ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

শিক্ষার্থীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য চট্টগ্রামে ফুটপাত দখলমুক্ত করবে মেয়র শাহাদাত


শিক্ষার্থীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য চট্টগ্রামে ফুটপাত দখলমুক্ত করবে মেয়র শাহাদাত

চট্টগ্রাম, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : নগরীর শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যালয়সংলগ্ন ফুটপাত দখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের চলাচলের পথ দখল করে কোনো ব্যবসা বা অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। ফুটপাত দখল করে স্থাপিত অবৈধ স্থাপনা নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিতে হবে। অন্যথায়, সিটি কর্পোরেশন অভিযান চালিয়ে সেগুলো উচ্ছেদ করবে। শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে ফুটপাত দিয়ে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

আজ ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ডের রামপুর সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং বিদ্যালয়ের ভবন ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির ওপর গুরুত্ব

মেয়র আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব নয়; বরং শিক্ষক, অভিভাবক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি এবং সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদেরও এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে। বিদ্যালয়ের আশপাশে কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসী ও ইভটিজারদের কোনো ধরনের অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না।

তিনি কিশোর গ্যাং ও ইভটিজারদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "প্রয়োজন হলে তাদের ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে।"

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমা বিনতে আমিন, মহানগর পিপি ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মফিজুল হক ভূঁইয়া এবং সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মহিলা অভিভাবক সদস্য জেসমিন খানম।

স্বাগত বক্তব্য দেন রামপুর সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আছেফুর রহমান ফারুকী।

আরও পড়ুন: বিরোধীদল ‘বেহেশতের লোভ দেখিয়ে’ দায়িত্বহীন আচরণ করছে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

অনুষ্ঠান শেষে মেয়র বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং বিদ্যালয়ের ভবন ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও মনোযোগ বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


চাঁপাইনবাবঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও মনোযোগ বৃদ্ধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে।

শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জেলার সদর, শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর এবং ভোলাহাট এই চারটি উপজেলায় গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই কর্মসূচি কার্যকর হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় ৪ উপজেলার ৬১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯০ হাজার ৬৮৩ জন শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করা এবং ঝরে পড়ার হার কমানো। এর আওতায় সপ্তাহে পাঁচ দিন শিক্ষার্থীদের বনরুটি, কলা, ডিম, দুধ এবং পুষ্টিগুণ-সমৃদ্ধ (ফর্টিফায়েড) বিস্কুট বিতরণ করা হচ্ছে।

শিবগঞ্জ উপজেলার ১৮১নং বিশ্বনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেরিনা খাতুন বলেন, "আগে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে বিদ্যালয়ে আসার অনীহা দেখা যেত। এখন রুটি, কলা, ডিম, দুধ ও বিস্কুট পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে। ক্ষুধাজনিত ক্লান্তি কমায় শ্রেণিকক্ষে তাদের মনোযোগও বেড়েছে।"

সদর উপজেলার ৭৬নং আলাতুলী সরকারি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহেল রানা জানায়, "স্কুলে খাবার পাওয়ায় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসতে ভালো লাগে। রুটি, ডিম, কলা ও দুধ খেতে তার খুব ভালো লাগে। আগে ক্লাসের মধ্যে ক্ষুধা লাগলেও এখন খাবার পাওয়ায় সেই কষ্ট আর হয় না।"

শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী ১৭৭নং নামোজগন্নাথপুর জুনিয়র সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আসমা খাতুন জানায়, "মিড ডে মিলে নিয়মিত রুটি, কলা, ডিম, দুধ ও বিস্কুট পাচ্ছি। আগে ক্ষুধা লাগলে ক্লাস করতে কষ্ট হতো। এখন পেট ভরা থাকে, তাই সব ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারি।"

গোমস্তাপুর উপজেলার গোমস্তাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজমা খাতুনের বাবা মো. নাজিম উদ্দিন জানান, "আগে আমার মেয়ের স্কুল যাওয়ার অনীহা দেখা যেত। কিন্তু এখন রুটি, কলা, ডিম, দুধ ও বিস্কুট পাওয়ায় তাকে স্কুল যাওয়ার কথা বলতে হয় না। সে নিজে নিজেই স্কুল যায়।"

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বাসসকে বলেন, "বিদ্যালয়ে বিরতির সময় একবেলা পুষ্টিকর খাবার পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ বাড়ছে।"

বর্ষাকালসহ বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শিশুদের বিদ্যালয়মুখী হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত বছরগুলোর তুলনায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার ইতিবাচক।

খাবারের তালিকায় বনরুটি, কলা ও ডিম যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেড়েছে এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখছে এই কর্মসূচি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সফল করতে নৌপথসভা, জেলেদের সচেতন করা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


চাঁদপুরে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সফল করতে নৌপথসভা, জেলেদের সচেতন করা হলো

চাঁদপুর, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : মা ইলিশ রক্ষার জন্য পদ্মা-মেঘনা নদীতে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জেলেদের সচেতন করার উদ্দেশ্যে জেলা টাস্কফোর্স নৌপথসভা ও লিফলেট বিতরণের আয়োজন করেছে।

এ সময় নদীতে মাছ ধরার জন্য নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি প্রদান করা হয়।

আজ বুধবার বিকেল ৪টায় জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের যৌথ উদ্যোগে পদ্মা-মেঘনা নদীতে এই নৌপথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

নৌপথসভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফয়েজ আহমেদ, হাইমচর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রশীদ এবং কোস্ট গার্ডের সদস্যরা।

এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তারা নদীতে অবস্থানরত জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

তারা মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে সরকারের ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে সকলকে অবহিত করেন।

নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ ধরা, ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বিক্রয়সহ সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য জেলেদের সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যসম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম বাসসকে জানান, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে অথবা ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুরুদাসপুরে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে জলসার কার্যক্রম অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


গুরুদাসপুরে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে জলসার কার্যক্রম অব্যাহত

নাটোরের গুরুদাসপুরে জলসার প্যান্ডেল নির্মাণের আড়ালে ১৭ বছর ধরে বন্ধ থাকা একটি মাদ্রাসার ৫৫ শতক জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। জমিদাতার দাবি, আদালতের ১৪৪ ধারার নির্দেশনা উপেক্ষা করেই সেখানে প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের পুরুলিয়া গ্রামে।

জমির মালিক দাবিদার জিন্নাতুননেছা নামের এক নারী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিটিশন দাখিল করেছেন। পিটিশনে পুরুলিয়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম (৪০), শাহিনুর ইসলাম (৪৫), আব্দুল মাজেদ (৫১), মহিদুল ইসলাম (৩৭), আনছার আলী ও নুরুল ইসলামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

গত ৬ অক্টোবর আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে উভয়পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে গুরুদাসপুর থানার ওসিকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, আদালতের সেই নির্দেশনা অমান্য করে বুধবার (৭ অক্টোবর) সেখানে জলসার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পুরুলিয়া মৌজার আরএস ৫৬৭ ও ৫৭৫ দাগের ৫৫ শতক জমি বাদী জিন্নাতুননেছা তার স্বামী ইব্রাহীম আলী সরকারের সহায়তায় কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য দান করেছিলেন। তবে কলেজটি শেষপর্যন্ত চালু হয়নি। পরবর্তীতে সেখানে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হলেও গত ১৭ বছরে তা আর আলোর মুখ দেখেনি। ফলে জায়গাটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে।

বুধবার ওই জমিতে পাশের ‘পুরুলিয়া দারুল উলুম ইবতেদায়ি নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার’ জলসার প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়।

বাদীর পরিবারের অভিযোগ, আয়োজক মাদ্রাসার নিজস্ব জায়গা থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে তাদের জমি জবরদখল করতেই এ প্যান্ডেল তৈরি করেছে।

জমিদাতার স্বামী ইব্রাহিম সরকার বলেন, "আমার স্ত্রীর নামের ৫৫ শতক জমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য দান করা হয়েছিল। শর্ত ছিল—প্রতিষ্ঠান সচল না হলে জমি আমরা ফেরত পাব। দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠান চালু না হওয়ায় প্রতিপক্ষরা এটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। আদালতের নির্দেশে জমি ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া চললেও এখন জলসার নামে জায়গাটি দখলের পাঁয়তারা চলছে।"

অভিযোগ অস্বীকার করে জলসা আয়োজক কমিটির সভাপতি মো. মকলেছুর রহমান বলেন, "নিজেদের আঙিনায় স্থান সংকুলান না হওয়ায় সাময়িকভাবে পরিত্যক্ত মাঠে প্যান্ডেল করা হয়েছে। জায়গা দখলের কোনো উদ্দেশ্য আমাদের নেই।"

পরিত্যক্ত মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল হান্নান ও মামলায় অভিযুক্তরা দাবি করেন, এলাকার স্বার্থে মাদ্রাসাটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় জমিদাতা পরিবার আদালতের আশ্রয় নিয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ তুলছে।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন পাঠানো হয়েছে।

নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক বলেন, "আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে পুলিশ কাজ করছে এবং ঘটনাস্থলে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। কেউ আইন অমান্য করে শান্তি বিঘ্নিত করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে ২ লাখ টাকায় বিক্রি হওয়া শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


ময়মনসিংহে ২ লাখ টাকায় বিক্রি হওয়া শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার ৫

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ১৩ মাসের সন্তানকে দুই লাখ টাকায় বিক্রি করার ঘটনায় মায়ের দায়ের করা মামলায় পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে এবং শিশুটিকে উদ্ধার করেছে।

তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটি সুতিভরাট গ্রামের উজ্জ্বল মিয়ার ছেলে নাঈম তার শিশু সন্তান মোজাহিদকে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে। এই বিষয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর শিশুর মা রোজিনা বেগম বিষয়টি জানতে পারেন।

শিশুটির মা জানিয়েছেন, আবেদ মোল্লার কাছে তার স্বামী নাঈম শিশুটিকে বিক্রি করে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রোজিনা বেগম ঢাকা থেকে ঈশ্বরগঞ্জের মাইজহাটি সুতিভরাট গ্রামে এসে তার সন্তান বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ রোজিনা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অভিযান পরিচালনা করে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর পৌনে ৬টার দিকে দোহার থানার হরিচন্ডি চর মাহমুদপুর গ্রামের আবেদ মোল্লার বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুলিশ আবেদ মোল্লা (৩৫), তার স্ত্রী শিখা (৩৫), ঈশ্বরগঞ্জের মাইজহাটি সুতিভরাট গ্রামের উজ্জ্বল মিয়া (৫০), তার স্ত্রী আয়শা খাতুন (৪৫) এবং উচাখিলা গ্রামের শরীফা খাতুন (৩৫)কে গ্রেফতার করে।

ওসি সাজ্জাদ রোমন জানিয়েছেন, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় দ্রুত সময়ের মধ্যে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং গ্রেফতারদের ময়মনসিংহের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%