১০:৩৪ পি.এম
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় থেকে প্রেম গড়ে উঠেছিল। এরপর তারা ধর্মান্তর হয়ে বিয়ে করেন। তবে সেই সংসার ভাঙার পেছনে এক অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী খাদিজা, যিনি পূর্বনাম চম্পা কুমারী, অভিযোগ করেন যে তার স্বামী ঈসা রুহুল্লা তার স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন। খাদিজা আরও জানান, তিনি শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগও করেছেন।
খাদিজা জানাচ্ছেন যে, প্রায় এক বছর আগে যখন তিনি ঢাকা শহরে ছিলেন, তখন টিকটকে ঈসা রুহুল্লার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। খাদিজা স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তাদের বিয়ের প্রক্রিয়া আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে ওসির বদলি আদেশের প্রতিবাদে থানার সামনে মানববন্ধন
বিয়ের পরে তারা প্রায় ছয় মাস ধরে ঢাকায় সংসার করেছেন। এই সময়ে ঈসা কৌশলে খাদিজার শ্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিজে নেন এবং পরে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান বলে খাদিজা অভিযোগ করেছেন।
এরপর খাদিজা স্বামী ঈসার গ্রামের বাড়িতে গেলে সেখানে শাশুড়ি ও ননদের হাতে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, গত মঙ্গলবার তাকে ওই বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে খাদিজা স্বামীর এক চাচার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন এবং সেখানে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। এই ঘটনার প্রকাশ পাওয়ার পর স্থানীয়রা খাদিজার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে দাবি জানিয়েছেন।
মোল্লাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী রমজানুল হক জানিয়েছেন, এ ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তবে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: এআই দিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির অভিযোগে ভৈরবে নারীর সংবাদ সম্মেলন, সামাজিক ও পারিবারিক সংকটে তানিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন