ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিলেটে সেরা ইউএনও হলেন রতন কুমার অধিকারী


সিলেটে সেরা ইউএনও হলেন রতন কুমার অধিকারী

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী ‘শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এই সম্মাননার মাধ্যমে তার প্রশাসনিক ক্ষেত্রে দক্ষ leadership, সততা, নিষ্ঠা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। তাকে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’-এ ‘শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদের স্বাক্ষরিত ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬’ প্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

এছাড়া, শ্রেষ্ঠ ইউএনও ছাড়াও সিলেট জেলায় মোট ১৩ জন এবার ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬’-এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

জানা যায়, বিসিএস ৩৬ ব্যাচের মেধাবী এই অফিসার ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। তার কর্মদক্ষতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে উপজেলায় শিক্ষা ও সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এই সম্মাননা প্রাপ্তির পর তার নেতৃত্বে গোয়াইনঘাট উপজেলার উন্নয়ন ও শিক্ষার ধারা আরও বেশি সমৃদ্ধ হবে।

আরও পড়ুন: বালিয়াডাঙ্গীতে পতিলাভাষা যুব সমাজের উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নয়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নয়ন

জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রবিউল ইসলাম নয়ন ঢাকার মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে যুক্ত রবিউল ইসলাম নয়ন মাঠপর্যায়ের একজন পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে তিনি যুবদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। একই সাথে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবার তার হাতে নতুন দায়িত্ব BNP চেয়ারম‍্যান তারেক রহমান তুলে দিলেন।

দলের চেয়ারম্যানের আস্থাভাজন নেতাদের একজন হিসেবে রবিউল ইসলাম নয়নের নাম বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছে। নতুন কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়াকে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা।

নতুন দায়িত্ব পেয়ে রবিউল ইসলাম নয়নের অনুসারীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, তিনি কেন্দ্রীয় যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদের ছুটির আগে থেকেই উধাও বালিয়াকান্দি শিক্ষা কর্মকর্তা তাজমুন্নাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রাজবাড়ী প্রতিনিধি  জাকির হোসেন পাটোয়ারী 

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২০ পি.এম


ঈদের ছুটির আগে থেকেই উধাও বালিয়াকান্দি শিক্ষা কর্মকর্তা তাজমুন্নাহার
 
সরকারি ছুটির নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ঈদের ছুটির আগে থেকেই কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. তাজমুন্নাহার। 
ঈদের ছুটির পর মাত্র দুই দিনের ছুটি মঞ্জুর করিয়ে নিলেও, সেই ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি এখন অবধি কর্মস্থলে ফেরেননি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবগত থাকলেও তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ হয়, তদন্তও হয়, কিন্তু দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা হয় না। সাধারণ শিক্ষকদের দাবী, কতিপয় শিক্ষক নেতাকে নিয়ে তিনি গড়েছেন সিন্ডিকেট, ডিপিই’তেও রয়েছে তার হাত। 
অভিযোগ উঠেছে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার রহস্যজনক যোগসাজশ ও আশ্রয়-প্রশ্রয়েই কর্মস্থলে দিনের পর মাস অনুপস্থিত থেকেও পার পেয়ে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে, কর্মস্থলে অনুপস্থিতির পাশাপাশি এ শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, বিল অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে কোটি টাকার অনিয়মের পাহাড়সম অভিযোগ ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে। এর আগে তাঁর এ সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষকরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করলেও রহস্যময় কারণে নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি শিক্ষা কর্মকর্তা তাজমুন্নাহারের ঘুষ লেনদেন সংক্রান্ত দুটি চাঞ্চল্যকর অডিও কথোপকথন এ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। একটি অডিও রেকর্ডে এক ভুক্তভোগীকে বলতে শোনা যায় "আমাদের টিও (উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা) অত্যন্ত ঘাগু...। আমি টাকা না দেওয়ায় ডিপিইও (জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস) অফিস থেকে আমার ফাইল ফেরত এনেছেন। এরপর আমার নিকট হতে তাজমুন্নাহার ৫ হাজার টাকা নেন, জেলা শিক্ষা অফিসের উজ্জ্বল নেন ৩ হাজার টাকা।" ক্ষোভ প্রকাশ করে চরম বিব্রতকর শব্দ উচ্চারণের পর ওই ব্যক্তি আরও বলেন, "মুখে পাউরুটি দিয়ে যদি মুক্তি পাওয়া যায়, তাহলে সেটাই করি। আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে একতা নেই।" অপর একটি অডিও রেকর্ডে আরেক ভুক্তভোগী শিক্ষককে আক্ষেপ করে বলতে শোনা যায় "৫ হাজার দিতে হয়েছে, কিছু বলার নাই। ভোট কেন্দ্র সংস্কার বিল বাবদ দিতে হয়েছে কয়েক হাজার। উজ্জ্বলও (জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মচারী) নিয়েছে ৩ হাজার। কয়ডা পয়সা নিয়ে যদি মুক্তি দেয় তাও ভালো, কোনো প্রকার মানবিকতা নেই, আল্লাহর উপর ভরসা করে দিছি। ডাইরেক্ট দিছি, দিতে হবে বলছে তাই দিছি।" মোবাইলের অপর প্রান্ত থেকে অন্য একজন শিক্ষক জেলা শিক্ষা অফিসারের (ডিপিইও) ভূমিকা নিয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী শিক্ষক স্পষ্ট বলেন, "যে টিই (উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা), সেই ডিপিইও। উজ্জ্বল নিছে ৩ হাজার, কেউ বাদ নাই। অন্যরা দু’জনকে ৮ হাজার টাকা করে দিছে।" 
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১০ মে বালিয়াকান্দি উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই শিক্ষা প্রশাসনে নানা জটিলতা তৈরি করেন তাজমুন্নাহার। শিক্ষকদের অভিযোগ, যোগদানের পর থেকেই তিনি প্রাতিষ্ঠানিক বা একাডেমিক তদারকির চেয়ে ফাইল আটকে রাখা ও বিল-ভিত্তিক কার্যক্রমে অনৈতিক সুবিধা নিতে বেশি মনোযোগী ছিলেন। চলতি ২০২৬ সালের প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়ন নির্দেশনা অনুযায়ী ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের সমন্বয়ে ফলাফল প্রস্তুতের নিয়ম থাকলেও, এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। কো-কারিকুলামভিত্তিক বিষয়গুলো শতভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন করার কথা থাকলেও, তিনি নিয়ম বহির্ভূতভাবে সেগুলো প্রান্তিক মূল্যায়নের রুটিনে ঢুকিয়ে ২ দিন পাঠ দিবস কমিয়ে দেন। পরিপত্র অনুযায়ী প্রান্তিক মূল্যায়ন স্কুল ভিত্তিক বা পাশাপাশি কয়েকটি স্কুল মিলে নেওয়ার কথা থাকলেও, তিনি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে উপজেলাব্যাপী অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেন। শিক্ষকদের দাবি, এই অভিন্ন প্রশ্নপত্রের প্রান্তিক মূল্যায়ন খাত থেকে তিনি কৌশলে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিজের পকেটস্থ করেছেন। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৫০ নম্বর ধারাবাহিক ও ৫০ নম্বর সামষ্টিক এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ৩০ নম্বর ধারাবাহিক ও ৭০ নম্বর সামষ্টিক মূল্যায়নের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু এই শিক্ষা কর্মকর্তার স্বেচ্ছাচারিতা ও অস্পষ্টতার কারণে অনেক বিদ্যালয়ে ফলাফল প্রস্তুত করতে গিয়ে চরম বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং কোথাও কোথাও "গোজামিল" দিয়ে ফলাফল প্রস্তুত করার বিষয়টি জানান অশিক্ষকরা।
নাম না প্রকাশের শর্তে একজন শিক্ষক বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসের ল্যাবটব ও নারুয়া ইউনিয়নের পাটকিয়াবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ল্যাবটব তার টাঙ্গাইলের বাসায় নিয়েছেন সন্তানদের ব্যবহারের জন্য।  
এছাড়া বেজলাইন সার্ভে, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা কিংবা পাঠঘাটতি পূরণের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি তিনি। অভিযোগ রয়েছে, গত জাতীয় নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র সংস্কার প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৩২টি বিদ্যালয়ে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং ইউএনও’র তদারকি কমিটি কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রত্যয়নপত্র দিলেও, অবৈধ ক্ষমতার অপব্যবহার করে সেই বিল আটকে রেখেছেন তাজমুন্নাহার। বিল অনুমোদনের জন্য শিক্ষকদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এর ফলে বিদ্যালয়গুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষক রাশিদুল ইসলামের এক লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, শুধু বেতন সমতাকরণের ফাইল ছাড়ানোর জন্যই তাজমুন্নাহার ৭৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন। এছাড়া পিআরএল (চজখ), অবসরকালীন সুবিধা এবং শিক্ষকদের বিভিন্ন ভাতা অনুমোদন প্রক্রিয়াতেও নিয়মিত অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক বলেন, "কাজের অগ্রগতির চেয়ে ফাইল আটকে রাখার বিষয়টাই উনার প্রধান যোগ্যতা।" অনুসন্ধানে জানা যায়, মোছা. তাজমুন্নাহার এর আগেও যেসকল উপজেলায় দায়িত্ব পালন করেছেন, সবখানেই বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। 
এর আগে শিবপুর, ধামরাই এবং ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে ওয়াশব্লক ও ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্প, প্রাথমিক শিক্ষা তহবিল ব্যবস্থাপনা এবং ঠিকাদারি বিল অনুমোদন নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল, যা বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এমনকি পূর্ববর্তী কর্মস্থলে শিক্ষকদের তীব্র আন্দোলন ও মানববন্ধনের মুখে পড়েও পরে নানা চাতুর্যের আশ্রয় নিয়ে ও 'লিখিত সমঝোতা'র মাধ্যমে পরিস্থিতি ধামাচাপা দেন। এছাড়া বাসা ভাড়া বকেয়া রাখা এবং প্রশাসনিক ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগও তাঁর পিছু ছাড়েনি।
ঈদের ছুটির আগে থেকেই কর্মস্থল ত্যাগ করা এবং বর্তমানে অনুমোদনহীন অনুপস্থিতির বিষয়ে বক্তব্য জানতে শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. তাজমুন্নাহারের অফিসে বৃহস্পতিবার সকালে গেলেও পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি।
রাজবাড়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন,  আমি নিজেই বালিয়াকান্দি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাজমুন্নাহারের কর্মকাণ্ডে বিব্রত।  তার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি রিপোর্ট প্রেরণ করেছি।  আমি তাকে নিয়ে আর একটি কথাও বলতে চাই না। 
স্থানীয় সচেতন মহল ও প্রাথমিক শিক্ষকরা এই "ঘুষখোর" ও "স্বেচ্ছাচারী" কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে বিভাগীয় তদন্তপূর্বক কঠোর আইনানুগ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে শতভাগ স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ১৮৯টি পরিবারের মাঝে স্যানিটারী ল্যাট্রিন বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


কুড়িগ্রামে শতভাগ স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ১৮৯টি পরিবারের মাঝে স্যানিটারী ল্যাট্রিন বিতরণ
 
কুড়িগ্রামে শতভাগ স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নির্বাচিত পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারী ল্যাট্রিন বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 
আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের পলাশবাড়ী পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। 
 
কুড়িগ্রাম এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন  বাংলাদেশ এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মশিউর রহমান মন্ডল, সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিত্যানন্দ বর্মন, বেলগাছা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, কুড়িগ্রাম এডিপি ম্যানেজার নীতা ফ্লোরা দাস। 
 
এতে শতভাগ স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ১৮৯ জন উপকারভোগীর প্রত্যেককে ল্যাট্রিনের পূর্ণাঙ্গ সেট বিতরণ করা হয়।
 
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের বিকল্প নেই। তবে সুন্দর পরিবেশ গড়তে যত না অর্থের প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন পরিবেশ সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা সৃষ্টি করা। স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহারের বিষয়ে সকলের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে পরিবেশ দূষণ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।  স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে আগামী প্রজন্মকে ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, জন্ডিস, টাইফয়েডের মত মারাত্মক সংক্রামক রোগ মুক্ত রাখা সহজ হবে। এক্ষেত্রে স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনায় সকলকে আরো মনোযোগী হতে হবে। মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কার্যকরী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ কর্তৃক অবৈধভাবে পুশইনের ১০টি পৃথক অপচেষ্টা সফলভাবে রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একইসঙ্গে, বিএসএফের সম্ভাব্য পুশইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিজিবির সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজিবি সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহে বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ যাদবপুর সীমান্ত এলাকায় ৪-৫ জন ব্যক্তি বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেয়। বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের মুখে, তারা পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়।

একই সময়ে, মহেশপুরের সামন্তা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের একটি প্রিজন ভ্যানে করে প্রায় ৩০-৩৫ জন ব্যক্তিকে সীমান্ত গেট খুলে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তবে বিজিবি টহলদল ও স্থানীয় জনসাধারণের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ উক্ত ব্যক্তিদের পুনরায় ভ্যানে তুলে অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

বিজিবির খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) দায়িত্বশীল যশোরের গোগা ও রুদ্রপুর সীমান্ত এলাকায় কয়েকজন নারী-পুরুষকে পুশইনের উদ্দেশ্যে সীমান্তের কাছে অবস্থান করতে দেখা যায়। বিজিবির প্রতিরোধমূলক তৎপরতার ফলে বিএসএফ তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর দায়িত্বশীল কয়া ও বাসুদেবপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১০ জন ব্যক্তিকে একত্রিত করে পুশইনের প্রস্তুতির তথ্য পাওয়া গেছে। পুশইন প্রতিরোধে বিজিবির তাৎক্ষণিক সতর্কতামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার ফলে বিএসএফের পুশইন অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর দায়িত্বশীল সীমান্তের বিপরীতে ১৪৯ ও ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ ক্যাম্পের নিকটবর্তী ৩টি হোল্ডিং সেন্টারে SIR তালিকা থেকে বাদ পড়া ৪ জন মুসলিম নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছে বলে গোয়েন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সূত্রে জানা যায়। এ অবস্থানে বিজিবি সেখানে কঠোর অবস্থান ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।

ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) এর দায়িত্বশীল হরিপুর সীমান্তের বিপরীতে ৮৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কাকরমনি ক্যাম্পের টহলদল ২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে নিজেদের হেফাজতে রেখেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিষয়টি নিয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে এখনও বিজিবির সঙ্গে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়নি।

পঞ্চগড়ের ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি) এর দায়িত্বশীল রওশনপুর সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক ১ জন ব্যক্তিকে পুশইন করা হলে স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে বিজিবিকে অবহিত করে। পরবর্তীতে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠায়।

মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর দায়িত্বশীল চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ সীমান্তের বিপরীতে ভারতের মালদা জেলার ইংলিশ বাজার থানাধীন চন্দনপার্ক নামক স্থানে ভারতীয় পুলিশ কর্তৃক স্থাপিত একটি হোল্ডিং সেন্টারে আটক ২২ জনকে পুশইনের লক্ষ্যে বিএসএফের কাছে হস্তান্তরের তথ্য পাওয়া যায়। বিজিবি সেখানে কড়া নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) এর দায়িত্বশীল উৎমাছড়া সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে স্থানীয় জনগণ আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভারতে পুশব্যাক করা হয়।

এছাড়া নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) এর দায়িত্বশীল কচুগড়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের মহাদেব থানাধীন বলিশী গীতারাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫-২০ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশ্যে একত্রিত করে রাখা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। সীমান্তের একটি অংশে প্রাকৃতিক কারণে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় ওই এলাকায় পুশইনের সম্ভাবনা বিবেচনায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

বিজিবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানাচ্ছে যে, সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিদ্যমান আইন এবং দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশইন প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সীমান্তে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%