পারভিন আক্তার স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ জেলা,
১১:০৭ পি.এম
সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জ, দপ্তর সম্পাদক,
মোঃ রেজাউল করিম রাজুর ৩২ তম জন্মদিন পালিত করেন,
নারায়ণগঞ্জ খান পুর ব্রাঞ্চ রোড, নাঈমুল ইসলাম নাঈমের, বাসায় কেক কেটে জন্মদিন পালন করলেন,
মোঃ রেজাউল করিম রাজু, নারায়ণগঞ্জ মহানগরে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, মোঃ জাকির হোসেন খান এর একজন অন্ধ ভক্ত,
৩২ তম শুভ জন্মদিনে সবার কাছে দীর্ঘ আয়ু কামনা ও দোয়া চেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতীয় প্রেস ক্লাব ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রাক্কালে গত এক বছরে প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয় ১৮ অক্টোবর ২০২৫ থেকে ২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে। আজ বুধবার বিকেলে প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভাটির সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ। সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া সঞ্চালনা করেন। সভায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক ও ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য কবি আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক এবং বিএফইউজে মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ বখতিয়ার রানা।
এছাড়া প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এ কে এম মহসীন, মো. মোমিন হোসেন, শাহনাজ বেগম পলি, সাংবাদিক শেখ এনামুল হক, মাহবুবুর রহমান, শিরিন সুলতানা, কবি মোশাররফ হোসেন ও কাজিম রেজার কন্যা ফারহানা রেজা প্রমুখও বক্তব্য দেন।
সভাটির শুরুতে প্রয়াত সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। জাতীয় প্রেসক্লাবের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আগামী ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষে অনুষ্ঠানমালা শুরু হবে ১৭ অক্টোবর থেকে।
শোকসভার সঞ্চালক আইয়ুব ভূঁইয়া প্রয়াত সদস্যদের মৃত্যুর সময় অনুসারে সংক্ষিপ্ত পরিচিত তুলে ধরেন। প্রয়াত সদস্যদের মধ্যে ছিলেন নিখিল মানখিন, আখতার হোসেন মাসুদ, আবদুল হালিম চৌধুরী, ইব্রাহিম আজাদ, প্রশাস্ত ঘোষাল, জাকারিয়া কাজল, আলী মামুদ, সালিম সামাদ, ড. আর এম দেবনাথ, খন্দকার গোলাম আজাদ, এ এস এম হাবিবুল্লাহ, গোলাম কিবরিয়া, তালুকদার হারুন, কবি আল মুজাহিদী, শাহেদ কামাল, মোহাম্মদ শাহজাহান, মৃণাল কৃষ্ণ রায়, নূরুল হাসান খান, রফিক উল্লাহ শিকদার, খালেদ হায়দার, কাজিম রেজা, আমিরুল মোমেনীন ও তৌফিক ইমরোজ খালিদী।
প্রয়াত সদস্যদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, “আজ আমাদের জন্য বেদনার দিন। মন খারাপের দিন। গত এক বছরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ২৩ জন সদস্য চিরকালের জন্য আমাদের ছেড়ে গেছেন। তাদের এই প্রস্থানে কেবল জাতীয় প্রেসক্লাবেই শূন্যতার সৃষ্টি হয়নি, একই সঙ্গে আমাদের দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রায়ও অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।”
দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, “জাতীয় প্রেসক্লাবের অনেক সদস্য জীবনের ওপারে চলে গেছেন নির্ভার হয়ে। তারা আমাদের জন্য রেখে গেছেন বেদনার ভার। তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নক্ষত্রের মতো উজ্জ্বল ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সাংবাদিকতার পাশাপাশি অনেকের মধ্যে ছিল অনেক গুণ, অনেক বিষয়ের অনন্য সৃজনশীলতা। তারা তাদের সেই গুণের আলোয় সমাজকে আলোকিত করেছেন। তরুণ প্রজন্মের সাংবাদিকেরা তাদের আদর্শে উজ্জীবিত হবে।”
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী বলেন, “ক্লাবের প্রয়াত সদস্যদের লেখনীতে দেশের সংবাদমাধ্যম সমৃদ্ধ হয়েছে। অনেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে বিশেষ অবদান রেখেছেন। ক্লাবকে অনেকেই প্রকৃতপক্ষে ‘সেকেন্ড হোম’ হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তাদের পদচারণায় ক্লাব মুখরিত থাকত। অনেকে ক্লাব পরিচালনায় অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। ফলে তাদের চলে যাওয়া পরিবারের সদস্যদের কাছে যেমন গভীর শোকাবহ, তেমনি ক্লাবের সকল সদস্যের কাছেও বেদনাদায়ক।”
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম বলেন, “প্রয়াত সদস্যদের মধ্যে অনেক ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক। তারা কেবল পেশাগত ক্ষেত্রেই বিশিষ্ট ছিলেন না, দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তরুণদের অনেক কিছু শেখার ছিল তাদের কাছে।”
সভাপতির বক্তব্যে কবি হাসান হাফিজ বলেন, “সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদা বৃদ্ধি ও ধারাবাহিক চর্চায় প্রয়াত সাংবাদিকদের অনেকই ছিলেন অগ্রসৈনিক। তাদের সুকৃতি আমরা গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখব। তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি ক্লাবের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানাই। ক্লাব তাদের পাশে থাকবে। ক্লাবের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর প্রাক্কালে আমরা তাদের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।”
আলোচনার পর জাতীয় প্রেসক্লাবের পেশ ইমাম মাওলানা মনিরুজ্জামানের পরিচালনায় প্রয়াত সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : নগরীর শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যালয়সংলগ্ন ফুটপাত দখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের চলাচলের পথ দখল করে কোনো ব্যবসা বা অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। ফুটপাত দখল করে স্থাপিত অবৈধ স্থাপনা নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিতে হবে। অন্যথায়, সিটি কর্পোরেশন অভিযান চালিয়ে সেগুলো উচ্ছেদ করবে। শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে ফুটপাত দিয়ে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
আজ ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ডের রামপুর সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং বিদ্যালয়ের ভবন ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব নয়; বরং শিক্ষক, অভিভাবক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি এবং সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদেরও এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে। বিদ্যালয়ের আশপাশে কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসী ও ইভটিজারদের কোনো ধরনের অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না।
তিনি কিশোর গ্যাং ও ইভটিজারদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "প্রয়োজন হলে তাদের ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে।"
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমা বিনতে আমিন, মহানগর পিপি ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মফিজুল হক ভূঁইয়া এবং সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মহিলা অভিভাবক সদস্য জেসমিন খানম।
স্বাগত বক্তব্য দেন রামপুর সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আছেফুর রহমান ফারুকী।
অনুষ্ঠান শেষে মেয়র বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং বিদ্যালয়ের ভবন ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জেলার সদর, শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর এবং ভোলাহাট এই চারটি উপজেলায় গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই কর্মসূচি কার্যকর হয়েছে।
এই কর্মসূচির আওতায় ৪ উপজেলার ৬১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯০ হাজার ৬৮৩ জন শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।
কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করা এবং ঝরে পড়ার হার কমানো। এর আওতায় সপ্তাহে পাঁচ দিন শিক্ষার্থীদের বনরুটি, কলা, ডিম, দুধ এবং পুষ্টিগুণ-সমৃদ্ধ (ফর্টিফায়েড) বিস্কুট বিতরণ করা হচ্ছে।
শিবগঞ্জ উপজেলার ১৮১নং বিশ্বনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেরিনা খাতুন বলেন, "আগে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে বিদ্যালয়ে আসার অনীহা দেখা যেত। এখন রুটি, কলা, ডিম, দুধ ও বিস্কুট পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে। ক্ষুধাজনিত ক্লান্তি কমায় শ্রেণিকক্ষে তাদের মনোযোগও বেড়েছে।"
সদর উপজেলার ৭৬নং আলাতুলী সরকারি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহেল রানা জানায়, "স্কুলে খাবার পাওয়ায় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসতে ভালো লাগে। রুটি, ডিম, কলা ও দুধ খেতে তার খুব ভালো লাগে। আগে ক্লাসের মধ্যে ক্ষুধা লাগলেও এখন খাবার পাওয়ায় সেই কষ্ট আর হয় না।"
শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী ১৭৭নং নামোজগন্নাথপুর জুনিয়র সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আসমা খাতুন জানায়, "মিড ডে মিলে নিয়মিত রুটি, কলা, ডিম, দুধ ও বিস্কুট পাচ্ছি। আগে ক্ষুধা লাগলে ক্লাস করতে কষ্ট হতো। এখন পেট ভরা থাকে, তাই সব ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারি।"
গোমস্তাপুর উপজেলার গোমস্তাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজমা খাতুনের বাবা মো. নাজিম উদ্দিন জানান, "আগে আমার মেয়ের স্কুল যাওয়ার অনীহা দেখা যেত। কিন্তু এখন রুটি, কলা, ডিম, দুধ ও বিস্কুট পাওয়ায় তাকে স্কুল যাওয়ার কথা বলতে হয় না। সে নিজে নিজেই স্কুল যায়।"
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বাসসকে বলেন, "বিদ্যালয়ে বিরতির সময় একবেলা পুষ্টিকর খাবার পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ বাড়ছে।"
বর্ষাকালসহ বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শিশুদের বিদ্যালয়মুখী হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত বছরগুলোর তুলনায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার ইতিবাচক।
খাবারের তালিকায় বনরুটি, কলা ও ডিম যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেড়েছে এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখছে এই কর্মসূচি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : মা ইলিশ রক্ষার জন্য পদ্মা-মেঘনা নদীতে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জেলেদের সচেতন করার উদ্দেশ্যে জেলা টাস্কফোর্স নৌপথসভা ও লিফলেট বিতরণের আয়োজন করেছে।
এ সময় নদীতে মাছ ধরার জন্য নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি প্রদান করা হয়।
আজ বুধবার বিকেল ৪টায় জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের যৌথ উদ্যোগে পদ্মা-মেঘনা নদীতে এই নৌপথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
নৌপথসভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফয়েজ আহমেদ, হাইমচর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রশীদ এবং কোস্ট গার্ডের সদস্যরা।
এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তারা নদীতে অবস্থানরত জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
তারা মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে সরকারের ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে সকলকে অবহিত করেন।
নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ ধরা, ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বিক্রয়সহ সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য জেলেদের সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যসম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম বাসসকে জানান, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে অথবা ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ