বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪০ পি.এম
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’। এই মেলার উদ্দেশ্য হলো দেশীয় উদ্ভাবনকে নীতি সহায়তা, কৌশলগত বিনিয়োগ, শিক্ষা খাত এবং মূলধারার বাজারের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এসব তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘এ মেলা বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতিশীল উদ্ভাবনগুলোর সঙ্গে সরকারের নীতি সহায়তা, প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ, শিক্ষা খাত ও দেশীয়-আন্তর্জাতিক বাজারের শক্তিশালী মেলবন্ধন ও সংযোগ ঘটাতে কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।’
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রদর্শনী ও সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশীয় উদ্ভাবক ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের নিবিড় যোগাযোগ ও টেকসই অংশীদারত্ব গড়ে তোলা।
আয়োজক সূত্র জানায়, তিন দিনব্যাপী এ মেলায় সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নবীন স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (এসএমই), উদ্ভাবনী সেবা প্রদানকারী, আইডিয়া ইনকিউবেটর, পরিবেশক ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করবেন। প্রদর্শনীতে প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বৈচিত্র্যময় খাতের ১ হাজারের বেশি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শিত হবে।
মেলার দ্বিতীয় দিন (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে আয়োজন করা হবে বিশেষ সেশন। ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য উদ্ভাবন: সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এই আন্তর্জাতিক মানের সেশনে সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা ও প্রযুক্তিনির্ভর নতুন সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ সেশনে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ এই আয়োজনে এমন সব স্বাস্থ্য-উদ্ভাবন তুলে ধরা হবে, যা প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণের দোরগোড়ায় কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বাস্তবমুখী ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, দেশে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বহু সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি ও ধারণা তৈরি হলেও নীতি সহায়তা, প্রাথমিক তহবিল, বাজারসংযোগ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অভাবে তা গবেষণাগারেই ভেস্তে যায়। এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য হলো এসব প্রশাসনিক ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে উদ্ভাবনকে ল্যাবরেটরি থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন ও বাজারে নিয়ে যাওয়া।
মেলায় ‘পলিসি মেশা’ নামে একটি নীতি-নির্ধারণী গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে; যেখানে মন্ত্রী, সচিব, শীর্ষ নীতিনির্ধারক ও সিটি করপোরেশনের মেয়ররা উপস্থিত থেকে উদ্ভাবনবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করবেন।
এছাড়া সম্ভাবনাময় প্রকল্পগুলোতে অর্থায়নের পথ সুগম করতে আয়োজন করা হবে ‘ইনভেস্টমেন্ট মেশা’। এতে স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, তৈরি পোশাক, কৃষি, বেসামরিক বিমান চলাচল, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতের সেরা উদ্ভাবন চিহ্নিত করে বিনিয়োগের আনুষ্ঠানিক সুযোগ তৈরি করা হবে। পুরো প্রাঙ্গণে উদ্ভাবকদের কারিগরি সহযোগিতা দিতে ‘উদ্ভাবন হাব’ সক্রিয় থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “এই মেলা দেশের উদ্ভাবক ও শিল্পোদ্যোক্তাদের এক ছাতার নিচে নিয়ে আসবে, যা জাতীয় উদ্ভাবন ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখবে।”
আন্তর্জাতিক ও জাতীয় বেশ কয়েকটি শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এ মেলার অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) এবং মেধা স্বত্ব সম্পর্কিত সংস্থা কাজ করছে। কারিগরি অংশীদার হিসেবে রয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। এ ছাড়া ফরেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফআইসিসিআই) স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সেশনটি সরাসরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে পরিচালিত হবে। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর এ সেশনের বাস্তবায়ন সহযোগী এবং স্পেকট্রাম কমিউনিকেশন্স লিমিটেড সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালের সামনে সড়ক অবরোধ করেছেন পরিবহন শ্রমিকরা। এর ফলে বনানী, গুলশান, তেজগাঁও ও সাতরাস্তা সড়ক পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।
মহাখালী এলাকায় কর্তব্যরত পুলিশের সার্জেন্ট বেলাল হোসেন জানান, শ্রমিকরা মহাখালী টার্মিনালের সামনে দুই পাশ বন্ধ করে রেখেছেন। এই কারণে পুরো এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি মহাখালীতে অলস পড়ে থাকা বাসগুলো পূর্বাচলে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
এ নিয়ে মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পরিবহন শ্রমিকরা সেই অসন্তোষের কারণে সড়ক অবরোধে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নিজেকে বাসচালক পরিচয় দিয়ে কামরুল হাসান নামে এক বাসচালক বলেন, "টার্মিনালের বাইরে গাড়ি পাইলেই পুলিশ ডাম্পিং করতেছে, রেকার বিল ধরিয়ে দিচ্ছে।" তার ভাষ্য, পূর্বাচলে যেখানে তাদের বাস রাখতে বলা হচ্ছে সেখানে যথাযথ নিরাপত্তা নেই।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগ গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় সড়কে যান চলাচল সুষ্ঠু, স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে পুলিশ বাস ডাম্পিং করার প্রতিবাদে পরিবহন শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর দপ্তর থেকে সম্মানসূচক ‘মাননীয়’ শব্দটি ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। তিনি ডিজিটাল হাজিরা দেওয়ার কাজও নিজেই করছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সব ধরনের নথি ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে ‘মাননীয়’ শব্দটি বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকালে সচিবালয়ে অফিস করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিনি নিজের দপ্তরে প্রবেশের আগে ডিজিটাল হাজিরা দেন।
গতকাল বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাঁদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এই নির্দেশনা কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রধানমন্ত্রী নিজেই তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। তাঁর কাছে উপস্থাপিত ফাইল ও অন্যান্য সরকারি নথিতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ না লিখে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, ‘মাননীয়’ শব্দটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ধারাবাহিক ইতিবাচক উদ্যোগের অংশ। এর মাধ্যমে তিনি পদমর্যাদার আনুষ্ঠানিক বিশেষণের চেয়ে দায়িত্ব, জনসেবা এবং দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে সামনে আনার বার্তা দিচ্ছেন।
একই সঙ্গে দাপ্তরিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও ডিজিটাল হাজিরার প্রথা প্রবর্তন করে নজির তৈরির চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রী। কার্যালয়ে প্রবেশের সময় অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো প্রধানমন্ত্রীও নিয়মিত ডিজিটাল হাজিরা দিচ্ছেন। দিনের কাজ শেষে কার্যালয় ছাড়ার সময়ও নির্ধারিত পদ্ধতিতে বের হওয়ার হাজিরা দিয়ে অফিস ত্যাগ করছেন।
সরকার প্রধান হয়ে দাপ্তরিক নিয়ম নিজের ক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ম মেনে চলার বার্তা দিতে দিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রশাসনে সময়ানুবর্তিতা, জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের অংশ। যখন রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা ব্যক্তি সাধারণ দাপ্তরিক নিয়ম মেনে চলেন, তখন প্রশাসনের অন্যদের কাছেও একই নিয়ম অনুসরণের প্রত্যাশা আরও স্পষ্ট হয়।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন বাসসকে বলেন, সরকারি চিঠিপত্রের সম্বোধনের আগে রাষ্ট্রপতির নামের আগে মহামান্য এবং প্রধানমন্ত্রীর নামের আগে মাননীয় লেখা যাবে না মর্মে গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে যে পরিপত্র জারি করা হয়েছে, ইতোমধ্যেই আমরা তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সবগুলো মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং ইউএনওদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। আজকে থেকেই এর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামীতে সরকারি পত্রালাপ বা গুরুত্বপূর্ণ নথিতে এই পরিপত্রের ব্যত্যয় ঘটানো যাবেনা মর্মে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই অতিরিক্ত সচিব আরও বলেন, আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই পরিপত্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সমস্ত প্রশাসনে জানিয়ে দিয়েছি। আশা করি, সকলেই যার যার অবস্থান থেকে পরিপত্র যথাযথ অনুসরণ করবেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা ও অপ্রয়োজনীয় আড়ম্বর কমাতে ইতোমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারি কার্যক্রম ও প্রচারণায় তাঁর ছবি ব্যবহার না করা, প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলে গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং তাঁর চলাচলের সময় সাধারণ মানুষের জন্য ট্রাফিক সিগন্যাল বন্ধ না রাখার মতো উদ্যোগ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী দেশে ও দেশের বাইরে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়া পতাকাবাহী গাড়ি ব্যবহার করছেন না। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এমন একটি বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে, রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তি বিশেষ সুবিধা বা বিশেষ সম্বোধনের পরিবর্তে নিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি অধিশাখার যুগ্ম সচিব তানভীর আহমেদ বাসসকে বলেন, সার্কুলারটি ইতোমধ্যে মাঠ প্রশাসনের সমস্ত জায়গায় পৌঁছে গেছে। আজ আমরা দুয়েকটি চিঠিপত্র পেয়েছি, সেখানে পরিপত্রের বাস্তবায়ন লক্ষ্য করা গেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির আগে মহামান্য এবং প্রধানমন্ত্রীর আগে মাননীয় শব্দটি পরিহার করার জন্য মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে যে পরিপত্র জারি করা হয়েছে, সেটি আজ বৃহস্পতিবার থেকেই পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। কোনো অফিস থেকে এর ব্যত্যয় লক্ষ্য করা গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ তীব্রভাবে নিন্দা জানিয়েছে ইসরাইলের পশ্চিম তীরের ‘ই-১’ এলাকায় বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে।
আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইসরাইলের এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট রেজ্যুলেশনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই পরিকল্পিত নির্মাণ কার্যক্রম অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অখণ্ডতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করবে এবং একটি স্বাধীন ও কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করবে।
বাংলাদেশ ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে, তারা অবিলম্বে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সব ধরনের বসতি স্থাপন কার্যক্রম বন্ধ করুক। পাশাপাশি পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমানার ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ ও অবিচ্ছেদ্য অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে এমন যেকোনো পদক্ষেপ প্রতিরোধ করতে এবং আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি ন্যায়সঙ্গত, বিস্তৃত ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের জনগণের সাথে সংহতি প্রকাশ করছে এবং তাদের স্বাধীনতা, মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রীয় অধিকারের বৈধ আকাক্সক্ষাকে সমর্থন করতে অঙ্গিকারবদ্ধ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ