ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বগুড়ায় ১৫ ফুট লম্বা ব্যানারসহ ছাত্রলীগকর্মী গ্রেপ্তার


বগুড়ায় ১৫ ফুট লম্বা ব্যানারসহ ছাত্রলীগকর্মী গ্রেপ্তার

বগুড়ায় নিষিদ্ধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ১৫ ফুট লম্বা একটি ব্যানারসহ আদমদীঘি উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী সাকিব আল হাসানকে (২৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার রাতে আদমদীঘি সদর ইউনিয়নের তালসন গ্রামের কালিবাড়ী মোড়ে একটি চায়ের দোকানের পেছন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাকিব ওই গ্রামের ওছমান আলী খন্দকারের ছেলে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার সকালে সাকিবকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে আদমদীঘি সদর ইউনিয়নের তালসন গ্রামের কালিবাড়ী মোড়ে একটি চায়ের দোকানের পেছনে ৩৫ জন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সমবেত হন। সেখানে তারা আদমদীঘি থানা এলাকাসহ বগুড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে নাশকতা, অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড, যানবাহন ভাঙচুর, সরকারি স্থাপনা ক্ষতিসাধন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর পরিকল্পনা করছিলেন। ঘটনাটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে রবিবার রাত ৮টার দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন পুলিশ। এ সময় তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সাকিব আল হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া জানিয়েছেন, ‘গ্রেপ্তার সাকিবের কাছ থেকে ১৫ ফুট বাই ৩ ফুট আকারের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি রঙিন ব্যানার উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পূর্বের একটি নাশকতা মামলাও রয়েছে, তবে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেছে। সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় ২৫০ জনের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাশকতাসংক্রান্ত একটি মামলা হয়েছে। সেই মামলায় উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী সাকিব আল হাসানও আসামি ছিলেন।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫টি কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে : খনিজ সম্পদ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫টি কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে : খনিজ সম্পদ মন্ত্রী

জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ যে, বাংলাদেশে এ পর্যন্ত পাঁচটি কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। আজ সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সরকারি দলের সদস্য সেলিনা সুলতানার টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে আবিষ্কৃত পাঁচটি কয়লাক্ষেত্র হলো দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র, ফুলবাড়ি কয়লাক্ষেত্র, দিঘীপাড়া কয়লাক্ষেত্র, রংপুরের খালাসপীর কয়লাক্ষেত্র এবং জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র।

তিনি জানান, এসব কয়লাক্ষেত্রের মধ্যে শুধু বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্রের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করে ২০০৫ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। দেশের একমাত্র উৎপাদনশীল এই কয়লাখনি থেকে নিয়মিত কয়লা উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে এবং এর কার্যক্রম কখনো এখনো বন্ধ হয়নি।

ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং স্থানীয় জ্বালানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অন্যান্য কয়লাক্ষেত্রগুলোর সম্ভাবনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ চলছে।

তিনি জানান, অবশিষ্ট চারটি কয়লাক্ষেত্রের মধ্যে ফুলবাড়ি ও দিঘীপাড়া কয়লাক্ষেত্রের বিস্তারিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এসব সমীক্ষার মাধ্যমে কয়লা উত্তোলনের প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, খালাসপীর ও জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রে আংশিক সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ দু’টি ক্ষেত্রের কয়লার মজুত, উত্তোলন পদ্ধতি ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পেতে বিস্তারিত সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে দেশীয় জ্বালানি সম্পদের অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ব্যবহারে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবেশ ও জনস্বার্থ বিবেচনায় রেখে কয়লাসহ অন্যান্য খনিজ সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার বিষয়েও সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাবাডি-হ্যান্ডবলের জাতীয় মঞ্চে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


কাবাডি-হ্যান্ডবলের জাতীয় মঞ্চে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় নেই

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কাবাডি (ছাত্র) ও হ্যান্ডবল (ছাত্র-ছাত্রী) প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু জাতীয় পর্যায়ের এই আয়োজনের অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) নেই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, বাজেট সংকট, জনবল স্বল্পতা এবং নিয়মিত দল না থাকায় এ দুটি খেলায় তাদের অংশগ্রহণ সম্ভব হয়নি।

আয়োজকদের প্রকাশিত তালিকা অনুসারে, হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় যবিপ্রবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নিচ্ছে। অন্যদিকে, কাবাডি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম কোন প্রতিযোগিতার তালিকাতেই নেই।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিকেট, ফুটবল ও ব্যাডমিন্টনের তুলনায় কাবাডি ও হ্যান্ডবলের চর্চা অনেক কম। নিয়মিত অনুশীলন, খেলোয়াড় তৈরির কার্যক্রম এবং শক্তিশালী দল গঠনের অভাবে এসব খেলায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণও সীমিত। ফলে জাতীয় পর্যায়ের আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও খেলোয়াড় এ.কে.এম. নাতিক জুবায়ের জানিয়েছেন, "কাবাডি ও হ্যান্ডবলে আমাদের কোনো দল নেই। পর্যাপ্ত চর্চা এবং বিভাগভিত্তিক খেলার প্রচলন না থাকায় এ দুটি খেলায় শক্তিশালী দল গড়ে ওঠেনি। কুবি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ থাকবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ টুর্নামেন্টগুলো আরও বাড়ানো হোক এবং এসব খেলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হোক। তাহলে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতাগুলোতে ভালো ফল করা সম্ভব হবে এবং প্রতিবছর নতুন খেলোয়াড় তৈরি হবে।"

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি এইচ. এম. পিয়াস বলেন, "সাধারণত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সব খেলায় শক্তিশালী দল থাকে না। তারপরও আমরা চেষ্টা করেছিলাম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে সব ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করানোর। কিন্তু পরে বাজেট স্বল্পতার বিষয়টি সামনে আসে। পরবর্তীতে আমরা উপাচার্য স্যারের সঙ্গে দেখা করে দুই লাখ টাকার একটি বাজেটের ব্যবস্থা করি। সেই বাজেটের মাধ্যমে আমরা ভলিবল, ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছি। বাজেট স্বল্পতার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের অনাগ্রহের কারণেও কাবাডি ও হ্যান্ডবলে দল পাঠানো সম্ভব হয়নি।"

এ বিষয়ে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও ক্রীড়া কমিটির পরিচালক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন বলেন, "একটি বিশ্ববিদ্যালয় সব খেলায় অংশগ্রহণ করে না। বাজেট ঘাটতি ও অন্যান্য সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় কিছু খেলায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয় না। কাবাডি ও হ্যান্ডবলের ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের কোনো নিয়মিত দল নেই। ফলে দল নির্বাচন করে প্রতিযোগিতায় পাঠানো কঠিন হয়ে পড়ে।"

তিনি আরও যোগ করেন, "প্রতি বছর খেলাধুলার জন্য একটি নির্দিষ্ট বাজেট নির্ধারিত থাকে। কাবাডি ও হ্যান্ডবলের জন্য আগে থেকে কোনো বাজেট বরাদ্দ ছিল না। যদিও আমাদের বিভাগভিত্তিক হকি খেলা অনুষ্ঠিত হয় না, তবুও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হকি দল রয়েছে। আমরা বিভাগভিত্তিক কাবাডি আয়োজন করি না এবং বর্তমান সামর্থ্যের মধ্যে তা করা কঠিন। যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক ক্রীড়া শিক্ষক রয়েছেন। অন্যদিকে আমাদের এখানে মনিরুল আলম একাই দায়িত্ব পালন করছেন। পর্যাপ্ত বাজেট ও জনবল থাকলে কাবাডি ও হ্যান্ডবলের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।"

তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও অনেক খেলা রয়েছে। এসব খেলার চর্চা ও প্রচলন বাড়ানো গেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আরও বেশি অংশগ্রহণ করতে পারবে।"

শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক মনিরুল আলম জানিয়েছেন, "সব আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ না করার প্রধান কারণ বাজেট ও সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা। তবে ভবিষ্যতে এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠে বিভিন্ন খেলায় নিয়মিত অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সর্বজনীন অধিকারে দৃঢ় বিশ্বাসী : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সর্বজনীন অধিকারে দৃঢ় বিশ্বাসী : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ সচিবালয়ে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সর্বজনীন অধিকারে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময়ে কক্সবাজারের রামু, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর এবং কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের হার সবচেয়ে কম। যদিও দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে, তবে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আজ সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর এবং সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মার নেতৃত্বে আট সদস্যের प्रतिनिधিদল এই সাক্ষাতে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার। সাক্ষাৎকালে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং অর্পিত সম্পত্তি আইনসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার লক্ষ্যে একজন 'ফোকাল পয়েন্ট' কর্মকর্তা নির্ধারণের দাবি জানান। মন্ত্রী অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে দাবিটি বিবেচনার এবং দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রদান করেন। আলোচনা চলাকালে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে হরিদাস চন্দ্র কর্তৃক রামমন্দির নির্মাণ এবং অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তী দেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী বক্তব্য প্রদানের বিষয়টি উত্থাপিত হয়। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে সকল সম্প্রদায়েরই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা আবশ্যক।’ তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে— এমন যেকোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ হাজার টাকা ঋণ নেওয়াই কাল হলো রাসেলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


৫ হাজার টাকা ঋণ নেওয়াই কাল হলো রাসেলের

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষের মারধরে রাসেল (৩৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার জয়কা ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে এই আহত ঘটনার ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রাসেল জয়কা ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের কুতুবউদ্দিনের পুত্র।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু মাস আগে রাসেল প্রতিবেশী মো. ছাইদুর রহমানের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। সেই টাকার পরিশোধ নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে উভয়পক্ষে বিরোধ চলছিল। এর জেরে সোমবার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ছাইদুর রহমান ও তার সহযোগীরা রাসেলকে মারধর করেন। এই ঘটনায় রাসেল গুরুতর আহত হলে স্থানীয় লোকজন এবং তার স্বজনরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এমন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ফজলুর রহমান বলেন, ছোট একটি টাকার বিষয় ছিল, কিন্তু ঝগড়া দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। আজ সকালে হঠাৎ করে এই বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং মারধরের ঘটনা ঘটে। রাসেলকে মারধরের পর আমরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এই কারণে এলাকায় শোক ও উত্তেজনা দুইটি মিলিয়ে বিরাজ করছে।

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) চলতি দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%