ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্পেনের জয়ে যা লিখলেন শাকিব-বুবলী-অপু


স্পেনের জয়ে যা লিখলেন শাকিব-বুবলী-অপু

বিশ্বজুড়ে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে। ২০২৬ সালের আসরে স্পেনের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার খবর বাংলাদেশে বিনোদন অঙ্গনেও পৌঁছে গেছে।

প্রিয় দলের জয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় তারকারা।

স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পর সুপারস্টার শাকিব খান তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের জন্য স্পেনকে অভিনন্দন।’

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার থেকে ৫ দিনের ছুটি, জরুরি পরিষেবা থাকবে সচল

চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীও স্পেনের সাফল্যে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘স্পেনকে অনেক অনেক অভিনন্দন! তারা সত্যিই এটার যোগ্য। ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ-২০২৬ চ্যাম্পিয়নস।’

অন্যদিকে, চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসও স্পেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সংক্ষিপ্ত এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘অভিনন্দন স্পেন।’

নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে শুরু থেকেই শক্ত অবস্থানে ছিল স্পেন।

বলের নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণের ধার এবং মাঠের কৌশলে এগিয়ে থেকে দলটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা তাদের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেনি।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ১ নভেম্বর থেকে ৬ রুটে চালু হচ্ছে ‘এক রুট এক কম্পানি’ বাস পরিষেবা

ফাইনালে হারের ফলে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের আর্জেন্টিনার আশা শেষ হয়ে যায়। অন্যদিকে, দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শিরোপা জিতে স্পেন বিশ্বফুটবলে নিজেদের আধিপত্যের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছে।

স্পেনের এই সাফল্যে বিশ্বজুড়ে ফুটবলভক্তদের পাশাপাশি বাংলাদেশের তারকারাও নিজেদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুদানের আকাশ থেকে নেমে আসে মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


সুদানের আকাশ থেকে নেমে আসে মৃত্যু

আফ্রিকার দেশ সুদান, যা তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে গৃহযুদ্ধে ভুগছে, তা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছে, তাদের সংখ্যা দেড় লাখ থেকে ৪ লাখ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, আর অন্তত ৪৫ লাখ মানুষ দেশের বাইরে প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সুদানের ৩ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি মানুষের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন, এবং প্রায় ২ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অর্থনীতি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিক্ষা এবং চিকিৎসাসহ সব স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ভেঙে পড়েছে।

বর্তমানে সুদান এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের সম্মুখীন। দুর্ভিক্ষের পাশাপাশি কলেরাসহ ছড়িয়ে পড়া নানা মহামারি সংকটকে আরো জটিল করে তুলেছে।

এই ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধে জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের নেতৃত্বে সুদানের নিয়মিত সেনাবাহিনী সুদান সশস্ত্র বাহিনী-এসএএফ রয়েছে। তার প্রতিপক্ষ হল আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস-আরএসএফ, যার নেতৃত্বে আছেন হেমেদতি নামে পরিচিত জেনারেল মোহামেদ হামদান দাগালো।

একসময় এই দুই জেনারেল ছিলেন সহযোদ্ধা। ২০১৯ সালে গণ-অভ্যুত্থান এবং সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন প্রায় ৩০ বছরের স্বৈরশাসক ওমর আল-বশির। সে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন এসএএফ প্রধান জেনারেল বুরহান এবং আরএসএফ প্রধান জেনারেল হেমেদতি।

বশিরের পতনের পর বুরহান দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হন এবং হেমেদতি হন তার ডেপুটি। ২০২১ সালে তারা দুজনে মিলে সামরিক শাসন জারি করেন।

এক লাখ সদস্যের আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফকে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয় নিয়ে দ্বিমত দেখা দেয়। বুরহান চাচ্ছিলেন ২ বছরের মধ্যে একত্রীকরণ সেরে ফেলতে, তবে হেমেদতির চাওয়া ছিল ১০ বছর।

একত্রীকরণের পর কে বাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন তা নিয়েও দ্বন্দ্ব শুরু হয়, কেউ কাউকে ছাড় দিতে প্রস্তুত ছিলেন না। উত্তেজনার এক পর্যায়ে, ২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল সকালে খার্তুমের একটি সামরিক ঘাঁটিতে সংঘর্ষ শুরু হয়, যা দ্রুত রক্তক্ষয়ী দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশ সমঝোতার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও এই যুদ্ধ থামাতে পারেনি। বরং যত দিন যাচ্ছে, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নতুন কৌশল নিয়ে মাঠে নামছে দুই পক্ষই।

যুদ্ধ শুরুতে স্থলেই সীমাবদ্ধ ছিল, ক্রমেই তা আকাশেও ছড়িয়ে গেছে। ড্রোনের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার যুদ্ধকে আরো অনিশ্চিত এবং প্রাণঘাতী করে তুলেছে। ড্রোনের ব্যবহার সুদান গৃহযুদ্ধের ছন্দই বদলে দিয়েছে।

আগে বর্ষাকালে যুদ্ধ প্রায়শই মন্থর হয়ে পড়ত। কারণ বন্যায় রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় সৈন্য, ভারী অস্ত্র এবং রসদ পাঠানো কঠিন হয়ে পড়ত। তবে আবহাওয়ার কারণে স্থলবাহিনী থমকে গেলেও ড্রোনগুলো সচল থাকতে পারে। চলাচলের জন্য ড্রোনকে রাস্তার ওপর নির্ভর করতে হয় না, এগুলো অসুস্থ হয় না এবং কাদার মধ্যেও আটকে যায় না।

ড্রোন যুদ্ধক্ষেত্রকে যেমন প্রসারিত করেছে, তেমনি এটি যুদ্ধকে বেসামরিক জীবনে আরো গভীরে নিয়ে গেছে। বর্তমানে সুদান গৃহযুদ্ধে আর ফ্রন্ট লাইন বলেই কিছু নেই। ঘরবাড়ি, বাজার এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্রমশ ড্রোনের আঘাতের সীমানার মধ্যে চলে আসছে। ফলে গোটা সুদান এক উন্মুক্ত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে।

বর্তমানে বিদেশে তৈরি ড্রোনের সরবরাহ বাড়তে থাকায় জাতিসংঘ সতর্ক করেছে যে, এই সংঘাত আরো একটি নতুন এবং মারাত্মক ধাপে প্রবেশের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। শুধুমাত্র ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ড্রোন হামলায় অন্তত ৮৮০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

নিরাপত্তা বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘আফ্রিকা ডিফেন্স ফোরাম-এডিএফ’ জানায়, তুরস্কের সরবরাহ করা ড্রোন এসএএফকে শক্তিশালি করেছে। তুরস্কের বানানো ড্রোন দীর্ঘ সময় উড়তে পারে, বিস্ফোরক বহন করতে পারে এবং খরচও তুলনামূলক কম। তুরস্ক জানিয়েছে যে তারা সুদানের সার্বভৌমত্ব এবং শান্তি প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে।

অন্যদিকে, আরএসএফও তাদের ড্রোন কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। তারা চীনে তৈরি দূরপাল্লার ড্রোন পাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে, যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাত আরএসএফকে ড্রোন সরবরাহের কথা অস্বীকার করেছে।

প্রতিরক্ষা বিষয়ক প্রকাশনা ‘মিলিটারি আফ্রিকা’ জানিয়েছে যে, তুর্কি ড্রোন আরএসএফ-এর পক্ষেও দেখা গেছে, ফলে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্দিষ্ট হামলার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সুদানের আরেক শহরের মত অবরুদ্ধ আল-উবাইদের মানুষের জীবনে ড্রোন এখন এক ভয়াবহ বাস্তবতা। এখানে জীবনযাত্রার সবচেয়ে সাধারণ নিয়মগুলোর মধ্যেও লুকিয়ে থাকে আকস্মিক মৃত্যুর আতঙ্ক।

গত জুনে, ৪২ বছর বয়সী পয়োনিষ্কাশন ট্রাকচালক আহমাদো একটি পানির ট্রাক স্টেশনে কাজ করছিলেন। আকস্মিক ড্রোন হামলায় স্কুল শেষে তার সঙ্গে দেখা করতে আসা তার ৯ বছরের ছেলে এবং দুই সহকর্মী নিহত হন।

আহমাদো বলেন, ‘আমার দিনটি অন্য যেকোনো দিনের মতোই শুরু হয়েছিল। আমাদের মাথার ওপর ড্রোন উড়ছিল, কিন্তু আমি কখনোই ভাবিনি যে আমার সন্তান বা আমি এর লক্ষ্যবস্তু হবো।’

ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘আফ্রিকা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’-এর নিরাপত্তা বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক নেট অ্যালেনের মতে, ড্রোন সুদানের যুদ্ধক্ষেত্রকে নতুন রূপ দিয়েছে এবং এটি প্রক্সি যুদ্ধের ভবিষ্যতের একটি রূপরেখা দেখাচ্ছে।

আল-উবাইদ এবং সমগ্র সুদানজুড়ে বাসিন্দারা বলছেন যে মাথার ওপর ড্রোনের আওয়াজ এখন তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল-উবাইদ শহরে পরিস্থিতির অবনতি বিশেষভাবে তীব্র রূপ ধারণ করেছে। শহরটি গত ১৮ মাস ধরে এসএএফ-এর নিয়ন্ত্রণে অবস্থান সত্ত্বেও এক দুর্বিষহ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা জাতিসংঘ ‘অবরোধের মতো পরিস্থিতি’ বলে উল্লেখ করেছে।

উত্তর কর্দোফানের রাজধানী আল-উবাইদ প্রধান কিছু সড়কের ওপর অবস্থিত, যা খার্তুমের সঙ্গে দারফুর, বৃহত্তর কর্দোফান অঞ্চল এবং সুদানের দক্ষিণাঞ্চলকে যুক্ত করে। এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে শহরটি দুই পক্ষের জন্য কৌশলগত লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক জানিয়েছেন, জুন মাসে তার কার্যালয় শহর এবং এর আশেপাশে ১৫টি ড্রোন হামলা নিশ্চিত করেছে, যাতে অন্তত ৪৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। তিনি সতর্ক করে দেন যে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা সম্ভবত আরও অধিক। ক্রমবর্ধমান ড্রোন হামলা ত্রাণ সহায়তা মোতায়েনেও বাধা সৃষ্টি করছে। এই মাসের শুরুর দিকে, বাস্তুচ্যুত প্রতিবেশীদের জন্য ৫০ টন ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার একটি ট্রাক ড্রোন আঘাত হানে। সংস্থার মতে, চলতি বছরে এটি জাতিসংঘের ত্রাণবাহী ট্রাকে ড্রোন হামলার দ্বিতীয় ঘটনা।

নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর শাশ্বত সরাফ জানিয়েছেন, ‘আল-উবাইদের পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের, হাত-পা এবং ঘরবাড়ি হারাচ্ছে। কোনো কিছুই রেহাই পাচ্ছে না এবং যারা এই হামলা থেকে বেঁচে ফিরছে, তারা অনাহারে দিন কাটাচ্ছে, তাদের আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।’

২৭ বছর বয়সী যুবক এল সাদিক এর আগে তিনবার ড্রোন হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। কিন্তু গত জুনে চতুর্থ হামলায় তার বাম পা উড়ে গেছে। এল সাদিক বলেন, ‘ড্রোনের হামলা থেকে আপনি লুকিয়ে থাকতে পারবেন না। যখন আমরা শুনি যে আকাশে ড্রোন আছে, তখন আমরা কোনো কংক্রিটের ভবনের নিচে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু এটি হঠাৎ করেই চলে আসে; আমরা জানি না কখন বা কোথায় এটি আঘাত হানবে।’

এল সাদিকের জন্য এখন বাইরে বের হওয়া মানে চরম আতঙ্ক। তিনি বলেন, ‘আপনি যখন বাইরে যান, তখন জানেন না যে আপনি আর ফিরে আসতে পারবেন কিনা। হয়তো আপনি কোথাও বসে আছেন, আর হঠাৎ করেই আপনার পাশে একটি ড্রোন এসে পড়ল। আপনি বেঁচেও থাকতে পারেন, আবার মারাও যেতে পারেন। আপনি কিছুই জানেন না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্রোহীদের হামলায় মালিতে অন্তত ৫০ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


বিদ্রোহীদের হামলায় মালিতে অন্তত ৫০ সেনা নিহত

মালির ৫০ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায়। উত্তর মালির আনেফিস শহর থেকে সরে যাওয়ার সময় তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জিহাদি যোদ্ধাদের হামলার ফলে অন্তত ৫০ জন সেনা নিহত হয়।

গতকাল রবিবার (১৯ জুন) কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

কয়েক সপ্তাহ ধরে শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ চলার পর শনিবার আনেফিস ত্যাগ করা সেনাবাহিনীর একটি বহরে এই হামলাটি ঘটেছে। জুলাইয়ের শুরুতে তুয়ারেগ বিদ্রোহী গোষ্ঠী এফএলএ এবং আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম অল্প সময়ের জন্য শহরটি দখল করে নিয়েছিল।

তারা মালির সেনাবাহিনী ও রুশ-সমর্থিত আফ্রিকা কোর বাহিনীর ব্যবহৃত একটি সামরিক ঘাঁটিও ঘিরে ফেলেছিল। পরে জেএনআইএম ও এফএলএ উভয়ই এই হামলার দায় স্বীকার করে।

সামরিক সরকারের ঘনিষ্ঠ এক স্থানীয় কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, হামলায় ৫০ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ২৪ জনকে বন্দি করা হয়েছে। তার মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মালির সেনাবাহিনীর ওপর এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছেন।

মালির সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানান, হামলায় তাদের সদস্যদের সরাসরি লক্ষ্য করে হত্যা করা হয়েছে। কী কারণে সেনারা এতটা অরক্ষিত হয়ে পড়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।

সূত্রগুলোর মতে, সেনাবাহিনীকে সহায়তাকারী রুশ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা হামলার আগেই গাও শহরে পৌঁছে গিয়েছিলেন, ফলে তাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। গাও অঞ্চলের এক কমিউনিটি নেতা বলেন, নিহতদের মধ্যে কেউ রুশ নাগরিক নন। সবাই মালির সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্র-সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনীর সদস্য।

শনিবার মালির সেনাবাহিনী স্বীকার করে, তাদের বহর একটি অতর্কিত হামলার মুখে পড়েছিল। তবে তারা হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। ২০২০ ও ২০২১ সালে পরপর দুটি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মালি সামরিক সরকারের অধীনে অবস্থিত। দীর্ঘদিনের জিহাদি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতা দমনে এবং দেশের নিরাপত্তা পুনরুদ্ধারে সামরিক জান্তা এখনও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘চেক ডিজঅনার’ মামলায় কারাগারে রিজেন্টের সেই সাহেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


‘চেক ডিজঅনার’ মামলায় কারাগারে রিজেন্টের সেই সাহেদ

করোনার নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে কারাগারে যাওয়া সেই রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে চেক ডিজঅনার মামলায় আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ কোর্ট-৫ এর বিচারক সাদিক আহম্মেদ তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

সাহেদের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ‘মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের মামলাটি যখন হয় তখন তিনি সাড়ে ৪ বছর জেলে ছিলেন। তখন মামলাটিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। গত বছরের এপ্রিলের ৫ তারিখ আদালত তাকে এ মামলায় সাজা দেয় এবং সমপরিমাণ টাকা (২ কোটি ১৬ লাখ) অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

এখন যেহেতু উনি কারাগারে গেছেন, আমরা আপিল করব।’

এর আগে দুপুরে মিরপুরের ইসিবি এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৫ সালে ব্যবসার জন্য মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের কাছে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা লোন দেন। ব্যাংক লোনের বিপরীতে সিকিউরিটি হিসাবে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার সমপরিমাণ একটি চেক জমা দেন।

পরবর্তীতে সেই লোনের টাকা পরিশোধ না করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ডিজঅনার করেন। ওই ঘটনায় ১৮৮১ সালের নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট আইনের ১৩৮ ধারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের হয়। এরপর মামলাটি অনুষ্ঠানিকভাবে বিচারের জন্য ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলীর নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল তাকে এই মামলায় ১ বছরের কারাদণ্ড এবং সমপরিমাণ টাকা (২ কোটি ১৬ লাখ) অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। ওই সময় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা দিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: পর্যটন মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


নতুন প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: পর্যটন মন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছি। আজ যেসব চারা বিতরণ ও রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করার বিষয়ে আমাদের অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে।’

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘একটি শিশু, একটি গাছ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি গতকাল এসব কথা বলেন। তিনি মানিকগঞ্জ সফরে গতকাল পরপর তিনটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা এখানে কেবল গাছের চারা রোপণ করতে নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমবেত হয়েছি।

অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সারওয়ার আলম এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মানিকগঞ্জ জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

এছাড়াও, তিনি মানিকগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ‘রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী-২০২৬’ অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%