ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হামলার শিকার তরুণকে নিয়ে পুলিশ স্টেশনে ধর্নায় রাহুল গান্ধী


হামলার শিকার তরুণকে নিয়ে পুলিশ স্টেশনে ধর্নায় রাহুল গান্ধী

ভারতের লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী শিক্ষার্থীদের ওপর পেলেট গান চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল সেই প্রশ্ন তুলে সরাসরি থানার চত্বরেই অবস্থানের সিদ্ধান্ত নেন।

আজ নয়া দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট পুলিশ স্টেশনে পেলেট গানের আঘাতে আহত তরুণ সাহিল লোচাব ও তার মাকে সাথে নিয়ে সশরীরে হাজির হন কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতা। রাহুল গান্ধী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রথম তথ্য বিবরণী (এফআইআর) রুজু করার জন্য। পুলিশ যখন মামলা নথিভুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন রাহুল গান্ধী থানা চত্বরের বাইরেই ডিসিপি অফিসের সামনে আমরণ ধর্নায় বসে যান। পরে দলের নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও তার সাথে আন্দোলনে যোগ দেন।

কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ একটি বার্তা প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, আমরা শিক্ষার্থীদের পাশে আছি, আমরা ইনসাফের পক্ষে সোচ্চার। এফআইআর না হওয়া পর্যন্ত ডিসিপি অফিসের সামনে এই ধর্ণা কর্মসূচি চলবে।

আরও পড়ুন: ফের অশান্ত ভারতের মণিপুর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে নিহতদের লাশ রেখে বিক্ষোভ

এর আগে আন্দোলনের সময় রাহুল গান্ধী এক্স-এ লেখেন, গত ২০ জুলাই দিল্লির যন্তরমন্তরে সাহিল যখন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় পতাকা হাতে প্রতিবাদ করছিলেন, তখন তার ওপর পেলেট গান দিয়ে আক্রমণ চালানো হয়। এর ফলে ১৯ বছর বয়সী এই তরুণের একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, ঘটনার এতদিন পর যখন ভুক্তভোগী বিচার পাওয়ার লক্ষ্যে আইনিপ্রক্রিয়া হিসেবে মামলা করতে চাইছেন, তখনও তাকে এফআইআর রুজু করতে বাধা দেয়া হচ্ছে।

দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভের সময় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও অপ্রতুল ব্যবস্থার যে অভিযোগ উঠেছে, তাও খতিয়ে দেখতে সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। তবে বিরোধীদের দাবি, যতক্ষণ না সংশ্লিষ্ট থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত মামলা রুজু হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা এই অবস্থান কর্মসূচি ছাড়বেন না।

সূত্র: এনডিটিভি

আরও পড়ুন: ফ্রান্সের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, মেয়রদের হাতে কারফিউ জারির ক্ষমতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিস ইউনিভার্স পাকিস্তানের মুকুট জিতলেন মিসবাহ আরশাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


মিস ইউনিভার্স পাকিস্তানের মুকুট জিতলেন মিসবাহ আরশাদ

ফিলিপাইনে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ২০২৬’-এর মুকুট জিতে নিয়েছেন মিসবাহ আরশাদ। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করার সুবর্ণ সুযোগ পেলেন।

মিসবাহ দেশে নিয়ে বিশ্বমঞ্চে অংশ নিতে যাওয়া চতুর্থ প্রতিযোগী।

অনুষ্ঠানে মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক জশ ইউগেন নতুন বিজয়ী মিসবাহ আরশাদকে আনুষ্ঠানিক স্যাশ পরিয়ে দেন। সেই সঙ্গে তাঁর পূর্বসূরি রোমা রিয়াজ মাথায় তুলে দেন বিজয়ের মুকুট।

মনোবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী মিসবাহ, চূড়ান্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজেকে তুলে ধরে নিজের ভাবনা এবং আত্মবিশ্বাসী উত্তরের মাধ্যমে বিচারকদের দৃষ্টি কাড়েন।

আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে মিসবাহ আরশাদের এটি প্রথম যাত্রা নয়। এর আগে তিনি জাপানে অনুষ্ঠিত ‘মিস ইন্টারন্যাশনাল ২০২৩’ এবং পোল্যান্ডে আয়োজিত ‘মিস সুপ্রান্যাশনাল ২০২৪’-এ পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

নিজের দীর্ঘ পথচলা এবং সাফল্য-ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যর্থতা দিয়ে সাফল্য নির্ধারণ করা যায় না। মূল বিষয় হলো আশা ধরে রাখা এবং প্রতি পদক্ষেপে নিজেকে উন্নত করা।

মুকুট জয় বড় কথা হলেও, এই পথের শিক্ষা ও মানুষের সঙ্গে তৈরি হওয়া সম্পর্কই আসল পুরস্কার।’

আগামী ৭৫তম মিস ইউনিভার্সের মূল আসরে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে মিসবাহ অংশগ্রহণ করবেন। এবারের প্রতিযোগিতা পুয়ের্তো রিকোতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

এর আগে ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু করে মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ফ্র্যাঞ্চাইজি। সে বছর দেশটির প্রথম প্রতিনিধি হিসেবে ইতিহাস গড়েন এরিকা রবিন।

এল সালভাদরে অনুষ্ঠিত মিস ইউনিভার্সের মূল আসরে তিনি জায়গা করে নিয়েছিলেন ‘টপ ২০’-এ।

এরপর ২০২৪ সালে মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন নূর জারমিনা। ২০২৫ সালে দেশটির প্রতিনিধিত্ব করেন রোমা রিয়াজ। পরবর্তীতে রোমা রিয়াজ ফ্র্যাঞ্চাইজিটির জাতীয় পরিচালকের দায়িত্বগ্রহণ করেন এবং নতুন প্রতিযোগীদের প্রশিক্ষণের পথ যাত্রা শুরু করেন।

এবার সেই ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করার অপেক্ষায় রয়েছেন মিসবাহ আরশাদ। তিনি দীর্ঘ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা নিয়ে সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার এই মঞ্চে দেশকে তুলে ধরার অপেক্ষায় আছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রীয় বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ পি.এম


রাষ্ট্রীয় বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সের

বৃহস্পতিবার কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) নেতা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে বাহিনীটিকে একীভূত করার ঘোষণা প্রদান করেছেন। এসডিএফ সিরিয়ায় স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি প্রশাসনের কার্যত সশস্ত্র বাহিনী হিসেবে কর্মকাণ্ড চালিয়েছে এবং ওয়াশিংটনের সমর্থন পুষ্ট ছিল। জিহাদিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তারা ছিল সামনের সারিতে।

সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) ২০১৫ সালে আইএসবিরোধী লড়াইয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে গঠিত হয় আরব-কুর্দি জোট হিসেবে। তবে ভূ-রাজনৈতিক অগ্রাধিকারে পরিবর্তন ও সামরিক বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের সক্রিয় পৃষ্ঠপোষকতা থেকে সরে আসে। এর ফলে এসডিএফ একটি চুক্তিতে সম্মত হয় এবং দামেস্কের অধীন কেন্দ্রীয় সিরীয় রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের বেসামরিক ও সামরিক কাঠামোর একীভূতকরণ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

এসডিএফ-এর নেতা বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে বাহিনীটির একীভূত হওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বছরের পর বছর দেশের সবচেয়ে প্রশিক্ষিত ও সুসংগঠিত বাহিনী হিসেবে পরিচিত এসডিএফ-এর বিলুপ্তি দেশটির কুর্দিদের জন্য একটি যুগের অবসান সঞ্চার করবে।

বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। ২০২৪ সালে সিরিয়ার শাসক বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে দীর্ঘদিন ধরে কুর্দিরা স্বায়ত্তশাসনের স্বপ্ন দেখেছে। আসাদের পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের ছেড়ে দামেস্কের নতুন মার্কিনপন্থী কর্তৃপক্ষকে সমর্থন দেয়।

এসডিএফ গঠন করা হয়েছিল ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কোবানেতে ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে কুর্দি যোদ্ধাদের দক্ষতা ওয়াশিংটনকে মুগ্ধ করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র তখন জিহাদিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একজন নির্ভরযোগ্য অংশীদার খুঁজছিল।

আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একসময় এসডিএফ নেতৃত্ব দেয়। চার বছর পরে সিরিয়ায় আইএসকে ভৌগোলিকভাবে পরাজিত করা হয়। একপর্যায়ে এসডিএফের যোদ্ধার সংখ্যা প্রায় এক লাখে পৌঁছাল। এই বাহিনীতে কুর্দি ও আরব উভয় সম্প্রদায়ের সদস্য অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাহিনীটি সিরিয়ার তেলসমৃদ্ধ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করত।

তবে জানুয়ারিতে সংঘর্ষে কুর্দিরা সরকারি বাহিনীর কাছে বড় অংশের ভূখণ্ড হারানোর পর দুই পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। এই চুক্তির অধীনে কুর্দিদের সামরিক ও বেসামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে একীভূত হওয়ার কথা ছিল।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার বাহিনী কুর্দিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাক্কা ও দেইর ইজোর প্রদেশ দুটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এসডিএফের আরব সদস্যরাও ব্যাপকভাবে দলত্যাগ করতে শুরু করেন।

সিরিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ফ্যাব্রিস বালানশের মতে, এতে এসডিএফের শক্তি আগের তুলনায় অর্ধেকে নেমে আসে। বালানশে বলেন, এসডিএফের মূল শক্তি অক্ষত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার সদস্যের পিপলস প্রোটেকশন ইউনিটস (ওয়াইপিজি) এবং সম্পূর্ণ নারী সদস্যদের নিয়ে গঠিত উইমেনস প্রোটেকশন ইউনিটস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এসডিএফের প্রধান মাজলুম আবদি বাহিনীটি এবং কুর্দি নিরাপত্তা বাহিনী কীভাবে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সঙ্গে একীভূত হবে, সে সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেননি। দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক মাস ধরে এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল।

ওয়াশিংটনভিত্তিক কুর্দি-বিষয়ক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞ মুৎলু জিভিরওগ্লু এএফপিকে বলেন, ‘এসডিএফ বিলুপ্ত হওয়া কুর্দিদের জন্য তিক্ত পরিণতি। এটি ‘সিরিয়ায় কুর্দি শক্তির অবসান।’ ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে তুরস্কের বারবার সামরিক অভিযানের মুখে পড়েছিল কুর্দি বাহিনী। আঙ্কারা জানায়, তারা এসব যোদ্ধাকে নিজেদের সীমান্ত থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চায়।

তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে এসডিএফকে কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে)-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করে। পিকেকে দেশটিতে কয়েক দশক ধরে সশস্ত্র বিদ্রোহ চালিয়েছে। কারাগারে থাকা পিকেকে নেতা আবদুল্লাহ ওজালানের আহ্বানের পর গত বছরের মে মাসে পিকেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুরস্কের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম পরিত্যাগ করে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে চার দশকের সহিংসতার অবসান ঘটে, এতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়।

বালানশে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে পিকেকেই পর্দার আড়াল থেকে ওয়াইপিজিকে পরিচালনা করে।’ ওয়াইপিজি হলো এসডিএফের মূল ভিত্তি পিপলস প্রোটেকশন ইউনিটস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোমের হোটেলকক্ষের বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন জেমস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


রোমের হোটেলকক্ষের বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন জেমস

ইতালির রোমে কনসার্টকে ঘিরে নানা বিতর্কের মধ্যে, এবার একটি অভিযোগ সামনে এসেছে যে হোটেলকক্ষ নোংরা ও অগোছালো রেখে যাওয়ার ঘটনায় নগরবাউল জেমস মুখ খুলেছেন।

তার দাবি, আলোচনার মাধ্যমে যে কক্ষটি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে, সেটি তাঁর ছিল না।

শুক্রবারের এক সংবাদ সম্মেলনে জেমস বলেন, সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর দলের একজন তরুণ অতিথি গিটারিস্ট। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হিসেবে তিনি মনে করেন যে, বিষয়টিকে অযথা বড় করে দেখার প্রয়োজন নেই।

বৃহস্পতিবার ইতালির ভেনিসে সংবাদ সম্মেলনে এই সব বিষয় নিয়ে কথা বলেন জেমস। একই সঙ্গে রোমের কনসার্টকে ঘিরে আয়োজকদের দিক থেকে তোলা প্রতারণা ও অর্থসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয় নিয়েও চলছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য।

১৬ আগস্ট রোমে একটি কনসার্টে অংশ নিতে এসে, জেমস ও তাঁর সফরসঙ্গীরা বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ওঠেন। চেক-আউট করার পর, ওই কক্ষটির কয়েকটি ছবি এবং হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আয়োজক প্রতিনিধির কথোপকথনের স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে অভিযোগ করা হয়, একটি কক্ষ অপরিষ্কার ও অগোছালো অবস্থায় রেখে গেছে। হোটেল কর্তৃপক্ষকে না জানিয়েই কক্ষটি ছেড়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

বিতর্কিত বিষয়টি নিয়ে জেমস বলেন, ‘অভিযোগটি ৫৪৯ নম্বর রুম–সংশ্লিষ্ট। রুমটিতে আমাদের একজন অতিথি গিটারিস্ট ছিলেন। ইয়াং ছেলে। নিয়ম কিন্তু সব সময় হোটেল থেকে ক্লিনিং করা। ইয়াং ছেলে, তারা হয়তো পরিষ্কার করেনি।

কিন্তু এটি এমন বড় কিছু নয়। হোটেলে অনেক সময় এমন ঘটনা ঘটে। প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হয়, তারা হয়তো সেটি করেনি।’

এই বিষয়টিকে সাধারণ ঘটনা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘অনেকেই রুম এলোমেলো রাখে। যদি হোটেল কর্তৃপক্ষ সত্যিই ২০০ ইউরো জরিমানা করে থাকে, তাহলে এটা তেমন বড় ফাইন (জরিমানা) নয়। অনেক সময় দেখা যায়, কেউ রুমে ধূমপান করে ১০০ অথবা ২০০ ইউরো জরিমানা দেয়। একেক দেশে একেক নিয়ম, এটা বড় কোনো বিষয় নয়।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হলেও, জেমস এর মধ্যে খুব একটা বিচলিত নন। তাঁর কথায়, ‘এটা নিয়ে এত বড় একটি ইস্যু করার প্রয়োজন নেই। তারা করতেছে করুক, করুক না। ফোন আছে, দুই-চারটা কথা লিখতেছে, লিখুক। বাধা দেওয়ার কিছু নেই। তারা মন খুলে লিখুক, স্বাধীনতা আছে।’

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে, জেমসের মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন জানান, যে কক্ষ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেখানে জেমস অবস্থান করেননি।

তাঁর ভাষ্যমতে, দলের জন্য মোট চারটি কক্ষ নেওয়া হয়েছিল। জেমস ছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে এবং রবিন ছিলেন ২৪৬ নম্বর কক্ষে। বিতর্কিত ৫৪৯ নম্বর কক্ষে ছিলেন দলের অন্য একজন সংগীতশিল্পী।

রবিন বলেন, ‘হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৫৪৯ নম্বর কক্ষে ছিলেন দলের অন্য এক মিউজিশিয়ান। তাই একজনের কক্ষের অবস্থার দায় জেমসের ওপর দেওয়া ঠিক হবে না। তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা। তাঁকে নিয়ে এই ধরনের মিথ্যাচার কারোর কাছেই কাম্য নয়।’

হোটেলের নিয়ম না মেনে কিংবা রিসেপশনে যোগাযোগ না করেই কক্ষ ছাড়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন রবিন।

রোমের ওই কনসার্ট ঘিরে ইতালির আয়োজক হোসাইন আহমেদ প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, কনসার্টের অগ্রিম অর্থ ও টিকিট বিক্রির টাকা নিয়ে হিসাবের জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই অর্থের হিসাব দিতে রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন অস্বীকৃতি জানিয়েও অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ডাকা হয়েছিল বলেও জানান আয়োজক।

কিন্তু এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে জেমসের পক্ষ। রবিনের দাবি, কনসার্ট আয়োজনের আগে দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি হয়েছিল এবং চুক্তি লঙ্ঘনের কোন ঘটনা ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলিয়ারচরে মেধাবী প্রতিবন্ধী শাহিনের পাশে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


কুলিয়ারচরে মেধাবী প্রতিবন্ধী শাহিনের পাশে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি

একটি সংবাদ কখনো কখনো শুধু খবর হয়ে থাকে না, হয়ে ওঠে একজন সংগ্রামী মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের প্রতিবন্ধী তরুণ শাহিন খানের চাকরির দীর্ঘ সংগ্রাম নিয়ে প্রকাশিত সংবাদটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপির নজরে গেলে শাহিনের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন তিনি।

সংবাদটি প্রকাশের পর প্রথমে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শাহিনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপির নির্দেশনায় তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নূরুল ইশরাক শাহিনের বাড়িতে গিয়ে সরাসরি তার ও পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন।

এ সময় নূরুল ইশরাক শাহিনের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। তিনি শাহিনের পারিবারিক অবস্থা, শিক্ষাজীবন, সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর মর্মান্তিক ঘটনা, সরকারি চাকরির বিভিন্ন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও চূড়ান্ত নিয়োগ থেকে বারবার বঞ্চিত হওয়ার কষ্টের গল্প মনোযোগ দিয়ে শোনেন। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলে তাদের বর্তমান বাস্তবতা সম্পর্কে অবগত হন।

প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম শাহিনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপযুক্ত কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে সেখানে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে তার যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে একটি সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়।

দীর্ঘদিনের হতাশার মধ্যে প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ শাহিন ও তার পরিবারের মনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। তারা বিশ্বাস করেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এমন আন্তরিক সহযোগিতা একজন মেধাবী ও অসহায় তরুণের জীবন বদলে দিতে পারে।

উল্লেখ্য, শাহিন খান সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর পরও জীবনযুদ্ধ থেকে পিছিয়ে যাননি। অসীম প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি একের পর এক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এবং একাধিক লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু শেষ ধাপে বারবার বাদ পড়ায় তার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়।

স্থানীয়দের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মানবিক উদ্যোগ শুধু শাহিনের জন্যই নয়, সমাজের অসংখ্য সংগ্রামী মানুষের জন্যও আশার বার্তা। এখন সবার প্রত্যাশা, প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবে রূপ নেবে এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পর শাহিন একটি সম্মানজনক চাকরির মাধ্যমে নতুন জীবনের সূচনা করতে পারবেন।

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের পক্ষ থেকে তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নুরুল ইসরাক কুলিয়ারচরের প্রতিবন্ধী তরুণ শাহিন খানের বাড়িতে গিয়ে তার ও পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%