ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে তেলের দাম


মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক খবরের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা কিছুটা কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য পতন ঘটেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৯ অক্টোবরের জন্য নির্ধারিত ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ২২ সেন্ট বা ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১১৪ দশমিক ১০ ডলারে নেমে এসেছে। একইসাথে, যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ( ওয়েস্ট স্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট) ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৩৩ সেন্ট বা ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১০১ দশমিক ৪৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে শক্তিশালী এক সেশনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করার জন্য মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসেন রেজায়ির কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যা শান্তি আলোচনার পথ সুগম করার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: মার্কিন জেনারেলের বিরুদ্ধে ইরান-ইউক্রেন যুদ্ধের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ

এই কূটনৈতিক অগ্রগতি এবং আলোচনার সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহ পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক কাঁচা তেলের বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে শিক্ষায় সহযোগিতা বাড়াতে বৈঠক অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে শিক্ষায় সহযোগিতা বাড়াতে বৈঠক অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষায় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে হুবেই প্রাদেশিক শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে চীনের উহানে হুবেই প্রাদেশিক শিক্ষা বিভাগের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আবদুল খালেক। প্রতিনিধি দলে শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব ফারহান ইস্তিয়াকও উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, চীনা প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন হুবেই প্রাদেশিক শিক্ষা বিভাগের উপমহাপরিচালক ডুয়ান শুহুই।

বৈঠকের সভাপতিত্বকালে ডুয়ান শুহুই জানান, বর্তমানে হুবেই প্রদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৩০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। তিনি আরও বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের স্বাগত জানানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। যৌথ গবেষণা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার্থী বিনিময়ের মাধ্যমে বহুমাত্রিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

সিনিয়র সচিব মো. আবদুল খালেক দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ‘রেকর্ড অব নোটস’ স্বাক্ষরের প্রস্তাব দেন। তিনি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি জোরদারের আহ্বান জানান। বৈঠকে যৌথ উদ্যোগ ত্বরান্বিত করতে হুবেইয়ের প্রতিনিধি দল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়।

উভয় পক্ষ শিক্ষার্থী বিনিময়, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং যৌথ একাডেমিক প্রকল্প বাস্তবায়নে ঐকমত্য প্রকাশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাহসিফ সৌরির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে জানা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


তাহসিফ সৌরির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে জানা গেল

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির মরদেহে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তবে পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

এই সুরতহাল প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে গাজীপুরের টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান তৈরি করেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি শনাক্ত করেন নিহতের খালাতো ভাই জহির হাসান। মরদেহের মাথার চুল কালো এবং উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। কপাল স্বাভাবিক, মুখমণ্ডল গোলাকার। মুখ ও চোখ বন্ধ ছিল এবং ছোট ছোট কালো দাঁড়ি ও গোঁফ ছিল। হাত দুটি মাথার সামনাসামনি বাঁকা অবস্থায় ছিল।

নাক থেকে রক্ত বের হয়েছে, তবে শরীরের অন্য কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। শরীরের সব অঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে, তবে পেট ফোলা ছিল। হাতের মুষ্ঠি খোলা অবস্থায় পাওয়া গেছে সুরতহাল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তার দ্বারা।

গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে তুরাগ নদ থেকে তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার করেন টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তার মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আজ দুপুরে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাহসিফ সৌরি তার মায়ের সঙ্গে শপিং শেষে বাড়িতে ফেরেন। কিছু সময় পর তিনি এক সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি থেকে বের হন। ২৮ অক্টোবর তার শেষ মেসেজ ছিল- আসছি। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিআইডব্লিউটিসির অবহেলায় শতবর্ষী ৪ প্যাডেল জাহাজের অস্তিত্ব সংকটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


বিআইডব্লিউটিসির অবহেলায় শতবর্ষী ৪ প্যাডেল জাহাজের অস্তিত্ব সংকটে

রাষ্ট্রীয় জাহাজ চলাচল প্রতিষ্ঠান বিআইডব্লিউটিসির অবহেলা ও উদাসীনতার কারণে প্রায় শতবর্ষী চারটি যাত্রীবাহী প্যাডেল নৌযান ধ্বংসের সীমানায় পৌঁছেছে। বর্তমানে চারটি জাহাজের মধ্যে কেবল ‘পিএস মাহসুদ’ ইজারাদারের অধীনে রয়েছে, কিন্তু বাকি তিনটির বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সংস্থাটি। এই কারণে এগুলোর অস্তিত্ব এখন বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। সারাবিশ্বে এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী নৌযানের সংখ্যা খুবই কম, যার মধ্যে চারটি বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত।

ইতিহাস অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, দেশভাগের সময় ব্রিটিশ ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত আইজিএন ও আরএসএন কোম্পানির কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সে অন্তত ২৫টি বাষ্পীয় প্যাডেল জাহাজ নির্মিত হয়েছিল, যা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আওতাধীন ছিল। বিভিন্ন সময়ে বিক্রি ও হ্রাসের পর পিএস গাজী, পিএস কিউই, পিএস অস্ট্রিচ, পিএস মাহসুদ, পিএস লেপচা ও পিএস টার্ন অবশিষ্ট ছিল। ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় পিএস মাহসুদ, পিএস অস্ট্রিচ ও পিএস লেপচায় আধুনিকায়ন শুরু হয়েছিল, যেখানে মেরিন ডিজেল ইঞ্জিন সংযোজন করা হয়। ১৯৮২ সালে যাত্রী পরিবহনে যুক্ত হওয়ার পর হাইড্রোলিক গিয়ারে ত্রুটির কারণে মাত্র তিন হাজার ঘণ্টা চলার পর এগুলো স্থায়ীভাবে বিকল হয়ে যায়।

দীর্ঘ সময় ফেলে রাখার পর ১৯৯৩ সালে মেকানিক্যাল গিয়ার সংযোজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত নৌযানগুলো ঢাকা-বরিশাল-খুলনা রুটে লক্ষাধিক যাত্রী পরিবহন করেছে। ২০০২ সালে নিজস্ব অর্থে পিএস টার্ন জাহাজটিতে নতুন ইঞ্জিন সংযোজন করা হয়। তবে বিআইডব্লিউটিসির রক্ষণাবেক্ষণের অভাবের কারণে ২০১৯ সালের দিকে নৌযানগুলো আবারও ক্রমান্বয়ে বিকল হয়ে পড়ে। করোনা মহামারী শুরু হলে যাত্রী পরিবহন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়।

গত বছর নৌযানগুলো পুনরায় মেরামত ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে পিএস মাহসুদ মেরামত করে ঢাকা-বরিশাল রুটে চালুর পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু পরে তা দিবাকালীন ‘পর্যটক সার্ভিস’ হিসেবে রূপান্তর করা হয়। প্রথম শ্রেণীতে ২৬০০ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণীতে ১৬৫০ টাকা এবং ডেক শ্রেণীতে ৬০০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করে গত বছর ২৮ নভেম্বর মাত্র ৩২ জন যাত্রী নিয়ে জাহাজটি ঢাকা ত্যাগ করে। এরপর নামমাত্র কয়েকটি ট্রিপ পরিচালনার পর সেটিকে ইজারাদারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে ক্রুদের বেতন বাদে মাসিক দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে একটি প্রতিষ্ঠান পিএস মাহসুদ দিয়ে ঢাকা ও আশপাশে পর্যটক সার্ভিস পরিচালনা করছে।

বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক-বাণিজ্য মো. আশিকুজ্জামান জানান, অবশিষ্ট তিনটি নৌযানও শিগগিরই ইজারা দেওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে নৌপরিবহন মন্ত্রীর ইচ্ছায় বেআইনি ও বিনা দরপত্রে ‘পিএস অস্ট্রিচ’ একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়া হয়েছিল। চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে ইজারাদার ওই জাহাজের ওপরিকাঠামোর বেশিরভাগ অংশ ভেঙে ফেলেছে এবং নির্ধারিত ভাড়াও পরিশোধ করেনি। দীর্ঘদিন আটকা থাকার পর সম্প্রতি ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ নিয়ে জাহাজটি উদ্ধার করা হয়। বকেয়া আদায়ের মামলা চলমান থাকলেও সেই বিধ্বস্ত জাহাজটিও পুনরায় ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

অথচ গত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার সামনে ঘোষণা করেছিলেন যে, পিএস অস্ট্রিচসহ সব প্যাডেল নৌযান ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে। কিন্তু বর্তমান সরকারের সাড়ে আট মাসেও এই বিশ্ব ঐতিহ্য রক্ষায় কোনো ইতিবাচক বা কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে পরিচালক-বাণিজ্য আশিকুজ্জামান দাবি করেছেন, মাহসুদ ইজারা দেওয়া হয়েছে এবং বাকিগুলোও ইজারা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক আহমদ গিয়াসের ইন্তেকাল, সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


সাংবাদিক আহমদ গিয়াসের ইন্তেকাল, সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া

সত্যের সন্ধানে নিবেদিত সাংবাদিক আহমদ গিয়াস আর আমাদের মধ্যে নেই। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করার পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন আহমদ গিয়াস। তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক আজাদীতে কর্মরত ছিলেন। পেশাগত জীবনে তিনি সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে সহকর্মীদের কাছে পরিচিত ছিলেন।

সাংবাদিক আহমদ গিয়াসের মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একজন সহকর্মীকে হারিয়ে শোকাহত তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন শোক প্রকাশ করেন।

তারা মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে মরহুম আহমদ গিয়াসকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করার এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এ শোক সইবার ধৈর্য ও শক্তি দান করার তাউফিক কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%