ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অর্থমন্ত্রী সংসদে ব্রিফকেস নিয়ে আসেন কেন,কী থাকে ভেতরে ?


অর্থমন্ত্রী সংসদে ব্রিফকেস নিয়ে আসেন কেন,কী থাকে ভেতরে ?

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে একটি ব্রিফকেস হাতে সংসদ ভবনে প্রবেশ করেন তিনি। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রীদের জন্য দীর্ঘকাল ধরে পরিচিত একটি ঐতিহ্য। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, এই ব্রিফকেসে আসলে কী থাকে এবং কেন যুগের পর যুগ ধরে এই রীতি চলে আসছে?

অনেকে মজা করে মনে করেন, অর্থমন্ত্রীর ব্রিফকেসে হয়তো বিপুল পরিমাণ টাকা কিংবা বিশেষ কোনো অর্থনীতির পরিকল্পনার গোপন চাবিকাঠি থাকে। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি ভিন্ন। এই ব্রিফকেসে রাখা হয় বাজেট বক্তৃতার খসড়া, অর্থ বিল এবং কর-শুল্ক সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ গোপন নথিপত্র। এসব নথির মধ্যে সরকারের আগামী এক বছরের আয়-ব্যয়, রাজস্ব সংগ্রহ এবং অর্থনৈতিক কর্মকৌশলের বিস্তারিত পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত থাকে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা আকবর আলি খানের ‘বাংলাদেশে বাজেট: অর্থনীতি ও রাজনীতি’ বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ব্রিফকেস ব্যবহারের পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমত, শিল্পবিপ্লবের পর বাজেট-সংক্রান্ত নথির পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকায় সেগুলো বহনের জন্য ছোট থলি বা মানিব্যাগ যথেষ্ট ছিল না। ফলে ব্রিফকেস ব্যবহারের প্রচলন শুরু হয়।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী: সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই এক

দ্বিতীয়ত, বাজেটের কর ও শুল্কসংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। বাজেট ঘোষণার আগে এসব তথ্য ফাঁস হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে প্রভাব বিস্তার বা শুল্ক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পেতে পারেন। এজন্য গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে লক করা ব্রিফকেস ব্যবহারের রীতি চালু হয়।

ইতিহাস বলছে, ১৮৬০ সালে ব্রিটেনের তৎকালীন অর্থমন্ত্রী উইলিয়াম ইয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন লাল রঙের একটি স্যুটকেসে করে বাজেট নথি সংসদে নিয়ে আসেন। এরপর থেকেই ‘বাজেট ব্রিফকেস’ বিশ্বজুড়ে একটি প্রতীকী ঐতিহ্যে পরিণত হয়। উপমহাদেশে এই রীতির সূচনা করেন জেমস উইলসন, যিনি ১৮৬০ সালের ৭ এপ্রিল কলকাতায় প্রথম বাজেট পেশ করেছিলেন। পরে পাকিস্তান আমলে পূর্ব বাংলার অর্থমন্ত্রী হামিদুল হক চৌধুরী এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদও বাজেট উপস্থাপনের সময় এই ঐতিহ্য অনুসরণ করেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বাজেট পেশকারী প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান ও আবুল মাল আবদুল মুহিতও নিয়মিত ব্রিফকেস বহন করে বাজেট উপস্থাপন করেছেন। সময়ে সাথে ব্রিফকেসের রং বদলালেও—কখনো লাল, কখনো কালো, আবার কখনো মেরুন—তবে এর মূল উদ্দেশ্য ও প্রতীকী গুরুত্ব আজও একই রয়েছে। এই অর্থমন্ত্রীর ব্রিফকেস আসলে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের নকশা বহনকারী একটি ঐতিহাসিক প্রতীক।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে সৈয়দপুরে ময়লার স্তূপ বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫০ সিসির বেশি মোটরসাইকেল নিবন্ধনেও লাগবে টিআইএন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


১৫০ সিসির বেশি মোটরসাইকেল নিবন্ধনেও লাগবে টিআইএন

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের প্রস্তাবে ১৫০ সিসির ঊর্ধ্বে মোটরসাইকেল নিবন্ধনের জন্য ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টা  মধ্যে নতুন সরকারের ইশতেহার হিসেবে প্রথম এবং দেশের ৫৫তম এই মেগা বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এর গ্রহণের পূর্বে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে, জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট উত্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এর আগে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু করা হয়। তার পূর্বে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ। পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দেশের অর্থনীতির পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে উন্নয়ন কর্মসূচি ও রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের আকারও।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। দেশটির ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বড় বাজেট তৈরিতে সরকারের লক্ষ্য বিশাল নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রতিগুলো পূরণ করা। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

এই বিশাল বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তার মাধ্যমে। বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

বাজেটের এই বিশাল ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেও অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

এই বিশাল বাজেটের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনা, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির’ পথে এগিয়ে নেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননের নারী ও শিশুদের জিম্মি করার আহ্বান ইসরাইলি মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


লেবাননের নারী ও শিশুদের জিম্মি করার আহ্বান ইসরাইলি মন্ত্রীর

হিজবুল্লাহর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে লেবাননের নারী ও শিশুদের জিম্মি করে বন্দিশিবিরে রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন ইসরাইলের উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির।

হিজবুল্লাহর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষের মধ্যে চলতি সপ্তাহে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে তিনি এ প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, 'হিজবুল্লাহকে মোকাবিলায় নতুনভাবে ভাবতে হবে। শুধু এলাকা দখল করা বা যোদ্ধা হত্যা নয়, তাদের নারী ও তরুণদের আটক করে কারাগারে নেওয়া উচিত। এতে তাদের সবচেয়ে বেশি আঘাত লাগবে।'

বেন গভিরের এই প্রস্তাবে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনা উসকে দিয়েছে। তার এই মন্তব্যকে অনেকেই লেবাননের সাধারণ নাগরিকদের বিরুদ্ধে সমষ্টিগত শাস্তির আহ্বান হিসেবে দেখছেন। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সাধারণ বেসামরিক মানুষকে আটক বা লক্ষ্যবস্তু করা বৈধ নয়।

বেন-গভির অনেক আগে থেকেই এক বিতর্কিত ব্যক্তি। তিনি অতীতেও ফিলিস্তিনি ও লেবানিজদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি করেছেন। তিনি নিষিদ্ধ কাচ আন্দোলনের অনুসারী এবং একসময় ১৯৯৪ সালে হেবরনে ২৯ জন ফিলিস্তিনি মুসল্লিকে হত্যা করা ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী বারুচ গোল্ডস্টেইনের ছবি নিজের বাসায় টাঙিয়ে রেখেছিলেন।

মার্চ মাসে লেবাননে ইসরাইলের নতুন সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি বাহিনী কয়েকজন লেবানিজ বেসামরিক নাগরিককে অপহরণ বা আটক করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও বর্তমানে ইসরাইলের 'অবৈধ যোদ্ধা আইন' অনুযায়ী ১,৩১৬ জন আটক রয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইলি মানবাধিকার সংগঠন হামোকেদ।

বিতর্কিত আইনটি ২০০২ সালে চালু হয়। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের না করেও দীর্ঘ সময় আটক রাখা যায়। আইনটি মূলত গাজার ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হলেও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, লেবানন ও সিরিয়ার নাগরিকদের বিরুদ্ধেও এটি প্রয়োগ করা হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, এই আইন ইচ্ছামতো ও বাইরের যোগাযোগবিহীন আটক রাখার সুযোগ দেয়। অন্যদিকে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, গোপন প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারিক প্রক্রিয়ার যথাযথ সুযোগ ছাড়াই মানুষকে আটক রাখার সুযোগ তৈরি করে এই আইন।

বেন-গভিরের এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন ইসরাইলের মন্ত্রীরা লেবাননে সামরিক অভিযান আরও বাড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন।

গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও ইসরাইল লেবাননে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। লেবাননের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিশেল মেনাসা জানিয়েছেন, ১৭ এপ্রিল থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে প্রায় ৩ হাজার ৫০০টি বিমান হামলা, ৪০৭টি নিয়ন্ত্রিত ধ্বংস অভিযান এবং ৬টি সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযান চালিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের তদন্তকারীরা লেবাননে গিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করবেন। তারা সংঘাতের সব পক্ষের সম্ভাব্য আইনভঙ্গের ঘটনা পর্যালোচনা করবেন এবং ভবিষ্যৎ প্রতিবেদনের জন্য তথ্য সংগ্রহ করবেন।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, লেবাননে ইসরাইলের যুদ্ধের ফলে ৩ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১০ লক্ষের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

মানবিক পরিস্থিতিও দ্রুত অবনতি হচ্ছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এক সপ্তাহেরও কম সময়ে দক্ষিণ লেবাননের তিনটি হাসপাতাল ইসরাইলি হামলার শিকার হয়েছে। এতে ৯ জন নিহত এবং ১৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই স্বাস্থ্যকর্মী।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন এসব হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এতে বাস্তুচ্যুত ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জন্য জরুরি স্বাস্থ্যসেবা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহরে ইসরাইলি হামলায় ৮ জন নিহত এবং অন্তত ৩২ জন আহত হন। একই সঙ্গে ইসরাইলের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশের কারণে শহরের ঐতিহাসিক খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকা থেকে শত শত মানুষ পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

টায়ারের খ্রিস্টান নেতারা জরুরি আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের সতর্কবার্তা হলো, এই এলাকায় হামলা অব্যাহত থাকলে তা মানবিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও বড় ক্ষতি ডেকে আনবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে ফরাসি ভাষা শিক্ষার প্রসারে ফ্রান্সের সহযোগিতা চান মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


বাংলাদেশে ফরাসি ভাষা শিক্ষার প্রসারে ফ্রান্সের সহযোগিতা চান মাহদী আমিন

বাংলাদেশে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা সম্প্রসারণে ফ্রান্সের কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা কামনা করেছেন মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে এ আহ্বান জানান মাহদী আমিন।

সাক্ষাৎকালে তারা বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে যেমন শিক্ষা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির আলোচনা করেন।

বৈঠকে সরকারের উদ্যোগে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় তৃতীয় ভাষা শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়। এ সময় ফরাসি ভাষাকে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার অন্যতম প্রধান বিকল্প হিসেবে যুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আলোচনা করেন। মাহদী আমিন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে ফরাসি ভাষা শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে ফ্রান্সের কার্যকর সহযোগিতা কামনা করেন।

আলোচনায় বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো জোরদার করার বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বাংলাদেশ সরকারের বিনিয়োগবান্ধব বাজেট ও ব্যবসাবান্ধব নীতিমালার বিভিন্ন দিক রাষ্ট্রদূতের সামনে তুলে ধরেন। তিনি ফ্রান্সের শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে উদীয়মান সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে আরো বেশি বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বৈঠকে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সরাসরি সংযোগ সম্প্রসারণের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষায় বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরো শক্তিশালী করার ওপর উভয় পক্ষই গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে উভয় পক্ষই যৌথভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার দূতাবাসের রিজিওনাল ইকোনমিক ডিপার্টমেন্টের প্রধান ফ্লোরেন্ট ম্যানগিন উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯৪ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


৯৪ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার কেদাহ প্রদেশের ইমিগ্রেশন বিভাগ কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ) মাধ্যমে বাংলাদেশ, চীন, মিশর, কেনিয়া, ভারত, পাকিস্তান এবং মিয়ানমারসহ সাতটি দেশের ৯৪ জন অবৈধ অভিবাসীকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে।

বহিষ্কৃতদের ভেতর ৮২ জন পুরুষ এবং ১২ জন নারী রয়েছেন, যাঁরা পূর্বে বেলান্তিক ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটক অবস্থায় ছিলেন। বৈধ পারমিট ছাড়া দেশে প্রবেশ এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত সময় অবস্থান করার কারণে ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩ এর অধীনে তাঁদের আটক করা হয়েছিল।

কেদাহ ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বন্দিরা আইন অনুযায়ী তাঁদের শাস্তি ভোগ করার পর এই নির্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চলমান পদক্ষেপের অংশ হিসাবে, এসব ৯৪ জন অবৈধ অভিবাসীকে ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে তাঁরা আর কোনোদিন মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে না পারে।

বিভাগটির মতে, এই প্রত্যাবাসন কর্মসূচি মূলত দেশের ইমিগ্রেশন আইনের প্রয়োগকে আরও শক্তিশালী করার একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, দেশে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বিদেশি নাগরিকদের উপস্থিতি জাতীয় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলার জন্য একটি হুমকি। তাই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আইন অমান্যকারীদের চিহ্নিত করতে কেদাহ ইমিগ্রেশন বিভাগ আগামীতেও অবৈধ অভিবাসী সনাক্তকরণ, আটক এবং নির্বাসন অভিযান দেশজুড়ে অব্যাহত রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%