বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৩ পি.এম
আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নে পিবিআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এক গৃহবধূর ওপর নির্যাতন, ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর এবং নগদ টাকাসহ মালামাল লুটপাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় ইউনিয়নের দিঘলারআইট গ্রামে সড়কের উপর এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনটি গ্রামবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগি গৃহবধূ, প্রত্যক্ষদর্শী এবং প্রতিবাদী গ্রামবাসীরা।
ভুক্তভোগি তাছলিমা খাতুন তার বক্তব্যে জানান, "আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে ত্রাণের মালামাল আনতে যাচ্ছিলাম। এসময় রাস্তার উপরে পথ আটকে পিবিআই অফিসার পরিচয় দিয়ে আমার হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে টেনে হ্যাচড়ে বাড়িতে আনা হয়।" তিনি আরও বলেন, "অস্ত্র দেখিয়ে লাথি মেরে নানা ভাবে নির্যাতন করে ঘরের মধ্যে নিয়ে হাতুড়ির আঘাতে ট্যাংক ভেঙ্গে সমিতি থেকে উঠানো প্রায় ৫০ হাজার টাকা, ২২,০০০ টাকা দামের মোবাইল, অলঙ্কার লুটপাট করে। আমি টাকাটা না নিতে পারে সেজন্য প্রতিবেশী বিএনপি নেতা ফয়সালের কাছে দেই, ফয়সাল টাকা গুণে তাদেরকে দিয়ে দেয়। এসময় তাদের সাথে আবুল হোসেনসহ আরও দু'জন ছিল।"
ভুক্তভোগির স্বামী মুছা গাজী বলেন, "আমার স্ত্রীর ওপর পুলিশ পরিচয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। সত্যিকারের পুলিশ হলেও তাদের সাথে মহিলা পুলিশ ছিলনা। কিভাবে তারা মহিলাকে আটকের নামে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে নির্যাতন চালাল?" তিনি অভিযোগ করেন, সোর্স আবুল হোসেন ও রবিউলের মাধ্যমে বাড়িতে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ভাংচুর, টাকা, অলঙ্কার, মোবাইল লুটপাট করা হয়েছে। তিনি বলেন, "বিএনপি নেতা ফয়সালের হাত থেকে টাকা নিয়েছে। স্ত্রীকে মারধর করেছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক এর সঠিক বিচার চাই।"
প্রত্যক্ষদর্শী ময়না খাতুন জানান, "শ্বাশুড়ি তাছলিমার সাথে আমি ত্রাণ আনতে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে পিবিআই পুলিশ পরিচয়ে শ্বাশুড়িকে ধরে বেঁধে টেনে হেঁচড়ে, ঘাড় ধরে ধাক্কা দিয়ে বাড়িতে নেয়।" তিনি বলেন, "আমরা একে একে মহিলারা সেখানে গেলেও ঘরে ঢুকতে দেয়নি। একা মহিলাকে ঘরের মধ্যে নিয়ে হেনস্থা করে লুটপাট করা হয়। আমরা এর বিচার চাই।" আমিনুল ইসলাম বলেন, "আমরা ত্রাণ বিতরণস্থলে ছিলাম। মোবাইলে জানলাম পুলিশ এসে মুছার স্ত্রীকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে ঘরে ভাংচুর, বাক্স ভেঙ্গে টাকা, অলঙ্কার নিয়েছে। সেখানে ইব্রাহিম সানার ছেলে আবুল হোসেন ও রফিকুল সানার ছেলে রবিউল আছে। পরে ফয়সাল গিয়ে জানতে চায় কি হয়েছে। তখন তাছলিমা ফয়সালকে টাকা দিলে টাকা গুনে ৪৩ হাজার ২৫০ টাকা পুলিশকে দিয়ে দেয়।" আকবর বলেন, "আমরা ত্রাণ নিচ্ছিলাম। মুছার স্ত্রীকে হাত বেঁধে হেনস্থা ও টাকা-জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়েছে পুলিশ। আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই।"
বিএনপি নেতা ফয়সালকে পাওয়া না গেলেও পরবর্তীতে মোবাইলে কথা বললে তিনি জানান, "তারা নিজেদেরকে পিবিআই থেকে এসেছে বলে জানান। তাদের কাছে পিস্তল ও হ্যান্ডকাপ ছিল। আমি নিজে গুনে ৪৩ হাজার ২৫০ টাকা দিয়েছি।" ফয়সালের কাছ থেকে পাওয়া পিবিআই পরিচয়দানকারী কর্মকর্তার মোবাইল নং ০১৯৬০৩৯৯০২৬ -এ বারবার রিং করা হলেও বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় পুলিশ সাবেক যুবলীগ নেতা ইজ্জত আলী (৫৫) কে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বগেরগাছি গ্রাম থেকে তার গ্রেপ্তারি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ইজ্জত আলী মৃত হাফিজুর রহমানের পুত্র এবং রাখালগাছি ইউনিয়নের বগেরগাছি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই ইউনিয়নের যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
কালীগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে থানার একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে ইজ্জত আলীকে গ্রেপ্তার করে। তিনি সন্ত্রাসবিরোধী মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে কালীগঞ্জ থানায় মামলা নম্বর-৪১ এবং কালীগঞ্জ জিআর-১২৯/২৬ হিসেবে মামলা রুজু করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুলফিকার আলী বলেন, "সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় ইজ্জত আলী এজাহারভুক্ত আসামি।" মামলার তদন্ত ও তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে গোপন সংবাদের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর ইজ্জত আলীকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে ঝিনাইদহের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার বরুড়ায় আওয়ামী লীগ ও তরিকত ফেডারেশনের দুই হাজার নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন। বিএনপিতে যোগদানকারী নেতাকর্মীদের মধ্যে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের ৭ শতাধিক এবং আওয়ামী লীগের ১৩ শতাধিক সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বিকালে (২৪ সেপ্টেম্বর) বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে নতুন যোগদানকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন। এ সময় বরুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তরিকত ফেডারেশনের কুমিল্লা জেলা শাখার সদস্য সচিব ও বরুড়া উপজেলা বাজুসের সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে প্রায় ৭শ কর্মী-সমর্থক এবং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ১৩ শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন।
নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, "যারা ভালো কাজ করেন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান তারা আমার রাজনৈতিক সহযোগী হতে পারেন। আপনারা দলে যোগ দিয়ে কোনো ধরনের অপকর্ম করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। বিএনপির ত্যাগী এবং সিনিয়রদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কাজ করা যাবে না।"
অনুষ্ঠানে বরুড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট মহানগর বিএনপি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের কাছে একটি নির্দিষ্ট তালিকা হস্তান্তর করেছে।
বৃহস্পতিবার, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন যাচাই-বাছাই করে তৈরি করা তালিকাটি আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রীর কাছে তুলে দেন।
তালিকা হস্তান্তরের সময় নাসিম হোসাইন উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আহত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্মরণীয় করে রাখতে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, এসব বীর আহতদের প্রাপ্য মর্যাদা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা আবশ্যক। সিলেট মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে স্থানীয়ভাবে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই শেষে তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি মন্ত্রীর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান।
এছাড়া, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চলমান সরকারি কর্মসূচির আওতায় ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণিতে গেজেট প্রকাশের কাজ অব্যাহত রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বাদপড়া কোনো আহত ব্যক্তি যেন বাদ না পড়েন এবং তাদের অধিকার সুনিশ্চিত হয়, সেই বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির এই নেতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এভাবে চলতে পারে না বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি মন্তব্য করেন যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছে না এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে ‘মেরুদণ্ডহীন’ অভিহিত করে তিনি বলেন, এই কমিশনের ব্যর্থতার কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পেছানো হয়েছে।
জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াতের আমির জানান, আন্তর্জাতিক বা স্থানীয় বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে দ্রব্যমূল্য ও পরিবহণ খাতে সাধারণ মানুষের ওপর চরম বোঝা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জামায়াতের বিশেষজ্ঞ দলের সুপারিশ ও পরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করেনি।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, জামায়াত বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করলেও কোনো ধরনের অগ্নিসংযোগ বা ভাঙচুরের মতো সহিংস কর্মকাণ্ডে লিপ্ত নয় এবং সরকারকে শান্ত ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, একই দিনে নগরীর আমান উল্লাহ কনভেনশন হলে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ‘অ্যাক্রেডিটেশন’ অর্জন উপলক্ষে আয়োজিত উদযাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. শফিকুর রহমান এমপি।
সেখানে তিনি বলেন, নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে দেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র আটটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে এই অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন গৌরবের মাইলফলক হলেও তা ধরে রাখা এবং মর্যাদা রক্ষা করা আরও কঠিন দায়িত্বের বিষয়।
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. শাহানা ফেরদৌসের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী অধ্যাপক ডা. হোসাইন আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, হলি সিলেট হোল্ডিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ফজলুর রহিম কায়সার, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এমএ মতিন ও মো. ফখরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অধ্যাপক ডা. ওয়েছ আহমদ চৌধুরী, হাসপাতালের পরিচালক ও উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী এবং উদ্যোক্তা পরিচালক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।
এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. তহুর আব্দুল্লাহ চৌধুরী এবং পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মুয়াজ্জিন মাওলানা জাদুল আহমদ।
সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য র্যালি ও কেক কাটার মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ