বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:২০ এম
জেলার সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা এড. এম এম মুজিবর রহমানের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন জেলার একটি আদালত। গতকাল বুধবার খুলনা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আসাদুর জামান তার জামিন আবেদন মঞ্জুর না করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন। এর আগে চলতি বছরের ১৩ মে উচ্চ আদালত থেকে তিনি ৮ সপ্তাহের জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন।
এম এম মুজিবর রহমান খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি।
সোনাডাঙ্গা থানার জিআরও গোপাল সাহা বাসস’কে বলেন, ‘এম এম মুজিবর রহমান সোনাডাঙ্গা থানার একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামি ছিলেন। তিনি গত ১৩ মে উচ্চ আদালত থেকে ৮ সপ্তাহের জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। গতকাল বুধবার তিনি খুলনার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন বিচারক। আদালত তাঁকে কারাগারে নেয়ার ব্যবস্থা করেছেন।
উল্লেখযোগ্য, যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন খুলনায় আওয়ামী লীগ নেতাদের সংগঠিত করে সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অ্যাডভোকেট মুজিবর রহমানসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সব সরকারি ক্রয় কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাধ্যতামূলকভাবে ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পদ্ধতির আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকী।
তিনি বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত, সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি শক্তিশালী ও পূর্ণাঙ্গ ই-জিপি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।
গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত "ই-জিপি পদ্ধতির উন্নয়ন, বাধ্যতামূলক ই-জিপি বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর সক্ষমতা বৃদ্ধি" শীর্ষক দুটি অংশীজন পরামর্শ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের উন্নয়ন ব্যয়ের একটি বড় অংশ সরকারি ক্রয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
ফলে, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার দক্ষতা ও সুশাসনের ওপর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সফলতা অনেকাংশে নির্ভরশীল।
তাই ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, প্রতিযোগিতা এবং অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে ই-জিপির কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, "আমরা দেশের সব সরকারি ক্রয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি বাস্তবায়ন করতে চাই। এজন্য ই-জিপি ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, নিরাপদ, ব্যবহারকারীবান্ধব এবং অংশীজনদের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে হবে।"
জোনায়েদ সাকী আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রয় সম্পন্ন করা নয়; বরং এমন একটি আধুনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে অনিয়মের সুযোগ কমবে, প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত সময় ও ব্যয়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
এ লক্ষ্যে ই-জিপি প্ল্যাটফর্মের ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
দিনের প্রথম কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে এবং দ্বিতীয় কর্মশালা শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
বিপিপিএ আয়োজিত এ কর্মশালায় সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রধান, প্রকল্প পরিচালক, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, আইসিটি খাতের ব্যবসায়ী সংগঠন এবং অন্যান্য অংশীজন অংশ নেন।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সিরাজুন নূর চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিপিপিএ-এর পরিচালক শাহ ইয়ামিন উল ইসলাম এবং জাতীয় ই-জিপি সিস্টেম উন্নয়নের রোডম্যাপ তুলে ধরেন সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট মো. মোশাররফ হোসেন।
সভাপতির বক্তব্যে এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ই-জিপি ব্যবস্থার বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করা হবে। এ জন্য ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে অংশীজন পরামর্শ সভার আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিরাজুন নূর চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার পাশাপাশি উন্নত প্রকল্প পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রকল্প প্রণয়নের দুর্বলতা দূর করা গেলে সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা সহজ হবে এবং উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মানও বাড়বে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ‘হত্যার তালিকায়’ তিনি শীর্ষে রয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেন, "গতকাল আরেকটি তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে হত্যার তালিকায় আমি ১ নম্বরে। যদিও টিকটকে এক নম্বরে থাকতে আমার বেশি ভালো লাগে।"
এ মন্তব্য করেন তিনি তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে। ট্রাম্প জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি কাতারের উপহার দেওয়া বোয়িং উড়োজাহাজে দেশে ফিরবেন না। বরং, তিনি আগের একটি উড়োজাহাজে ফিরবেন, যা আগে এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে ব্যবহৃত হত।
জুন মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর অনুযায়ী, ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার স্থাপনা ও নৌযানে হামলা চালায়।
বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, তেহরান বারবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করছে এবং এ নিয়ে তিনি "মোটেও সন্তুষ্ট নন"। তার দাবি, ইরান জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তিনি দেশটিকে গত প্রায় পাঁচ দশক ধরে "মধ্যপ্রাচ্যের দাদাগিরি করা রাষ্ট্র" বলেও আখ্যা দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, "আমি মনে করি না, ইরানের সঙ্গে এই চুক্তি টিকবে।" মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক হামলা চালাবে। তার দাবি, মার্কিন বাহিনী এক রাতেই ইরানের ২৮টি নৌযান ধ্বংস করেছে এবং প্রয়োজনে আরও নৌযান লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
ট্রাম্পের ভাষ্য, "ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক বোমা থাকত, তবে তারা সেটি ব্যবহার করত।" কূটনৈতিক সমঝোতা না হলেও, তিনি নিশ্চিত করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে দেবে না।
এছাড়া ট্রাম্প বলেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ অবকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে, যদিও তিনি আশা করেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে এবং ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় অবরোধও আরোপ করতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিজের স্ত্রী ও এক শিশু সন্তানকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এহতেহানুল (৩৭) হক নামক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আরেক সন্তান আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পর ঘাতক স্বামী পালিয়ে গেছেন।
নিহতরা হলেন- উখিয়ার কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকের এহতেহানুল হকের স্ত্রী শহীদ নুর প্রকাশ সুফিয়া (৩০) এবং তার ছেলে মোহাম্মদ শামীম (৫)। গুরুতর আহত বড় ছেলে মো. আফছার প্রকাশ বাপ্পী (১৪) বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, বুধবার (৮ জুলাই) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি/৬ ব্লকে পারিবারিক কলহের কারণে রোহিঙ্গা এহেসামুল হক ও তার স্ত্রী সুফিয়ার মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এহেসামুল হক ধারাল দা দিয়ে তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে শামীম ও বাপ্পীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। ফলে ঘটনাস্থলে স্ত্রী শহীদ নুর ওরফে সুফিয়া এবং ছোট ছেলে শামীমের মৃত্যু ঘটে। গুরুতর আহত বড় ছেলে মোহাম্মদ আফছার ওরফে বাপ্পীকে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত এহেসামুল হক পালিয়ে গেছেন।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ১২ নং খৈয়াছড়া ইউনিয়নে একটি চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ ওঠেছে। এই ঘটনা আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ঘটেছে, যা এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগকৃত পক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তারা বৈধভাবে ক্রয় করা জমির মালিক এবং আদালতেই দলিলের বৈধতা প্রমাণিত হবে। অভিযোগকারী মোহাম্মদ সেলিম, পূর্ব খৈয়াছড়া ভূঁইয়াপাড়ার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি জানান, পূর্ব মঘাদিয়া মৌজার আরএস খতিয়ান নং ৩৪-এর আওতায় আরএস দাগ নং ৯২৩৬, ৯২৩৮ ও ৯২৪০ এবং সংশ্লিষ্ট বিএস খতিয়ান নং ১৮৫৯-এর বিএস দাগ নং ৯৮৩৭, ৯৮৩৮ ও ৯৮৩৯- এই মোট ১৪ শতক জমির ওপর দীর্ঘ দিন ধরে তাদের চলাচলের রাস্তা রয়েছে।
মোহাম্মদ সেলিম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ তারেক, মোহাম্মদ তসলিম, মোহাম্মদ নবী ও মো. শাহাবুদ্দিনসহ অন্যান্যরা জোরপূর্বক ওই রাস্তা বন্ধ করে সেখানে দেয়াল নির্মাণ করেছেন। এ সম্পর্কিত মামলা দায়ের করেন মোহাম্মদ সেলিম, যা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৭ ধারায় আদালতে গৃহীত হয়। মামলার নাম্বার ৫৫৬/২০২৬ এবং দায়েরের তারিখ ১৪ জুন ২০২৬।
বাদীপক্ষের দাবি, আদালত এই অভিযোগটি আমলে নিয়ে ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেছে এবং মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সেইসাথে চলাচলের রাস্তা বাধামুক্ত করার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও আদালত দিয়েছে। অন্যদিকে বিবাদীপক্ষের দাবি, তারা ১৯৭৭ সালের ২৭ এপ্রিল নিবন্ধিত ২২৩৩ নম্বর কবলা দলিলের মাধ্যমে জমিটি বৈধভাবে ক্রয় করেছেন। তাদের ভাষ্যমতে, নূর মোহাম্মদ, সিরাজুল হক, জালাল আহমদ, ফয়েজ আহমদ, আজব খাতুন, বাগিচা খাতুন, বামজা খাতুন এবং সকিনা খাতুনসহ উত্তরাধিকারীরা ১০ দশমিক ৫০ শতক জমি বিক্রি করেছেন。
জমির মধ্যে আরএস দাগ নং ৯২৪০ এবং বিএস দাগ নং ৯৮৩৭ ও ৯৮৩৮ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাদের দাবি, জমির মালিকানা তাদের বৈধ দালের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত। তবে বাদী মোহাম্মদ সেলিম জানান, প্রতিপক্ষ যে দলিলের ভিত্তিতে মালিকানা দাবি করছে, সেটি তাকে জাল বলে দাবি। এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, দলিল জাল কি না, সেটি আদালতেই প্রমাণিত হবে। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আহমেদুর রহমান, মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ও আলাউদ্দিন অভিযোগ করেন, চলাচলের পথ এবং জমি দখল করে দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে।
তাদের দাবি, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, আদালতের নির্দেশনা তাদের পেয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ঘটনাটি তদন্ত করা হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এখানে জমির মালিকানা, দলিলের বৈধতা এবং চলাচলের রাস্তার অধিকার—এসব বিষয় বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ফলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের উপর নির্ভর করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ