১২:২০ এম
সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের অধিনস্থ এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ও কাঁকড়া ধরার অপরাধে গত ১ মাসে ২৬ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ সময়ে বিভিন্ন অপরাধে ২৪ টি নৌকা আটক করার পাশাপাশি মাছ ও কাঁকড়া ধরার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। খুলনা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এ সকল নৌকা সহ মালামাল জব্দ করা হয়।
জানা গেছে, গত ১ জুন হতে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরা সহ পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক শ্রেনীর অসাধু চক্র সুন্দরবনে রাতের আধারে প্রবেশ করে মাছ, কাঁকড়া ধরার পাশাপাশি হরিণ শিকারের কাজের সাথে জড়িত থাকে।
আরও পড়ুন: চরখিরাটীতে সেরা পাঠকদের বই ও গাছের চারা দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ
এ সকল অপরাধ দমন করতে খুলনা রেঞ্জের অধিনস্থ এলাকায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে আটক করা হয়েছে নৌকা সহ এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের। গত জুন মাসের তথ্য অনুযায়ী খুলনা রেঞ্জের অধিনস্থ এলাকায় টহল কার্যক্রম চালিয়ে ২৪ টি নৌকা আটক করা হয়েছে।
এ সময়ে বিভিন্ন অপরাধে ২৬ টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে ৫ টি পিওআর ও ২১ টি ইউডিআর মামলা রয়েছে। এ সকল মামলায় ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৭ জন ধৃত ও ৩ জন পলাতক রয়েছে।
অভিযানে বিষের মামলা দায়ের করা হয়েছে ৬ টি, হরিণ সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়েছে ১টি। এ সময়ে ২৫ বোতল ভারতীয় কীটনাশক উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে মাছ ও কাঁকড়া সহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদী।
খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ সময়ে বিভিন্ন স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বৃহৎ এই সুন্দরবনের সম্পদ রক্ষায় তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
আরও পড়ুন: পচানালার দূষণে মশার অভয়ারণ্য, শিক্ষার্থীরা ডেঙ্গু আতঙ্কে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন