০৩:৫৩ এম
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ১৪ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী মারিয়া আক্তারকে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ও দুই শিক্ষকের সহ আরো ৮ জনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২২ জুন) দুপুরে প্রধান আসামি আলিফের ঘরবাড়িতে বিক্ষুদ্ধ জনতা ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আছেন আলিফ (১৬), মাসুদ (৩৫), সুজন (৩০), রাসেল (৩০), আলিফের মা রুমা (৪৫), আলিফের বোন মিম (২২), সাহরাইল স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম (৫৯) এবং আইসিটি শিক্ষক ইয়াকুব মোল্লা (২৯)।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত রোববার বিকাল ৫টার দিকে উপজেলা জার্মিত্তা ইউনিয়নের চন্দননগর কবরস্থানের পাশে একটি নির্জন জঙ্গল থেকে স্কুলছাত্রী মারিয়ার খন্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মারিয়া উপজেলা সায়েস্তা ইউনিয়নের চর লক্ষ্মীপুর গ্রামের প্রবাসী মিজানুর রহমানের কন্যা।
আরও পড়ুন: ফতুল্লায় সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার না পাওয়ায় কৃষকদের বিক্ষোভ
সূত্রে আরও জানা গেছে, ১৫ জুন বিদ্যালয়ের টিফিন বিরতির সময় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফের সঙ্গে মারিয়ার আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ আসে। বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি ধরা পড়ার পর উভয় শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উভয়কেই টিসি দেয়।
ওই দিনই মারিয়া বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়, এবং পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে সিংগাইর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। নিখোঁজের ছয় দিন পরে, রোববার বিকালে চন্দননগর এলাকার কবরস্থানের কাছে ঝোপের মধ্যে স্থানীয়রা একটি অর্ধগলিত খণ্ডিত লাশ দেখে, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি মারিয়ার বলে শনাক্ত করে।
সিংগাইর থানার ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মেয়েটিকে ৫-৬ দিন আগেই হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলে প্রধান আসামিসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরে আদালত তাদেরকে জেলহাজতে পাঠান। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: নির্ভেজাল ও পুষ্টিকর ফল উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন