০৯:৩৩ এম
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ কথা বলেছেন যে, চলমান আলোচনা নিয়ে ইরানের প্রকাশ্য অস্বীকৃতি একটি ‘পারস্য দর কষাকষির কৌশল’ হিসাবে গণ্য হয়। তবে তিনি আরও নিশ্চিত করেছেন যে, ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে কারিগরি আলোচনার পথ খোলা রয়েছে।
মঙ্গলবার প্রকাশিত ‘দ্য মাইকেল নোলস শো’-তে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স উল্লেখ করেন, ‘আমাদের মধ্যে ইতোমধ্যে যে আলোচনা হয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে মূলত কারিগরি আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। সেগুলো আগামীকাল অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে।’
তিনি বলেন, তেহরানের বৈঠক না করার বিবৃতিগুলো তার কাছে হতাশাজনক মনে হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইরানি কর্মকর্তারা প্রযুক্তিগত আলোচনার কথা স্বীকার করলেও শান্তি আলোচনার কথা অস্বীকার করছেন।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
ভ্যান্স বলেন, ‘তারা বলবে, ‘না, না, কোনো শান্তি আলোচনা চলছে না, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি নিয়ে কারিগরি আলোচনা চলছে।’ এটা ফার্সিদের এক ধরনের দর কষাকষির কৌশল এবং বাগাড়ম্বরপূর্ণ ভাষা যা আমি বুঝি না।’
ফক্স নিউজকে দেয়া একটি পৃথক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স জানান, ওয়াশিংটন ইরানের কথার চেয়ে তাদের কাজের ওপর বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। তার যুক্তি হলো, আলোচনায় অর্থপূর্ণ অগ্রগতির জন্য তেহরানকে প্রকৃত ছাড় দিতে হবে।
‘আমরা অবশ্যই কিছু ইতিবাচক লক্ষণ দেখছি। পাশাপাশি কিছু নেতিবাচক লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট আমাদের যা বলেছেন তা হলো, সমস্যাটি নিয়ে কাজ করতে, আলোচনা কোন দিকে গড়ায় তা দেখতে, এবং যদি কূটনৈতিক পর্যায়ে কোনো সফল সমাধান না হয়, তাহলেও আমাদের হাতে অনেক বিকল্প থাকবে,’ তিনি আরও বলেন।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পূর্বে জানিয়েছিলেন যে, ইরান কাতারের রাজধানী দোহায় একটি বৈঠকের অনুরোধ করেছে, যেখানে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হোয়াইট হাউসের দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার দোহা সফর করেন। যদিও দোহায় ইরানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন, তবে তারা কোনো বৈঠক হবে না বলে জানিয়েছে তেহরান।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
ইরান জানিয়েছে যে, তারা মধ্যস্থতাকারীদের সাথে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ‘আগামীকাল (বুধবার) দোহায় যা করা হবে তা হলো সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ধারাগুলো বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা, যার মধ্যে কাতারের কাছে থাকা ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্তিও অন্তর্ভুক্ত।’
পৃথকভাবে, একজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, চুক্তিটি নিয়ে আঞ্চলিক সংলাপ অব্যাহত রাখতে উইটকফ এবং কুশনার দোহায় কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল-থানি এবং অন্যান্য মধ্যস্থতাকারিদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন।
আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন