জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০২:৫৬ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে বছরের পর বছর ছদ্মবেশে জীবন যাপন করে এবং একাধিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে সহায়তা করা কসোভো বংশোদ্ভূত একজন ব্যক্তিকে এখন বাধ্যতামূলকভাবে তার নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর (ডিপোর্ট) উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই খবরটি এনডিটিভি জানিয়েছে, সিবিএস নিউজের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের বরাতে।
ভুক্তভোগী ব্যক্তিটির নাম ব্লেয়ারিম স্কোরো (৫৫)। তিনি তিন সন্তানের জনক এবং দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। গত ৩ আগস্ট নিউ জার্সির একটি অভিবাসন কার্যালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নবায়ন করার সময় মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) তাকে গ্রেপ্তার করে।
স্কোরোর আইনজীবীরা এখন তার বহিষ্কারাদেশ ঠেকানোর জন্য ইতিমধ্যেই দেশটির ফেডারেল আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাদের যুক্তি হল, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাজ করার ফলে কসোভোতে তার প্রাণনাশের চরম ঝুঁকি রয়েছে। এই ঝুঁকির কথা বিবেচনা করেই এর আগে আদালত তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
নিউজিল্যান্ডের ইমিগ্রেশন অফিসে গ্রেপ্তারের সময় স্কোরোর পাশে ছিল তার স্ত্রী সুসান স্কোরো। তিনি ক্ষোভ ও আক্ষেপের সঙ্গে সিবিএস নিউজকে বলেন, ‘তারা ওর সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
ও নিজে সাজা খেটেছে, দেশের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত ছিল—কিন্তু এখন কারও কিছু আসে যায় না! ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমার যোগ্য।’
তিনি আরো বলেন, ‘ওকে বিশ্বের কোথাও নিরাপদে ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়, আমরা সবসময় জীবনের ঝুঁকিতে থাকি।’
বর্তমানে স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে ট্যাক্সিচালক হিসেবে কাজ করছেন স্কোরোর স্ত্রী এবং সন্তানরা আমেরিকান নাগরিক। আইনজীবীদের দাবি, মার্কিন আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করার বিনিময়ে তাকে আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।
প্রতিবেশী সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে হেরোইন পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্কোরোর সম্পর্ক গড়ে উঠে। ১৯৯৪ সালে কসোভো সংঘাত থেকে বাঁচতে যুক্তরাষ্ট্রের আশ্রয় চেয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে পারিবারিক সমস্যা সামলাতে না পেরে অপরাধের জগতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন।
পেনসিলভানিয়ার একটি ফেডারেল কারাগারে সাজা খাটার সময় স্কোরো উগ্রপন্থীদের সাথে যুক্ত হন। সেখান থেকেই এফবিআই-এর ‘গোপন তথ্যদাতা’ হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর সিআইএ তার এই যোগাযোগকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ২০০২ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে কারাগারে বসেই তিনি লাকাওয়ানা সিক্স, ভার্জিনিয়া জিহাদ নেটওয়ার্ক এবং হিজবুল্লাহর মতো সন্ত্রাসী সংগঠনের তথ্য মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে পৌঁছে দেন।
এমনকি সিবিএস নিউজের হাতে পাওয়া ২০০৪ সালের এফবিআই নথি থেকে জানা গেছে, স্কোরো ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি তদন্তেও তথ্যদাতা ছিলেন। তিনি সিরিয়ার এক সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ ক্যাম্পসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যেগুলি অত্যন্ত নিখুঁত ও কার্যকর ছিল।
২০০৭ সালে সাজা শেষ হওয়ার পর কসোভোতে ফেরত পাঠানো হলেও সিআইএ-এর অনুরোধে বলকান অঞ্চলে আল-কায়েদা নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশের কাজ চালিয়ে যান স্কোরো। আইনি নথিপত্র অনুযায়ী, তিনি ছদ্মবেশে সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান, পাকিস্তান এবং মিসর ভ্রমণ করেছেন। এই গোপন মিশন চলেছিল ২০০৯ সাল পর্যন্ত। তিনি সিআইএ, এফবিআই এবং ইউএস ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ডিইএ) হয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন।
২০১৪ সালে কসোভোতে একটি হামলায় পায়ে গুলি লাগার পর নিজের পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কানাডা হয়ে পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন স্কোরো। পরে ২০১৬ সালে মেয়ের ডিসকাউন্ট কার্ড ব্যবহার করায় নিউইয়র্ক পুলিশ তাকে আটক করলে ওই বিষয়টি আবারও ইমিগ্রেশনের হাতে চলে যায়।
এরপর ২০২২ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘের ‘কনভেনশন এগেইনস্ট টর্চার’-এর আওতায় এক আমেরিকান বিচারক রায় দেন যে, কসোভোতে নির্যাতন বা হত্যার আশঙ্কা থাকায় স্কোরোকে সেখানে ফেরত পাঠানো যাবে না। তবে এই রায়ে তাকে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায় নতুন করে আইসিই এর হাতে বন্দি হতে হয়েছে স্কোরোক। নিউ জার্সির এলিজাবেথ ডিটেনশন সেন্টার থেকে কাতর কণ্ঠে তিনি সিবিএস নিউজকে বলেন, ‘আমি ভাবতেও পারিনি তারা আমার সঙ্গে এভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করবে। দয়া করে আমাকে বাঁচান, আমি যদি মারাও যাই, এই দেশেই মরতে চাই যেন আমার সন্তানরা আমাকে এখানেই কবর দিতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রয়টার্সের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র কাতারের কাছে আনুমানিক ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এই বিক্রির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী চারটি পর্যন্ত কেসি-৪৬এ বিমান এবং এসব বিমানের জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বৃহস্পতিবারের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কাতার চারটি পর্যন্ত কেসি-৪৬এ বিমান কেনার জন্য অনুরোধ করেছে, পাশাপাশি আটটি পিডাব্লিউ৪০৬২ টার্বোফ্যান ইঞ্জিন, ১০টি এএন/এএলআর-৬৯এ রাডার সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, ১৫টি গার্ডিয়ান লেজার ট্রান্সমিটার এবং আটটি এলএআইআরসিএম সিস্টেম প্রসেসরও কেনার অনুরোধ করেছে। চুক্তির মধ্যে বিমানের জন্য বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম ও সেবা, পরিবহন, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রকাশ করেছে যে, এই বিক্রয় কাতারের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে। এটি কাতারের সামরিক সমন্বয়ও বৃদ্ধি করবে মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর সঙ্গে।
এই চুক্তির মাধ্যমে কাতার বর্তমান এবং ভবিষ্যতের নানা নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলার জন্য আরো সক্ষম হবে। বিজ্ঞপ্তিতে কাতারকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘কৌশলগত আঞ্চলিক অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন সরকারের দৃষ্টিকোণ থেকে, মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রেও কাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সম্ভাব্য এই চুক্তির প্রধান মার্কিন ঠিকাদারদের মধ্যে বোয়িং, প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি মিলিটারি ইঞ্জিনস, আরটিএক্স করপোরেশন ও নর্থরপ গ্রুম্যান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কেসি-৪৬এ বিমানটি অন্যান্য বিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহ করতে সক্ষম। পাশাপাশি, এই বিমানে কার্গো পরিবহন এবং জরুরি চিকিৎসা স্থানান্তরের সুবিধা রয়েছে। এটি পুরনো কেসি-১৩৫ বিমানের তুলনায় আরো উন্নত সক্ষমতার একটি বিমান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যবহারের জন্য কাতারের দ্বারা প্রদত্ত একটি বিমান নিয়ে নিরাপত্তার প্রশ্নের মধ্যেই এই সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির ঘোষণা এসেছে। ট্রাম্প জুলাই মাস থেকে ওই নতুন জেটটি ব্যবহার শুরু করেছেন এবং বিমানটি উন্নত করার জন্য এর সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী শিক্ষার্থীদের ওপর পেলেট গান চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল সেই প্রশ্ন তুলে সরাসরি থানার চত্বরেই অবস্থানের সিদ্ধান্ত নেন।
আজ নয়া দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট পুলিশ স্টেশনে পেলেট গানের আঘাতে আহত তরুণ সাহিল লোচাব ও তার মাকে সাথে নিয়ে সশরীরে হাজির হন কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতা। রাহুল গান্ধী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রথম তথ্য বিবরণী (এফআইআর) রুজু করার জন্য। পুলিশ যখন মামলা নথিভুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন রাহুল গান্ধী থানা চত্বরের বাইরেই ডিসিপি অফিসের সামনে আমরণ ধর্নায় বসে যান। পরে দলের নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও তার সাথে আন্দোলনে যোগ দেন।
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ একটি বার্তা প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, আমরা শিক্ষার্থীদের পাশে আছি, আমরা ইনসাফের পক্ষে সোচ্চার। এফআইআর না হওয়া পর্যন্ত ডিসিপি অফিসের সামনে এই ধর্ণা কর্মসূচি চলবে।
এর আগে আন্দোলনের সময় রাহুল গান্ধী এক্স-এ লেখেন, গত ২০ জুলাই দিল্লির যন্তরমন্তরে সাহিল যখন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় পতাকা হাতে প্রতিবাদ করছিলেন, তখন তার ওপর পেলেট গান দিয়ে আক্রমণ চালানো হয়। এর ফলে ১৯ বছর বয়সী এই তরুণের একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, ঘটনার এতদিন পর যখন ভুক্তভোগী বিচার পাওয়ার লক্ষ্যে আইনিপ্রক্রিয়া হিসেবে মামলা করতে চাইছেন, তখনও তাকে এফআইআর রুজু করতে বাধা দেয়া হচ্ছে।
দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভের সময় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও অপ্রতুল ব্যবস্থার যে অভিযোগ উঠেছে, তাও খতিয়ে দেখতে সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। তবে বিরোধীদের দাবি, যতক্ষণ না সংশ্লিষ্ট থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত মামলা রুজু হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা এই অবস্থান কর্মসূচি ছাড়বেন না।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিপাইনে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ২০২৬’-এর মুকুট জিতে নিয়েছেন মিসবাহ আরশাদ। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করার সুবর্ণ সুযোগ পেলেন।
মিসবাহ দেশে নিয়ে বিশ্বমঞ্চে অংশ নিতে যাওয়া চতুর্থ প্রতিযোগী।
অনুষ্ঠানে মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক জশ ইউগেন নতুন বিজয়ী মিসবাহ আরশাদকে আনুষ্ঠানিক স্যাশ পরিয়ে দেন। সেই সঙ্গে তাঁর পূর্বসূরি রোমা রিয়াজ মাথায় তুলে দেন বিজয়ের মুকুট।
মনোবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী মিসবাহ, চূড়ান্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজেকে তুলে ধরে নিজের ভাবনা এবং আত্মবিশ্বাসী উত্তরের মাধ্যমে বিচারকদের দৃষ্টি কাড়েন।
আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে মিসবাহ আরশাদের এটি প্রথম যাত্রা নয়। এর আগে তিনি জাপানে অনুষ্ঠিত ‘মিস ইন্টারন্যাশনাল ২০২৩’ এবং পোল্যান্ডে আয়োজিত ‘মিস সুপ্রান্যাশনাল ২০২৪’-এ পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
নিজের দীর্ঘ পথচলা এবং সাফল্য-ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যর্থতা দিয়ে সাফল্য নির্ধারণ করা যায় না। মূল বিষয় হলো আশা ধরে রাখা এবং প্রতি পদক্ষেপে নিজেকে উন্নত করা।
মুকুট জয় বড় কথা হলেও, এই পথের শিক্ষা ও মানুষের সঙ্গে তৈরি হওয়া সম্পর্কই আসল পুরস্কার।’
আগামী ৭৫তম মিস ইউনিভার্সের মূল আসরে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে মিসবাহ অংশগ্রহণ করবেন। এবারের প্রতিযোগিতা পুয়ের্তো রিকোতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
এর আগে ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু করে মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ফ্র্যাঞ্চাইজি। সে বছর দেশটির প্রথম প্রতিনিধি হিসেবে ইতিহাস গড়েন এরিকা রবিন।
এল সালভাদরে অনুষ্ঠিত মিস ইউনিভার্সের মূল আসরে তিনি জায়গা করে নিয়েছিলেন ‘টপ ২০’-এ।
এরপর ২০২৪ সালে মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন নূর জারমিনা। ২০২৫ সালে দেশটির প্রতিনিধিত্ব করেন রোমা রিয়াজ। পরবর্তীতে রোমা রিয়াজ ফ্র্যাঞ্চাইজিটির জাতীয় পরিচালকের দায়িত্বগ্রহণ করেন এবং নতুন প্রতিযোগীদের প্রশিক্ষণের পথ যাত্রা শুরু করেন।
এবার সেই ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করার অপেক্ষায় রয়েছেন মিসবাহ আরশাদ। তিনি দীর্ঘ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা নিয়ে সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার এই মঞ্চে দেশকে তুলে ধরার অপেক্ষায় আছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ