মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৯:৪২ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টায় হারিয়ে যাওয়া ২৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার (৭ জুন ২০২৬) জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মে ২০২৬ মাসে জেলার বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হারানো মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ফোনগুলোর মধ্যে সদর থানার এএসআই আব্দুল মোতালেবের নেতৃত্বে ১৮টি, নাচোল থানার এএসআই মো. ফরহাদ হোসেনের মাধ্যমে ৩টি এবং শিবগঞ্জ থানার এসআই মো. রবিউল ইসলামের মাধ্যমে ২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোট ২৩টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা হলে তারা আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। দীর্ঘদিন পর হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা। এ সময় পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা এবং হারিয়ে যাওয়া সম্পদ উদ্ধারে জেলা পুলিশ
আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি মোবাইল ফোন হারালে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জিডি করার আহ্বান জানান তিনি। জেলা পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনির্বাচিত সভাপতি তামিম ইকবাল, যিনি জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক, এবং সহ-সভাপতি ফাহিম সিনহা, পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদের সকল সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক।
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই সংস্থায় তিন ক্যাটাগরিতে ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে ২ জন সদস্যও মনোনীত হন। পরবর্তীতে, এ ২৫ জন পরিচালকের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়ে তামিম ইকবাল সভাপতি নির্বাচিত হন। এসময় প্রতিমন্ত্রী তামিমের অনন্য নেতৃত্ব গুণ এবং ক্রীড়াশৈলীর প্রশংসা করেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ জানান যে, মাঠের ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন সফল অধিনায়কের নেতৃত্বে দেশের ক্রিকেট এক নতুন দিগন্তে প্রবেশ করবে। তিনি বিশ্বাস করেন, তামিম ইকবালের ক্রিকেটীয় প্রজ্ঞা এবং পরিচালনা পর্ষদের সামগ্রিক মেলবন্ধন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে আরও বেশি পেশাদার এবং শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করবে। মাঠের ভেতর এবং বাইরের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে নতুন এই কমিটি ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে সমর্থ হবে বলেও তিনি মনে করেন।
শেষে, দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়নে নবনির্বাচিত এই পর্ষদ সম্পর্কে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী একটি দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, তারা অত্যন্ত জোড়ালো ভূমিকা রাখবে। তিনি বিসিবির এই নতুন যাত্রায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সভাপতি তামিম ইকবাল, সহ-সভাপতি ফাহিম সিনহা এবং বাকি সকল পরিচালকের সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সরকারের গণমাধ্যমবান্ধব নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলার সাংবাদিকদের কল্যাণে বিপুল পরিমাণ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
জেলার মোট ১২৩ জন সাংবাদিকের কল্যাণে ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সর্বমোট ৭৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।
আজ জাতীয় সংসদে স্পিকারের মাধ্যমে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এই তথ্য জানান। তিনি সংসদকে জানান, এই অনুদানের মধ্যে চিকিৎসাজনিত কারণে জেলার ৭৩ জন সাংবাদিককে আর্থিক সহায়তা এবং আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ৫০ জন সাংবাদিককে কল্যাণ অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বিষয়ে বলেন, সাংবাদিকদের আপদকালীন ও দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষায় এই ট্রাস্ট অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিকদের পরিবারের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষায় উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে কক্সবাজারের একজন শিক্ষার্থীকে ২৪ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলার গণমাধ্যমের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে এই জেলা থেকে প্রকাশিত দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকার সংখ্যা মোট ৩১টি। এর মধ্যে দৈনিক পত্রিকা ২৭টি, সাপ্তাহিক পত্রিকা ৩টি এবং মাসিক পত্রিকা ১টি।
সংসদে প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, কক্সবাজারের দৈনিক পত্রিকাগুলো হলো- দৈনিক চকোরিয়া, দৈনিক হিমছড়ি, দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা, দৈনিক কক্সবাজার বাণী, দৈনিক ইনানী, দৈনিক সমুদ্রকণ্ঠ, দৈনিক আমাদের কক্সবাজার, দৈনিক বাঁকখালী, দৈনিক দ্য কক্স টুডে, দৈনিক দ্য ডেইলি টুরিস্ট, দৈনিক সাগরদেশ, দৈনিক সকালের কক্সবাজার, দৈনিক কক্সবাজার ৭১, দৈনিক রূপালী সৈকত, দৈনিক গণসংযোগ, দৈনিক মেহেদী, দৈনিক কক্সবাজার সংবাদ, দৈনিক সহযাত্রী, দৈনিক কক্সবাজার, দৈনিক আজকের দেশ-বিদেশ, দৈনিক আজকের কক্সবাজার, দৈনিক রূপসীগ্রাম, দৈনিক আপন কণ্ঠ, দৈনিক সৈকত, দৈনিক দৈনন্দিন, দৈনিক সমুদ্রবার্তা এবং দৈনিক মায়ের দেশ।
এর মধ্যে সরকারের মিডিয়া তালিকাভুক্ত ৮টি দৈনিক পত্রিকা বর্তমানে সর্বাধিক প্রকাশিত হচ্ছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। এগুলো হলো- দৈনিক কক্সবাজার, দৈনিক সৈকত, দৈনিক বাঁকখালী, দৈনিক আজকের কক্সবাজার, দৈনিক রূপসীগ্রাম, দৈনিক আজকের দেশ-বিদেশ, দৈনিক মেহেদী এবং দৈনিক দৈনন্দিন।
এছাড়া জেলায় প্রকাশিত ৩টি সাপ্তাহিক পত্রিকা হলো- সাগরকণ্ঠ, দরিয়ানগর ও আলোকিত উখিয়া এবং একমাত্র মাসিক পত্রিকা হিসেবে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে ‘কক্সবাজার সৈকত’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রযুক্তিখাতে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া অস্ট্রেলীয় ধনকুবের রবিন খুদা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ক্লাউড কম্পিউটিং অবকাঠামো গড়ে তুলতে তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি বিশাল এই বিনিয়োগ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
ঘোষণার পর থেকেই দেশের গণমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি। কারণ তার শেকড় বাংলাদেশের মাটিতে জন্ম নেওয়া ও শিক্ষাজীবনের প্রাথমিক অধ্যায় ঢাকায় শেষ করেছেন।
ঢাকায় শৈশব, অস্ট্রেলিয়ায় সফলতার গল্প।
রবিন খুদার জন্ম রাজধানী ঢাকায়। তিনি শেরেবাংলা নগর গভার্নমেন্ট হাই স্কুল এবং এসওএস হারম্যান মেইনার কলেজে পড়াশোনা করেন। পারিবারিক ভিটা সিরাজগঞ্জ জেলার ছাতিয়ানতলী গ্রামে হলেও বাবার চাকরির সুবাদে তার বেড়ে ওঠা ঢাকাতেই।
তার বাবা এস এম ওয়াজেদ আলী উচ্চমাধ্যমিকের জন্য ঢাকায় এসে পরবর্তীতে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। ১৯৯৭ সালে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে রবিন উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। সিডনি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে তিনি বিদেশে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার ভিত্তি তৈরি করেন।
বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরে স্ত্রী, দুই কন্যা ও বাবা-মাকে নিয়ে বসবাস করছেন।
করপোরেট জীবন থেকে উদ্যোক্তা।
পেশাগত জীবনের শুরুতে তিনি টেলিযোগাযোগ ও ক্লাউড কম্পিউটিং খাতে কাজ করেন। সিংটেল ও ফুজিৎসুর মতো প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেন। পরে পাইপ নেটওয়ার্ক এবং নেক্টডিসিতে প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) হিসেবে কাজ করেন।
এরপর তিনি প্রতিষ্ঠা করেন এয়ারট্রাঙ্ক, যা অস্ট্রেলিয়া ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম শীর্ষ ডেটা সেন্টার অপারেটর হিসেবে দ্রুত আত্মপ্রকাশ করে। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি অস্ট্রেলিয়া, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব ও সিঙ্গাপুরে আধুনিক ডেটা সেন্টার স্থাপন করছে।
বর্তমানে এয়ারট্রাঙ্ক বিশ্বে দ্রুত বর্ধনশীল ডেটা সেন্টার কোম্পানিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রযুক্তি অবকাঠামো খাতে অসাধারণ সাফল্যের কারণে তিনি অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ব্যবসায়ীদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। দেশটির ধনীদের তালিকায় তার অবস্থান ৩৮তম, এবং তার সম্পদের পরিমাণ দুই বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
শিক্ষায় অনন্য দান।
শুধু ব্যবসায় নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। সিডনি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (এসটিইএম) বিষয়ে মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়াতে তিনি ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অর্থ দিয়ে আগামী ২০ বছরব্যাপী একটি বিশেষ কর্মসূচি পরিচালিত হবে, যা তরুণীদের এসটিইএম শিক্ষায় উৎসাহ ও দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা দেবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি শুধু প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসেই নয়, বরং নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের ইতিহাসেও কোনো একক ব্যক্তির দেওয়া সর্ববৃহৎ দাতব্য অনুদান।
ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ।
রবিন খুদার প্রতিষ্ঠান ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় তিন লাখ কোটি রুপি, অর্থাৎ প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে এআই ও ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারকে সামনে রেখে এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত প্রাইভেট ইকুইটি প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকস্টোন আর্থিক ও কৌশলগত সহযোগিতা দিচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর গত ৫ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিনিয়োগ পরিকল্পনার ঘোষণা দেওয়া হয়।
এয়ারট্রাঙ্ক জানিয়েছে, তারা ভারতজুড়ে প্রায় পাঁচ গিগাওয়াট সক্ষমতার ডেটা সেন্টার অবকাঠামো নির্মাণ করবে, যা দেশটির ডিজিটাল রূপান্তরে বড় ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এক তরুণের এই উত্থান এখন শুধু প্রবাসী সাফল্যের গল্প নয় বরং বৈশ্বিক প্রযুক্তি অঙ্গনে নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভুক্তভোগী প্রতিটি পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
এছাড়া, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশের জবাব দিতে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় প্রার্থনা করেছে।
রবিবার (৭ জুন) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে নিজ চেম্বারে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানিয়েছেন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের আইনজীবী শিশির মনির।
শিশির মনির জানান, ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে যৌথ আলোচনা করা হয়েছে। আলোচনার ভিত্তিতেই প্রতিটি সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ক্ষতিপূরণের বাইরেও হাসপাতাল থেকে আগে ঘোষিত অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বহাল থাকবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইতোমধ্যে প্রতিটি পরিবারকে ক্ষতিপূরণের মধ্যে থেকে ১০ লাখ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, নবজাতকদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হবে না— স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শোকজের জবাব দিতে তারা আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় প্রার্থনা করেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এই শোকজের জবাব দিতে চায়।
এদিকে, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সময় বৃদ্ধির আবেদনের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শোকজের জবাব দেওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল আজ রোববার বিকেল ৫টা। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সময় বৃদ্ধির একটি চিঠি পাওয়া গেছে।
মহাপরিচালক আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়া না গেলে বা আবেদন মঞ্জুর না হলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আজকেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ