০৯:৪০ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার শফিক মুন্সির শারীরিক অবস্থার খবর নিতে হাসপাতালে ছুটে গেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতারা।
রোববার (৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর মৌচাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে দেখতে যান জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।
বিকেলে শফিক মুন্সির শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন এবং মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন। তারা সাংবাদিক শফিক মুন্সির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়ে তার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।
একইদিন বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের একটি প্রতিনিধি দলও হাসপাতালে যান। ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার এবং সাংবাদিক ইসমাইল সরদার এই প্রতিনিধি দলে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা চিকিৎসাধীন শফিক মুন্সির সার্বিক চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হন এবং তার দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য প্রার্থনা করেন।
উল্লেখ্য যে, শনিবার (৬ জুন) শফিক মুন্সির একটি সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টায় হারিয়ে যাওয়া ২৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার (৭ জুন ২০২৬) জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মে ২০২৬ মাসে জেলার বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হারানো মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ফোনগুলোর মধ্যে সদর থানার এএসআই আব্দুল মোতালেবের নেতৃত্বে ১৮টি, নাচোল থানার এএসআই মো. ফরহাদ হোসেনের মাধ্যমে ৩টি এবং শিবগঞ্জ থানার এসআই মো. রবিউল ইসলামের মাধ্যমে ২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোট ২৩টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা হলে তারা আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। দীর্ঘদিন পর হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা। এ সময় পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা এবং হারিয়ে যাওয়া সম্পদ উদ্ধারে জেলা পুলিশ
আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি মোবাইল ফোন হারালে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জিডি করার আহ্বান জানান তিনি। জেলা পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনির্বাচিত সভাপতি তামিম ইকবাল, যিনি জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক, এবং সহ-সভাপতি ফাহিম সিনহা, পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদের সকল সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক।
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই সংস্থায় তিন ক্যাটাগরিতে ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে ২ জন সদস্যও মনোনীত হন। পরবর্তীতে, এ ২৫ জন পরিচালকের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়ে তামিম ইকবাল সভাপতি নির্বাচিত হন। এসময় প্রতিমন্ত্রী তামিমের অনন্য নেতৃত্ব গুণ এবং ক্রীড়াশৈলীর প্রশংসা করেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ জানান যে, মাঠের ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন সফল অধিনায়কের নেতৃত্বে দেশের ক্রিকেট এক নতুন দিগন্তে প্রবেশ করবে। তিনি বিশ্বাস করেন, তামিম ইকবালের ক্রিকেটীয় প্রজ্ঞা এবং পরিচালনা পর্ষদের সামগ্রিক মেলবন্ধন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে আরও বেশি পেশাদার এবং শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করবে। মাঠের ভেতর এবং বাইরের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে নতুন এই কমিটি ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে সমর্থ হবে বলেও তিনি মনে করেন।
শেষে, দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়নে নবনির্বাচিত এই পর্ষদ সম্পর্কে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী একটি দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, তারা অত্যন্ত জোড়ালো ভূমিকা রাখবে। তিনি বিসিবির এই নতুন যাত্রায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সভাপতি তামিম ইকবাল, সহ-সভাপতি ফাহিম সিনহা এবং বাকি সকল পরিচালকের সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সরকারের গণমাধ্যমবান্ধব নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলার সাংবাদিকদের কল্যাণে বিপুল পরিমাণ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
জেলার মোট ১২৩ জন সাংবাদিকের কল্যাণে ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সর্বমোট ৭৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।
আজ জাতীয় সংসদে স্পিকারের মাধ্যমে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এই তথ্য জানান। তিনি সংসদকে জানান, এই অনুদানের মধ্যে চিকিৎসাজনিত কারণে জেলার ৭৩ জন সাংবাদিককে আর্থিক সহায়তা এবং আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ৫০ জন সাংবাদিককে কল্যাণ অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বিষয়ে বলেন, সাংবাদিকদের আপদকালীন ও দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষায় এই ট্রাস্ট অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিকদের পরিবারের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষায় উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে কক্সবাজারের একজন শিক্ষার্থীকে ২৪ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলার গণমাধ্যমের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে এই জেলা থেকে প্রকাশিত দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকার সংখ্যা মোট ৩১টি। এর মধ্যে দৈনিক পত্রিকা ২৭টি, সাপ্তাহিক পত্রিকা ৩টি এবং মাসিক পত্রিকা ১টি।
সংসদে প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, কক্সবাজারের দৈনিক পত্রিকাগুলো হলো- দৈনিক চকোরিয়া, দৈনিক হিমছড়ি, দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা, দৈনিক কক্সবাজার বাণী, দৈনিক ইনানী, দৈনিক সমুদ্রকণ্ঠ, দৈনিক আমাদের কক্সবাজার, দৈনিক বাঁকখালী, দৈনিক দ্য কক্স টুডে, দৈনিক দ্য ডেইলি টুরিস্ট, দৈনিক সাগরদেশ, দৈনিক সকালের কক্সবাজার, দৈনিক কক্সবাজার ৭১, দৈনিক রূপালী সৈকত, দৈনিক গণসংযোগ, দৈনিক মেহেদী, দৈনিক কক্সবাজার সংবাদ, দৈনিক সহযাত্রী, দৈনিক কক্সবাজার, দৈনিক আজকের দেশ-বিদেশ, দৈনিক আজকের কক্সবাজার, দৈনিক রূপসীগ্রাম, দৈনিক আপন কণ্ঠ, দৈনিক সৈকত, দৈনিক দৈনন্দিন, দৈনিক সমুদ্রবার্তা এবং দৈনিক মায়ের দেশ।
এর মধ্যে সরকারের মিডিয়া তালিকাভুক্ত ৮টি দৈনিক পত্রিকা বর্তমানে সর্বাধিক প্রকাশিত হচ্ছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। এগুলো হলো- দৈনিক কক্সবাজার, দৈনিক সৈকত, দৈনিক বাঁকখালী, দৈনিক আজকের কক্সবাজার, দৈনিক রূপসীগ্রাম, দৈনিক আজকের দেশ-বিদেশ, দৈনিক মেহেদী এবং দৈনিক দৈনন্দিন।
এছাড়া জেলায় প্রকাশিত ৩টি সাপ্তাহিক পত্রিকা হলো- সাগরকণ্ঠ, দরিয়ানগর ও আলোকিত উখিয়া এবং একমাত্র মাসিক পত্রিকা হিসেবে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে ‘কক্সবাজার সৈকত’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ