ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্নীতির কারণে বিদ্যুৎ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: ফরহাদ


দুর্নীতির কারণে বিদ্যুৎ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: ফরহাদ

বিগত সময়ে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বিদ্যুৎ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর সেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য পক্ষ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরান-ইসরাইল ও আমেরিকার চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাবেও জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। তাই দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।’

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে শ্রমিকদের ওপর হামলা, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, থানায় অভিযোগ

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সরকার ইতোমধ্যে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি সরাসরি দেখভাল করছেন এবং জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন। আশা করা হচ্ছে, অল্প সময়ের মধ্যেই বর্তমান সংকট কাটিয়ে মানুষের কাছে স্বাভাবিকভাবে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাড়ির ছাদ, অনাবাদি জমি, নদীর তীরসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে ব্যক্তিগত, সমষ্টিগত ও বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।’

এ সময় পঞ্চগড়ের রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘সব দলের নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে একটি সার্বজনীন পঞ্চগড় গড়ে তুলতে হবে। সরকারের ভুল-ত্রুটি থাকলে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শ দেবেন এবং সরকার তা আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণ করতে এবং বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে।’

পরে তিনি জাতীয় মৎস্য পক্ষ দিবসের আলোচনা সভায় মাছ দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীজ আমিষের অন্যতম উৎস হিসেবে উল্লেখ করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করে দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিতে হবে।

আরও পড়ুন: বেগম খালেদা জিয়ার নামে সিলেটের পুরানো কারাগারে জায়গায় পার্ক নির্মাণ হচ্ছে

তিনি পঞ্চগড়ের নদী ও জলাশয়কে মাছ উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ জানান, পঞ্চগড়ে প্রায় ৫০টি নদী রয়েছে। কিন্তু এর অনেকগুলোই বর্তমানে নাব্যতা হারিয়েDead লবণের অবস্থায় রয়েছে। নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এসব জলাধারকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খননের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে এসব নদী-খালকে মাছ চাষের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। নদীর পাড়ে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে।

পঞ্চগড়ের করতোয়া নদীর পানি সংরক্ষণ করার সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোথাও ব্যারেজ, ড্রাম বা সুইস গেট নির্মাণ করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক, বাংলাদেশে কার্যালয় খোলার অনুরোধ

মৎস্য খাতে পঞ্চগড়ের বর্তমান ঘাটতির কথা উল্লেখ করে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, জেলায় বর্তমানে প্রায় চার মেট্রিক টন মাছের ঘাটতি রয়েছে। আগামী মৎস্য সপ্তাহের আগে এই ঘাটতি দূর করে পঞ্চগড়কে মাছ উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলায় পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।

পঞ্চগড়ের প্রায় পৌনে ১২ লাখ মানুষের কাছে নিরাপদ আমিষ পৌঁছে দিতে মৎস্য চাষের সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। এ জন্য বিত্তবানদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও মাছ চাষে এগিয়ে আসতে হবে।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে আলোচনা সভায় পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ডা. কে,এমন, আব্দুল হালিমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, মৎস্য চাষি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মৎস্য চাষে বিশেষ অবদান রাখায় কয়েকজনকে পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়া হয়।

এর আগে দিবসটি উপলক্ষে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ, মূল্য ২৭ লাখ টাকা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিম্বাবুয়েতে ফেরি দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ এম


জিম্বাবুয়েতে ফেরি দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২

জিম্বাবুয়ের লেক কারিবায় গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া ফেরি দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ জনে পৌঁছেছে। শনিবার দুদিন ধরে চলা উদ্ধার অভিযানে আরও ২৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান এখনো চালানো হচ্ছে। পুলিশ এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

সরকারের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন সংস্থা (আরআইডিএ) পরিচালিত অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ফেরিটি মঙ্গলবার প্রচণ্ড তরঙ্গে উল্টে যায়। জাম্বিয়ার সীমান্তে অবস্থিত বিশাল এই হ্রদে এমন ধরনের দুর্ঘটনা কদাচিৎ ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে এই ঘটনাটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ফেরি দুর্ঘটনা।

জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারে থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি খবরটি নিশ্চিত করেছে। শনিবার পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘১৫ আগস্ট ২০২৬ রাতে আরও তিনটি মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর কারিবা আরআইডিএ নৌযান দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা এখন ৭২।’

বিবৃতিতে আরও প্রকাশ করা হয়েছে যে, শনিবার উদ্ধার করা মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত করার কাজ চলছে। এর আগে শনিবার পুলিশ আরও ২২টি মরদেহ উদ্ধারের পর মৃতের সংখ্যা ৬৮ জন উন্নীত করার খবর জানায়। নতুন করে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর বিষয়ে পুলিশ বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেনি। তবে দেখা গেছে, ফেরিটির অধিকাংশ যাত্রী ছিলেন হ্রদের পাশে বসবাসকারী গ্রামবাসী এবং মাছ ব্যবসায়ীরা।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নৌযানটিতে ৯০ জন যাত্রীর বহনের অনুমতি ছিল। কিন্তু দুর্ঘটনার মুহূর্তে এতে ১১৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক, পাঁচজন ক্রু এবং অজ্ঞাতসংখ্যক শিশু ছিল। বেসামরিক সুরক্ষা ইউনিট বুধবার জানিয়েছেন, ৭৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

‘বাঁচতে পারেননি অধিকাংশই’—হ্রদপাড়ের শহর কারিবার জেলা হাসপাতালে শনিবার অসংখ্য মানুষ জড়ো হয়েছেন। তারা সেখানে নিজেদের স্বজন ও প্রিয়জনের মরদেহ শনাক্ত করার জন্য অপেক্ষা করছেন। জিমপেপার্স মিডিয়ার একটি ভিডিওতে দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।

নৌযানটির সন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত রেজিমেন্টের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জোসেফ মুচেচেসি জিমপেপার্সের আরেকটি পোস্টে জানান, ‘আজ পর্যন্ত আমরা ২২টি মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, সব মরদেহই উদ্ধার করতে পারব।’ শীতল আবহাওয়ার কারণে মরদেহগুলো পানি থেকে ভেসে উঠতে সময় নিচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার, হারারে থেকে প্রায় ২৮০ কিলোমিটার (১৭৫ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কারিবা শহরে আবেগঘন একটি স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই স্মরণসভা শেষে মরদেহ দাফন শুরু হয়।

বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা জানান, নৌযানটি যাত্রা শুরু করার পরেই পানির ঢেউ তারা দেখতে পান। তারা চালককে ফিরে যেতে অনুরোধ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার এএফপির সাংবাদিকদের এক বেঁচে যাওয়া যাত্রী জানান, দুর্ঘটনার সময় তিনি অসহায়ভাবে মানুষদের নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করতে দেখেন। তাঁর সবচেয়ে কাছের বন্ধু এবং সাত স্বজনও ওই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

স্মরণসভায়, চান্স সিয়ামাভু বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তা ধন্যবাদ। একটি ঢেউ নৌযানটিকে ডুবতে দিতে না করে ঠেলে দেওয়ার ফলে আমরা সেটির ওপরে উঠতে পেরেছিলাম।’

৪৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তি জানান, ‘নৌযানটি উল্টে যাওয়ার পর অধিকাংশ মানুষ লাইফ জ্যাকেট নেওয়ার জন্য ছোটাছুটি করেন। কিন্তু তাদের বেশিরভাগই জানতেন না যে সেগুলো কিভাবে ব্যবহার করতে হবে। অধিকাংশ মানুষ বাঁচতে পারেননি।’

জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়ার সীমান্তজুড়ে অবস্থিত লেক কারিবা বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম হ্রদ হিসেবে পরিচিত, তবে এটি পানি পরিমাণের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত ৩ হুথি সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত ৩ হুথি সদস্য

ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর পরিচালিত ড্রোন হামলায় অন্তত তিন হুথি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায়, মাঠপর্যায়ের কয়েকজন কমান্ডারসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সাবা টিভির বরাতে সামরিক বাহিনী জানায়, পশ্চিম তাইজের মাকবানাহ ফ্রন্টে হুথিদের অবস্থান, সমাবেশ ও যানবাহনকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়।

সামরিক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, হামলায় তিন হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহতদের মধ্যে কয়েকজন মাঠপর্যায়ের কমান্ডারও আছেন। তবে এই হামলার বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইয়েমেনে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ১২ বছর ধরে সংঘাত চললেও, ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত ছিল। হুথিরা ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানী সানা এবং দেশের বেশ কয়েকটি শহর ও প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।

তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মারিব, আল-জাওফ, আল-দালিয়া ও তাইজসহ কয়েকটি প্রদেশে সংঘর্ষের পরিমাণ আবারও বেড়েছে। পাশাপাশি, ইয়েমেন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারকে সৌদি নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমর্থন করছে। অন্যদিকে, ইরান হুথিদের সমর্থন দিচ্ছে এমন অভিযোগও রয়েছে। গত জুলাই মাসে হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমুদ্র অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিল। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে গিয়ে বাংলাদেশ দল ৯ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে।

এই জয়ের মাধ্যমে অজিদের মাটিতে টেস্ট জয়ের খরা কাটিয়েছে টাইগাররা।

দলের এই সাফল্যের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) ডারউইনে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর একটি অভিনন্দন বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, "অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের শক্তিশালী ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে মাত্র ৪ দিনে ৯ উইকেটের এই অবিস্মরণীয় জয় কেবল ঐতিহাসিক নয়, বরং বাংলাদেশ ক্রিকেটের নতুন এক স্বর্ণযুগের সূচনা।"

তিনি বলেন, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে পুরো দল ব্যাটে-বলে যে আত্মবিশ্বাস ও দাপট দেখিয়েছে, তা ১৭ কোটি বাঙালিকে চরম গর্বিত ও আনন্দিত করেছে।

৫ দিনের লড়াকু মানসিকতার যে লক্ষ্য অধিনায়ক শান্ত রেখেছিলেন, দল তার চেয়েও নিখুঁত পারফরম্যান্সে ১১তম সেশনেই এই জয় ছিনিয়ে এনেছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের এই ঐতিহাসিক জয় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।"

ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বমঞ্চে জয়ের এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশের নাম আরও উঁচুতে তুলে ধরবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

প্রসঙ্গত, ডারউইনে আগে ব্যাট করতে নেমে অজিরা ১৯৮ রান করেছিল।

এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে নেমে বাংলাদেশ ৪২৬ রান করে লিড পায়।

দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকরা ২৮৪ রানে অলআউট হলে টাইগারদের ৫৬ রানের মামুলি লক্ষ্য পায়।

জবাব দিতে নেমে সফরকারী ৯ উইকেট ও পুরো একদিন বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যায় চা শিল্পে স্থবিরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিলেট প্রতিনিধি

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


সিলেটে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যায় চা শিল্পে স্থবিরতা

সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে চা শিল্পে চরম স্থবিরতা নেমে এসেছে।  দেশের প্রধান চা উৎপাদনকারী এ অঞ্চলের বিভিন্ন বাগানের কারখানায় সময়মতো কাঁচা চা পাতা প্রক্রিয়াজাত করা যাচ্ছে না। বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে কাটিং, রোলিং, উইদারিং, সর্টিংসহ অধিকাংশ যন্ত্রপাতির কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্যাসের চাপ কম থাকায় ড্রায়িং বা চা পাতা শুকানোর প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি জুলাই-আগস্ট চা উৎপাদনের পিক-সিজন। এ সময়ে উৎপাদন ব্যাহত হলে শুধু তাৎক্ষণিক আর্থিক ক্ষতিই নয়, চায়ের গুণগত মান ও বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
শনিবার রাতে সিলেট বিসিকের একটি সূত্র জানায়, শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছিল জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ। তবে পরে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, সাগর উত্তাল থাকায় এলএনজি খালাসে সাময়িক সমস্যা হয়েছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস সরবরাহ হলেও চাপ কম। আর বিসিক গোটাটিকর এলাকায় (শনিবার) লোডলেডিং হয়েছে ৭  থেকে ৮ বার।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে রয়েছে বিপুলসংখ্যক চা বাগান। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১৯টি,  মৌলভীবাজারে ৯১টি ও হবিগঞ্জে ২৫টি বাগান রয়েছে। প্রতিটি বাগানে আলাদা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা না থাকলেও বড় ও কেন্দ্রীয় কারখানায় আশপাশের একাধিক বাগানের কাঁচা পাতা প্রক্রিয়াজাত করা হয়। পুরো সিলেট অঞ্চলে চা উৎপাদনের জন্য নিবন্ধিত ও সক্রিয় কারখানার সংখ্যা আনুমানিক ৭০ থেকে ৮০টি। এ অঞ্চলে এক লাখের বেশি স্থায়ী ও অস্থায়ী চা শ্রমিক কর্মরত। চা জনগোষ্ঠীসহ সংশ্লিষ্ট মানুষের সংখ্যা প্রায় পাঁচ লাখ।
চা কারখানা সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে দিনে গড়ে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এতে কারখানার মেশিনারি সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে কাটিং, রোলিং ও অন্যান্য মেশিন বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ ফিরে এলেও সব মেশিন তাৎক্ষণিক ভাবে চালু করা সম্ভব হয় না।
সিলেটের চা শ্রমিকদের ভ্যালী সভাপতি রাজু গোয়ালা বলেন, প্রতিদিন গড়ে সাত-আটবার লোডশেডিং হচ্ছে। ফ্যাক্টরিতে একবার মেশিন বন্ধ হলে তা আবার চালু হতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে। এর মধ্যে গ্যাসের চাপও কম। ফলে ড্রায়িং প্রসেসে চা পাতা ঠিকমতো শুকাচ্ছে না। এতে চায়ের গুণগত মানও খারাপ হচ্ছে।
চা উৎপাদনের দিক থেকে জুলাই ও আগস্ট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে উৎপাদন ব্যাহত হলে পুরো বছরের উৎপাদনে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
২০২৬ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড সারা দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি বা ১০৪ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।


তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%