ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বনিবনা না হলে তিনিও একদিন জামায়াত ছাড়তে পারেন: রাশেদ খাঁন


বনিবনা না হলে তিনিও একদিন জামায়াত ছাড়তে পারেন: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বলেছেন, বিরোধীদলের পতন শুরু হয়েছে, ১১ দল এখন এসে দাঁড়িয়েছে ৯ দলে।

গতকাল শনিবার তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টে এক পোস্টে এ সংক্রান্ত মন্তব্য করেন।

রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ছোট ছেলে নাহিদ ইসলাম (যাকে আজকে কর্নেল অলি আহমদ ডেকেছেন), মাওলানা মামুনুল হক একত্র হয়ে রাস্তায় নামলে ১ সপ্তাহের মধ্যে নাকি বিএনপি সরকারের পতন হবে।’ আজকের এই মন্তব্য করেছেন কর্নেল অলি আহমদ। হঠাৎ তারা কেন এক হওয়ার কথা বলছেন? কারণ সবাই কি বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে? দেখেন, ঠিক আজকেই খেলাফত মজলিস জোট ছেড়ে বের হয়ে গেছে। খেলাফত আন্দোলন ছাড়ার আগে ছিল ১০ দল, এখন হলো ৯ দল। এই বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ১১ দলীয় জোট এখন ৯ দলীয় জোটে পরিণত হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ আগরওয়ালাকে দুদকের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ

তিনি আরো লেখেন, ‘দেখছেন, কর্নেল অলি আহমদ আজকের বক্তব্যে তার নিজের নামটিও মুখে আনেননি! কিন্তু তিনি তো জামায়াতের আমিরের তুলনায় বড় নেতা! জানি না, বনিবনা না হলে, কবে আবার তিনিও জামায়াত থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বিএনপির সাথে সম্পর্ক খারাপ করেছেন প্রত্যাশিত আসন না পেয়ে। বিএনপি বেশী আসন ছাড় না দেওয়ার মূল কারণ ছিল, ওসব আসনে এলডিপিকে ছাড় দিলে সেখানে জামায়াত জয়ী হতো।

‘আজকাল সন্দেহ হয়, জামায়াতকে অধিক আসনে জয়ী করতে কি কর্নেল অলি আহমদ ওই পলিসি গ্রহণ করেছিলেন! কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অর্জনকে বিসর্জন দিয়ে জামায়াতের সাথে গিয়েছেন। নিশ্চয়ই আপনারা মনে রেখেছেন, আওয়ামী লীগের সময় গোয়েন্দা সংস্থার প্রডাক্ট মাসুদ করিমের ফাঁদে পড়েছিলেন কর্নেল অলি আহমদ। এখন তিনি আবার বিএনপি সরকারের ১ সপ্তাহের মধ্যে পতনের হুমকি দিচ্ছেন, জানি না! তবে ইতোমধ্যে বিরোধীদলের পতন শুরু হয়ে গেছে, ১১ দল এখন ৯ দলে এসে দাঁড়িয়েছে!’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএফআইইউর তদন্তে মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির ফিরিস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


বিএফআইইউর তদন্তে মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির ফিরিস্তি

পদ ছাড়ার পরও আলোচনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। ইসলামী ব্যাংকের হাজার কোটি টাকা লোপাটের তদন্তে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ হাইকোর্টে একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যেখানে প্রকাশ পায় যে, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বসে শেয়ার জালিয়াতিতে জড়িত ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেন।

দেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে কেলেঙ্কারির শীর্ষে দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী ব্যাংক লুটপাটের ঘটনা আলোচনায় রয়েছে। সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ বারবার উঠলেও এর আগে কোনো প্রমাণ ছিল না। কিন্তু বিএফআইইউর এক তদন্ত প্রতিবেদনে মো. সাহাবুদ্দিনের দুর্নীতির ফিরিস্তি উঠে এসেছে।

২০১৭ সালে সরকারের মদদে ইসলামী ব্যাংকের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে এস আলম গ্রুপ। ব্যাংক কোম্পানি আইনের একাধিক ধারা ভেঙে ৮২ শতাংশ শেয়ারের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। সেসময় জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্ব পান সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, এবং পরে তাকে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়। দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি সেই পদে বহাল ছিলেন।

বিএফআইইউর তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, একাধিক ভুঁইফোর কোম্পানির নামে ব্যাংকের ৭২ শতাংশ শেয়ার দখল করে এস আলম গ্রুপ। সময় সংবাদের হাতে আসা ৪২ পাতার তদন্ত প্রতিবেদনে রয়েছে কিভাবে এসব কোম্পানির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা বের করে পুনরায় শেয়ার কিনেছে জালিয়াত চক্র।

তদন্ত প্রতিবেদনে প্রথমেই মো. সাহাবুদ্দিনের কথিত জেএমসি বিল্ডার্সের দুর্নীতির চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। ব্যাংক থেকে ১০২ কোটি টাকার বেশি অর্থ উত্তোলন করে এই প্রতিষ্ঠানটি, যা দিয়ে পুনরায় ব্যাংকের শেয়ার কেনা হয়। ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য অন্তত ২৪টি কথিত কোম্পানির তথ্য উঠে এসেছে তদন্ত প্রতিবেদনে। ব্যাংক পরিচালনার বোর্ডে বসে এস আলম গ্রুপের স্বার্থ রক্ষা করতে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু হাজার হাজার কোটি টাকা লোন দেয়। ফলে জাতীয় বৃহত্তম ব্যাংকটি প্রায় দেউলিয়া হয়ে পড়ে।

৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর হাইকোর্টের নির্দেশে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর বিএফআইইউ তদন্ত রিপোর্টটি জমা দেয়। রিপোর্টটি চারটি স্বাধীন নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করে। পরবর্তীতে মো. সাহাবুদ্দিনের সংশ্লিষ্টতা উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেওয়ার পর এটি যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেয় লন্ডনভিত্তিক বিশ্বখ্যাত ফরেনসিক প্রতিষ্ঠান দ্যা লয়েড।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আব্দুল কাইয়ুম জানান, তদন্ত রিপোর্ট থাকা সত্ত্বেও সাংবিধানিক বাধার কারণে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছিল না।

এছাড়া, ইসলামি ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৫ সালে ২১ জনের বিরুদ্ধে মামালা করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক। অভিযুক্তদের তালিকায় সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ১২ নম্বরে রয়েছেন। আদালত পরে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেন।

ব্যারিস্টার এম. আব্দুল কাইয়ুম বলেন, রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে যদি কোনো ফৌজদারি অপরাধ করে থাকেন বা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হন, তাহলে রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করার পর সে অপরাধের জন্য আইনের মুখোমুখি করতে বা সাজা দিতে কোনো বাধা আইনে নেই।

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার সংক্রান্ত মামলাটি হাইকোর্টে এখনো চলমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রোববার ২৬ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে এসে তিনি তাদের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এই মুহূর্তের পরে তিনি ফাতেহা পাঠ করেন এবং মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির সাথে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির আগমনের ঘটনায় সকাল থেকেই জিয়া উদ্যানে তার নির্বাচনি এলাকা ভোলার বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হন। তারা সেখানে বিভিন্ন স্লোগানও দেন।

এর আগে একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জনসমর্থনে এগিয়ে সাংবাদিক মো. আতিকুর রহমান আজাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জনসমর্থনে এগিয়ে সাংবাদিক মো. আতিকুর রহমান আজাদ

আসন্ন ২০২৬ সালের গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে স্থানীয়দের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন সাংবাদিক মো. আতিকুর রহমান আজাদ। দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও জনসমর্থন বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সংকটে সহযোগিতার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। ফলে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে তাঁকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গোপালপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মন্নান শরিফ বলেন, "আতিকুর রহমান আজাদ দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছেন। সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি আজ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। একজন সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে চেয়ারম্যান পদে তিনি যোগ্য প্রার্থী বলে আমি মনে করি।"

স্থানীয় বাসিন্দা জামাল সন্নামত বলেন, "যেকোনো বিপদ-আপদে আমরা আতিকুর রহমান আজাদকে পাশে পেয়েছি। তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে মানুষের কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দেন। এ কারণে এলাকার মানুষ তাঁর প্রতি আস্থা রাখছেন এবং তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহী।"

স্থানীয় নারী নার্গিস বেগম বলেন, "গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য তিনি সবসময় কাজ করেছেন। অনেক পরিবারকে নীরবে সহযোগিতা করেছেন। মানুষের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। আমরা চাই এমন একজন জনবান্ধব মানুষ জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করুন।"

এদিকে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততা, জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড এবং মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে মো. আতিকুর রহমান আজাদকে নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রার্থীরাও নিজ নিজ প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে গোপালপুর ইউনিয়নের আগামী চেয়ারম্যান।

শাওন বল
মাদারীপুর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোল্ড স্টোরেজে ইয়াবা সেবনের দায়ে বুড়িচংয়ে ৫ যুবকের সাজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


কোল্ড স্টোরেজে ইয়াবা সেবনের দায়ে বুড়িচংয়ে ৫ যুবকের সাজা

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার একটি কোল্ড স্টোরেজে বসে ইয়াবা সেবনের সময় পাঁচ যুবকককে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের দেবপুর এলাকার আল হেলাল কোল্ড স্টোরেজে এ অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানভীর হোসেন।

জানা গেছে, কোল্ড স্টোরেজের ভেতরে কয়েকজন যুবক ইয়াবা সেবন ও বিক্রয় করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানার অধীন দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সুরজিৎ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালায়। এসময় ইয়াবা সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ৫১ পিস ইয়াবাসহ পাঁচ যুবককে আটক করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে মো. রাকিব (২৮), সমেশপুর এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে মো. শাহিন (২৯), জালালপুর এলাকার মফিজুল ইসলামের ছেলে সৈকত আহমদ ইমন (২৫), শরিফপুর গ্রামের জসীম উদ্দীনের ছেলে মেহেদী হাসান শান্ত (২৭) এবং জালালপুর এলাকার মো. মানিকের ছেলে মো. সোহেল রানা (২৮)।

পুলিশ জানায়, দণ্ডপ্রাপ্তদের রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানভীর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ইয়াবা সেবনের আলামত ও ৫১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রত্যেককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%