ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক

জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে চলেছেন বিল গেটস


জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে চলেছেন বিল গেটস

জগতের অন্যতম সেরা ধনী ব্যক্তি মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বিল গেটস, প্রয়াত কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসীয় তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।

তিনি স্থানীয় সময় বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রতিনিধি পরিষদের তদারকি কমিটির (হাউস ওভারসাইট কমিটি) সদস্যদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।

মার্কিন বিচার বিভাগ (ডিওজে) চলতি বছর এপস্টেইন-সংক্রান্ত বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করার পর, সেই নথির প্রেক্ষিতে বিল গেটসের এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রকাশিত নথিতে কিছু অযাচাইকৃত এবং অসত্য প্রমাণিত অভিযোগের পাশাপাশি, বিল গেটস ও এপস্টেইনের মধ্যে দাতব্য কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত সমন্বয়ের বিষয়ও উঠে এসেছে। এই বিষয়টি আগে যতটা জানা ছিল, তার চেয়ে বেশি বিস্তারিত তথ্য এতে রয়েছে।

আরও পড়ুন: আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন

কংগ্রেসের তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, তারা স্বেচ্ছাসহযোগিতার ভিত্তিতে বিল গেটসের সাক্ষ্যগ্রহণ করতে আগ্রহী। রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট উভয় দলের সদস্যরাই গেটসের কাছে এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের প্রকৃতি এবং পরিধি সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন বলে জানা গেছে।

প্রকাশিত নথিতে সবচেয়ে আলোচিত অংশগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০১৩ সালের দুটি খসড়া ই-মেইল, যা এপস্টেইন নিজের জন্য লিখেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। এসব ই-মেইলে বিল গেটসকে ঘিরে বিভিন্ন ব্যক্তিগত এবং যৌন সম্পর্কিত অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনও যাচাই হয়নি এবং স্বাধীনভাবে প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

নথিগুলোতে এমন দাবি করা হয়েছে যে, এপস্টেইন নাকি বিল গেটসের ব্যক্তিগত জীবনের কিছু বিষয়ে সহায়তা করেছিলেন। তবে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এসব খসড়া বার্তা আদৌ কাউকে পাঠানো হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে কোনও প্রমাণ নেই। বার্তাগুলো এপস্টেইনের নিজের ই-মেইল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত ছিল এবং সেগুলো তার নিজের কাছেই সম্বোধন করা হয়েছিল।

বিল গেটস বরাবরই এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে আসছেন। তার এক মুখপাত্র এর আগে বলেছেন, “এসব দাবি সম্পূর্ণ হাস্যকর এবং মিথ্যা। নথিগুলো কেবল এটুকিই দেখায় যে, এপস্টেইন গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে অনিশ্চিত হয়ে হতাশ ছিলেন এবং মানহানির চেষ্টা করেছিলেন।”

আরও পড়ুন: ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন

বিল গেটসের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এপস্টেইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা ছিল তার জীবনের একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত। তবে তিনি কোনও বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না এবং এপস্টেইনের অপরাধমূলক কার্যকলাপের সঙ্গেও তার কোনও সম্পৃক্ততা ছিল না।

একাধিক সাক্ষাৎকারে বিল গেটস বলেছেন, তিনি কখনও এপস্টেইনের ব্যক্তিগত দ্বীপে যাননি, তার আয়োজিত কোনও পার্টিতে অংশ নেননি এবং কোনও অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

অস্ট্রেলিয়ার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বিল গেটস বলেন, “এপস্টেইন নিজেই নিজের কাছে একটি ই-মেইল লিখেছিলেন। সেটি কখনও পাঠানো হয়নি এবং সেখানে যা বলা হয়েছে তা মিথ্যা। তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তের জন্য আমি অনুতপ্ত।”

তিনি আরও বলেন, “আমি কেবল কিছু নৈশভোজ ও বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলাম। আমি কখনও তার দ্বীপে যাইনি, কোনও নারীর সঙ্গে সেখানে সাক্ষাৎ করিনি। যত বেশি তথ্য প্রকাশ পাবে, ততই পরিষ্কার হবে যে, এটি ছিল একটি ভুল সম্পর্ক, কিন্তু অপরাধমূলক কোনও আচরণের সঙ্গে এর সম্পর্ক ছিল না।”

আরও পড়ুন: আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, ৪৭.৪২% পরিবার ঋণের চাপের মধ্যে

২০২১ সালে এক সাক্ষাৎকারে বিল গেটস স্বীকার করেছিলেন যে, এপস্টেইনের সঙ্গে সময় কাটানো ছিল ‘বিরাট ভুল’ এবং এর মাধ্যমে তিনি অনিচ্ছাকৃতভাবে এপস্টেইনকে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পেতে সহায়তা করেছিলেন।

প্রতিনিধি পরিষদের তদারকি কমিটির চেয়ারম্যান জেমস কোমার বলেছেন, বুধবারের সাক্ষাৎকারে প্রশ্নের পরিধির ওপর কোন ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকবে না। তবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, “আমি বিল গেটসের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধের অভিযোগ করছি না। আমরা শুধু জানতে চাই, তিনি কী জানতেন এবং তিনি কোনও উদ্বেগজনক বিষয় প্রত্যক্ষ করেছিলেন কি না।”

কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য রবার্ট গার্সিয়া বলেছেন, এপস্টেইনের দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরেও তার সঙ্গে বিল গেটসের যোগাযোগ বজায় রাখা ‘উদ্বেগজনক’। তার ভাষায়, “আমরা জানতে চাই বিল গেটস কী জানতেন, তার আশপাশে আর কারা ছিলেন এবং কেন তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।”

বিশ্লেষকদের মতে, বিল গেটসের এই সাক্ষ্যগ্রহণ যুক্তরাষ্ট্রে এপস্টেইন-সংক্রান্ত তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে যাচ্ছে। যদিও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিল গেটসের বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি, তবুও এপস্টেইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক এবং জনমহলের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। সূত্র: সিএনএন

আরও পড়ুন: ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে ইউপি নির্বাচনের তফসিলের সম্ভাবনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়ি করার সুবিধা দিতে কাজ করছে সরকার : গণপূর্ত মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়ি করার সুবিধা দিতে কাজ করছে সরকার : গণপূর্ত মন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, সরকার কাজ করছে যাতে মানুষ এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়িঘর করতে পারেন, সেই সুবিধা প্রদান করার জন্য। তিনি জানান, অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে।

আজ বুধবার ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় রাজউক বাস্তবায়িত ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, ঝিলমিল প্রকল্পে অনেক বছর ধরে আশানুরূপ অগ্রগতি নেই। তিনি বলেন, প্রকল্পের অভ্যন্তরে থানা, স্কুল, হাসপাতাল ও ইটিপি সেন্টার নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্প এলাকা আলোকিত করার জন্য স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।

রাজউকের ঝিলমিল প্রকল্প পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ঝিলমিল প্রকল্প এলাকায় থানা স্থাপনের কাজ চলছে। তিনি জানান, স্থানীয় থানার পাঁচটি টহল টিম দায়িত্ব পালন করছে।

এ সময় মন্ত্রী ঝিলমিল প্রকল্পে নির্মাণাধীন স্কুল, হাসপাতাল এবং থানা ভবন এলাকা ঘুরে দেখেন। প্রকল্পের সাইট অফিসে প্রকল্প পরিচালক মো. আমিনুর রহমান উপস্থিত হয়ে এই প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। ঝিলমিল সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ মো. মোশারফ হোসেন সোসাইটির পক্ষে বক্তব্য রাখেন।

পরিদর্শনকালে ফিরে আসার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজউক-এর শেখ মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, এরাদুল হক, কেরাণীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক, চিফ টাউন প্ল্যানার মো. আশরাফুল ইসলাম এবং রাজউকের কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্লট বরাদ্দ প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ জিয়াকে মানচিত্র থেকে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয় : শাবিপ্রবি উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


শহীদ জিয়াকে মানচিত্র থেকে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয় : শাবিপ্রবি উপাচার্য

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্রান্তিকালে নিজের ও পরিবারের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তার এই ঘোষণাটি বাংলাদেশের মানুষকে উজ্জীবিত করেছিল এবং সেই সাথে মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। এই কারণেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়।

আজ বুধবার সকালে, সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে উনিশের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য আরও বলেন, বাংলাদেশে অনেক রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দ রয়েছেন, কিন্তু দেশে একটি মাত্র পরিবার আছে এবং তাদের নেতৃত্বে একটি দল আছে যার নাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তারা দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, তিনি দেশের জন্য আন্দোলন করেছেন এবং স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছেন।

তিনি বাংলাদেশের আপসহীন নেত্রী হিসেবে সর্বস্তরের মানুষের কাছে পরিচিত। পাশাপাশি, জুলাই আন্দোলনে তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের যে সাহসী ভূমিকা ছিল, সেই কারণেই অনেক রাজনৈতিক দলের নেতারা তাকে এই আন্দোলনের মূলকারিগর হিসেবে অভিহিত করছেন।

উদযাপন কমিটির সভাপতি ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম এবং স্মারক বক্তব্য রাখেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হক।

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই জনের মৃত্যু, আহত এক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নীলফামারী স্টাফ রিপোর্টার রায়হান আলী

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই জনের মৃত্যু, আহত এক

নীলফামারীতে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হন আরো একজন।
বুধবার সকালে(১০জুন) সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের মহব্বত বাজিতপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের কুঠিপাড়া নদীরপাড় এলাকার মৃত. আব্দুর রউফের ছেলে মজিবর রহমান(৫৫) ও কচুকাটা ইউনিয়নের হাজিপাড়া গ্রামের মৃত. মজিবর রহমানের ছেলে জালাল উদ্দিন (৪৫)।
আহত ব্যক্তি হলেন নিহত মজিবর রহমানের ছেলে মিঠু(৩৮)।
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্র জানায়, সকাল নয়টার দিকে তিনজন মিলে স্থানীয় একটি পুকুরে মাছ ধরার জন্য সেচ যন্ত্রে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিচ্ছিলেন। এ সময় সেচ পাম্পের ফ্রি ফেজ লাইন অরক্ষিত অবস্থায় পানিতে পড়লে তিনজনই বিদ্যুস্পৃষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে মজিবর রহমানের মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয়রা বাকি দু’জনকে উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক জালালকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, আহত মিঠু নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ব্যবসার জেরে সংঘর্ষ, নিহত ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ব্যবসার জেরে সংঘর্ষ, নিহত ১

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শাহাজাহানপুর ইউনিয়নের দুর্লভপুর এলাকায় মাদক সংক্রান্ত বিরোধের কারণে সংঘর্ষের ঘটনায় ইব্রাহিম (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই সংঘর্ষে অন্তত ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে দুর্লভপুর গ্রামে এই সিরিজের ঘটনায় ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক কারবারিদের বিজিবির কাছে ধরিয়ে দেওয়ার কারণে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের কারণে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সব বিষয় মীমাংসার উদ্দেশ্যে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বৈঠক আয়োজন করা হয়। কিন্তু সালিশ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয় এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নিলে। সংঘর্ষের সময়, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা চালিয়ে।

এ সময় বল্লমের আঘাতে গুরুতর আহত হন দুর্লভপুর গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. শওকত আলীর ছেলে ইব্রাহিম (৩৫)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন এবং আহতদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শাহাজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তরিকুল ইসলাম বলেছেন, প্রাথমিকভাবে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে, এই সংঘর্ষের ঘটনা মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই ঘটেছে।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন ঘটনায় সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও সংশ্লিষ্টদের শনাক্তকরণের জন্য তদন্ত চলছে, এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%