এস.এম.রিয়াদুল ইসলাম,কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
০৩:২০ পি.এম
ঝিনাইদহের মহেশপুর থেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে আসার পথে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার পরিবারের সদস্যদের ওপর সোমবার (০১ জুন) বিকেলে হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর মঙ্গলবার (০২ জুন) দুপুরে মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে শ্যালককে মারধর ও স্ত্রীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন,প্রিয় দেশবাসী,আসসালামু আলাইকুম। আমি মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া-৩ আসনের জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্য। গতকাল একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার শ্যালককে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়েছে এবং আমার স্ত্রীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে আমি পৌঁছানোর আগেই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরও লিখেন, ঘটনার পরপরই প্রশাসনের সহযোগিতায় আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আমি আশাবাদী,এই নৃশংস হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে তাদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
আমির হামজা লিখেন,ইতোমধ্যে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমাকে অবগত করেছেন যে গতকাল রাত থেকেই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে অভিযুক্তরা নিজ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
আমির হামজা আরও লিখেন, আমি প্রশাসনের প্রতি আস্থা ও প্রত্যাশা রাখি যে,আমার শ্যালকের ওপর হামলাকারী এবং আমার স্ত্রীকে হত্যার হুমকিদাতাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
পরিশেষে তিনি সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গরুকে ‘স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা’ বলে মন্তব্য করেছেন।
তিনি এ সময় জানিয়েছেন, গরুকে নতুন করে জাতীয় পশু ঘোষণার কোনো প্রয়োজন নেই। সোমবার উত্তরপ্রদেশের বিজনোরে অনুষ্ঠিত একটি জনসভায় যোগী আদিত্যনাথ বলেন, কোরবানির ঈদের দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গরুর ছবি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
তিনি সতর্ক করেছেন, অন্যথায় কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে। যোগী আদিত্যনাথের দাবি, গোমাতার মর্যাদা নিয়ে আলাদা কোনো ঘোষণার প্রয়োজন নেই, কারণ এটি ভারতের ‘স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা’ এবং তা প্রতিষ্ঠিত।
অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরু কোরবানি না দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও ভারতে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: দ্য নিউজমিল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুপাড়া এলাকায় নিজ ঘর থেকে মো. হাসান (৩৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে লেখা ছিল— “আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।” এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে বাবুপাড়া ভাঙা বিল্ডিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাসান স্থানীয় ফজলুল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে সোমবার রাতে হাসানের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান এবং হাসান বাড়িতে একাই অবস্থান করেন। পরদিন সকাল থেকে তাকে দেখতে না পেয়ে প্রতিবেশীরা ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে পাশের কক্ষের টিনের বেড়ার ফাঁক দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে তাকে ঘরের সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। চিরকুটে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করার কথা উল্লেখ ছিল।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, হাসান দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদক সেবন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অতীতে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করেছেন। কারামুক্ত হওয়ার পরও তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। মাদকাসক্তিকে কেন্দ্র করে তার সংসারে প্রায়ই অশান্তি দেখা দিত।
নিহতের স্ত্রী খোদেজা বেগম জানান, স্বামীর মাদকাসক্তির কারণে সংসারে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতা চলছিল। তিনি নিয়মিত আয়-রোজগার করতেন না এবং প্রায়ই পারিবারিক বিরোধে জড়াতেন। ঘটনার আগের দিনও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়, যার পর তিনি আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যান।
দীঘিনালা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রাণতোষ বণিক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে। পারিবারিক কলহ, মাদকাসক্তি কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তের ফলাফল পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
তিনি বলেছেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ফেব্রুয়ারিতে রোজার কারণে সংশ্লিষ্টদের দাবির প্রেক্ষিতে পরীক্ষা এক মাস পিছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত নয়।
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এই বিষয়ে তিনি জানান।
মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন আরও জানান, তারা প্রথম থেকেই ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনের চেষ্টায় ছিলেন, কিন্তু রোজা এক মাস আগে ফেব্রুয়ারিতে আসছে বলে তা সম্ভব হচ্ছে না। আবার রোজার পূর্বে পরীক্ষা আয়োজন করাও সম্ভব নয়।
শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে সরকার অংশীজনদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে। শুরুতে লক্ষ্য ছিল রমজানের আগেই পরীক্ষা শেষ করার, সে লক্ষ্যে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তার জন্য রুটিনও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে এখন বিভিন্ন মহল থেকে রমজানের পরে পরীক্ষা শেষ করার বিষয়ে মতামত আসছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, এসএসসি পরীক্ষা হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা, যেখানে পূর্ণ সিলেবাস সম্পন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। রমজানের কারণে পরীক্ষার সময়সূচি কিছুটা সামলে নিয়ে চলার বিষয়টি বিবেচনায় এসেছে। তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, সিলেবাস সম্পন্ন করা এবং সার্বিক বাস্তবতা গুলো বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ