বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৪ পি.এম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মন্তব্য করেছেন, “জলবায়ু সহনশীল জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষিক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথ আরো প্রশস্ত হচ্ছে।”
এ মন্তব্য তিনি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুরের পাইনার খালে রুইজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি শেষে করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষকের উৎপাদন ধরে রাখা এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলবায়ু সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ অপরিহার্য। কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কৃষকের স্বার্থ রক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর মাধ্যমে কৃষিকে আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষিতে গবেষণা এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও উৎপাদন অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির ফলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল এবং বিদেশে খাদ্য রপ্তানিও সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পরে সেই কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবারও খাল খনন শুরু হয়েছে। এতে দেশ আবারও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।
তিনি বলেন, টেকসই কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা আরো সুদৃঢ় হবে। এর জন্য কৃষক, গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে প্রায় ১৫০ কেজি রুইজাতীয় মাছের পোনা জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়। এ কর্মসূচির আয়োজন করে কেরানীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওমর ফারুক, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কারিশমা আহমেদ জাকসি, তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদ আলম জমিদার, সদস্যসচিব সামিউল্লাহ, ঢাকা জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক জুয়েল মোল্লা, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি পাভেল মোল্লাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য নতুন করে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নতুন সেনা নিয়োগ বা সামরিক সমাবেশের (মোবিলাইজেশন) পরিকল্পনা নিয়ে চলমান আলোচনা ইউক্রেনের ‘অপপ্রচার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
এই মন্তব্যটি তিনি বৃহস্পতিবার ভ্লাদিভস্তকে অনুষ্ঠিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের একটি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে করেছেন।
পুতিন আরও বলেন, বর্তমানে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই, যার কারণে সেনা সমাবেশের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি দাবি করেছেন, চলতি মাসের শেষের দিকে অনুষ্ঠিতব্য রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তার মতে, নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলার উদ্দেশ্যে ‘শত্রুপক্ষের অপপ্রচার অভিযান’ চলছে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের মানুষ স্বেচ্ছায় সেনাবাহিনীতে যোগদান করে এবং চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
তবে, পুতিনের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে কিয়েভ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য আসেনি।
এর আগে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জুলাই মাসে বলেছিলেন, সম্মুখযুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর মস্কো শরতে নতুন করে সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক সামরিক ব্যর্থতার পর পুতিন সর্বশেষ রিজার্ভ সেনাদের ‘আংশিক মোবিলাইজেশন’ এর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
ক্রেমলিন জানিয়েছিল, প্রায় ১৪ কোটি জনসংখ্যার রাশিয়ায় ওই নির্দেশের আওতায় ৩ লাখ মানুষ ছিলেন। এই সিদ্ধান্তটি ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং সামরিক বয়সী অনেক রুশ পুরুষ দেশ ছেড়ে চলে যান। সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গু প্রতিরোধ, মশার প্রজনন ও বিস্তার রোধে জেলা পর্যায়ে ‘ঝুঁকি যোগাযোগ ও জনসম্পৃক্ততা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বরিশাল জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন অংশীজন ও সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইয়েদুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা নয়, মশার প্রজনন ও বিস্তার রোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে এডিস মশা কামড়ানোর পর ওই মশা অন্য সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে ডেঙ্গু ছড়ায়। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং মশার বিস্তার রোধ করা। বাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে এবং অন্তত তিন দিন পরপর জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। এছাড়া স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্পৃক্ত করে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন এবং পরবর্তী সংক্রমণে শারিরীক ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনো ব্যক্তি নিজেকে ঝুঁকিমুক্ত মনে না করে সতর্ক থাকতে হবে। এসময় তিনি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন।
জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক অনিমেষ কান্তি হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং সহকারী তথ্য অফিসার মৃদুল চৌধুরী কনকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের ইউনিসেফের প্রধান মোহাম্মদ কাওসার হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আ. জব্বার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।
জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক বলেন, জেলা তথ্য অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো প্রান্তিক এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি জনগণের চাহিদা সরকারের কাছে পৌঁছে দেয়া।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে তথ্য অফিস দীর্ঘদিন ধরে ইউনিসেফের সহযোগিতা নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সিভিল সার্জন অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী যেসব এলাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি, সেসব এলাকায় বিশেষভাবে জনসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ সময় সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৯টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া শাখা এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ২৪টি বাস, একটি ট্রাক, ৭টি কাভার্ড ভ্যান, ১০টি সিএনজি ও ৪৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৪টি বাস, ১৫টি ট্রাক, ৩টি কাভার্ড ভ্যান, ১৩টি সিএনজি ও ৮৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭১টি মামলা হয়েছে।
ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩২টি বাস, ২টি ট্রাক, ১৬টি কাভার্ড ভ্যান, ৬৬টি সিএনজি ও ১৬৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৩৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪৬টি বাস, ৩৬টি ট্রাক, ৩৪টি কাভার্ড ভ্যান, ৪৭টি সিএনজি ও ১১৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৭২টি মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১১টি বাস, ৫টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ড ভ্যান, ১৯টি সিএনজি ও ৭১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৭টি বাস, ১২টি ট্রাক, ৩২টি কাভার্ড ভ্যান, ২৮টি সিএনজি, ১৬৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩১১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৪৫টি বাস, ৮টি ট্রাক, ১৯টি কাভার্ড ভ্যান, ১৭টি সিএনজি ও ১২৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২২টি বাস, ৪টি ট্রাক, ৬টি কাভার্ড ভ্যান, ৯টি সিএনজি ও ৬৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭৯টি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া, অভিযানের সময় মোট ৪৯৭টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ২৯৪টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে টানা পরাজয়ের পর, দলের অর্ধেক ক্রিকেটার এবং প্রধান কোচকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করেছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। তিনি উল্লেখ করেন, লর্ডসে পরাজয়ের পর নতুন খেলোয়াড়দের দলে অন্তর্ভুক্ত করার ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।
এছাড়া, তিনি নিজের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওঠা সমালোচনাকে ‘অন্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শেষ টেস্টের আগে সাত ক্রিকেটার পরিবর্তন এবং প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পিসিবির সিদ্ধান্তটি ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিশেষজ্ঞরা এ ঘটনায় বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। শহীদ আফ্রিদি ও শোয়েব মালিকও এই নজিরবিহীন পদক্ষেপের বিষয়ে নিজেদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এই ঘটনার পর প্রথমবারের মতো ‘জিও নেটওয়ার্ক’-এর সাথে আলাপকালে নাকভি বলেন, "দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবসময়ই সমালোচনা হয়ে থাকে এবং এতে আমি বিচলিত নই। ফলাফলের জন্য আমরাই দায়বদ্ধ এবং গত দুটি ম্যাচে যা ঘটেছে তা ঠিক হয়নি। তবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের মতো আমরা টেস্ট ফরম্যাটেও উন্নতির প্রত্যাশা করছি।"
লর্ডসে পাকিস্তানের পরাজয়টি ছিল গত ২০টি টেস্ট ম্যাচের মধ্যে তাদের ১৫তম হার। বর্তমানে তারা ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ-এর পয়েন্ট তালিকার একেবারে তলানিতে অবস্থান করছে। গত বছর নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তারা কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি এবং গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। এ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা সুপার এইট’ থেকে ছিটকে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ডালাসে হেরে তাদের ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিযান গ্রুপ পর্বেই এক লজ্জাজনক বিদায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
এ প্রসঙ্গে পিসিবি চেয়ারম্যান বলেন, "সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো খেলোয়াড় ভালো পারফর্ম করতে না পারলে তার বিকল্প খোঁজা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় থাকে না। এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য খেলোয়াড়দের দল থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া নয়, বরং তাদের জায়গায় অন্য কাউকে আনা। সালমান আঘার কথাই ধরুন, তিনি অত্যন্ত ভালো খেলোয়াড়, কিন্তু নানা কারণে তিনি নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথাও বলা হয়েছে।"
মহসিন নাকভি আরও বলেন, "পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা করার অধিকার সবারই আছে, কিন্তু অনেকে এই পরাজয়ের পর দলের জন্য শেষ পরিণতি হিসেবে তুলে ধরেন। যারা জীবনে কোনো সাফল্যই পাননি, সেইসব খেলোয়াড়ের এমন ধারণা বা বয়ান প্রচার করাটা গ্রহণযোগ্য নয়। আমি মাঝে মাঝে সাবেক ক্রিকেটারদের পরামর্শ নিই; আমারও মনে হয় টেস্ট ক্রিকেটে আমরা খারাপ করছি। এর কারণগুলো বোঝার জন্য আমরা আলোচনা করেছি। সবাইকে অনুরোধ করব খেলোয়াড়দের মনোবল ভেঙে দেওয়া বন্ধ করতে; এটা অন্যায়।"
নাকভি দাবি করেন, বোর্ড ও দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অধিকাংশ সমালোচনার মূল কারণ হলো তিনি নিজে এর নেতৃত্বে রয়েছেন। "তারা আমাকে সরিয়ে দিতে চায়, তবে আমি কিছু তথ্য তুলে ধরি। ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে আমরা অষ্টম থেকে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছি এবং নতুন কোচিং প্যানেল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ছয়টি সিরিজের মধ্যে চারটিতেই জয়লাভ করেছি। টি-টোয়েন্টিতে আমরা নবম স্থানে ছিলাম, এখন ষষ্ঠ স্থানে আছি এবং আমাদের জয়ের হার ২৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। অথচ বলা হচ্ছে দেশে ক্রিকেটের নাকি ইতি ঘটে গেছে।"
গত বছরের ১৩ মে পিসিবি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের প্রধান কোচ হিসেবে হেসনের নাম ঘোষণা করে। ওই সময় ওয়ানডেতে পাকিস্তান পঞ্চম এবং টি-টোয়েন্টিতে অষ্টম স্থানে ছিল। এর আগে ২০২৪ সালের শুরুতে অর্থাৎ নাকভি পিসিবি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার এক মাস আগে উভয় ফরম্যাটেই তারা চতুর্থ স্থানে ছিল। বর্তমানে তারা ওয়ানডেতে পঞ্চম এবং টি-টোয়েন্টিতে ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান করছে। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে ২০২৪ সালের শুরুতে তারা ষষ্ঠ স্থানে থাকলেও বর্তমানে অষ্টম স্থানে নেমে গেছে।
পিসিবি আশা করছে, দলে নতুন যুক্ত হওয়া সাতজন খেলোয়াড়ের মধ্যে পাঁচজনই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা নতুন মুখ। তাদের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ডের জন্য উপযুক্ত কম্বিনেশন বা দল গঠন করা সম্ভব হবে বলে মনে করে পিসিবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ