ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

আজ জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত


আজ জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত

‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস। প্রতিবছর ২ নভেম্বর এই দিবসটি পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে আজ সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত একটি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার হলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

১৯৭৮ সালের ২ নভেম্বর ডিএমসিএইচ ব্লাড ব্যাংকে প্রথমবারের মতো স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে সন্ধানী। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে সন্ধানী আয়োজিত প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২ নভেম্বরকে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলনের পথিকৃৎ হিসেবে সন্ধানী পরিচিত। রক্তদানের পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটি মানুষের চক্ষু ব্যাংক হিসেবেও কাজ করে, মৃত্যুর আগে স্বেচ্ছা প্রণোদিত চক্ষুদানের বিষয়ে উত্সাহ প্রদান করে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ সেই চোখ ব্যবহার করতে পারে।

আরও পড়ুন: পীরগঞ্জে এসিল্যান্ডের অভাবে ভূমি অফিসের কার্যক্রম ব্যাহত, ভোগান্তিতে মানুষ

সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি চার হাজার ২০৪টি কর্নিয়া সংগ্রহ করেছে। এর মাধ্যমে তারা তিন হাজার ৫২৫ জন অন্ধ মানুষের চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মহাসচিব কো-অর্ডিনেটর সাইফুল ইসলাম গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশে অন্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখের মতো। তাদের মধ্যে পাঁচ লাখের মতো কর্নিয়াজনিত অন্ধ।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাস করলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে অনিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ এম


পাস করলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে অনিশ্চয়তা

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা যদি সম্পূরক (সাপ্লিমেন্টারি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, তবুও ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করার সুযোগ তারা হারাতে পারেন। ইতোমধ্যে ঢাকা, রাজশাহী, জগন্নাথ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি আবেদনের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার সময় আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। কিন্তু অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ৩১ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে দেখা যাচ্ছে, আবেদনের সময় শেষ হওয়ার পর যদি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়, তাহলে এসব শিক্ষার্থীর আবেদন করার সুযোগ থাকবে না। ফলে সম্পূরক পরীক্ষায় পাস করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল না পাওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থী চলতি শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গত শনিবার প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছেন চার লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। এর মধ্যে এক বিষয়ে অকৃতকার্য দুই লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে অকৃতকার্য এক লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন।

এসব শিক্ষার্থীর জন্য আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে সম্পূরক পরীক্ষা গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ৩১ ডিসেম্বর।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর স্বাক্ষর করা কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৩ নভেম্বর থেকে সম্পূরক পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয়ে চলবে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত। ১ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত প্রশ্নপত্র প্রণয়নের কাজ চলবে। তবে বিদ্যমান বিধিমালায় এ ধরনের পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগ না থাকায় সম্পূরক পরীক্ষা আয়োজনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশনা প্রয়োজন।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদনের ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত জিপিএর শর্ত পূরণ করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে দুই পরীক্ষার মোট জিপিএ এবং পৃথক পরীক্ষার জিপিএর শর্তও ভিন্ন। ফলে এইচএসসিতে অকৃতকার্যরা সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার ফল না পাওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করতে পারছেন না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু হবে ১১ নভেম্বর, চলবে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। অন্যদিকে সম্পূরক পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ৩১ ডিসেম্বর। অর্থাৎ আবেদন শেষ হওয়ার ৩৬ দিন পর ফল প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ ডিসেম্বর। ওই দিন আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১২ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ইউনিট, ১৯ ডিসেম্বর কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ২২ ডিসেম্বর চারুকলা ইউনিট এবং ২৬ ডিসেম্বর ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাথমিক আবেদন শুরু হবে ১২ নভেম্বর, শেষ হবে ২৭ নভেম্বর। বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের ৮, ৯ ও ১৬ জানুয়ারি। অর্থাৎ সম্পূরক পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই প্রাথমিক আবেদনের সময় শেষ হয়ে যাবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে আবেদন শুরু হবে ১৫ নভেম্বর, চলবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি।

একইভাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের ২৯ জানুয়ারি।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েও ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের ৫, ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে হলেও আবেদনের সময় শেষ হবে সম্পূরক পরীক্ষার ফল প্রকাশের ২১ দিন আগে।

অন্যদিকে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ২০২৭ সালের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও এখনো আবেদনের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা ১৬ জানুয়ারি এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সম্ভাব্য পরীক্ষার তারিখ ১৪ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের সময়সূচি ও বিস্তারিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এছাড়া কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা ২০২৭ সালের ২ জানুয়ারি। সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জিএসটি) গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৯, ২০ ও ২৭ মার্চ। কৃষি গুচ্ছ ও জিএসটি গুচ্ছের আবেদন শুরুর ও শেষের তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর। মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি। এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও বিস্তারিত আবেদনসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের অপেক্ষা রয়েছে।

ফলে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের সময়সীমা সম্পূরক পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই শেষ হচ্ছে, সেগুলোতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের চলতি শিক্ষাবর্ষে আবেদনের সুযোগ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আর যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন প্রক্রিয়া এখনো ঘোষণা করা হয়নি, সেগুলোর ক্ষেত্রে ফল প্রকাশের পর আবেদনের সুযোগ রাখা হবে কি না, তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর।

এ অবস্থায় সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ হারানোর আশঙ্কা করছেন অনেক শিক্ষার্থী। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তাদের জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়া এবং আবেদনের সময় পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা পাননি বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য এইচএসসি শিক্ষার্থীদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, "তাদের বিষয়ে সরকার ঘোষণা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পরে আমরা বসব। এরপর আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই মুহূর্তে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে বেশ কয়েকটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।"

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আল-আমিন বলেন, "বিষয়টি একটি নতুন পদ্ধতি। তাই এটি কীভাবে প্রচলিত ভর্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করা যায়, তা নিয়ে ভর্তি কমিটিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের একটি ভর্তি কমিটি আছে। কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হারও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাশাপাশি এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা পুনরায় পরীক্ষা দিয়ে মূল ধারায় ফিরে আসার যে সুযোগ পাচ্ছে, সেটিও দেশের শিক্ষা খাতে নতুন একটি সংযোজন। এসব বিষয় কীভাবে আমাদের ভর্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করা যায়, তা অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ভর্তি কমিটির সভায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ৩০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৪৭ জন ফেল, ছাত্রদলের প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ এম


কুমিল্লায় ৩০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৪৭ জন ফেল, ছাত্রদলের প্রতিবাদ

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজের ৩০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৪৭ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার ১৭.৬৭%। এই ঘটনার প্রতিবাদে মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা শিক্ষকদের ফুলের তোড়া দিয়ে প্রতিবাদ জানান।

রোববার (১ নভেম্বর) সকালে কলেজ অফিস কক্ষে উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা উপস্থিত হয়ে প্রিন্সিপাল নাজমা বেগমসহ সকল শিক্ষকদের এ শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী, উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি সজিবুর রহমান শান্ত, নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি তারিক আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ হোসেনসহ কলেজ ছাত্রদলের নেতারা।

উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী জানিয়েছেন, এমন বিপর্যয়ের দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এড়িয়ে যেতে পারে না। এর প্রতিবাদে মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ ও সম্মানিত শিক্ষকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আজ সম্মানিত শিক্ষকদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়া হয়েছে- ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো শিক্ষার্থীর ফরম ফিলাপ, তদবির নিয়ে ছাত্রদল কিংবা বিএনপির কোনো অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী কলেজে যাবে না। মেধার মূল্যায়ন করতে হবে। মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ হবে। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নয়।

তিনি আরও বলেন, ফুল আমাদের প্রতিবাদের ভাষা। শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎতে ভালো ফলাফল করতে ছাত্রদলের সহযোগিতা থাকবে।

এ বিষয়ে নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নাজমা বেগমের মোবাইলে একাধিকবার কল দিয়েও বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেমরায় ব্যাডমিন্টন খেলার সময় ছুরিকাঘাতে ৪ জন আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ এম


ডেমরায় ব্যাডমিন্টন খেলার সময় ছুরিকাঘাতে ৪ জন আহত

রাজধানীর ডেমরায় পূর্বশত্রুতার কারণে ছুরিকাঘাতে চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনাটি রবিবার (১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টারের তালেব আলী মসজিদের মাঠে ঘটে।

এ সময় সেখানে কয়েকজন মিলে ব্যাডমিন্টন খেলছিলেন। হঠাৎ স্থানীয় পান্নুসহ ১০-১৫ জন এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলার এক পর্যায়ে ছুরি দিয়ে আঘাত করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

পরে রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে আহতদের স্বজনরা উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন জিয়া (১৯), সোহান (১৪), রাহাত (২০) ও শাকিব (১৯)।

জিয়া গেঞ্জি দোকানের কর্মচারী। তার বাবার নাম খোকন মিয়া। জিয়ার পিঠে ডান পাশে ছুরির সামান্য আঘাত রয়েছে।

সোহান মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার কমলাকান্দা গ্রামের বাসিন্দা মো. সাগরের ছেলে। তার মাথায় ও ডান হাতে ছুরির আঘাত লেগেছে।

মুক্তার আলীর ছেলে রাহাত। তিনি ইলেকট্রিকের কাজ করেন। তার মুখের থুতনি নিচে সামান্য ঘুষির আঘাত রয়েছে।

তারা বর্তমানে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার তালেব আলী মসজিদের পাশে থাকেন।

শাকিব ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার শাওতলা গ্রামের বাসিন্দা মো. ফারুক হোসেনের ছেলে। তার ডান হাতের বগলের নিচে ছুরির সামান্য আঘাত রয়েছে।

বিসয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, "আহতরা জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্সেনাল ১৪ বছর পর অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১২ এম


আর্সেনাল ১৪ বছর পর অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে

অ্যানফিল্ডে একটি নতুন ইতিহাস রচনা করেছে আর্সেনাল। দীর্ঘ ১৪ বছরের বিরতির পর লিভারপুলকে তাদের নিজস্ব মাঠে ১-০ গোলে পরাজিত করে একটি স্মরণীয় জয় অর্জন করেছে গানাররা। ২০১২ সালের পর এই প্রথমবার অ্যানফিল্ডে কোনো লিগ ম্যাচে জয়লাভ করল লন্ডনের দলটি। কাই হাভার্টজের একমাত্র গোলের মাধ্যমে অর্জিত এই মূল্যবান তিন পয়েন্টের ফলে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে কোচ মিকেল আর্তেতার দল।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের একটি হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের শুরু থেকেই উভয় দলের আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কিন্তু খেলার ১৬ মিনিটেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণকারী একটি ভুল করে বসেন লিভারপুল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার। তার একটি দুর্বল পাস ধরে আর্সেনাল একটি চমৎকার আক্রমণ তৈরি করে। ডান প্রান্ত থেকে ডিক্লান রাইস বক্সে নিখুঁত একটি নিচু ক্রস দেন, যা দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে লিভারপুলের জালে প্রবেশ করান জার্মান ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজ।

গোল হজম করার পর অলরেডরা সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে তাদের সমতা ফেরানোর একটি সুবর্ণ সুযোগও ছিল। ফ্লোরিয়ান উইর্টজের দুর্দান্ত ফ্রি-কিক আর্সেনালের ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হয়। এর পরপরই মিলোস কারকেজের ক্রস থেকে সম্পূর্ণ ফাঁকায় থেকেও হেড লক্ষ্য রাখতে ব্যর্থ হন আলেক্সিস মাক অ্যালিস্টার। ফলে এক গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় গানাররা।

বিরতির পর লিভারপুল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে। ৫৭ শতাংশ বল পজেশন নিজেদের দখলে রেখে তারা একের পর এক আক্রমণ চালায়। তবে আর্সেনালের শক্তিশালী রক্ষণ তাদেরকে ফাটল ধরাতে পারেনি। বুকায়ো সাকার অনুপস্থিতিতে ক্রিস্টোস জোলিস ও ননি মাদুয়েকেদের নিয়ে গঠিত আর্সেনালের আক্রমণভাগও বেশ কয়েকটি চমৎকার কাউন্টার অ্যাটাক তৈরি করে।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সমতা আনতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে লিভারপুল। কিন্তু পোস্টের নিচে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে যান আর্সেনালের গোলরক্ষক ডেভিড রায়া। তার অসাধারণ সব সেভ এবং দৃঢ় রক্ষণভাগের কারণে ইনজুরি টাইমের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ১-০ গোলের লিড ধরে রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল।

অ্যানফিল্ডের দীর্ঘদিনের গেরো খুলে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ায় এই জয় আর্সেনালের শিরোপার লড়াইয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল, অন্যদিকে এই হারে লিভারপুল কিছুটা পিছিয়ে পড়ল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%