ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সন্তানের মেধা বিকাশে ঘুমানোর আগে করুন এই ৪ কাজ


সন্তানের মেধা বিকাশে ঘুমানোর আগে করুন এই ৪ কাজ

সন্তানের বুদ্ধি বিকাশের জন্য ঘুমানোর সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা প্রয়োজন। শিশুদের রাতের ঘুমের আগে যে অভ্যাসগুলি গড়তে হবে, সেগুলো হচ্ছে মোবাইল ফোন ও ট্যাব থেকে দূরে থাকা। শিশুরা যে অভ্যাসগুলি শেখে, তা তাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে শিশুর মস্তিষ্কের বড় অংশের বিকাশ ঘটে এবং এই সময়ে সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে নিচের চারটি কাজ করাতে হবে।

প্রথমত, গল্প শোনানোর অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। মোবাইল বা ট্যাবের ব্লু লাইট শিশুর চোখ ও মস্তিষ্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তাই ঘুমোনোর আগে এসব ডিভাইস একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। বরং, গল্পের বই পড়ানো উচিৎ। আড়াই থেকে তিন বছর বয়স থেকেই শিশুকে গল্প শোনানোর অভ্যাস গড়ে তুললে, এতে ভাষাজ্ঞান উন্নত হয় ও কল্পনাশক্তি বিকশিত হয়।

দ্বিতীয়ত, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। যখন শিশু একটু বড় হয় এবং নিজে পড়তে শিখে, তখন তাকে বই পড়তে উৎসাহ দিন। শোয়ানোর সময় হাতে গল্পের বই তুলে দেওয়া উচিৎ। ছোটবেলা থেকেই বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হলে, মোবাইল ফোনের প্রতি আকর্ষণ কমে যাবে।

আরও পড়ুন: ৩০ সেকেন্ডের অভ্যাসে মানসিক চাপ কমানো সম্ভব

তৃতীয়ত, একসঙ্গে গল্প করা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক বাবা-মা খুদে বয়সে সন্তানের সাথে একই বিছানায় ঘুমায়। এই সময়টা কাজে লাগিয়ে দিন সম্পর্কে কথা বলুন। স্কুলে কি শিখেছে, আগামী দিনের পরিকল্পনা এসব নিয়ে আলোচনা করুন। আন্তরিক কথোপকথন শিশুদের মানসিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে।

চতুর্থত, মেডিটেশন বা ধ্যানের অভ্যাস গড়ে তুলুন। ঘুমোনোর আগে ৫ থেকে ১০ মিনিট হালকা মেডিটেশন বা শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করান। এতে শিশুর মন শান্ত হয় এবং চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি পায়। এই অভ্যাস পরীক্ষার জন্য অমূল্য।

সন্তানের ঘুমানোর সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের অভ্যাসই তাদের চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করে। তাই বই, গল্প, কথা ও ধ্যানের মাধ্যমে প্রতিদিনের অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই ছোট অভ্যাসগুলো ভবিষ্যতে বড় পরিবর্তন আনবে।

আরও পড়ুন: খালি পেটে গরম পানির সঙ্গে মধু খেলে কী উপকারিতা হয়?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুর সুস্থ বিকাশে বাবা-মা দুজনেরই ভূমিকা অপরিহার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৮ এম


শিশুর সুস্থ বিকাশে বাবা-মা দুজনেরই ভূমিকা অপরিহার্য

একটি সুন্দর এবং উন্নত ভবিষ্যতের জন্য শিশুর প্রাপ্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা একাই যথেষ্ট নয়, বরং একটি স্থিতিশীল পারিবারিক কাঠামোও অপরিহার্য। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে, বাবা ও মায়ের সম্মিলিত সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠা শিশুরা তাদের শিক্ষাজীবনে শুধু ভালো করে না, বরং মানসিকভাবে অনেক বেশি সুসংহত ও স্থিতিশীল হয়ে ওঠে।

মাতৃত্ব ও পিতৃত্বের ধরন আলাদা হলেও শিশুর পূর্ণ বিকাশের জন্য একটি ভারসাম্য সৃষ্টির মধ্যে নিহিত রয়েছে দুই পক্ষের গুরুত্ব। বাবা-মায়ের মধ্যে শ্রদ্ধা ও আস্থার সম্পর্কও এর জন্য অপরিহার্য।

১. মায়ের স্নেহ ও আবেগীয় নিরাপত্তা

গবেষণার ফলে দেখা যায়, মায়েরা সাধারণত শিশুদের প্রতি অধিক আবেগপ্রবণ, ধৈর্যশীল এবং সংবেদনশীল হন। শিশুর যেকোন সংকটের সময় মা অগ্রসরে উপস্থিত হয়ে শিশুটির পাশে দাঁড়ান, যা শিশুর মনে এক ধরনের গ্রহণযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার বোধ তৈরি করে। এ কোমল আচরণ শিশুটিকে আত্মবিশ্বাসী হতে সহায়তা করে এবং মানসিকভাবে সুরক্ষিত রাখে।

২. বাবার শাসন ও শৃঙ্খলা

অন্যদিকে, বাবারা পরিবারের কাঠামো ও শৃঙ্খলার দিকে বেশি মনোযোগ দিতে পারেন। বাবার এই দিকটি বাবা সন্তানকে নিয়ম মেনে চলতে শেখায় এবং নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে উৎসাহিত করে। যা শিশুদের ভবিষ্যৎ জীবনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করে।

৩. খেলাধুলা ও স্বাধীনতা

মায়েরা সাধারণত শিশুকে শান্ত ও নিরাপদ রাখতে চান, কিন্তু বাবারা শিশুদেরকে নিয়ে সক্রিয় এবং রোমাঞ্চকর খেলাধুলায় মেতে ওঠেন। গবেষণায় দেখা গেছে, বাবারাই শিশুদেরকে শারীরিক পরিশ্রমের কাজে বা খেলাধুলায় উৎসাহিত করেন ও কৈশোর থেকে যৌবনে উত্তরণের সময় বাবারাই সন্তানদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য প্রেরণা দেন।

৪. পরিবার ও শিশুর সুরক্ষা

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জৈবিক বাবা ও মায়ের স্থিতিশীল সংসারে বেড়ে ওঠা শিশুরা তুলনামূলকভাবে বেশি নিরাপদ থাকে। এ ধরনের পারিবারিক কাঠামো শিশুকে শুধু দারিদ্র্য থেকে রক্ষা করে না, বরং শারীরিক ও মানসিক লাঞ্ছনার ঝুঁকিও অনেক কমিয়ে দেয়।

বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় দেখা গেছে, দুই অভিভাবকের শানিত উপস্থিতিতে শিশু সাধারণত যে স্থিতিশীল আবেগপ্রবণ পরিবেশ পায়, তা তাদের উন্নতির জন্য চূড়ান্ত সহায়ক হয়ে থাকে। ২০ লাখের বেশি শিশুর তথ্য বিশ্লেষণ করে বোঝা গেছে, যেসব পরিবারে দুই অভিভাবক উপস্থিত থাকেন, সেখানে শিশুর শিক্ষাগত সাফল্য তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। অন্যদিকে, একক অভিভাবকের বাড়িতে বেড়ে ওঠা সন্তানদের শিক্ষা অর্জন করতে একটু ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। কারণ সিঙ্গেল মা বা বাবা তাদের কাজ ও দায়িত্ব একা সামলাতে গিয়ে অনেক বেশি চাপ অনুভব করেন। এতে শিশুর মানসিক সমর্থন কমে যেতে পারে, এবং পড়াশোনা শেষ করার ক্ষেত্রে আর্থিক অসংগতিও একটি বড় কারণ হয়ে ওঠে।

মূল কথা হল, একটি শিশুর জন্য শুধুমাত্র দুজন অভিভাবক থাকা যথেষ্ট নয়, বরং তাদের মা ও বাবার ভিন্ন ভিন্ন স্নেহ, শাসন এবং সুরক্ষার উপাদানগুলো একত্রিত হয়ে শিশুর জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করে। এ ক্ষেত্রে বৈবাহিক স্থিতিশীলতাই একটি শিশুর সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার সবচেয়ে কার্যকর আশ্রয়।

সূত্র: দ্য লায়ন অবলম্বনে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিচালকের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে ৩৭ বছর পর মুখ খুললেন নায়িকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫০ এম


পরিচালকের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে ৩৭ বছর পর মুখ খুললেন নায়িকা

বলিউড অভিনেত্রী সোনম খান সম্প্রতি একাধিক গুঞ্জন নিয়ে কথা বললেন। বিশেষত, ৩৭ বছর আগে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ত্রিদেব’ সিনেমাকে কেন্দ্র করে বহু বছর ধরে চালু থাকা একটি গুঞ্জন বেরিয়ে এসেছে। এই গুঞ্জনের সমাজে বেশ কিছু সময় ধরে প্রচলিত ছিল যে, সোনম খান অভিনেতা এবং সিনেমার পরিচালকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জন্যেই ছবিতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিলেন।

বিগত গত ৩৭ বছর পরে এসে সোনম খান সকলকে জানিয়েছেন যে, পরিচালকের সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘ওয়ে ওয়ে’ গানের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি লেখেন, ‘না, বড় করে বলছি—না। ত্রিদেব-এর শুটিং চলাকালে আমার পরিচালকের সঙ্গে কোনো প্রেম ছিল না।’

এই প্রসঙ্গে সোনম খান উল্লেখ করেছেন যে, ছবির মুক্তির পর অনেকেই বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে, পরিচালক রাজীব রাইয়ের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এর ফলস্বরূপ, অনেকে ভাবতে শুরু করেছিলেন যে, সোনম খান পরিচালকের সঙ্গে প্রেম করছিলেন তাই তিনি অন্যান্য দুই নায়িকার তুলনায় বেশি সুযোগ পেয়েছেন।

তিনি আরও জানান, শুটিং চলাকালে পরিচালক রাজীব রায়ের জীবনেও অন্য একজন নারী ছিলেন এবং সোনমও নিজেকে একটি সম্পর্কে আবদ্ধ করেছিলেন। সোনম বলেন, রাজীব সেটে তার প্রেমিকাকে নিয়ে আসতেন। তার প্রেমিকও শুটিংয়ের জায়গায় উপস্থিত থাকতেন। এইভাবে দেখা যাচ্ছে, শুটিং চলাকালে তাদের মধ্যে কিছুই ছিল না।

সোনমের মতে, রাজীব রায় শুরুতে তাকে ‘ত্রিদেব’-এ নেওয়ার ব্যাপারে রোমান্টিক ছিলেন না; বরং অন্য এক অভিনেত্রীকে প্রায় চূড়ান্তও করেছিল। কিন্তু প্রযোজক যশ চোপড়া তার অভিনয়ে খুব বেশি আকৃষ্ট না হলে তাকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

সোনম বলেন, সেই সময় রাজীব রায় তার কাজের প্রতি আগ্রহী ছিলেন না। তাই তাকে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি প্রায় অন্য একজনের হয়ে গিয়েছিল। চূড়ান্তভাবে বিকল্পের অভাবে তাকে নেওয়া হয়।

এই স্থানীয় প্রসঙ্গে সোনম আবারও স্পষ্ট করেছেন যে, ‘ত্রিদেব’ নির্মাণের সময় তাদের মধ্যে কোনও প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। তবে ছবির মুক্তির পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, কারণ তখন দুজনেই অবিবাহিত ছিলেন।

সোনমের ভাষায়, মুক্তির পর তারা সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যান। তার আগে কিছুই ঘটে নি, যেমন গোপন প্রেম বা ফোনকল। movieটির সাফল্যের ফলে সোনম ও রাজীব রায়ের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং ১৯৯১ সালে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর সোনম অভিনয়জগৎ থেকে নিজেকে অনেকটা সরিয়ে নেন এবং সংসার ও সন্তানকে সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের এক পুত্র সন্তান রয়েছে, যিনি অটিজমে আক্রান্ত। সোনম এবং রাজীব যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে একসঙ্গে বসবাস করেন।

যাইহোক, দীর্ঘবিরতির পর ২০০১ সালে রাজীব ও সোনম আলাদা হয়ে যান এবং ১৫ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০১৬ সালে তাদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে আর্জেন্টিনার খেলা উপভোগ করলেন দেশটির রাষ্ট্রদূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ এম


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে আর্জেন্টিনার খেলা উপভোগ করলেন দেশটির রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মধ্যকার ম্যাচকে কেন্দ্র করে উত্সবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। সেই উচ্ছ্বাসে শামিল হতে ক্যাম্পাসে এসে খেলা উপভোগ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা।

সোমবার রাতে ম্যাচ শুরুর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হল মাঠে উপস্থিত হন তিনি। রাষ্ট্রদূত মার্সেলো সেসার সহ উপস্থিত ছিলেন লিওনেল মেসি-এর ঘনিষ্ঠজন রুলি এবং তার টিমমেটরা। রাষ্ট্রদূতকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও দর্শকদের মধ্যে সৃষ্টি হয় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

শত শত আর্জেন্টিনা সমর্থকের উপস্থিতি, প্রিয় দলের জার্সি, পতাকা ও নানা আয়োজনে মুহসিন হল এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল মাঠ পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সমর্থকরা রাত ৯টা থেকেই মাঠে জড়ো হতে থাকেন।

বাংলাদেশি সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মুগ্ধ হয়ে রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা বলেন, “মনে হচ্ছে আমি আর্জেন্টিনায় আছি। এখানে এসে নিজের দেশের মতোই অনুভব করছি।” তিনি বাংলাদেশের আর্জেন্টিনাপ্রেমী দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এসময় উপস্থিত আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার রুলি বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে বলেন, “বাংলাদেশ, তোমাকে ভালোবাসি।”

ম্যাচ উপলক্ষে মুহসিন হল ছাত্রদলের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক ও সংগীতানুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

অনুষ্ঠানে রয়েছেন আর্জেন্টাইন ভ্রমণ লেখক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর ড্যান লান্দে, সৃজনশীল পেশাজীবী ম্যানুয়েল হাভিয়ের এসকেরা রামোন, মার্তিন দে এসকালাদা, মার্তিনা জয়ে গন্ডেল এবং সান্তিয়াগো কন্দে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলের পর মুখ খুললেন মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৬ এম


অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলের পর মুখ খুললেন মেসি

বিশ্বকাপের মঞ্চে একটি আরেকটি স্মরণীয় রাত হিসেবে দাগ কাটলেন লিওনেল মেসি। ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি থেকে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক কিছুটা হতাশায় পড়েছিলেন। তবে সেই হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তিনি দুটি গোল করে কেবল দলের জয়ের স্বপ্নই বাস্তবায়ন করেননি, বরং নিজের নাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও যুক্ত করেছেন।

ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে ২-০ গোলের জয় পাওয়া ম্যাচের দুটো গোলই এসেছে মেসির পা থেকেই। ম্যাচের নবম মিনিটে পেনাল্টি মিস করে সমর্থকদের হতাশার মুখোমুখি করলেও, প্রথমার্ধের শেষের দিকে দুর্দান্ত একটি ফিনিশ করে মাঠে গোল খুঁজে নেন তিনি। এই গোলের মাধ্যমে তিনি মিরোস্লাভ ক্লোজারের বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড ভাঙেন।

এরপর, দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে আবারও লক্ষ্যভেদ করেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা। বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ১৮তে, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বাধিক।

ম্যাচ শেষে মেসি মজার ছলেই বলেন, 'পুরো বিষয়টি যেভাবে ঘটেছে, তা সত্যিই অসাধারণ। আজ আমার পেনাল্টিতে গোল করার সুযোগ ছিল, যা ব্যবধান আরও বাড়াতে পারত। কিন্তু হয়তো আমি যদি সেটি (পেনাল্টি) গোল করতাম, তবে পরবর্তী দুটি গোল আর করা হতো না।'

তিনি আরও জানান, 'আগে থেকে তো আর কিছু নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে আমাদের ফলাফল, ব্যক্তিগত অংশগ্রহণ ও দলের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট ও আনন্দিত।'

এই জয়ের পর টানা দুই ম্যাচ জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই শেষ ষোলোতে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। মেসির বিশ্বাস, কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পাওয়া এই জয় দলকে পরবর্তী পর্বের জন্য আরো আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%