রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৪ পি.এম
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী মশক নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে তারা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করেন। তিনি রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) চসিকের লাইব্রেরি ভবনের কনফারেন্স রুমে মেডিসিনস সানস ফ্রন্টিয়ার্স (এমএসএফ)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এ আহ্বান জানান।
৬ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান এই প্রশিক্ষণে চসিকের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে নিয়োজিত ২৩৪ জন মশক ও ফগার কর্মী অংশগ্রহণ করছেন।ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘আপনারা যেখানে কাজ করবেন, মনে রাখবেন—আপনাদের একটি সঠিক স্প্রে একজন নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারে। আমরা এখন ডেঙ্গু নিয়ে বেশি কাজ করছি। মশক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োজিত কর্মীদের নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও জানান, এমএসএফ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) প্রদান করেছে। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এসব সরঞ্জাম কর্মীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
এমএসএফের দুই বিশেষজ্ঞ কীটতত্ত্ববিদ এই প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছেন। প্রশিক্ষণে মশার বিভিন্ন প্রজাতি শনাক্তকরণ, জীবনচক্র ও আচরণ, সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত ও নিয়ন্ত্রণ, সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি এবং কীটনাশক নিরাপদে সংরক্ষণ, মিশ্রণ ও প্রয়োগের কৌশল শেখানো হচ্ছে।এছাড়া, মাঠকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এমএসএফের পক্ষ থেকে চসিককে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) দেওয়ার ধারাবাহিকতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মশক নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত সম্মুখসারির কর্মীদের দক্ষতা ও নিরাপত্তা আরো জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর দারুস সালামে গৃহবধূ জেসমিন বেগমকে গুলি করার ঘটনার নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে র্যাব। সংস্থাটি জানিয়েছে, গুলি করার ঘটনা ঘটেছে বাইরে থেকে নয়, বরং ওই নারীর স্বামী আব্দুল মান্নানই তাকে গুলি করেছেন।
শনিবার রাতে দারুস সালামের মাতবরবাড়ি মসজিদ গলি এলাকায় নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হন ৩৮ বছর বয়সী জেসমিন। ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, টেলিভিশন দেখার সময় জানালা দিয়ে বাইরে থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।
তবে র্যাবের তদন্তে জানা যায়, এই দাবি সঠিক নয়। রবিবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন র্যাব-৪-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘তদন্তে আমরা জানতে পারি যে, মহিলাকে তার স্বামী নিজেই গুলি করেছেন। স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করার সময় উত্তেজিত হয়ে একপর্যায়ে তিনি গুলি করেন।’
র্যাব জানায়, আব্দুল মান্নান বেশিরভাগ সময় মাদকাসক্ত থাকতেন। ঘটনার রাতেও তিনি মদ্যপ অবস্থায় বাসায় ফেরেন।
এ নিয়ে স্ত্রী জেসমিনের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে মান্নান পিস্তল দিয়ে স্ত্রীকে গুলি করেন। গুলিটি জেসমিনের ডান হাতের বাহুতে লাগে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, গুলি করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাত সাড়ে ৩টার দিকে আব্দুল মান্নানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তিনি নিজের ব্যবহৃত পিস্তলটি ছেলে রাকিবের (২৫) কাছে দেন। রাকিব আবার অস্ত্রটি তার বন্ধু হাতিম মিয়ার (২১) বাসায় লুকিয়ে রাখেন।
পরে র্যাব-৪ ও দারুস সালাম থানার যৌথ অভিযানে মান্নান ও তার ছেলে রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাকিবের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাতিমের বাসায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে একটি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া আব্দুল মান্নানের কাছ থেকে ২১৫টি ইয়াবা উদ্ধার করার কথাও জানিয়েছে র্যাব। র্যাবের দাবি, আব্দুল মান্নান এলাকার একজন ‘কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী’। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় তিনটি মামলা রয়েছে।
র্যাব-৪-এর অধিনায়ক বলেন, অস্ত্র ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর তথ্যও তাদের কাছে রয়েছে। তবে মান্নানের ছেলে রাকিব মাদকাসক্ত এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, জেসমিন জানালা খোলা রেখে টেলিভিশন দেখছিলেন। এ সময় বাইরে থেকে দুর্বৃত্তরা জানালা দিয়ে গুলি করে পালিয়ে যায়। তবে র্যাব জানিয়েছে, এটি ছিল ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা।
র্যাব কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, মান্নান প্রথমে এমন ঘটনার কথা স্বীকার করেননি। তাদের ছেলে রাকিবও হয়তো বিষয়টি আড়াল করার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।
তিনি বলেন, মূল ঘটনা বাসার ভেতরেই ঘটেছে এবং জানালা দিয়ে বাইরে থেকে গুলি করার গল্পটি সাজানো হয়েছিল।
র্যাব জানিয়েছে, জেসমিনের সঙ্গে মাদকের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তবে স্বামীর মাদক ব্যবসা ও মাদকাসক্তির কারণে তাদের সংসারে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। র্যাবের প্রাথমিক তদন্তে এসব তথ্য আশপাশের মানুষের কাছ থেকেও পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আব্দুল মান্নান, তার ছেলে রাকিব ও রাকিবের বন্ধু হাতিম মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা অস্ত্র ও মাদকসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মধুপুর চাড়ালজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্যসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মফিজুল হক।
চাড়ালজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান মিঞ্জুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফ জি প্রিন্স, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. রতন হায়দার, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি কবীর হোসাইন এবং প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান। এ ছাড়া বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির দাতা সদস্য হুরমুজ আলী ফকির উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্মে সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং দেশপ্রেমের যে বার্তা রয়েছে, তা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি। সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা ও সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর পাশাপাশি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি তাদের আগ্রহ তৈরি করা সম্ভব।
আয়োজকেরা জানান, নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও আদর্শকে শিশু-কিশোরদের কাছে আরও পরিচিত করে তুলতেই এ আয়োজন। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের রাজৈরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বসতঘরের দরজার সামনে পাকা দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরের ভেতর কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন নারগিস বেগম নামে এক বিধবা নারী। ঘটনাটি ঘটেছে রাজৈর পৌরসভার কুঠিবাড়ি এলাকায়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারগিস বেগম কুঠিবাড়ি এলাকার মৃত আলী আকবর বেপারীর স্ত্রী। আর অভিযুক্ত আজাদ রহমান লিটু আমগ্রাম মঠবাড়ী এলাকার মৃত মোবারক আলী মাতুব্বরের ছেলে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজৈর মৌজার বিআরএস ১৩৫ নম্বর খতিয়ানের ৮৪৪৬ ও ৮৪৪৯ নম্বর দাগে মোট সাড়ে ১০ শতাংশ জমির মালিক ছিলেন নারগিস বেগমের শাশুড়ি। এর মধ্যে এক শতাংশ জমি তার ছেলে আলী আকবরের নামে লিখে দেওয়ার পর বাকি জমি বিক্রি করে দেওয়া হয়। ওই জমি কিনে নেন আজাদ রহমান লিটু।
স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া এক শতাংশ জমিতে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন নারগিস। অভিযোগ, ওই জমি বিক্রি করে দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে তাকে চাপ দিয়ে আসছিলেন লিটু। এতে রাজি না হওয়ায় চলাচলের পথে দেয়াল নির্মাণ করে তাকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়।
এ ঘটনায় গত ১১ আগস্ট নারগিস বেগম আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। পরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিগার সুলতানা বিরোধপূর্ণ স্থানে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, আদালতের ওই নির্দেশ অমান্য করে গত ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে আজাদ রহমান লিটু লোকজন নিয়ে এসে তার ঘরের দরজার সামনে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন। এতে ঘর থেকে বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই সন্তানসহ তিনি চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
নারগিস বেগম বলেন, “আমার মাত্র এক শতাংশ জায়গা। পাশের আত্মীয়ের জায়গা দিয়ে চলাচল করতে হয়। জমিটি বিক্রি করে দেওয়ার জন্য আমাকে বলা হয়েছিল। আমি রাজি না হওয়ায় ঘরের দরজার সামনেই দেয়াল তুলে আমাকে আটকে দেওয়া হয়েছে। এখন আমি বের হব কীভাবে? আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেয়াল নির্মাণের অভিযোগের বিষয়ে আজাদ রহমান লিটুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, “৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।”
রাজৈর পৌরসভার প্রশাসক রোকসানা খাইরুন নেছা বলেন, “যেকোনো নাগরিকের চলাচলের রাস্তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। বাসা থেকে বের হওয়ার জন্য তাকে রাস্তা দিতে হবে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পর্কে জানানো হবে।”
এদিকে, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে দেয়াল নির্মাণের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অবরুদ্ধ পরিবারটির চলাচলের পথ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলায় আজ সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) -এর চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানকালে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও মাদক সহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
জব্দকৃত এসব মালামালের সর্বমোট বাজার মূল্য আনুমানিক ১২ লাখ ৮৩ হাজার পাঁচশ টাকা বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।
আজ রোববার সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার তলুইগাছা, কাঁকডাঙ্গা, মাদরা ও ঝাউডাঙ্গা বিওপির আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তলুইগাছা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নটিজংগল নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, কাঁকডাঙ্গা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালি নামক স্থান হতে ভারতীয় মদ ও নেশাজাতীয় উইনকেরেক্স সিরাপ এবং মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার বড়ালি নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে।
এছাড়া, ঝাঁউডাঙ্গা ক্যাম্পের বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামার বাইশা নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে। জব্দকৃত এসব মালামালের সর্বমোট বাজার মূল্য আনুমানিক ১২ লাখ ৮৩ হাজার পাঁচশ’ টাকা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি’র সাতক্ষীরা ব্যাটেলিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাজী আশিকুর রহমান জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল কাস্টমসে জমা দেয়া হয়েছে। এছাড়া, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরী করে পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংসের নিমিত্তে বিজিবি ষ্টোরে জমা রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ