মাহদী হাসান নূর ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর প্রতিনিধি
০৩:৫৭ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ নিখোঁজের চার দিন পর শনাক্ত হয়েছে। নিহতের নাম হাবিবুর রহমান (১৮)। জন্ম থেকেই তিনি শারীরিক, মানসিক ও বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন।
আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে নাসিরনগর থানার নির্দেশনায় মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
যেভাবে উদ্ধার হয় মরদেহ
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় গোকর্ণ ইউনিয়নের জেঠাগ্রাম চটিপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত ডোবায় স্থানীয়রা এক যুবকের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
সামাজিক মাধ্যমেই মিলল সূত্র
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন আইডি থেকে পোস্ট হওয়ার পরে। ওই পোস্টে থাকা কালো-সাদা ডোরাকাটা শার্ট দেখে হাবিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
যেভাবে নিখোঁজ হন হাবিব
পরিবারের ভাষ্যমতে, গত ২৫ আগস্ট সকালে চাচির বাড়ি থেকে বের হয় মিলাদুন্নী মাহফিলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে এরপরে হাবিব আর বাড়ি ফেরেননি। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান মেলেনি। পরিবারের ধারণা, ওই রাতে একটি মিলাদ ও মাহফিল থেকে ফেরার পথে অন্ধকারে ডোবার পানিতে পড়ে গিয়ে তিনি মারা যেতে পারেন।
পরিবারের প্রতিক্রিয়া
হাবিবের চাচা আব্দুল জলিল বলেন, ফেসবুকে প্রকাশিত অজ্ঞাত মরদেহের ছবি দেখে পরনের শার্টের মাধ্যমে তাঁরা হাবিবকে শনাক্ত করতে পারেন। চার দিন পর হলেও নিখোঁজ স্বজনের মরদেহ শনাক্ত করে শেষবারের মতো পরিবারের কাছে ফিরে পাওয়ায় তিনি পুলিশ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পুলিশের বক্তব্য
নাসিরনগর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম জানান, অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় শনাক্তে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টের মাধ্যমেই পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করেন এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পরবর্তীতে এই বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত কোনো পাওয়া যায়নি এবং মেডিকেল রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর-আড্ডা সড়কের তেঁতুলতলা বাজার সংলগ্ন একটি কালভার্টের পাশেই নির্মাণ করা হচ্ছে একটি অটো রাইস মিল। ব্যস্ততম সড়কের একেবারে পাশে নির্মাণসামগ্রী রাখায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে সৃষ্টি হচ্ছে নানা সমস্যা। একই সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা নিয়েও দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজের জন্য ব্যবহৃত বালু, ইটসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী সড়কের পাশে রাখায় রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এতে ব্যস্ত এই সড়কে যানবাহন চলাচলের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদে শুকিয়ে বালু বাতাসে উড়ে গিয়ে যানবাহনের চালকদের চোখে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে চালকদের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ব্যাহত হয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, রহনপুর-আড্ডা সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত একটি সড়ক। প্রতিদিন এ পথে বিপুলসংখ্যক ছোট-বড় যানবাহন চলাচল করে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে নির্মাণসামগ্রী এভাবে রাখা হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
অন্যদিকে, নির্মাণাধীন অটো রাইস মিলটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, অটো রাইস মিল স্থাপনের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিবেশগত ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ও লাইসেন্সের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি খাদ্য বিভাগের লাইসেন্স, বিএসটিআইয়ের অনুমোদন এবং স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
তবে নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষ প্রয়োজনীয় সব অনুমোদন নিয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত করে সড়কের পাশে নির্মাণসামগ্রী রাখার বিষয়টি খতিয়ে দেখুক এবং অটো রাইস মিলটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করুক।
জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সড়কের পাশ থেকে নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়া এবং অনুমোদনের বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকা রনজিনা হত্যা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামি ‘প্যারা পনি’সহ গ্রেপ্তার ২
রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ঘটে যাওয়া ছিনতাইকালে স্কুল শিক্ষিকা রনজিনা হত্যার মামলার প্রধান আসামি মো. পনি, যিনি ‘প্যারা পনি’ নামেও পরিচিত, তাকে তার এক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। ঘটনার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব-২ এর সূত্রে জানা যায়, গতকাল জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইয়ের সময় স্কুল শিক্ষিকা রনজিনা হত্যার শিকার হন। এই ঘটনাটি রাজধানীতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য তৎপরতা শুরু করে।
এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে, র্যাব-২ গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি মো. পনি ওরফে ‘প্যারা পনি’কে শনাক্ত করে। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে তার সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ড ও ছিনতাইয়ের জন্য ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। তারা কীভাবে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেছিল, ঘটনার সময় কারা উপস্থিত ছিল এবং হত্যাকাণ্ডে তাদের ভূমিকা কী ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাজধানীর ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে প্রকাশ্য স্থানে ছিনতাইয়ের সময় একজন স্কুল শিক্ষিকার প্রাণহানির ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
র্যাব-২ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিসিএস (কর) ক্যাডারের ৩৬ জন অতিরিক্ত কর কমিশনারের পদে একটি গুরুত্বপূর্ণ রদবদল ঘটানো হয়েছে। নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে এসব কর্মকর্তাদের।
রবিবার, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের কর প্রশাসন-১ শাখা থেকে প্রথম সচিব ওয়াকিল আহমদ কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও জারি করা প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলি হওয়া ৩৬ জন কর্মকর্তার নতুন কর্মস্থল নির্ধারণ করা হয়েছে। দীপক কুমার চক্রবর্তীকে কর আপিল অঞ্চল-চট্টগ্রামের আপিলাত রেঞ্জ-১ থেকে চট্টগ্রাম কর আপিল অঞ্চল-০২-এর আপিলাত রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে কর পরিদর্শন পরিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-১১-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনকে ঢাকা কর অঞ্চল-২২ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-০৪-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ, এবং মোহাম্মদ মঈনুল হাসানকে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-০১-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
ইভানা আফরোজ সাঈদকে উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিট থেকে কর পরিদর্শন পরিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে বদলি করা হয়েছে। মুরাদ আহমেদকে যশোর কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-০৩-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
মো. শহিদুল ইসলামকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-০৩ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ থেকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-০১-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ, মাসুদুল করিম ভূঁইয়াকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৮ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-০২-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, হাছিনা আক্তারকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৬ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ থেকে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে, রিগ্যান চন্দ্র দে-কে ঢাকা কর অঞ্চল-০৬ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৩-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
ফারজানা নাজনীনকে ঢাকা কর অঞ্চল-০১ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-০১-এর আপিলাত রেঞ্জ-২ এ বদলি করা হয়েছে। ঢাকা কর অঞ্চল-২২ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে সুলতানা হাবীবকে একই অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
কামরুল হাসানকে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৮-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ, শেখ মো. কামরুজ্জামানকে কর পরিদর্শন পরিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৬-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
আরিফুল হককে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-০১ এর আপিলাত রেঞ্জ-২ থেকে এনবিআরের প্রথম সচিব (কর) পদে, তানিয়া সুলতানাকে (চলতি দায়িত্ব) ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-০৩ এর আপিলাত রেঞ্জ-২ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-২২ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ এ বদলি করা হয়েছে।
মো. মারুফ উল আবেদীনকে (চলতি দায়িত্ব) ফরিদপুর কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ থেকে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-০৩ এর আপিলাত রেঞ্জ-২ এ, মো. তানভীর মোর্শেদকে (চলতি দায়িত্ব) চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-০২ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ থেকে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।
তাছলিমা ইসলামকে (চলতি দায়িত্ব) চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-০২ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে একই অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-০২ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে মুহা. রাশেদুল হাসানকে (চলতি দায়িত্ব) একই অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ, মো. সাইফুর রহমান রাসেল (সদ্য চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত) ঢাকা কর অঞ্চল-০১ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-০৪ থেকে এনবিআরের আন্তর্জাতিক কর ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।
মুসতবা ইশতিয়াক আহমদকে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের যুগ্ম কর কমিশনার থেকে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-০২ এর আপিলাত রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে। দীপক কুমার পালকে কর পরিদর্শন পরিদপ্তরের যুগ্ম মহাপরিচালক থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-০৬ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ এ বদলি করা হয়েছে।
তরঙ্গ কুমার মন্ডলকে ঢাকা কর অঞ্চল-০৫ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-০৩ থেকে নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে। ফারহানা শেখ কর পরিদর্শন পরিদপ্তরের যুগ্ম মহাপরিচালক থেকে উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিটের অতিরিক্ত কর কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
অমিত কুমার দাসকে উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিট থেকে এনবিআরের প্রথম সচিব (কর) পদে বদলি করা হয়েছে। মো. ফারজানুল ইসলামকে এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের যুগ্ম পরিচালক থেকে কর পরিদর্শন পরিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
সোনালী বিশ্বাস (সদ্য চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত) ঢাকা কর অঞ্চল-২৪ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-৩ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-০৯ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ এ বদলি করা হয়েছে। প্রণব সরকারকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৭ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-৩ থেকে রংপুর কর আপিল অঞ্চলের আপিলাত রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, মো. আবুল কালাম আজাদকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৫ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-৩ থেকে যশোর কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
মোহাম্মদ দাউদ হোসেনকে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট থেকে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-০৬ এর আপিলাত রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে। মো. এনামুল কবির কুমিল্লা কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-৩ থেকে ঢাকা বিসিএস (কর) একাডেমির পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
বাপন চন্দ্র দাসকে নোয়াখালী কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-০৩ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে। মহিদুল ইসলামকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-০২ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-০৪ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
মো. শফিউল ইসলামকে ঢাকা কর অঞ্চল-০২ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-৩ থেকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-০৬ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ এ এবং এস এম গালিব ফারুক (সদ্য চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত) ময়মনসিংহ কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-৪ থেকে পাবনা কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেসব কর্মস্থলে কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হয়েছে, সেখানে পূর্বে কেউ অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। বদলি হওয়া কর্মকর্তারা তাদের পূর্বের দায়িত্বভার হস্তান্তর করে অবিলম্বে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ : চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল এলাকায় আব্দুর রহমান জিসানকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।
শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয় ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, আনিসুল হক ও জাহাঙ্গীর কবীর নানক, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু ও মশিউর রহমান সজল, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ঢাকার সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হারুন অর রশীদ, সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার এবং যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান।
আজ যাত্রাবাড়ী থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মহিউদ্দিন চৌধুরী বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাউছার হুসাইন গত ৮ জুলাই আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন। আগামী ৬ অক্টোবর মামলার চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ২০ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইলে আন্দোলনে অংশ নেন জিসান। তিনি আন্দোলনকারীদের পানি পান করাচ্ছিলেন। এ সময় আসামিদের গুলিতে নিহত হন তিনি। এ ঘটনায় জিসানের বাবা বাবুল মিয়া ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ