ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ফয়’স লেক ঘুরে মুগ্ধ হলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন


ফয়’স লেক ঘুরে মুগ্ধ হলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন

চট্টগ্রাম শুধুমাত্র ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য পরিচিত নয়, বরং এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যের একটি অনন্য স্থানও। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন ফয়’স লেকের নৌকাবিহার করে মুগ্ধ হয়েছেন।

তিনি শনিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে এই মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন ফয়’স লেকে নৌবিহারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘চট্টগ্রাম মানেই শুধু ব্যবসা-বাণিজ্য নয়! নৌকায় চড়ে শতবর্ষী ফয়’স লেক ঘুরে দেখার এবং বাংলাদেশের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যের প্রেক্ষাপটে এর বিশেষ অবস্থান সম্পর্কে জানার অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ উপভোগ্য। অপূর্ব!’

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দ্বন্দ্ব, সংবাদ সম্মেলন

ফয়’স লেক চট্টগ্রামের একটি ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। রাষ্ট্রদূতের এই ভ্রমণে ফয়’স লেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য নতুনভাবে প্রকাশ পায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমার দেশ জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে মিথ্যা ন্যারেটিভ ছড়াচ্ছে: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ পি.এম


আমার দেশ জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে মিথ্যা ন্যারেটিভ ছড়াচ্ছে: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান অভিযোগ করেছেন যে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকাটি আওয়ামী লীগের এক ব্যবসায়ী ও সাবেক সংসদ সদস্যের প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি জামায়াতের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগও করেছেন।

রবিবার (১ নভেম্বর) ফেসবুকের একটি পোস্টে এ তথ্য জানান রাশেদ খান। তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় তার কোনো বক্তব্য প্রচার না করার জন্য সম্পাদক মাহমুদুর রহমান নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। তখন তিনি তথ্য উদঘাটন করে জানতে পারেন যে পত্রিকাটি আওয়ামী লীগের এক পদধারী নেতা ও বড় ব্যবসায়ী এবং ডামি এমপির কোম্পানির অর্থায়নে চলছে।

তিনি আরও জানান, প্রথমে অবাক হয়ে মাহমুদুর রহমানকে হোয়াটসঅ্যাপে ছবি ও তথ্য-প্রমাণ পাঠান। কিন্তু তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। রাশেদ খান ভাবছিলেন, হয়তো বিষয়টি তার অজানা। তাই তিনি বারবার টেক্সট করে তথ্য-প্রমাণ পাঠিয়েছেন। কিন্তু মাহমুদুর রহমান পুরো বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং তার কল গ্রহণও বন্ধ করে দেন।

রাশেদ খান বলেন, পরবর্তীতে আমার দেশ পত্রিকার একজন দায়িত্বশীলের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, "ভাই, আমাদের তো পত্রিকা চালাতে হয়!" এবং বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এই ঘটনার পর মাহমুদুর রহমানের চরিত্র তার কাছে উন্মোচিত হয়ে যায়। পত্রিকা চালানোর জন্য তিনি গণ-অভ্যুত্থানের বিরোধীপক্ষের সঙ্গে আপস করতে জানেন।

তিনি আরও জানান, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের একজন কর্মী হিসেবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সংক্ষুব্ধ হওয়ায় আমার দেশ পত্রিকার মিথ্যা বয়ান ছিঁড়ে ফেলেছেন। কিন্তু কিছু মিডিয়া প্রচার করছে যে তিনি ফেসবুক লাইভে আমার দেশ ছিঁড়ে ফেলেছেন। তিনি স্পষ্ট করেন, "আমি কোনো ফেসবুক লাইভ করিনি। আমি ফরমাল ভিডিও আকারে প্রতিবাদ পাঠিয়েছি।"

রাশেদ খান বলেন, "আমার কোনো যৌক্তিক সমালোচনা যে কেউ করতে পারে। কিন্তু একটি পত্রিকা আমাকে আওয়ামী লীগ ট্যাগিং করে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে এক হয়েছি মর্মে বিভ্রান্তিমূলক লিড নিউজ করতে পারে না।" তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এমনটি করা হয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, "মূলত ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের ঘটনায় মিয়া গোলাম পরওয়ারকে সেভ করতে ও জামায়াতের পক্ষে পাল্টা ন্যারেটিভ দাঁড় করাতে পরিকল্পিতভাবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে আমার এক হওয়ার অপতথ্য প্রচার করেছে আমার দেশ পত্রিকা।"

তিনি জানান, যেহেতু আমার দেশ পত্রিকা বর্তমানে জামায়াতের রাজনৈতিক মুখপাত্র হিসেবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেছে, তাই ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের কর্মী হিসেবে সেটির জবাব না দিলে মিথ্যা বলতে বলতে একসময়ে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠা করে ফেলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসামে যুবদলের ব্যানার উদ্ধার, তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ পি.এম


আসামে যুবদলের ব্যানার উদ্ধার, তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ

ভারতের আসাম রাজ্যের লখিমপুর জেলার একটি গ্রামে গ্যাসভর্তি বেলুনের সঙ্গে বাঁধা বাংলাদেশের বিএনপির যুবসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের একটি ব্যানার পাওয়া গেছে। শুক্রবার নারায়ণপুর থানার অন্তর্গত লেটেকুজান গ্রামের একটি ধানখেতে বেলুনগুলো দেখতে পান স্থানীয় এক কিশোর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সকালে পাশের মাঠে গরু চরানোর সময় কিশোরটি বেলুনগুলো দেখতে পায়। পরে সেগুলো একটি বাঁধের কাছে নেমে এলে সে সেগুলো সংগ্রহ করে বাড়িতে নিয়ে যায়।

বেলুনের সঙ্গে লাগানো ফ্লেক্স ব্যানারে জাতীয়তাবাদী যুবদলের মৌলভীবাজার জেলা শাখার ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছাবার্তা লেখা ছিল। এতে বিএনপির নেতা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ছবিও ছিল।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের সময় একই ধরনের দলীয় ব্যানারযুক্ত বেলুন ওড়ানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

গ্রামবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ধলপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল লেটেকুজান গ্রামে যায়। পরে বেলুন ও ব্যানারটি নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।

এই সময় পুলিশ জানায়, ব্যানার ও বেলুনগুলো কোথা থেকে উড়ে এসেছে এবং কীভাবে ভারতের এই গ্রামে পৌঁছেছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইউক্রেনের জন্য অস্ত্রবাহী পশ্চিমা জাহাজে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ পি.এম


রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইউক্রেনের জন্য অস্ত্রবাহী পশ্চিমা জাহাজে

ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে পশ্চিমা সমরাস্ত্রের সরবরাহ লাইন সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দিতে এবার আরো একধাপ আগ্রাসী পদক্ষেপ নিয়েছে পুতিন বাহিনী। গত রাতে কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর জন্য বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম ও আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র বহনকারী একটি বিদেশী সমুদ্রগামী কার্গো জাহাজে সরাসরি আঘাত হেনেছে রাশিয়ার নৌ ও বিমান বাহিনী। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রোববার এক বিবৃতিতে এ সফল ও বিধ্বংসী হামলার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও সামরিক দফতরের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রুশবাহিনী জানতে পারে যে, একটি বাণিজ্যিক জাহাজের আড়ালে পশ্চিমা দেশগুলো থেকে ইউক্রেনীয় নব্য-নাৎসি বাহিনীর জন্য ভারী অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আসা হচ্ছিল। জাহাজটি ইউক্রেনের একটি কৌশলগত বন্দরে নোঙর করার আগেই রুশ নৌবাহিনীর নির্ভুল গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন বহর এর ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে হামলা চালায়।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে এবং এটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জাহাজে থাকা ইউক্রেনীয় ফ্রন্টলাইনের জন্য বরাদ্দকৃত পশ্চিমা দেশগুলোর দেওয়া বিপুল পরিমাণ সাঁজোয়া যান, রকেট এবং অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের যন্ত্রাংশ সাগরের বুকেই ধ্বংস হয়ে গেছে।

সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দনবাস ও কুরস্ক অঞ্চলে তীব্র চাপের মুখে থাকা ইউক্রেনীয় বাহিনীর জন্য এ অস্ত্র সরবরাহ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রুশ হামলায় এ কার্গো জাহাজটি ধ্বংস হওয়ায় জেলেনস্কি বাহিনীর রসদ সরবরাহে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটল।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এ হামলার পর আবারও কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে যারা এ যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চায়, তাদের যেকোনো সামরিক কার্গো বা সরঞ্জামকে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করবে এবং তা ধ্বংস করা হবে’।

অন্যদিকে, ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ কার্গো জাহাজে হামলার বিষয়টি স্বীকার করলেও দাবি করেছে যে, জাহাজটি কোনো সামরিক সরঞ্জাম বহন করছিল না, বরং এটি একটি সাধারণ বেসামরিক শস্য বা বাণিজ্যিক পণ্যবাহী যান ছিল। তবে রাশিয়া এ দাবি নাকচ করে দিয়ে জাহাজে হওয়া সেকেন্ডারি বিস্ফোরণের (অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফাটার তীব্রতা) ভিডিও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছে। কৃষ্ণসাগরের এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পর ওই অঞ্চলের সমুদ্রসীমায় আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সূত্র : তাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৬ ভিলার মালিক আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৬ পি.এম


৩৬ ভিলার মালিক আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

ভারতের রাজস্থানে এক জ্যেষ্ঠ আমলা ও তার পুলিশ কর্মকর্তা স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আইএএস কর্মকর্তা শিখর আগরওয়াল সরকারি পদ ব্যবহার করে একটি বেসরকারি হোটেল ও রিসোর্ট প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করেছেন। এর বিনিময়ে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে ৩৬টি রিসোর্ট ভিলা কিনেছেন।

এই ভিলাগুলোর মোট মূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫২ লাখ রুপি। রাজস্থানের দুর্নীতি দমন ব্যুরো (এসিবি) এই অভিযোগের তদন্ত করছে। তদন্তে শিখর আগরওয়ালের সঙ্গে গোয়েল ফ্যাশনস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালকদের কথিত যোগসাজশ খতিয়ে দেখা হবে। প্রতিষ্ঠানটি ‘আনন্ত’ ব্র্যান্ডের অধীনে বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্ট পরিচালনা করে।

অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটিকে বিশেষ ছাড় দেওয়া, রিসোর্ট নির্মাণের শর্ত শিথিল করা, প্রয়োজনীয় সনদ যথাযথভাবে যাচাই না করেই অনুমোদন দেওয়া এবং আগরওয়াল ও তার স্বজনদের নামে একাধিক সম্পত্তি কেনা। গত ২৭ অক্টোবর দৈনিক ভাস্করে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন, শিল্প বিভাগের দেওয়া তথ্য এবং গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজস্থানের দুর্নীতি দমন ব্যুরো প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে। রাজ্য সরকার বিস্তারিত তদন্তের অনুমোদন দিয়েছে।

এসিবির মহাপরিচালক গোবিন্দ গুপ্ত জানিয়েছেন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৮৮-এর ১৭এ ধারায় শিখর আগরওয়াল, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রাথমিক অনুমোদন সরকার দিয়েছে। এসিবির প্রাথমিক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ওই কর্মকর্তা কোম্পানির পরিচালকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি নিজে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটি অন্যায্য সুবিধা পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে রাজ্য সরকারের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে।

উদয়পুরের জেলা প্রশাসক, রাজস্থান রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং শিল্প বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আগরওয়ালের কর্মকাণ্ডও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। এসিবি খতিয়ে দেখছে, এসব দায়িত্বে থাকাকালে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তের মাধ্যমে গোয়েল ফ্যাশনস প্রাইভেট লিমিটেড এমন সুবিধা পেয়েছিল কি না, যা সাধারণভাবে প্রতিষ্ঠানটির পাওয়ার কথা ছিল না। একই সঙ্গে ওই সিদ্ধান্তগুলোর সঙ্গে পরবর্তী সময়ে আগরওয়াল ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্টের ভিলা কেনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করা হচ্ছে।

গোয়েল ফ্যাশনস প্রাইভেট লিমিটেড ‘আনন্ত’ ব্র্যান্ডের অধীনে উদয়পুরের বুজড়া এবং আলওয়ারের আজবগড় এলাকায় হোটেল ও রিসোর্ট পরিচালনা করে। এই দুই এলাকার রিসোর্টেই আগরওয়াল ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ভিলা কেনার অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উদয়পুরের বুজড়ায় গত মার্চে ২০টি ভিলা কেনা হয়। এর মধ্যে ১০টি আগরওয়ালের নামে এবং বাকি ১০টি তার স্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তা প্রশাখা মাথুরের নামে নিবন্ধন করা হয়েছে। প্রতিটি ভিলার ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ রুপি। সে হিসাবে ২০টি ভিলার মোট মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩ কোটি রুপি।

অন্যদিকে, আলওয়ারের আজবগড় এলাকায় আনন্ত রিসোর্টে আরও ১৬টি ভিলা কেনার তথ্য পেয়েছে তদন্তকারীরা। প্রাথমিক অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে আটটি ভিলা আগরওয়াল ও তার স্ত্রীর নামে কেনা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের নামে চারটি করে ভিলা নিবন্ধন করা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের দুই ছেলের নামে চারটি এবং আগরওয়ালের শ্বশুর-শাশুড়ির নামে আরও চারটি ভিলা কেনার অভিযোগ রয়েছে।

আজবগড়ের ভিলাগুলোর দাম প্রায় ১৫ লাখ থেকে সাড়ে ১৬ লাখ রুপির মধ্যে। আগরওয়াল ও তার স্ত্রীর নামে কেনা আটটি ভিলার প্রতিটির দাম দেখানো হয়েছে সাড়ে ১৬ লাখ রুপি। দুই ছেলের নামে নিবন্ধিত চারটি ভিলার প্রতিটির দাম প্রায় ১৫ লাখ রুপি। আর শ্বশুর-শাশুড়ির নামে কেনা চারটি ভিলার প্রতিটির দাম দেখানো হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ রুপি।

সব মিলিয়ে উদয়পুরের বুজড়ায় ২০টি এবং আলওয়ারের আজবগড়ে ১৬টিসহ দুই এলাকায় মোট ৩৬টি ভিলা কেনার তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন ব্যুরো। উল্লেখিত ক্রয়মূল্য সঠিক হলে এসব সম্পত্তির মোট মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৫ কোটি ৫২ লাখ রুপি। এসিবি জানিয়েছে, গত ২৭ মার্চ গোয়েল ফ্যাশনস প্রাইভেট লিমিটেডকে বিশেষ আর্থিক ছাড়ের প্যাকেজ দিয়েছিল রাজস্থানের অর্থ বিভাগ। তদন্তকারীরা আরও তথ্য পেয়েছেন, একই দিনে আগরওয়াল ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ২০টি ভিলা নিবন্ধন করা হয়েছিল। এ দুই ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%