১০:১৮ পি.এম
শনিবার বান্দরবানে টানা অতি ভারী বৃষ্টির কারণে বড় ধরণের কোনও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেনি। তবে একইদিন সকালে, সকাল ৯টার দিকে জেলা সদরের প্রধান বাস স্টেশন থেকে এক কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-কেরানিহাট সড়কের কসাইপাড়া এলাকায় একটি বিশাল বৃক্ষ মাটিসহ উপড়ে এসে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের ওপর পড়ে যায়।
ধসে আসা মাটি রাস্তার ওপর পড়ার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে এই সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে বান্দরবান থেকে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট এসে রাস্তা থেকে মাটিটি সরিয়ে নেয়। টুকরো টুকরো করে কেটে গাছটিকে বিদ্যুৎ লাইন থেকে সরিয়ে দিলে যানবাহন চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন: কাউখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে ফার্মেসিকে জরিমানা, পুড়িয়ে ধ্বংস
এদিকে, বৃহস্পতিবার ভোরে আজিজনগরের চান্ডি এলাকায় পাহাড়ধসে নিহত হওয়া ৫ জনের পরিবারের সঙ্গে শনিবার দেখা করেছেন বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
এছাড়া বান্দরবান-রুমা সড়ক এবং বান্দরবান-থানচি সড়কেও ছোট ছোট পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে সংযোগ সড়কে সেতু ডুবে যাওয়ার কারণে এসব এলাকার রাস্তা থেকে এখনো মাটি সরানো সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া এলাকায় একটি সেতু ধসে পড়েছে। ফলে বান্দরবান-রাঙামাটি সড়ক যোগাযোগ একেবারে বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যা, নবীগঞ্জে গ্রেপ্তার সাহেল মিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন