ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ধর্মমন্ত্রীর পক্ষে দাঁড়ালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিরোধীদলের উচ্ছ্বাস


ধর্মমন্ত্রীর পক্ষে দাঁড়ালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিরোধীদলের উচ্ছ্বাস

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে ধর্মমন্ত্রীর পক্ষে উত্তর দেওয়ার জন্য দাঁড়ান। এ ঘটনায় বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা তুমুল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। বুধবার সংসদে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে এই ঘটনা ঘটে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন বলেন, "সওয়াবের ওয়াস্তে প্রশ্নের জবাব দিলাম।" এর সঙ্গে তিনি আরো মন্তব্য করেন, "বিরোধীদল মাঝে মাঝে এমন এপ্রিশিয়েট করলে ভালোই হয়।"

এর আগে, বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় সরকার দলীয় নারী সংসদ সদস্যদের উন্নয়ন তদারকির দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির ওপর গুরুত্ব

বুধবারের সংসদ অধিবেশনে ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, "সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সরকার দলীয় নারী এমপিদের বিরোধী দলের এমপিদের এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকি এবং জিও লেটার ইস্যুর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।"

এই সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ছিল, "এই তথ্য থেকে আমাদের মনে হচ্ছে, তাদেরকে এই কাজ কি এইজন্য দেওয়া হচ্ছে যাতে আমরা যারা বিরোধীদলীয় এমপি আছি, আমাদের এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আমাদের কোনো হাত থাকবে না?"

প্রধানমন্ত্রী তার জবাবে বলেন, "আপনি বোধহয় জানেন, আমাদের বা আপনাদের দল থেকে যেসব নারী সদস্যকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে, সংবিধানে বা আইনে নির্দিষ্টভাবে তাদের কোনো আসন নেই।"

আরও পড়ুন: বিরোধীদল ‘বেহেশতের লোভ দেখিয়ে’ দায়িত্বহীন আচরণ করছে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়ালে ফিরছেন মরিনিয়ো, বিদায় বললেন বেনফিকাকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


রিয়ালে ফিরছেন মরিনিয়ো, বিদায় বললেন বেনফিকাকে

জোসে মরিনিয়ো বেনফিকার সঙ্গে নিজের অধ্যায়ের ইতি টানলেন। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে আগামী সময়ে মরিনিয়োর গন্তব্য হতে যাচ্ছে তার পুরোনো ঠিকানা রিয়াল মাদ্রিদ।

বুধবার (১০ জুন) তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা প্রকাশ করেন। সেখানে বেনফিকার সভাপতি রুই কস্তা, ক্লাব কর্মকর্তাদের এবং খেলোয়াড়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, 'বেনফিকার হয়ে কাজ করার সুযোগ দেয়ার জন্য (ক্লাব) প্রেসিডেন্ট রুই কস্তাকে ধন্যবাদ জানাই। এই ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয়। বেনফিকার সকল পেশাদারদের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞতা জানাই, যাদের পেশাদারিত্ব, নিবেদন ও দক্ষতা ছিল অনুকরণীয়।'

এদিকে, এর একদিন আগে বেনফিকা আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মরিনিয়োর বিদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে। ক্লাবটি জানায়, রিয়াল মাদ্রিদ তাকে দলে ভেড়াতে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১৫ মিলিয়ন ইউরো পরিশোধ করবে। মরিনিয়োও এই সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে বেনফিকার দায়িত্ব গ্রহণ করেন মরিনিয়ো। তার অধীনে ২০২৫-২৬ মৌসুমে দলটি পর্তুগিজ লিগে পুরো মৌসুম অপরাজিত থাকলেও শিরোপা জিততে পারেনি এবং শেষ করেছে তৃতীয় স্থানে।

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে মরিনিয়োর সম্পর্ক নতুন নয়। ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি স্প্যানিশ জায়ান্টদের কোচ ছিলেন। সেই সময়ে তিনি লা লিগা, কোপা দেল রে এবং স্পেনের সুপার কাপ জিতেছিলেন।

সম্প্রতি পুনর্নির্বাচিত সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ মরিনিয়োকে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত আগে থেকেই দিয়েছিলেন। স্প্যানিশ গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, খুব শিগগিরই রিয়াল মাদ্রিদ তার নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংস্কৃতিতে কেউ শ্রেষ্ঠ বা নিকৃষ্ট নয়, বৈচিত্র্য : বাংলাদেশ স্কলার্স ডায়ালগে সংস্কৃতি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


সংস্কৃতিতে কেউ শ্রেষ্ঠ বা নিকৃষ্ট নয়, বৈচিত্র্য : বাংলাদেশ স্কলার্স ডায়ালগে সংস্কৃতি মন্ত্রী

আজ রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় গ্রন্থাগারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন।

মন্ত্রী বলেন, কোনো সংস্কৃতি বা সভ্যতা একে অপরের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বা নিকৃষ্ট নয়, বরং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যই মানবজাতির সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি এই বিষয়টি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তুলে ধরেন, এ সময়কালটি জাতিসংঘ ঘোষিত প্রথম ‘আন্তর্জাতিক সভ্যতা সংলাপ দিবস' (International Day for Dialogue Among Civilizations) উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকাস্থ গণচীন দূতাবাস এবং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-চীন অ্যালমনাই (এবিসিএ)-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ডায়ালগ অব কিন্ডারর্ড স্পিরিটস: চায়না - বাংলাদেশ স্কলার্স ডায়ালগ’ শীর্ষক বিশেষ বৈশ্বিক সেমিনার ও প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ব এক জটিল সন্ধিক্ষণে রয়েছে। ভুল বোঝাবুঝি, দূরত্ব এবং সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার মানসিকতা বিশ্বজুড়ে ফাটল সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সভ্যতা সংলাপ দিবস বিশ্ববাসীকে স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, সভ্যতার মধ্যে কোনো সংঘাত নেই, বরং পারস্পরিক মেলবন্ধন ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে মানবসভ্যতা এগিয়ে যায়।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সর্বদা অর্ন্তর্ভুক্তিমূলক, বহুমাত্রিক ও জাতীয়তাবাদী দর্শনের আলোকে সমৃদ্ধ উন্নয়ন সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী। এই লক্ষ্যে গণচীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রস্তাবিত গ্লোবাল সিভিলাইজেশন ইনিশিয়েটিভ’ (জিসিআই) -কে বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করে। এই উদ্যোগ সভ্যতার বৈচিত্র্য রক্ষা এবং জনগণের সাথে জনগণের মেলবন্ধন (পিপল টু পিপল একচেইঞ্জ) কে অগ্রাধিকার দেয়, যা আমাদের নিজস্ব উন্নয়ন রূপরেখার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সংঘাতের বদলে সহযোগিতা এবং শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার চেয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিকে বেছে নিই।

মন্ত্রী বাংলাদেশ এবং চীনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে বলেন, চীন ও বাংলাদেশ নতুন পরিচিত বন্ধু নয়। নদী, পাহাড় এবং হাজার বছরের অংশীদারিত্ব ইতিহাস আমাদের যুক্ত করে রেখেছে। প্রাচীন সিল্ক রোড থেকে শুরু করে মহৎ বৌদ্ধ ভিক্ষু অতীশ দীপঙ্করের আধ্যাত্মিক ও জ্ঞানতাত্ত্বিক অবদান দুই দেশের গভীর সম্পর্কের চিরন্তন স্মারক। বর্তমানে এই ঐতিহাসিক সম্পর্ক একটি অনন্য 'ব্যাপক কৌশলগত সমবায় অংশীদারত্ব' রূপ নিয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে গণচীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের পরে, মন্ত্রী এবং চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে চীন ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মেলবন্ধন, প্রত্নতত্ত্ব, ঐতিহ্য এবং চিত্রের ওপর আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। প্রদর্শনীর সময়, তারা ঐতিহ্যবাহী চীনা ক্যালিগ্রাফি এবং বইয়ের প্রদর্শন প্রত্যক্ষ করেন। সেমিনারে উপস্থিত সুধীসমাজ, গবেষক ও শিক্ষাবিদদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী মুক্তচিন্তার প্রসার ও দ্বিপক্ষীয় সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক

জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে চলেছেন বিল গেটস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে চলেছেন বিল গেটস

জগতের অন্যতম সেরা ধনী ব্যক্তি মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বিল গেটস, প্রয়াত কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসীয় তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।

তিনি স্থানীয় সময় বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রতিনিধি পরিষদের তদারকি কমিটির (হাউস ওভারসাইট কমিটি) সদস্যদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।

মার্কিন বিচার বিভাগ (ডিওজে) চলতি বছর এপস্টেইন-সংক্রান্ত বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করার পর, সেই নথির প্রেক্ষিতে বিল গেটসের এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রকাশিত নথিতে কিছু অযাচাইকৃত এবং অসত্য প্রমাণিত অভিযোগের পাশাপাশি, বিল গেটস ও এপস্টেইনের মধ্যে দাতব্য কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত সমন্বয়ের বিষয়ও উঠে এসেছে। এই বিষয়টি আগে যতটা জানা ছিল, তার চেয়ে বেশি বিস্তারিত তথ্য এতে রয়েছে।

কংগ্রেসের তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, তারা স্বেচ্ছাসহযোগিতার ভিত্তিতে বিল গেটসের সাক্ষ্যগ্রহণ করতে আগ্রহী। রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট উভয় দলের সদস্যরাই গেটসের কাছে এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের প্রকৃতি এবং পরিধি সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন বলে জানা গেছে।

প্রকাশিত নথিতে সবচেয়ে আলোচিত অংশগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০১৩ সালের দুটি খসড়া ই-মেইল, যা এপস্টেইন নিজের জন্য লিখেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। এসব ই-মেইলে বিল গেটসকে ঘিরে বিভিন্ন ব্যক্তিগত এবং যৌন সম্পর্কিত অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনও যাচাই হয়নি এবং স্বাধীনভাবে প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

নথিগুলোতে এমন দাবি করা হয়েছে যে, এপস্টেইন নাকি বিল গেটসের ব্যক্তিগত জীবনের কিছু বিষয়ে সহায়তা করেছিলেন। তবে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এসব খসড়া বার্তা আদৌ কাউকে পাঠানো হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে কোনও প্রমাণ নেই। বার্তাগুলো এপস্টেইনের নিজের ই-মেইল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত ছিল এবং সেগুলো তার নিজের কাছেই সম্বোধন করা হয়েছিল।

বিল গেটস বরাবরই এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে আসছেন। তার এক মুখপাত্র এর আগে বলেছেন, “এসব দাবি সম্পূর্ণ হাস্যকর এবং মিথ্যা। নথিগুলো কেবল এটুকিই দেখায় যে, এপস্টেইন গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে অনিশ্চিত হয়ে হতাশ ছিলেন এবং মানহানির চেষ্টা করেছিলেন।”

বিল গেটসের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এপস্টেইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা ছিল তার জীবনের একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত। তবে তিনি কোনও বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না এবং এপস্টেইনের অপরাধমূলক কার্যকলাপের সঙ্গেও তার কোনও সম্পৃক্ততা ছিল না।

একাধিক সাক্ষাৎকারে বিল গেটস বলেছেন, তিনি কখনও এপস্টেইনের ব্যক্তিগত দ্বীপে যাননি, তার আয়োজিত কোনও পার্টিতে অংশ নেননি এবং কোনও অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

অস্ট্রেলিয়ার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বিল গেটস বলেন, “এপস্টেইন নিজেই নিজের কাছে একটি ই-মেইল লিখেছিলেন। সেটি কখনও পাঠানো হয়নি এবং সেখানে যা বলা হয়েছে তা মিথ্যা। তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তের জন্য আমি অনুতপ্ত।”

তিনি আরও বলেন, “আমি কেবল কিছু নৈশভোজ ও বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলাম। আমি কখনও তার দ্বীপে যাইনি, কোনও নারীর সঙ্গে সেখানে সাক্ষাৎ করিনি। যত বেশি তথ্য প্রকাশ পাবে, ততই পরিষ্কার হবে যে, এটি ছিল একটি ভুল সম্পর্ক, কিন্তু অপরাধমূলক কোনও আচরণের সঙ্গে এর সম্পর্ক ছিল না।”

২০২১ সালে এক সাক্ষাৎকারে বিল গেটস স্বীকার করেছিলেন যে, এপস্টেইনের সঙ্গে সময় কাটানো ছিল ‘বিরাট ভুল’ এবং এর মাধ্যমে তিনি অনিচ্ছাকৃতভাবে এপস্টেইনকে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পেতে সহায়তা করেছিলেন।

প্রতিনিধি পরিষদের তদারকি কমিটির চেয়ারম্যান জেমস কোমার বলেছেন, বুধবারের সাক্ষাৎকারে প্রশ্নের পরিধির ওপর কোন ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকবে না। তবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, “আমি বিল গেটসের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধের অভিযোগ করছি না। আমরা শুধু জানতে চাই, তিনি কী জানতেন এবং তিনি কোনও উদ্বেগজনক বিষয় প্রত্যক্ষ করেছিলেন কি না।”

কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য রবার্ট গার্সিয়া বলেছেন, এপস্টেইনের দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরেও তার সঙ্গে বিল গেটসের যোগাযোগ বজায় রাখা ‘উদ্বেগজনক’। তার ভাষায়, “আমরা জানতে চাই বিল গেটস কী জানতেন, তার আশপাশে আর কারা ছিলেন এবং কেন তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।”

বিশ্লেষকদের মতে, বিল গেটসের এই সাক্ষ্যগ্রহণ যুক্তরাষ্ট্রে এপস্টেইন-সংক্রান্ত তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে যাচ্ছে। যদিও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিল গেটসের বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি, তবুও এপস্টেইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক এবং জনমহলের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়ি করার সুবিধা দিতে কাজ করছে সরকার : গণপূর্ত মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়ি করার সুবিধা দিতে কাজ করছে সরকার : গণপূর্ত মন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, সরকার কাজ করছে যাতে মানুষ এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়িঘর করতে পারেন, সেই সুবিধা প্রদান করার জন্য। তিনি জানান, অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে।

আজ বুধবার ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় রাজউক বাস্তবায়িত ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, ঝিলমিল প্রকল্পে অনেক বছর ধরে আশানুরূপ অগ্রগতি নেই। তিনি বলেন, প্রকল্পের অভ্যন্তরে থানা, স্কুল, হাসপাতাল ও ইটিপি সেন্টার নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্প এলাকা আলোকিত করার জন্য স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।

রাজউকের ঝিলমিল প্রকল্প পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ঝিলমিল প্রকল্প এলাকায় থানা স্থাপনের কাজ চলছে। তিনি জানান, স্থানীয় থানার পাঁচটি টহল টিম দায়িত্ব পালন করছে।

এ সময় মন্ত্রী ঝিলমিল প্রকল্পে নির্মাণাধীন স্কুল, হাসপাতাল এবং থানা ভবন এলাকা ঘুরে দেখেন। প্রকল্পের সাইট অফিসে প্রকল্প পরিচালক মো. আমিনুর রহমান উপস্থিত হয়ে এই প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। ঝিলমিল সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ মো. মোশারফ হোসেন সোসাইটির পক্ষে বক্তব্য রাখেন।

পরিদর্শনকালে ফিরে আসার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজউক-এর শেখ মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, এরাদুল হক, কেরাণীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক, চিফ টাউন প্ল্যানার মো. আশরাফুল ইসলাম এবং রাজউকের কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্লট বরাদ্দ প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%