নীলফামারী স্টাফ রিপোর্টার রায়হান আলী
০৫:৫৫ পি.এম
পুলিশ সুপার নীলফামারী জনাব মোঃ ফরহাদ হোসেন খাঁন মহোদয়ের নির্দেশক্রমে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ মতলুবর রহমান এর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা, নীলফামারীর একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করেছে।
প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যে অভিযান পরিচালনা করা হয়, সেটি আভিযানিক দলের দক্ষতাকে প্রমাণ করে। নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানাধীন বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের অন্তর্গত ভুল্লিপাড়া গ্রাম হতে আসামী ১। মোঃ সাহিদুল ইসলাম বাবু (৩৬), পিতা-মোঃ আজিজার রহমান, শ্বাসকান্দর ভুল্লিপাড়া, থানা-সৈয়দপুর, জেলা-নীলফামারীকে আটক করা হয়।
বিধি মোতাবেক আটককৃত আসামীকে তল্লাশী করা হলে আসামীর হাতে থাকা বাজারের ব্যাগ হইতে ০৮ (আট) বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য Eskuf Cough Syrup উদ্ধার হয়। এছাড়া, আসামীর ব্যবহৃত Hero GLAMOUR 125 CC মোটরসাইকেলের সিটের ভিতর বিশেষ কায়দায় রক্ষিত অবস্থায় ১৩ (তের) বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য FAIRDYL পাওয়া যায়।
অভিযানে আরও উদ্ধার হয় মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ২ টি মোটরসাইকেল। এছাড়া মাদক বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ১টি এন্ড্রয়েড মোবাইল এবং ১টি বাটন মোবাইলও সেখান থেকে জব্দ করা হয়। উক্ত অবৈধ মাদকদ্রব্য Eskuf Cough Syrup এবং FAIRDYL এর অনুমান মূল্য ৪৮,৫০০/- (আটচল্লিশ হাজার পাঁচশত) টাকা মাত্র।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে, ধৃত আসামী মোঃ সাহিদুল ইসলাম বাবু একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তিনি দীর্ঘদিন যাবত মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ায় তৈরি নতুন ধরনের ব্যক্তিকেন্দ্রিক (পারসোনালাইজড) ক্যানসারের টিকা প্রথমবারের মতো একজন রোগীর শরীরে কার্যকরভাবে কাজ করছে বলে দেশটির গবেষকরা দাবি করেছেন। তাদের দাবি যে, টিকা গ্রহণের পর রোগীর শরীরে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রোগপ্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ওই রোগীর শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক এবং তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।
রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক পরিচালক আলেক্সান্দর গিনজবার্গ এই তথ্য জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি এমআরএনএভিত্তিক মেলানোমা ক্যানসারের টিকা নিওঅনকোভ্যাক তৈরিতে অংশ নিয়েছে।
গত বছরে রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুটি পারসোনালাইজড ক্যানসার চিকিৎসার অনুমোদন দিয়েছিল। এর মধ্যে একটি উন্নত পর্যায়ের মেলানোমার জন্য এমআরএনএভিত্তিক টিকা নিওঅনকোভ্যাক এবং অপরটি কোলোরেক্টাল ক্যানসারের জন্য তৈরি পেপটাইডভিত্তিক ওষুধ অনকোপেপ্ট।
চলতি বছরের এপ্রিলে ৬০ বছর বয়সী এক রোগীকে প্রথমবার নিওঅনকোভ্যাক প্রয়োগ করা হয়। এই রোগী মেলানোমা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়া (মেটাস্টেটিক) ক্যানসারে আক্রান্ত এবং বর্তমানে হারজেন মস্কো অনকোলজি রিসার্চ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরআইএ নভোস্টিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলেক্সান্দর গিনজবার্গ বলেন, রোগী বর্তমানে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় আছেন এবং চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পরীক্ষায় তার শরীরে অত্যন্ত ইতিবাচক রোগপ্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এবং শরীর এমন উপাদান তৈরি করছে যা টিউমার ও ছড়িয়ে পড়া ক্যানসার কোষের বিরুদ্ধে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে লড়াই করতে সহায়তা করবে।
তিনি জানিয়েছেন, রোগীকে আরও দুটি ডোজ টিকা দেওয়া হবে এবং পুরো চিকিৎসা চলাকালীন তার রোগপ্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি, আরও ১০ জন রোগীর জন্য ব্যক্তিকেন্দ্রিক মেলানোমা টিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে, যা আগামী দেড় থেকে তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
এর আগে ন্যাশনাল মেডিকেল রিসার্চ সেন্টার অব রেডিওলজির প্রধান আন্দ্রেই কাপরিন বলেছেন, এই প্রযুক্তির উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ক্যানসারের চিকিৎসা নয়; বরং রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া, যাতে এটি নিজেই ক্যানসার কোষ শনাক্ত করে ধ্বংস করতে পারে।
গবেষকদের মতে, এই টিকা তৈরির জন্য রোগীর টিউমার ও সুস্থ টিস্যুর নমুনা সংগ্রহ করে জিনগত বিশ্লেষণ করা হয়। এরপর সেই তথ্যের ভিত্তিতে রোগীভেদে আলাদা টিকা তৈরি করা হয়, যা রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ক্যানসার কোষ শনাক্ত ও আক্রমণ করতে সক্ষম করে।
এদিকে, স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের দাবি, কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ওষুধ অনকোপেপ্ট গ্রহণকারী রোগীদের শরীরেও প্রয়োজনীয় রোগপ্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এছাড়া গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট বর্তমানে অগ্ন্যাশয়, কিডনি এবং নন-স্মল সেল ফুসফুসের ক্যানসারের জন্যও একই ধরনের চিকিৎসা প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে।
তবে এ পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য মূলত প্রাথমিক পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ ও গবেষকদের দাবির ভিত্তিতে। টিকার কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বৃহৎ পরিসরের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল এখনও প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের ভাইস প্রিমিয়ার হে লিফেং যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিধিনিষেধ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গত ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময়, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এবং বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে এক ভিডিও কলে উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বেইজিংয়ে দুই দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যকার বৈঠকের সমঝোতা বাস্তবায়ন বিষয়ে উভয় পক্ষ ‘খোলামেলা, গভীর ও গঠনমূলক আলোচনা’ করেছে। এছাড়া তারা স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা, বাস্তবসম্মত সহযোগিতার সম্প্রসারণ এবং পরবর্তী পর্যায়ে একে অপরের উদ্বেগের বিষয়গুলো যথাযথভাবে সমাধানের বিষয়েও আলোচনা করেছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় চীনা আমদানির ওপর ১২.৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। ভিডিও কলে উভয় পক্ষ যোগাযোগের মাত্রা জোরদার, পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলার পদক্ষেপ, সন্দেহ দূর করার এবং সহযোগিতার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিষয়ক পরামর্শ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
এছাড়া ফোনালাপে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের স্থিতিশীল ও ইতিবাচক বিকাশ ত্বরান্বিত করতে, কৌশলগত স্থিতিশীলতাভিত্তিক একটি গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। সেপ্টেম্বরে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরিকল্পনার ঠিক আগেই এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হলো।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও हाल ही में বলেছেন, মার্কিন নির্বাচনে চীনের হস্তক্ষেপ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ সত্ত্বেও এই শীর্ষ বৈঠকটি যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি অপরিবর্তিত রয়েছে। ট্রাম্প ও শির মধ্যে মে মাসে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর একটি সমঝোতা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী বেইজিং ‘রেয়ার আর্থ’ (বিরল মৃত্তিকা) উপাদান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থের সরবরাহ শৃঙ্খলে ঘাটতি নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধানে সম্মত হয়েছিল।
এই সমঝোতার আওতায় চীনকে ওইসব উপাদান উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তির বিক্রয়ের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধের বিষয়গুলো সুরাহা করতে হবে। পাশাপাশি বেইজিং আগের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি, ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর অন্তত ১৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন কৃষি পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু ঘটেছে।
এখন চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর মোট সংখ্যা ৫৪ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ের মধ্যে সারা দেশে নতুন করে ১৫৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ রয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আসা হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৯ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৫ জন এবং খুলনা বিভাগে ৪ জন রয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ১৫ হাজার ৩১০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬১ দশমিক ৫ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ দশমিক ৫ শতাংশ নারী।
এর আগে ২০২৫ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং মারা গিয়েছিলেন ৪১৩ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সংসদের পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করার সুপারিশ করেছে। কমিটির মতে, বাংলাদেশিদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কমে যাওয়া এবং নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক ও ইতিবাচক ধারণার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশিত 'ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ' বিষয়ে সংসদীয় কমিটির নবম প্রতিবেদনটি সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসংবলিত প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
সুপারিশে কমিটি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, বাংলাদেশিদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কমে যাওয়া এবং নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক ও ইতিবাচক ধারণার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া জনগণের যোগাযোগেও বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এবং তাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন অপরিহার্য বলে জানায় কমিটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারস্পরিক আস্থা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিতে হবে।
এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় কনস্যুলার সহযোগিতা ব্যবস্থা গড়ে তোলারও সুপারিশ করেছে কমিটি। এর মাধ্যমে নিয়মিতভাবে ভিসানীতি পর্যালোচনা, আবেদনকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং বৈধ ভ্রমণকারীরা যেন অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে দেশটিতে ভিসা কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে সীমিত করা হয় এবং কনস্যুলার কর্মীদেরও প্রত্যাহার করা হয়েছিল। বর্তমানে বাংলাদেশের পাঁচটি ভিসা কেন্দ্রে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০টি ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই চিকিৎসা-সংক্রান্ত ভিসা। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ