা শোল এবং চীনের নিয়ন্ত্রণে থাকা স্কারবরো শোলের আশপাশে ১০১টি চীনা নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজ শনাক্ত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্টে এ সংখ্যা ছিল ৫৬।

চ্যালেঞ্জের মুখে নতুন কৌশল : কতটা কার্যকর?

সমুদ্রে অনুপ্রবেশ ও চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি পশ্চিম ফিলিপাইন সাগর নিয়ে চীনের তথ্য প্রচার ফিলিপাইনের জাতীয় নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ওপর জনআস্থার জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। চীনের তথ্য প্রচারের মধ্যে ইতিহাসের পুনর্ব্যাখ্যা, ফিলিপাইনের স্বাধীনতাকে খাটো করে দেখানো এবং উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে চীনের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার বিষয় রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটির প্রভাবশালী মহলে প্রভাব বিস্তার করে অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরির পথও তৈরি হতে পারে।

সিঙ্গাপুরে সাম্প্রতিক ফোর্বস গ্লোবাল সিইও সম্মেলনে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র বলেন, চীনের সঙ্গে উত্তেজনা সামাল দেওয়া এবং সংঘাতের বিস্তার এড়ানোর বাস্তবতা মেনে নিয়েছে তার দেশ। তবে, এই অবস্থানকে চীনের কাছে নতি স্বীকার হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। বরং ফিলিপাইন নীরব কূটনীতির পরিবর্তে সামুদ্রিক এলাকায় চীনের কর্মকাণ্ডের ছবি, ভিডিও ও প্রতিবেদন প্রকাশের নীতি গ্রহণ করেছে। এর উদ্দেশ্য জনসচেতনতা বাড়ানো, অপতথ্য মোকাবিলা এবং ২০১৬ সালের সালিশি রায় বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদার করা।

তবে, এ কৌশল একা চীনের আচরণ পরিবর্তন করতে পারছে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, ফিলিপাইনকে আরও কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

প্রতিরক্ষা বলয় ও ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ

প্রতিরক্ষা কৌশলের ক্ষেত্রে মার্কোস জুনিয়র সরকারের কমপ্রিহেনসিভ আর্কিপেলাজিক ডিফেন্স কনসেপ্ট বা সমন্বিত দ্বীপপুঞ্জ প্রতিরক্ষা ধারণা সামরিক ঘাঁটি বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেওয়া, দূরপাল্লার আঘাত হানার সক্ষমতা বাড়ানো এবং ভৌগোলিক সুবিধা কাজে লাগানোর ভিত্তি তৈরি করেছে। চীনের প্রবেশ-প্রতিরোধ ও এলাকা-নিয়ন্ত্রণ কৌশলের পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে এ ধারণা বিবেচিত হতে পারে।

সুতরাং, ফিলিপাইনের উচিত বিদেশি সামরিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা গভীর করা এবং ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ, অস্ত্র মোতায়েন ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে সামরিক সম্পদ ব্যবহারের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নির্ধারণ করা। একই সঙ্গে চীনের তথ্যপ্রভাব মোকাবিলায় শুধু ঘটনা প্রকাশ করলেই চলবে না। জাতীয় স্বার্থ, অভিন্ন মূল্যবোধ ও কোন সীমা অতিক্রম করা যাবে না—এসব বিষয়ে বক্তব্য ও পদক্ষেপের মধ্যে সমন্বয় আনতে হবে।

ফিলিপাইনের অধিকাংশ মানুষ খবর ও তথ্যের জন্য ফেসবুকের ওপর নির্ভর করায় ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে মিত্র দেশ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রসমর্থিত বা তাদের ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমের ভূমিকা বিবেচনায় নিতে হবে।

সম্ভাবনার সুযোগ

এছাড়া, ২০২৬ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সভাপতিত্বের দায়িত্ব কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার সুযোগ রয়েছে ফিলিপাইনের সামনে। মিয়ানমার সংকট, থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্ত বিরোধ এবং দক্ষিণ চীন সাগরের উত্তেজনা মোকাবিলায় আসিয়ান কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারলে আঞ্চলিক নেতৃত্বের অবস্থান দুর্বল হতে পারে।

১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠার সময় আসিয়ানের ঐকমত্য ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি যে বাস্তবতার প্রতিফলন ছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তার থেকে অনেকটাই আলাদা। তাই আঞ্চলিক নীতিমালা হালনাগাদ এবং নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ ফিলিপাইনের রয়েছে।

পশ্চিম ফিলিপাইন সাগরে চীনের তৎপরতা মোকাবিলায় তথ্য প্রকাশ গুরুত্বপূর্ণ হলেও কার্যকর প্রতিরোধ, সমন্বিত কৌশল, প্রযুক্তি খাতে জবাবদিহি এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক উদ্যোগের সমন্বয় ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনা কঠিন—এমনটাই অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান লোয়ি ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাজেকে বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


সাজেকে বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ঘোষণা

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে প্রশাসনকে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমার মধ্যে তিন দফা দাবি পূরণ না হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) থেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ঘোষণা করেছে পাহাড়ের দুটি সংগঠন। সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি এবং সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠন দুটির নেতারা এই ঘোষণা প্রদান করেন। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা এবং সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সাজেকের মাচালং এলাকার বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে গত ১১ অক্টোবর সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। এই অবরোধের ফলে সাজেকে বেড়াতে আসা এক হাজারের বেশি পর্যটক আটকা পড়েন।

পরে নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ এসকর্টের মাধ্যমে পর্যটকদের ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রশাসন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবিগুলো পূরণের আশ্বাস দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে সোমবার ও মঙ্গলবার অবরোধ কর্মসূচি সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবিগুলো পূরণ না হওয়ায় পুনরায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, পাহাড়ের দুই সংগঠনের সড়ক অবরোধ, সাজেকে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে জেলা প্রশাসকের (খাগড়াছড়ি) মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ও মানবন্ধন করেছে ব্যবসায়ী এবং জনসাধারণ।

এদিকে, অবরোধের ঘোষণায় সাজেকের পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ী, হোটেল-মোটেল মালিক, কর্মচারী, শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রটির স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং পর্যটকদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন মহল থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, পর্যটন মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আবারও অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ শুরু হলে সাজেকের পর্যটন ব্যবসা, হোটেল-মোটেল, পরিবহন খাত এবং জীবিকা নির্বাহে পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল মানুষেরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

এ অবস্থায় সাজেকের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পর্যটকদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখতে প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগ কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%