ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রাথমিকে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ ও প্লে-নার্সারি-কেজি নিষিদ্ধের আইনি নোটিস


প্রাথমিকে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ ও প্লে-নার্সারি-কেজি নিষিদ্ধের আইনি নোটিস

প্রাথমিক স্তরে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ করার পাশাপাশি প্লে, নার্সারি, কেজি-১ ও কেজি-২-এর মতো অননুমোদিত প্রাক-প্রাথমিক কোর্স নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারকে আইনি নোটিস প্রদান করা হয়েছে। নোটিসে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অনুমোদিত বইয়ের বাইরে অতিরিক্ত বই চাপিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও উত্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এই নোটিসটি পাঠিয়েছেন। নোটিসটি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে।

নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে উল্লিখিত বিষয়গুলোতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায়, শিশুদের স্বার্থ রক্ষায় সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মীরসরাইয়ে নবাগত ইউএনও’র সাথে সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাকিব চৌধুরীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নোটিসে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন, ১৯৯০ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন, গণমুখী ও বাধ্যতামূলক করার নীতি রয়েছে। তবে বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষাকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশুদের প্লে, নার্সারি, কেজি-১ ও কেজি-২-এর মতো একাধিক স্তরে ভর্তি করিয়ে অতিরিক্ত পড়াশোনা ও বইয়ের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর ফলে শিশুদের স্বাভাবিক শৈশব, মানসিক বিকাশ এবং সৃজনশীলতা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার অনুমোদিত একক প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি চালু করে অননুমোদিত কোর্সগুলো নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিসে প্রাথমিক স্তরে শিশুদের লিখিত পরীক্ষা, স্ক্রিনিং টেস্ট ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, অল্প বয়সে প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষার মুখোমুখি হলে শিশুদের মধ্যে ভীতি, মানসিক চাপ ও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। তাই প্রাথমিক স্তরে যেকোনো ধরনের ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আনন্দময় শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এনসিটিবির নির্ধারিত পাঠ্যবইয়ের বাইরে অতিরিক্ত ব্যাকরণ বই, ওয়ার্কবুক ও সহায়ক বই চাপিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক প্রকাশনা সংস্থার যোগসাজশে শিশুদের ওপর অতিরিক্ত বই ও পাঠ্যসূচির চাপ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে শিশুদের শারীরিক ক্লান্তি, মানসিক অবসাদ এবং সৃজনশীল বিকাশ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জামায়াতের উদ্বেগ, সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার লাশ উদ্ধারে শাস্তির দাবি

নোটিসে আরও বলা হয়েছে, শৈশব থেকেই শিশুদের মুখস্থনির্ভর শিক্ষায় আবদ্ধ না রেখে মুক্তচিন্তা, কল্পনাশক্তি ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে। এ ধরনের অতিরিক্ত চাপ সংবিধানের ১৭, ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত শিক্ষার সুযোগ, সমতা, আইনের আশ্রয়লাভ এবং জীবন ও ব্যক্তিসত্তার সুরক্ষার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করা হয়েছে।

নোটিসে পাঁচ দিনের মধ্যে অননুমোদিত প্রাক-প্রাথমিক কোর্স বন্ধ, প্রাথমিক স্তরে ভর্তি পরীক্ষা নিষিদ্ধ এবং এনসিটিবির বোর্ড বইয়ের বাইরে অতিরিক্ত বই চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিবন্ধন বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তদারকি দল গঠন করে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে শিশুদের স্বার্থে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হবে বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জ পৌর শহরে অকেজো ১৫০টি সিসি ক্যামেরা, অপরাধ বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


সুনামগঞ্জ পৌর শহরে অকেজো ১৫০টি সিসি ক্যামেরা, অপরাধ বাড়ছে

সুনামগঞ্জ পৌর শহরে চুরি, ছিনতাই এবং মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে স্থাপিত দেড় শতাধিক সিসি ক্যামেরা দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে থাকায় পুলিশ অপরাধী শনাক্ত করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পয়েন্টগুলোতে দেড় শতাধিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষ থেকে এই ক্যামেরাগুলো মনিটরিং করা হতো। সে সময় সার্বক্ষণিক নজরদারির ফলে অপরাধ অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং কোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ফুটেজ দেখে অপরাধী শনাক্ত করা সহজ হয়ে উঠত।

কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ ক্যামেরা যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অকেজো হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে ক্যামেরার উপস্থিতি থাকলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে, আবার কিছু ক্যামেরার তার ছিঁড়ে ঝুলে আছে। অনেক পয়েন্টে ক্যামেরাগুলো পুরোপুরি উধাও হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কার্যকর ডিজিটাল নজরদারি না থাকার কারণে সম্প্রতি শহরে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে গেছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ না পাওয়ায় পুলিশ অনেক সময় অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পারছে না। বর্তমানে শুধু আবাসিক বা নির্জন এলাকা নয়, থানার ঠিক সামনের দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও চুরির ঘটনা ঘটছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুত সিসি ক্যামেরাগুলো সংস্কার ও নতুন ক্যামেরা স্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ বলেন, ‘পুরো শহরকে পুনরায় সিসি ক্যামেরার আওতায় আনতে পারলে অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে।’

সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক বলেন, ‘শহরে একসময় সিসি ক্যামেরা চালু ছিল, যা বর্তমানে অকেজো হয়ে গেছে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপরাধ প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে খুব শিগগির কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

—এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মাঠ পুনরুদ্ধার আন্দোলনে আগারগাঁও সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মাঠ পুনরুদ্ধার আন্দোলনে আগারগাঁও সড়ক অবরোধ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা নিজেদের গবেষণা মাঠ (পুরাতন বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণ) হস্তান্তরের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা টানা তিন দিন ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছেন, পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে গণজমায়েত করেছেন এবং এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার অবকাঠামো ভাঙচুর করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তারা সড়ক অবরোধ করেন।

সকাল বেলা, আগারগাঁও থেকে বিজয় সরণি সড়কে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য, গবেষণার জন্য নির্ধারিত জমি ফেরত না পাওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবহারিক শিক্ষা ও উচ্চতর কৃষি গবেষণা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একজন মন্তব্য করেন, "আমাদের ক্যাম্পাস এবং এর জমি উদ্ধারে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।" তিনি আরও বলেন, "এর জন্য সাময়িক কিছু অসুবিধা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে তা মেনে নিতে সম্মত হয়েছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইনানী সৈকতে গোসলে নেমে এক পর্যটকের মৃত্যু, ১৩ জনকে উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


ইনানী সৈকতে গোসলে নেমে এক পর্যটকের মৃত্যু, ১৩ জনকে উদ্ধার

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে এক পর্যটকের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় সাগরে ভেসে যাওয়া ১৩ জন পর্যটককে উদ্ধারকারীরা সংকটাপন্ন ও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে নিহত কিংবা জীবিত উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে একপর্যায়ে ১৪ জন পর্যটক স্রোতের টানে সাগরে তলিয়ে যান। বিষয়টি লক্ষ্য করে উদ্ধারকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে সাগরে নেমে তাদের উদ্ধারের জন্য অভিযান শুরু করেন। উদ্ধার তৎপরতার মাধ্যমে ১৩ জন পর্যটককে নিরাপদে জীবিত ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও একজন পর্যটককে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

নিহত পর্যটকের সঠিক পরিচয় এবং দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাকিবের নতুন সিনেমায় জুটি বাঁধছেন কিনজা হাশমির?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


শাকিবের নতুন সিনেমায় জুটি বাঁধছেন কিনজা হাশমির?

ঢালিউডের সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘মহব্বত’ নিয়ে বিনোদন জগতে শুরু হয়েছে আলোচনা। ছবিতে শাকিবের বিপরীতে পাকিস্তানি অভিনেত্রী কিনজা হাশমিকে দেখা যেতে পারে বলে গুঞ্জন উঠেছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে ২০২৭ সালের পবিত্র ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে পারে সিনেমাটি। তবে শাকিবের নায়িকা হিসেবে কিনজার অভিনয়ের বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

কিনজা হাশমি পাকিস্তানের টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করে পরিচিতি অর্জন করেছেন। তিনি ২০১৪ সালে অভিনয়জগতে প্রবেশ করেন। এর আগে টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি মডেলিংয়ের পাশাপাশি বেতারের অনুষ্ঠান উপস্থাপনার কাজেও যুক্ত হন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই তিনি ধীরে ধীরে বিনোদনজগতে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।

কিনজার ক্যারিয়ারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য আসে ২০১৮ সালে প্রচারিত ‘ইশক তামাশা’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে। এতে রুশনা চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের নজর কাড়েন। নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেও প্রশংসা পান কিনজা। এই কাজের জন্য পাকিস্তানের হুম অ্যাওয়ার্ডে নেতিবাচক চরিত্রে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে মনোনয়নও পেয়েছিলেন তিনি।

এরপর একের পর এক টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করে নিজের পরিচিতি বৃদ্ধি করেছেন কিনজা। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘গুল-ও-গুলজার’, ‘দিওয়ার-ই-শাব’, ‘সংসার’, ‘মোহাব্বত তুম সে নাফরাত হ্যায়’, ‘ফারায়েব’, ‘দলদল’, ‘সিরাত’, ‘মোহলত’, ‘দিল আওয়াইজ’ ও ‘হুক’। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন।

পাকিস্তানের লাহোরে বেড়ে ওঠা কিনজার পরিবারের সঙ্গে বিনোদনজগতের আগে থেকে কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। নিজের আগ্রহ, পরিশ্রম ও নিয়মিত কাজের মধ্য দিয়ে তিনি পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। টেলিভিশন নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর অভিনীত সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘কাট্টার করাচি’ ও ‘শারোজ’।

এবার শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বাঁধার গুঞ্জন কিনজার ক্যারিয়ারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তবে ‘মহব্বত’ সিনেমায় তাঁর অভিনয়ের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত শাকিবের সম্ভাব্য নায়িকা হিসেবে কিনজা হাশমির নামটি গুঞ্জন হিসেবেই রয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%