ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিনিয়োগ তহবিল কেলেঙ্কারিতে তুরস্কের সাবেক মন্ত্রী ফাতমা বেতুল সায়ান কায়া কারাগারে


বিনিয়োগ তহবিল কেলেঙ্কারিতে তুরস্কের সাবেক মন্ত্রী ফাতমা বেতুল সায়ান কায়া কারাগারে

তুরস্কের বিনিয়োগ তহবিলের কেলেঙ্কারির তদন্তের প্রেক্ষিতে দেশটির সাবেক মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন একে পার্টির জ্যেষ্ঠ নেত্রী ফাতমা বেতুল সায়ান কায়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শুক্রবার ভোরে এ আদেশটি জারি করা হয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এবং দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কায়া সেপ্টেম্বর মাসে দলের উপপ্রধানের পদ ত্যাগ করার পর একে পার্টি থেকেও পদত্যাগ করেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, বিনিয়োগ তহবিলে সংকটের সূচনার ঠিক আগে শেয়ার বিক্রি করে তিনি উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জন করেন। ওই সংকটের কারণে তুরস্কের শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন ঘটে।

আনাদোলুর রিপোর্ট অনুযায়ী, ইস্তাম্বুলের একটি আদালত কায়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যা হলো পুঁজিবাজার আইন লঙ্ঘন এবং অপরাধের উদ্দেশ্যে গঠিত একটি সংগঠনের সদস্য হওয়া।

আরও পড়ুন: আমাজন রেইনফরেস্টে প্রায় ১২ হাজার ৬০০ বছরের প্রাচীন শিলাচিত্র, আট মাইল বিস্তৃত ‘প্রাচীনকালের সিস্টিন চ্যাপেল’

ইস্তাম্বুলের প্রধান আইনজীবীর কার্যালয়ের অর্থপাচার তদন্ত বিভাগে জিজ্ঞাসাবাদের পর কায়ার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই মামলায় তার স্বামী ইলিয়াস কায়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তবে আদালতের শর্ত অনুযায়ী, তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।

আইনজীবীর অভিযোগ অনুযায়ী, কায়ার কাছে পুঁজিবাজারে লেনদেন হওয়া বিভিন্ন আর্থিক পণ্যের দাম বা মূল্যকে প্রভাবিত করতে সক্ষম এমন গোপন তথ্য ছিল। আনাদোলুর প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, সংকটের কেন্দ্রে থাকা একটি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মকর্তা এমরে তেজমেনের সঙ্গে কায়ার যোগাযোগ ছিল, যা তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রধান বিরোধী দল ইয়েনি পার্টির এক মুখপাত্র অভিযোগ করেন, কায়া ও তার স্বামী বিনিয়োগ বিক্রি করে প্রায় ২১৭ কোটি লিরা বা ৪ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার ডলার উপার্জন করেছেন। তাদের মোট ১৬ কোটি ৩০ লাখ লিরা বা ৩২ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বিনিয়োগ বিক্রির মাধ্যমে এই অর্থ অর্জিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এসব বিনিয়োগ বিক্রি করা হয়েছিল, যার বেশির ভাগই ছিল জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ওজাতা দেনিজিলিকের শেয়ার। এপ্রিলের শুরুতে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল প্রায় ২২০ লিরা, যা ১৫ সেপ্টেম্বর বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৯৮০ লিরায়। অর্থাৎ, বিনিয়োগ তহবিল খাতে অস্থিরতা শুরুর আগেই শেয়ারটির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছিল।

আরও পড়ুন: ইরানে কবে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র, জানা গেল ৯ নভেম্বর তারিখ

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের সন্দেহ, কম লেনদেন হওয়া কয়েকটি শেয়ারের দাম কারসাজির মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছিল, যার ফলে বাজারে নগদ অর্থের সংকট তৈরি হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে এসব শেয়ারের দাম দ্রুত কমতে শুরু করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো:রাজিব তালুকদার

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

সাবেক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও দৈনিক অবজারভার সম্পাদক এবং সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বেনিফিশিয়ারি ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন গণমাধ্যমে সরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধ এবং আওয়ামী লীগের প্রচারণা ও ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১১টায় ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে ‘ঝালকাঠির সচেতন নাগরিক সমাজ’-এর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ছাত্রনেতা আসিফ আল ইমরান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংগঠক আবীর লস্কর ও ইমরাতুল খান ইমরান, ছাত্রনেতা মো. মাহফুজার রহমান, শান্ত আহমেদ রিজু ও শাওন শরীফ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বিগত শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে ইকবাল সোবহান চৌধুরী নানা ধরনের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার দীর্ঘসূত্রতায় রেখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তথ্য উপদেষ্টার পদ লাভ করেন বলে দাবি করেন বক্তারা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তাঁর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

বক্তারা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ইকবাল সোবহান চৌধুরী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। এ সময় তাঁর সম্পাদিত দৈনিক অবজারভারসহ নিয়ন্ত্রণাধীন সব গণমাধ্যমে সরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধের দাবি জানান তাঁরা।

মানববন্ধনে স্থানীয় ছাত্রনেতা ও সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ির ৬ সদস্যকে হত্যার পর শহরে ছড়িয়ে দিলেন লাশের টুকরো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ির ৬ সদস্যকে হত্যার পর শহরে ছড়িয়ে দিলেন লাশের টুকরো

ভারতের বেঙ্গালুরুতে এক ক্যাবচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ির ছয় সদস্যকে হত্যা করেছেন পারিবারিক বিরোধের কারণে। হত্যাকাণ্ডের পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মরদেহের বিভিন্ন অংশ শহরের একাধিক স্থানে ফেলে দেন অভিযুক্ত। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্তের নাম ইন্দুশেখর। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী সুনীতা, শাশুড়ি রূপবতী, দুই শ্যালক শিবকুমার ও শঙ্কর, দুই শ্যালিকা দিব্যা ও নলিনী এবং শঙ্করের সাত বছর বয়সি ছেলে পুনীত। সব মিলিয়ে স্ত্রীসহ একই পরিবারের সাতজনকে হত্যার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উঠেছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ইন্দুশেখর পরিকল্পিতভাবে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। প্রথমে তিনি নিজের স্ত্রীকে হত্যা করেন। এরপর পারিবারিক অনুষ্ঠানে আপ্যায়নের কথা বলে দুই শ্যালককে বাড়িতে ডেকে আনেন। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে তাদের হত্যা করা হয়। পরে তিনি তাদের স্ত্রী, নিজের শাশুড়ি এবং সাত বছর বয়সি শিশুটিকেও হত্যা করেন।

পুলিশের ধারণা, শিলনোড়া দিয়ে আঘাত করে তাদের হত্যা করা হয়েছে। এরপর অভিযুক্ত নিজের গাড়িতে করে মরদেহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ফেলে দেন। হত্যার পর রক্তের দাগ মুছে ফেলা এবং রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে আলামত নষ্টের চেষ্টাও করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, পারিবারিক বিরোধ থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত। স্ত্রীর সঙ্গে তার বাবার বাড়ির পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত যোগাযোগ রাখা নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন ইন্দুশেখর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই বিষয়ে ক্ষোভ পুষে রেখেছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকেই এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করছে পুলিশ।

শ্রীরামপুরা থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়েরের পর ঘটনাটি পুলিশের নজরে আসে। তদন্তের একপর্যায়ে ইন্দুশেখরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি একাধিকবার পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেন। এতে পুলিশের সন্দেহ আরও বাড়ে।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে সাতজনকে হত্যার কথা তিনি স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। তবে তার দেওয়া তথ্য যাচাই করে দেখছেন তদন্তকারীরা।

এদিকে নন্দী পাহাড়ের পাদদেশসংলগ্ন এলাকায় প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেখান থেকে সাত বছর বয়সি একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে শিশুটির পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। বাকি মরদেহগুলোর সন্ধানে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

একটি পারিবারিক বিরোধের জেরে একই পরিবারের সাতজনকে হত্যার অভিযোগ ঘিরে বেঙ্গালুরুতে ব্যাপক উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চকরিয়ায় গৃহবধূকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যা: স্বামী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৪ পি.এম


চকরিয়ায় গৃহবধূকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যা: স্বামী আটক

কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকায় পারিবারিক কলহের কারণে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে এবং বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার পর পরিস্থিতি বেগতিক দেখে, স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা ওই গৃহবধূকে বাড়ির চালার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার প্রচার চালান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় জনতার সহায়তায় পুলিশ ঘাতক স্বামীকে আটক করেছে। উল্লেখ্য, ঘটনার সময়ও একই স্থানে ছিল।

গৃহবধূর নাম রুমা আক্তার (৩০)। তিনি মাঝের পাড়া গ্রামের বাহাদুর আলমের কন্যা এবং মোহাম্মদ মানিকের স্ত্রী। তাদের ৮ বছরের সন্তান মো. লাবিব জানায়, তার বাবা মানিক বৃহস্পতিবার রাতে হাতুড়ি দিয়ে তার মাকে পিটিয়ে এবং বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেছেন।

স্থানীয়দের মতে, রুমা আক্তারের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে স্বামী মানিক নিয়মিত শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। বাড়ি নির্মাণের জন্য এনজিও থেকে নেওয়া ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। এর মধ্যে মানিক রুমার আরেক খালাতো বোনকে বিয়ে করেন। শেষ পর্যন্ত, প্রথম স্ত্রী রুমা আক্তারকে পিটিয়ে হত্যা করেন স্বামী মানিক।

চকরিয়া থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘লক্ষ্যারচরে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে কিনা, তা এখনই বলা যাবে না। কারণ শরীরের বাইরে তেমন কোন আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। তাই ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা স্বামী মানিককে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। এই ঘটনায় মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তিসাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলীকদমে ৩২টি পাহাড়ি পাড়ায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৪ পি.এম


আলীকদমে ৩২টি পাহাড়ি পাড়ায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের উদ্বোধন

‎

বান্দরবান, ৬ নভেম্বর, ২০২৬ : আলীকদম উপজেলার থিংকুপাড়াসহ ৩২টি দুর্গম পাহাড়ি পাড়ায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে।

এই প্রকল্পটি দীর্ঘদিনের পানি সংকট সমাধান এবং পাহাড়ি জনগণের জন্য নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।

‎

গতকাল বৃহস্পতিবার, উপজেলার থিংকুপাড়ায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামছুল আলম, এনডিসি, পিএসসি।

‎

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। প্রকল্পের আওতায় পাহাড়ি ঝিরি থেকে ৯.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি এনে ৮ আউটলেটের মাধ্যমে থিংকুপাড়াসহ ৩২টি দুর্গম পাহাড়ি পাড়ার বাসিন্দাদের পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত জনগণের জন্য নিরাপদ পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।

এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন পানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পানি সংগ্রহে সময় ও শ্রম সাশ্রয়ের আশা করা হচ্ছে।

‎

প্রধান অতিথি মন্তব্য করেন, প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত জনগণের জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের পানি সংকট সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখা। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সংশ্লিষ্ট ৩২টি পাহাড়ি পাড়ার স্থানীয় বাসিন্দারা সরাসরি উপকৃত হবেন।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সুপেয় পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পাহাড়ি জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি হ্রাস এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দুর্গম পাহাড়ি জনপদে বিশুদ্ধ পানির মতো মৌলিক চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

‎

১০ কিলো এলাকার থিংকু পাড়ার কারবারী বিশ্ব ত্রিপুরা বাসসকে জানান, "আমাদের গ্রামের লোকজনকে এক সময় অনেক কষ্ট করে ঝিরি ঝর্ণা পানি পান করতে হতো। শুকনো মৌসুমে ঝিরিগুলো শুকিয়ে গেলে আমরা আর পানি পাইনা কোথাও।"

তিনি বলেন, "বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে গ্রামের মধ্যে পাইপ লাইন দিয়ে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%