বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:১০ পি.এম
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার ৩৫৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫। এর মধ্যে কক্সবাজারে ৩২৪টি এবং বান্দরবানে ৩৩টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। উৎসবের সময় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি, বিশৃঙ্খলা ও নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ব্যাটালিয়নটি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এসআরবি-১৫-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপসহ সকল মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে এসআরবি-১৫ মোবাইল ও স্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। পূজাকে কেন্দ্র করে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশেষ তৎপরতা ও নজরদারিও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় এসআরবি-১৫-এর সদস্যরা নিয়মিত টহল, মোটরসাইকেল পেট্রোলিং এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিতে নিয়োজিত থাকবেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পূজাকেন্দ্রিক গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে অনলাইন মনিটরিং সেল সক্রিয় থাকবে। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপে নারী দর্শনার্থীদের ইভটিজিং ও হয়রানি প্রতিরোধে জোরদার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পূজামণ্ডপে দায়িত্ব পালনকারী অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় রক্ষা করা হচ্ছে। যৌথ উদ্যোগে নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজানো হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়। জরুরি পরিস্থিতি দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে এসআরবি-১৫।
এসআরবি-১৫-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে কোনো ধরনের নাশকতার তথ্য বা আশঙ্কা নেই। তবে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও সার্বিক প্রস্তুতি অব্যাহত থাকবে। ব্যাটালিয়ন সদরে স্থাপিত কন্ট্রোল রুম থেকে ২৪ ঘণ্টা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। কোনো স্থানে সন্দেহজনক তৎপরতা বা অপ্রীতিকর ঘটনার আলামত দেখা গেলে দ্রুত এসআরবি-১৫-কে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আ. ম. ফারুক বলেন, দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি এখন সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ আবহমানকাল থেকেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। শারদীয় দুর্গোৎসবের মধ্য দিয়ে অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা হয়। তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে সবার শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮১৩টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১১টি বাস, ১টি ট্রাক, ৬টি কাভার্ডভ্যান, ১০টি সিএনজি এবং ৩৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১০টি বাস, ১৮টি ট্রাক, ২টি কাভার্ডভ্যান, ৫টি সিএনজি এবং ৯৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৬টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৩টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ডভ্যান, ৭২টি সিএনজি এবং ২১৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪২৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২৪টি বাস, ৩৩টি ট্রাক, ৪০টি কাভার্ডভ্যান, ৬১টি সিএনজি এবং ১৪৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৯৫টি মামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৩টি বাস, ১টি ট্রাক, ৬টি কাভার্ডভ্যান, ৪৮টি সিএনজি এবং ৬৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭১টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২২টি বাস, ১৫টি ট্রাক, ২৩টি কাভার্ডভ্যান, ৪৭টি সিএনজি এবং ১৭৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৫৭টি মামলা করা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩৯টি বাস, ১২টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ডভ্যান, ৪৮টি সিএনজি এবং ১৫৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪০৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৫৪টি বাস, ২৫টি ট্রাক, ৩৯টি কাভার্ডভ্যান, ৭৫টি সিএনজি এবং ২৬৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৭৭০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়া, অভিযান চলাকালে ৬৯৮টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৩৬৭টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
বুধবার, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা দায়ের করে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিয়ে এক নির্দেশনামূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বছর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৪৩টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৭০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কে এম রায়হানুর রহমান। এতে বক্তব্য দেন আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সোহেল সারোয়ার।
সমাবেশে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দায়িত্ব পালনে সতর্কতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিষয়ে আনসার সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ সময় উপজেলা আনসার ও ভিডিপির টিআই অর্পনা রানী ঘোষ, দলনেতা লাল মিয়াসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শাহিদা খাতুন জানান, উপজেলার ৪৩টি পূজামণ্ডপের মধ্যে ছয়টিকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি ৩৭টি মণ্ডপকে গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৭০ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
উল্লেখ্য, ১৫ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত আলফাডাঙ্গা উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের তথ্য সংবাদমাধ্যমের কাছে ফাঁসকারীদের গুলি করে হত্যা করা উচিত। এই তথ্যটি এসেছে আলজাজিরার প্রতিবেদনের মাধ্যমে।
বৃহস্পতিবার অ্যারিজোনায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময়সূচি সংক্রান্ত তথ্য ফাঁসের অভিযোগে ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তবে, তিনি ওই তথ্য ফাঁসের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেননি।
ট্রাম্প বলেন, "যারা তথ্য ফাঁস করেন, তাদের ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত।" তিনি আরও দাবি করেন যে, অতীতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের এভাবেই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ : সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থাপত্যশৈলী ও লুইস আই কানের নকশা অক্ষুণ্ন থাকে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সংসদ ভবন এবং সংসদ এলাকার বিদ্যুতের চাহিদা নিরূপণ, সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য উপযুক্ত স্থান চিহ্নিতকরণ এবং প্রস্তাবিত পরিকল্পনার ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) অ্যানিমেশন তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কমিটির দ্বারা।
আজ সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের বিষয়ে মতামত প্রদান সংক্রান্ত কমিটির প্রথম সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সভায় সংসদ ভবন ও সংসদ এলাকার মোট বিদ্যুতের চাহিদা নিরূপণ, বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো, সিস্টেম লস হ্রাস এবং সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য উপযুক্ত ফাঁকা জায়গার সম্ভাব্যতা যাচাই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সম্ভাব্য স্থানগুলো চিহ্নিত করে মানচিত্র প্রণয়ন এবং সেখানে সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনার থ্রিডি অ্যানিমেশন তৈরি করে পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় সংসদ ভবনের মূল স্থাপত্যশৈলী ও লুইস আই কানের নকশার কোনো ধরনের ব্যত্যয় না ঘটানোর ওপর। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্যের বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে সোলার প্যানেল স্থাপনের সম্ভাব্যতা নির্ধারণের ওপর জোর দেওয়া হয়। এজন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অথবা অন্য কোনো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সুপারিশ করা হয়।
সোলার প্যানেল স্থাপনের সার্বিক সম্ভাব্যতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যাচাই-বাছাই ও এ বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির জন্য তিন সদস্যের একটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। এই উপকমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. আশরাফ উদ্দিন, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ ও মারদিয়া মমতাজ।
উপকমিটির কার্যক্রমে সংসদ সচিবালয়ের যুগ্মসচিব (এএস), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) প্রতিনিধি, স্থাপত্য অধিদপ্তরের নির্বাহী স্থপতি এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক ও নির্বাহী প্রকৌশলীরা সম্পৃক্ত থাকবেন।
এছাড়া অধিবেশনকালীন ছাড়া অন্যান্য সময়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বন্ধ রাখলে কী ধরনের সম্ভাব্য ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে উপকমিটির কাছে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, এমপি হোস্টেলের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন সম্পন্ন হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে ওই প্রকল্পের বিষয়ে এ কমিটি কোনো দায়ভার গ্রহণ করবে না বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় কমিটির সদস্য ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিন, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, মো. সাইফুল আলম ও মারদিয়া মমতাজ অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার, বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, ডিপিডিসির প্রতিনিধি, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ