শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১৭ পি.এম
খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্ণীছড়ি উপজেলার ইন্দ্রসিংপাড়া এলাকায়, জোন কমান্ডারের নির্দেশনায়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক মেডিকেল সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে দেড় শতাধিক মানুষ উপকৃত হয়েছে।
এমন দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষজন উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। অনেকেই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে জীবন যাপন করছেন। বিনামূল্যে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেয়ে এলাকাবাসী উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন।
এই বিষয়ে ইন্দ্রসিংপাড়া আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার লে: ওয়াসির বলেন, “আমাদের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য এই দুর্গম এলাকার মানুষদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এমন জনহিতকর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর তানোর সদরের একটি সার ও কীটনাশক দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে জানালার গ্রিল ও গোডাউনের তালা কেটে সাড়ে ২৪ লাখ টাকার কীটনাশক চুরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ইসলাম ট্রের্ডাস নামক দোকানে এই রহস্যজনক চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ইসলাম ট্রেডার্সের মালিক মনিরুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে দোকানের মালিক সাটার টেনে তালা দিয়ে চলে যান। পরদিন শুক্রবার সকালে, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দোকানের মালিকের পিতা মাইনুল ইসলাম দোকান খুলে গোডাউনের ভিতরের তালা ও দোতালার জানালার গ্রিল কাটা অবস্থায় দেখতে পান।
পরে জানা যায়, ইনসিপিও ৮০ মিলি ৮১ কার্টন, ইনসিপিও ১০০ মিলি ৫৪ কার্টন, এমিস্টার টপ ২০ মিলি ২০ কার্টন কীটনাশক চুরি হয়ে গেছে। দোকানদারের মতে, এই চুরির বাজার মূল্য ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে তানোর গোল্লাপাড়া বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক টিপু সুলতান বলেন, ‘নাইট গার্ডরা প্রতিদিনের মতো দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় পেছনের দিকে দোতালার জানালার গ্রিল ও গোডাউনের তালা কেটে সিনজেনটা কোম্পানীর সবচাইতে দামী বিষের কার্টনগুলো চুরি হয়ে গেছে। আনুমানিক রাত ২টার মধ্যে একটি চার্জার ভ্যানে করে চোরের দল মেইন রোড় দিয়ে চোরাই কীটনাশকের কার্টুনগুলো নিয়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহামুদুল হাসান জানান, সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে চোরের দলকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সীমান্তে চলে যাওয়ার কারণে বিএসএফ কর্তৃক আটক ৫ বাংলাদেশিকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ বিজিবি আলাইপুর ক্যাম্পের মাধ্যমে তাদের ১১ দিন পর মুক্তি দেওয়া হয়।
৭ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর বাঘা সীমান্তের বাংলাবাজার এলাকা থেকে পাট কিনে ফেরার পথে ভুলবশত: ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার দুই মাঝিসহ তিনজন পাট ব্যবসায়ী। এ সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের নৌকায় থাকা পাটসহ ৫ জনকে আটক করে। পরে বাংলাদেশ বিজিবি আলাইপুর ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ৯ সেপ্টেম্বর বিকালে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর জানানো হয় যে, তাদের ফেরত দেওয়া হবে না এবং সরকারিভাবে আবেদন করতে হবে।
আটক হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনরা রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমারের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং আটকদের পরিবারের কাছে তাদের ফিরে আনার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর বাংলাদেশ বিজিবি আলাইপুর ক্যাম্পের মাধ্যমে ১১ দিন পর বিএসএফ তাদের ফেরত দেয়।
মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন-বাঘা উপজেলার আলাইপুর এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে মোশারফ হোসেন (২২), ইউনুস মন্ডলের ছেলে শাহাবুল আলী (৪২), শাজাহান আলীর ছেলে বাবর আলী (৪৫) এবং একই এলাকার নৌকার মাঝি জামাল হোসেনের ছেলে আসাদুল ইসলাম (৪১) ও সামাদ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫৮)।
বিএসএফের হাতে আটক ৫ বাংলাদেশি ১১ দিন পর ফেরত আসার পর রাজশাহী-৬ বাঘা-(চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ সহ স্থানীয়দের সঙ্গে তারা ছবি তুলেন।
এ বিষয়ে মুক্তিপ্রাপ্ত মোশারফ হোসেনের পিতা গোলাম মোস্তফা বলেন, "এমপি ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।" তিনি আরও জানান, এর আগে এমপি তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছিলেন।
অন্যদিকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসাদুল ইসলামের ভাই সাহারুল ইসলাম বলেন, "আমার ভাইসহ ৫ জনকে ভারতের রানীনগর থানায় রাখা হয়েছিল। ১১ দিন সেখানে থাকার পর মুক্তি পেয়ে আমাদের কাছে এসেছেন।"
আলাইপুর বিওপি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নায়েক সুবেদার মাকসুদুর রহমান জানান, "বিএসএফের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা (বিএসএফ) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে বিষয়টিকে কূটনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় মুক্ত করে আমাদের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।"
এ বিষয়ে রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ বলেন, "রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা হয়। তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দেওয়ার পর তাদের ফেরত আনার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছিলেন। প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় মুক্ত হয়ে তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিজীবনের বিভিন্ন অনুভূতি ও ভালো লাগার মুহূর্তগুলো ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে দেখা যায় তাকে।
এবার তিনি ভারতীয় অভিনেতা রনিত রায়ের একটি ভিডিও শেয়ার করে আবারও আলোচনায় এসেছেন, যিনি তার ‘প্রথম ক্রাশ’ হিসেবে পরিচিত।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পরীমনি নিজের ফেসবুক পেজে রনিত রায়ের একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওতে অভিনেতাকে গভীর মনোযোগের সঙ্গে বাঁশি বাজাতে দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে রনিত রায় লিখেছেন, "যাদের ছাড়া আপনি বাঁচতে পারবেন না, তাদেরকেই আপনি তৈরি করছেন আপনাকে ছাড়া বাঁচতে শেখার জন্য।"
রনিত রায়ের বাঁশির সুরের সঙ্গে এই আবেগঘন ক্যাপশনই সম্ভবত পরীমনির ভালো লেগেছে। তাই ভিডিওটি নিজের ওয়ালে শেয়ার করে তিনি অভিনেতার নামের পাশে একটি লাল হৃদয়ের ইমোজি যুক্ত করেছেন।
পরীমনির ব্যক্তিজীবন নিয়ে বরাবরই অনুরাগীদের আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে তার প্রথম প্রেম ও প্রথম ক্রাশ সম্পর্কে কৌতূহল কম নয়। কয়েক বছর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জীবনের ‘প্রথম সবকিছু’ নিয়ে কথা বলার সময় এ প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছিলেন।
প্রথম ক্রাশ সম্পর্কে জানতে চাইলে পরীমনি সরাসরি বলেছিলেন, "ক্রাশ! রনিত রায়।" অর্থাৎ ভারতীয় অভিনেতা রনিত রায়কেই তিনি নিজের প্রথম ক্রাশ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। ‘আদালত’ সিরিজে কেডি পাঠক চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে রনিত রায় বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন।
পর্দায় নিয়মিত অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে নিজের পছন্দ ও ভালো লাগার নানা মুহূর্ত শেয়ার করেন পরীমনি। এবারও পছন্দের অভিনেতার বাঁশি বাজানোর ভিডিও শেয়ার করে সেই ভালো লাগার প্রকাশ ঘটালেন এই চিত্রনায়িকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১১ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে গুলশানে একত্রিত হন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। দলটির প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন মাত্র ১ মিনিটের ঝটিকা মিছিলে। নগরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কীভাবে তারা একত্রিত হলেন, তা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
বিশেষ করে গুলশানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গোয়েন্দা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সামনে এসেছে সংস্থাগুলোর পুরোপুরি ব্যর্থতার চিত্র। মূলত পুলিশের সঙ্গে আঁতাত করেই গুলশানে আওয়ামী লীগ ঝটিকা মিছিল করেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি টেলিভিশন যমুনা টেলিভিশনে প্রচারিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গুলশানে ঝটিকা মিছিলের আগের রাতে এর রুট প্ল্যান নির্ধারণ করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। এজন্য রাতেই অনলাইনে মিটিং করেন দলের নেতাকর্মীরা। নেওয়া হয় মিছিলের বিশেষ প্রস্তুতি। মিটিং শেষে তারা অনলাইনে বেশকিছু চ্যাটিং করেন।
এতে গুলশান থানার বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সহযোগিতার আশ্বাসের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এছাড়াও মিছিল স্থলে কোনো পুলিশ সদস্য না থাকার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়। উলটো পুলিশ সদস্য তাদের ব্যাকআপ দেবে বলে তাদের চ্যাটিংয়ে উঠে আসে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
একই সঙ্গে মিছিলের সময় কোন কোন এলাকায় পুলিশ থাকবে না, তাও তাদের নিশ্চিত করা হয়। মূলত ওই বৈঠক থেকে পরদিন গুলশানের মিছিলের রুট প্ল্যান চূড়ান্ত করা হয়। এ বিষয়টি জানতেই পারেনি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
আওয়ামী লীগের মিছিলের পর প্রশ্নের মুখে পড়েছে গুলশান থানা পুলিশ। অনুসন্ধানে তাদের নিষ্ক্রিয় থাকার বিষয়ে সত্যতাও পাওয়া গেছে। বিশেষ করে ঘটনার দিন কেন একটি ইউনিটকে ডিউটিতে রাখা হলো, দুটি ইউনিটকে কেন প্যারেডে পাঠানো হয়েছিল, কেন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ সদস্যরা দায়িত্বে ছিলেন না, কেন সাদা ও সিভিল পোশাকে রাস্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন না- এসব প্রশ্নও উঠছে। যদিও এ ঘটনার পর ১৬ সেপ্টেম্বর ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার এম তানভীর আহমেদ ও গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়। আর ঘটনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান বিষয়টি নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল।
পুলিশ হয়তো ধারণা করতে পারেনি জুমার নামাজের সময় তারা এমন জমায়েত করতে পারে। তবে মিছিলের আগে পুলিশের কাছে যদি এমন তথ্য থাকতই তাহলে কেন আগে থেকে ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি।
এ বিষয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মেজর জেনারেল (অব.) মনিরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, গুলশান একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা থাকেন। এই স্থানে বেশি নজরদারি করতে হবে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিশেষ নজরদারি আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ