বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:২৭ পি.এম
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেনের কাছে বিভিন্ন প্রকল্পের বাজেট ও ব্যয়ের তথ্য চাওয়াকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ইমরান মুন্সীকে মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাজাপুর-কাঁঠালিয়া এলাকার সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মিতুর নাম উল্লেখ করে এবং কাঁঠালিয়া থানার ওসি নাছের রায়হানের মাধ্যমে মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।
এ ঘটনায় সরকারি প্রকল্পের তথ্য চাওয়ার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
*অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে শিগগিরই মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।*
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ- বিশ্বম্বপুর ও তাহিরপুরের সাথে জনগুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক উঁচুকরণসহ বিভিন্ন সংস্কার কাজে সড়ক বিভাগের ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিন্নমানের কাজটির বিষয়ে স্হানীয় বাসিন্দাদের নানামুখী অভিযোগ ও ভোক্ষ রয়েছে। স্হানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের সংসদ সদস্য (সুনামগঞ্জ -৪)এডভোকেট নূরুল ইসলাম নুরুল গত মঙ্গলবার সরজমিনে গিয়ে নিম্নমানের নির্মাণকাজ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্হানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট নূরুল ইসলাম অসংখ্য নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগনের সামনে সরেজমিনে গিয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের দূর্বল প্রকৃতির কাজ দেখতে পেয়ে ঠিকাদারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট বিভাগকে।
এই ঘটনার ঘণ্টা খানিক যেতে না যেতেই কাকতালীয় ভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবির ভিত্তিহীন অভিযোগ করে দরখাস্ত করেন নির্মাণ প্রকল্পের সাব-ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম।
সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে অভিযোগ করার কারণে স্হানীয় নেতা কর্মী ও সাধারণ জনগনের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
তারা বলেন আওয়ামী লীগের দোসর ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম ফ্যাসিবাদের আমলের মতো নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে উন্নয়ন কাজ করতে চায় আমরা এম পি মহোদয় কে সাথে নিয়ে সাময়িক কাজ বন্ধ রেখেছি। স্হানীয় বাসিন্দারা জানান
তাতেই ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম ক্ষুব্ধ হয়ে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন।
খুঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রকল্পের মূল ঠিকাদার বদরুল ইকবাল তিনি ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর দেশ ছেড়ে চলে যান। মুল ঠিকাদারের নিকট থেকে ২০ কোটি টাকায় কাজটির সাব-ঠিকাদারি নেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন। প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর আজাদ হোসেন জেলে চলে গেলে সড়কের প্রকল্প কাজের দায়িত্ব নিয়ে নেন আওয়ামীপন্থি অন্য ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম।
গতকাল দুপুরে ফের সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী, দলীয় নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসীকে নিয়ে নির্মাণকাজ এলাকা পরিদর্শনে যান সংসদ সদস্য।
স্হানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট নূরুল ইসলাম নুরুল বলেন, গত মঙ্গলবারে একটি অনুষ্ঠান থেকে যাওয়ার পথে এলাকার সাধারণ জনগণ আমাকে দাঁড় করিয়ে নির্মাণ কাজের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেন। তখন আমি নিজেও দেখতে পাই সড়কের সদ্য নির্মিত গার্ডওয়াল একদিকে হেলে পড়েছে। ব্লক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী। মাটি কমম্পেকশন না করে জিও টেক্টের ওপর নিম্নমানের ব্লক বসিয়ে সড়কের প্রটেকশন দেওয়া হচ্ছে।
ভিট বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে কৃষি জমির টপ সয়েল।
যা দেখে আমি হতবাক হয়ে স্হানীয় জনসাধারণের সামনেই নিম্নমানের কাজ বন্ধ করে গুণগত মানের সামগ্রী দিয়ে উন্নয়ন কাজ করতে সংশ্লিষ্ট সড়ক বিভাগকে অবহিত করি।
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম বলেন, এমপি মহোদয়ের উত্থাপিত অভিযোগগুলো আমরা সরজমিন তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাব।
সাব ঠিকাদার শফিকুল ইসলামের বক্তব্য জানান জন্য বারবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি রেলস্টেশনে যাত্রীদের সুবিধার্থে ঢাকাগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ও চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদন দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের এ ঘটনায় আনন্দে মেতেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দমিছিল করেছেন বিএনপির নেতাকর্মী, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে হিলি রেলস্টেশন থেকে আনন্দমিছিলটি বের করা হয়। পরে মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং হিলির যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
আনন্দমিছিলে উপস্থিত ছিলেন হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী, সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়া হিলি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হিলিবাসী নানা ক্ষেত্রে অবহেলিত ছিলেন। হিলি স্থলবন্দর থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পেলেও এলাকার যোগাযোগব্যবস্থাসহ বিভিন্ন খাতে প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। এমন পরিস্থিতিতে হিলি রেলস্টেশনে ঢাকাগামী দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদন তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এ সিদ্ধান্তে তারা অত্যন্ত খুশি ও আনন্দিত।
তারা আরো বলেন, ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতি কার্যকর হলে হিলি ও আশপাশের এলাকার মানুষ সহজে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবেন। এতে সময় ও যাতায়াতের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য এবং স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশা করছেন। একই সঙ্গে হিলির ভাঙাচোরা সড়কের সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন স্থানীয়রা।
হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, আমাদের হিলি বিগত দিনে অনেক অবহেলিত ছিল। বিএনপি সরকার আসার পর উন্নয়ন শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচনে আমাদের সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেছিলেন, আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে সহযোগিতা করুন, আমি আপনাদের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করব। তার সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আজ হিলির বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে কাজ হচ্ছে।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, বিএনপি সরকার জনগণের উন্নয়নে বিশ্বাসী। দিনাজপুর-৬ আসনের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের হাত ধরে এ আসনে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তিনি কাজ করবেন। ইতিমধ্যে চার উপজেলায় উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে গত ২৮ অক্টোবর জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে হিলি রেলস্টেশনে দুটি আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৭৬৫ নম্বর আন্তনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস এবং ৮০৫ নম্বর আন্তনগর চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেন হিলি রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতির অনুমতি পেয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের পাঠানো প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীদের চাহিদা এবং রেলওয়ের রাজস্ব আয়ের বিষয়টি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাসরিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে হিলি স্থলবন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ যাত্রীদের ঢাকায় যাতায়াত আরো সহজ হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। আনন্দমিছিলের মধ্য দিয়ে নিজেদের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। এখন ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতি কার্যকর হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন হিলি ও আশপাশের এলাকার যাত্রীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় পায়রা সেতুর নিচে, লেবুখালী পাগলার মাজার ও ইউনিভার্সিটি স্কয়ার মোড় এলাকায় একটি ব্যাগ হারিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ব্যাগটির ভেতরে রয়েছে ওই যুবকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, শিক্ষাগত সার্টিফিকেট ও ভোটার আইডি কার্ড। গুরুত্বপূর্ণ এসব কাগজপত্র হারিয়ে বিপদে পড়েছেন তিনি।
কেউ যদি ব্যাগটির সন্ধান পেয়ে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে কমেন্টের মাধ্যমে জানান এবং ব্যাগটি প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে সহযোগিতা করুন।
আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় যুবকটি তাঁর হারানো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ফিরে পেতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কঁচা নদীতে মাছ ধরার অপরাধে তিন জেলেকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক প্রত্যেক জেলেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার কঁচা নদীর বেকুটিয়া প্রান্তসহ বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তারের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে, উপজেলা মৎস্য অফিসার হাফিজুর রহমান ও নৌ পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করে।
আটক জেলেরা হলেন পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমিরমারা এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেন (৫৫), কবির হোসেন (৩০) ও মোঃ মইনুদ্দিন (২২)। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেহেনা আক্তার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাঁদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযান সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার বলেন, “জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত সার্বক্ষণিক তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করছে। নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ