০৫:০৭ এম
‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস। প্রতিবছর ২ নভেম্বর এই দিবসটি পালন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে আজ সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত একটি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার হলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
১৯৭৮ সালের ২ নভেম্বর ডিএমসিএইচ ব্লাড ব্যাংকে প্রথমবারের মতো স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে সন্ধানী। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে সন্ধানী আয়োজিত প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২ নভেম্বরকে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলনের পথিকৃৎ হিসেবে সন্ধানী পরিচিত। রক্তদানের পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটি মানুষের চক্ষু ব্যাংক হিসেবেও কাজ করে, মৃত্যুর আগে স্বেচ্ছা প্রণোদিত চক্ষুদানের বিষয়ে উত্সাহ প্রদান করে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ সেই চোখ ব্যবহার করতে পারে।
আরও পড়ুন: পীরগঞ্জে এসিল্যান্ডের অভাবে ভূমি অফিসের কার্যক্রম ব্যাহত, ভোগান্তিতে মানুষ
সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি চার হাজার ২০৪টি কর্নিয়া সংগ্রহ করেছে। এর মাধ্যমে তারা তিন হাজার ৫২৫ জন অন্ধ মানুষের চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মহাসচিব কো-অর্ডিনেটর সাইফুল ইসলাম গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশে অন্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখের মতো। তাদের মধ্যে পাঁচ লাখের মতো কর্নিয়াজনিত অন্ধ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন