ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্যে হালাল খাতে নতুন সম্ভাবনা রয়েছে : ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত


বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্যে হালাল খাতে নতুন সম্ভাবনা রয়েছে : ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশ এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রচলিত বাণিজ্যের ছন্দের বাইরে হালাল পণ্য এবং সেবাভিত্তিক খাতে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিসতিওয়াতি।

এটি সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই এবং ইন্দোনেশিয়ার উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রদূত লিসতিওয়াতি বলেন, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ফ্যাশন সামগ্রী, ফার্মাসিউটিক্যালস, চিকিৎসা সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যসেবা, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং অন্যান্য উদীয়মান খাতে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের উল্লেখযোগ্য সুযোগ বিদ্যমান।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পিস্তল উঁচানো দৃশ্য ত্রাসের রাজত্বের প্রতীক: জামায়াত

তিনি জানান, আগামী ৮ থেকে ১২ জুলাই ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় ‘ডি-৮ হালাল এক্সপো ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে। এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের জন্য তিনি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধি দল অংশ নেবে বলে তারা প্রত্যাশা করছেন। এ বিষয়ে ঢাকাস্থ ইন্দোনেশিয়া দূতাবাস প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, হালাল পণ্যের ধারণা শুধুমাত্র খাদ্য বা মাংসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর পরিধি পোশাক, প্রসাধনী, ওষুধ, স্বাস্থ্যসেবা, মেডিকেল সরঞ্জাম, হালাল অর্থায়ন এবং পর্যটন খাতের মধ্যে রয়েছে।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ডি-৮ হালাল এক্সপো কেবল একটি প্রদর্শনী নয়, এটি ডি-৮ ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে হালাল ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটর্ফম।

সভায় ‘ডি-৮ হালাল এক্সপো ২০২৬’-এর উপরে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল কমিটি ফর ইসলামিক ইকোনমি অ্যান্ড ফাইন্যান্স-এর ডিরেক্টর জেনারেল পুতু রাহউইধিয়াসা। তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়া শুধু হালাল পণ্য রপ্তানিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ‘হালাল ভ্যালু চেইন’ উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সমন্বিত হালাল অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলছে। এ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ এবং ইন্দোনেশিয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে আরও সম্প্রসারণ করতে পারে।

আরও পড়ুন: রাজনীতিকে সঠিক পথে পরিচালনায় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর মন্তব্য

তিনি প্রতিবেদনটিতে জানান, ওআইসি ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়া শীর্ষ ১০টি রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে কেবল তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

অন্যদিকে, গ্লোবাল হালাল ইকোনমি ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইনডেক্স-এর সূচকে ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে ৬ষ্ঠ অবস্থানে আছে। এই সূচকে দেশটির হালাল খাদ্য খাতের বর্তমান র‌্যাংকিং ৪র্থ। এছাড়া ফ্যাশন ও পোশাক খাতেও ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করে দেশে বৈচিত্র্যময় হালাল বাজারের সক্ষমতা তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালে ওআইসি যুক্ত দেশগুলোতে হালাল খাদ্য খাতে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ দশমিক ২৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এর সম্ভাব্য বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ২ শতাংশ। একই সময়ে মুসলিম ভোক্তাদের হালাল পোশাক খাতে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ২৭৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

সভায় ইন্দোনেশিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইবিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ রিয়াদ আলী বলেন, ডি-৮ ভুক্ত দেশগুলো তাদের দৈনন্দিন জীবনে ও বাণিজ্যে হালাল পদ্ধতিগুলো প্রয়োগের একটি বড় সুযোগ রয়েছে ডি-৮ হালাল এক্সপো। পাশাপাশি, আমাদের দেশে হালাল সার্টিফিকেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শেখার সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: রটারডাম কনভেনশনে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ, বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা পাবেন

এর আগে, এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর স্বাগত বক্তব্যে জানান, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে একটি চমৎকার ও সুদৃঢ় বাণিজ্য সম্পর্ক বিদ্যমান। যদিও এ বাণিজ্যে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডি-৮ হালাল এক্সপোর মতো আন্তর্জাতিক আয়োজন দুই দেশের বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বকে আরও বহুমুখী করবে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।

তিনি বাংলাদেশ থেকে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল ডি-৮ হালাল এক্সপো ২০২৬-এ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এফবিসিসিআই আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলেও আশ্বস্ত করেন।

সভায় এফবিসিসিআই’র সাবেক পরিচালক ও বারভিডা’র সভাপতি আব্দুল হক, এফবিসিসিআই’র সাবেক পরিচালক গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী (খোকন), এফবিসিসিআই’র সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আবুল হাশেম আবুল হাশেম, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, এফবিসিসিআই’র সাধারণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়, বিএসটিআই, বিডা, ইপিবি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-ভারতের দুর্গাপূজার মধ্যে গভীর মিলের কথা বললেন ডেপুটি হাই কমিশনার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাকিরের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ে সিরিজে শুভসূচনা বাংলাদেশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ পি.এম


জাকিরের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ে সিরিজে শুভসূচনা বাংলাদেশের

বগুড়ায় বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের জার্সি দেখে সকলের চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়! অনেকেই এমন প্রশ্ন করছেন, বাংলাদেশ কি জার্সি খুঁজে না পেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সি গায়ে চাপিয়ে নেমে পড়েছে? নানা কানাঘুষার মাঝেই জিম্বাবুয়ে 'এ' দলের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে রান উৎসব পালন করেছে বাংলাদেশ, রান তাড়ায় জিম্বাবুয়েও আশানুরূপভাবে কম যায়নি। শেষ পর্যন্ত ৬৪৩ রানের ম্যাচে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ।

সোমবার (৮ জুন) বগুড়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে জিম্বাবুয়ে 'এ' দলকে ৮৫ রানের ব্যবধানে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুতেই একটি ধাক্কা খায়। মাত্র ৬ রানের মাথায় ওপেনার শাহাদাত হোসেন দিপু বিদায় নেন। কিন্তু অধিনায়ক জাকির হাসান তখন ঢাল হয়ে সামনে এসে দাঁড়ান।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ইফতেখার হোসেন ইফতির সঙ্গে শতরানের জুটি গড়ে তোলেন জাকির। এই জুটি বড় সংগ্রহের ভিত তৈরি করে।

অধিনায়ক জাকির আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে সেঞ্চুরি তুলে নেন। ৯৭ বলে ১১৯ রানের ইনিংসে তিনি হাঁকান ৯টি চার এবং ৫টি ছক্কা। ওয়ান ডাউনে নেমে ইফতি ৫৮ বলে ৭০ রান করেন।

মিডল অর্ডারের অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও ভালো অবদান রাখেন। অমিত হাসান ৩১, ইয়াসির আলী ৩৪ এবং আকবর আলী ২৭ রান করেন। শেষদিকে সামিউন বশির ১৮ বলে ৪১ রানের ক্যামিওর মাধ্যমে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৩৬৪ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ের শুরুটাও ভালো ছিল। কিন্তু ক্রমবর্ধমান রানরেটের সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে তারা চাপে পড়ে।

ওপেনারে ইনোসেন্ট কাইয়া ২৬ এবং ম্যাথিউ ক্যাম্পবেল ৫২ রানের ইনিংস খেলেন।

কিন্তু জিম্বাবুয়ের হয়ে আসল লড়াইটা করেছেন ওয়েসলি মাধেভেরে। তার ৯৩ বলে ১৩ চার ও ৩ ছক্কায় খেলা ১১৬ রানের ইনিংসই জিম্বাবুয়েকে লড়াইয়ে পুরে রাখে। তবে শেষ পর্যন্ত এ ইনিংসে হারের ব্যবধান এক্ষেত্রে কমে এসেছে।

জিম্বাবুয়ে 'এ' দল শেষ পর্যন্ত ৪৮.৫ ওভারে ২৭৯ রানে অলআউট হয়ে যায়।

ব্যাট হাতে ক্যামিও খেলা সামিউন বসির পরে বাঁহাতি স্পিনার ৩ উইকেট নিয়েছেন। রোহানাত দৌল্লাহ বর্ষণও ৩ উইকেট লাভ করেছেন। রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম ২টি এবং খালেদ আহমেদ ১টি উইকেট শিকার করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেকর্ড হারালেন মোসাদ্দেক, দেশের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান সোহান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


রেকর্ড হারালেন মোসাদ্দেক, দেশের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান সোহান

লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি হাবিবুর রহমান সোহান ৩ বছর আগেই গড়েছিলেন। যদিও মাঝখানে সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তবে রেকর্ডটি ভাগাভাগি করা সোহানের পছন্দ ছিল না। মাত্র ১ মাসের মধ্যে এককভাবে রেকর্ডটি তিনি নিজের করে নিলেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের এই তারকা।

সোহান মাত্র এক ম্যাচ আগে ১৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেই ঝড়ের রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবার (৮ জুন) ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) নবম রাউন্ডে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন।

ম্যাচটি চলাকালীন ইউল্যাব মাঠে শুরু থেকেই সোহান ঝড় তোলে। তিনি ২৬ বলে অর্ধশতক ছুঁয়ে ফেলেন। এরপর তিনি আরো রুদ্রমূর্তি ধারণ করে পরের পঞ্চাশ পূর্ণ করেন মাত্র ১৯ বলে। ৮ চার ও ৯ ছক্কায় সেঞ্চুরিতে পৌঁছান।

আউট হওয়ার আগে সোহান ৮টি চার ও ১৩টি ছক্কায় ৫৮ বলে ১৩০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন।

এর আগে ২০২৩ সালের বিসিএলে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি হাঁকানো সোহানের রেকর্ডই ছিল লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে কোনো বাংলাদেশির দ্রুততম সেঞ্চুরি। চলমান ডিপিএলে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করে সোহানের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছিলেন মোসাদ্দেক।

ম্যাচটাতে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ শেষ পর্যন্ত ৭৪ রানে জয় পায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন কাজী শায়রুল হাসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন কাজী শায়রুল হাসান

বিশিষ্ট ব্যাংকার ও কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব কাজী শায়রুল হাসানকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কাজী শায়রুল হাসান কর্মজীবনে ব্যাংকিং, আর্থিক সেবা, এফএমসিজি, টেলিযোগাযোগ ও সেবা খাতে ৪১ বছরেরও বেশি সময়ের সমৃদ্ধ পেশাগত অভিজ্ঞতার অধিকারী।

তিনি ফাইসন্স (ইউকে) লিমিটেড, আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেডসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

কাজী শায়রুল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে এমবিএ ডিগ্রি এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যানেজমেন্ট (পিজিডিআইএম) অর্জন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটে করদাতাদের জন্য বিশাল সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


বাজেটে করদাতাদের জন্য বিশাল সুখবর

বিনিয়োগের গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ কর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মানসিকতার সহিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে আয়কর সংক্রান্ত বিভিন্ন বড় প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। মধ্যবিত্ত করদাতাদের শুধু স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্য নয়, বরং তরুণদের জন্য আরও নতুন সুযোগ তৈরি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণেও এবারের বাজেটে কর কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে যে, করদাতাদের জন্য যেন তারা আগেই নিজেদের করের হার অনুমান করতে পারেন, সেজন্য আগামী ৫ বছরের জন্য একটি প্রগতিশীল কর কাঠামো ঘোষণা করার প্রস্তাব হতে পারে।

ধাপে ধাপে বাড়ানো হচ্ছে করমুক্ত আয়ের সীমা।

মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের বাস্তবতা মাথায় রেখে আগামী ৫ বছরের জন্য ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে। সম্ভাব্য প্রস্তাবনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে-

সাধারণ করদাতা: ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে তাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা এবং ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে এটি বাড়িয়ে ৪ লক্ষ টাকা এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত হবে।

নারী ও সিনিয়র সিটিজেন (৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব): সাধারণ সীমার চেয়ে আরও ৫০ হাজার টাকা বেশি সুবিধা পাবেন। ফলে, তাদের করমুক্ত সীমা হবে ৪ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা।

জুলাই যোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা: ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত গেজেটভুক্ত "জুলাই যোদ্ধা" এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এই সীমা শুরুতেই ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা থাকবে, যা ২০৩০-৩১ করবর্ষে বৃদ্ধি পেয়ে ৬ লক্ষ টাকা হবে।

তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতা: তাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা শুরু হচ্ছে ৫ লক্ষ টাকা থেকে।

বিশেষ ছাড়: প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের জন্য প্রত্যেক সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা আরও ৫০,০০০ টাকা বাড়ানো হবে।

সম্ভাব্য প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য করের ধাপগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে মধ্যবিত্তের ওপর কোনো চাপ না পড়ে।

ধনীদের ওপর অতিরিক্ত কর ধার্য করা হবে: সমাজের উচ্চবিত্ত বা স্বল্পসংখ্যক ধনী করদাতাদের জন্য ২০২৮-২৯ করবর্ষ থেকে ৩ কোটি টাকার বেশি অবশিষ্ট আয়ের ওপর ৩৫% (৫% অতিরিক্ত) করের প্রস্তাব রয়েছে। মধ্যবিত্তরা এই উচ্চ হারের আওতার বাইরে থাকবেন।

তরুণ ও প্রযুক্তি খাতের জন্য 'মেগা ধামাকা'

দেশের আইটি সেক্টর, তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার জন্য বাজেটে অভূতপূর্ব কিছু সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হতে পারে।

ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন: সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত আয়কে সম্পূর্ণ করমুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

স্টার্টআপ: নতুন উদ্ভাবনী উদ্যোগ বা প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স ০% করার প্রস্তাব রাখা হতে পারে।

এসএমই ও নারী উদ্যোক্তা: ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০ লাখ টাকা এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থেকে অর্জিত আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত থাকবে।

সাধারণ মানুষের জন্য নিত্যপণ্যে করছাড়:

মার্কেটের মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্য কমানোর লক্ষ্যে চাল, ধান, গম, আলু, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেলসহ ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় এবং কৃষিপণ্যের ওপর উৎসের করের হার কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হতে পারে।

উল্লেখযোগ্য অন্যান্য ক্ষেত্র যেখানে করছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে-

স্বাস্থ্য খাত: কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে ৫% অগ্রিম কর সম্পূর্ণ মওকুফ করার প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, যার ফলে প্রতি ডায়ালাইসিসে খরচ ৬০০ টাকার কাছাকাছি কমে যাবে।

পরিবেশবান্ধব যানবাহন: ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক এবং চার্জিং স্টেশন আমদানির ওপর কর ৫% থেকে কমিয়ে ০% করার প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া বিআরটিএ-তে ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (ইভি) রেজিস্ট্রেশন ও নবায়নের অগ্রিম কর দুই লাখ টাকা থেকে কমিয়ে সিসি/কিলোওয়াট অনুযায়ী ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় আনার প্রস্তাব হয়েছে।

স্বর্ণালংকার: স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে উৎসে কর ৫% থেকে কমিয়ে ০.৫% করার প্রস্তাব করা হতে পারে।

প্রযুক্তি পণ্য: কম্পিউটার মনিটর, প্রিন্টার ও ফ্ল্যাশ মেমোরি আমদানিতে অগ্রিম কর ৫% থেকে কমিয়ে ২% করার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেরা করদাতাদের জন্য থাকছে ভিআইপি সুবিধা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে যে, বাজেটে কর ভিত্তি সম্প্রসারণ এবং সৎ করদাতাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। "সেরা করদাতা পুরস্কার নীতিমালার" অধীনে মোট ৬৭ জন সর্বোচ্চ করদাতাকে পুরস্কৃত করা হতে পারে।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা উপভোগ করবেন: জাতীয় ও জেলা পর্যায়ের অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রণ ও অংশগ্রহণের সুযোগ। সরকারি হাসপাতালগুলিতে কেবিন সুবিধা এবং সরকারি সার্কিট হাউসে থাকার জন্য অগ্রাধিকার। বিমান, ট্রেন বা অন্যান্য যানবাহনের টিকিট প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার। বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের বিশেষ সুযোগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%