১০:৫৩ পি.এম
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে বসতবাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কারণে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় গরম পানি ছোড়ার কারণে তিতাশ নামের এক ব্যক্তি কিছুটা ঝলসে আহত হন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশ্চিন্তা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিশ্চিন্তা গ্রামের মৃত ডা. আফতাব উদ্দিন মন্ডলের দুই ছেলে, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুস সামাদ মাষ্টার (৮২) এবং সাজ্জাদুর রশিদের (৬৫) পরিবার দীর্ঘদিন ধরে জমি ও বসতবাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধে জড়িত। মঙ্গলবার সকালে সামাদ মাষ্টার সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করলে তার ভাতিজা সুমন বাধা প্রদান করেন। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন শহিদুলের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা হয়।
আরও পড়ুন: মঠবাড়িয়ায় ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
সামাদ মাষ্টারের অভিযোগ, আলোচনার এক পর্যায়ে সুমন গরম পানি ছুড়ে মারলে তার মেয়ের জামাই তিতাশের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। পরে তাকে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। অন্যদিকে, গরম পানি ছোড়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সুমন জানান, তার বড় আব্বা লোকজন নিয়ে জমি না মেপে তার বসতবাড়িতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করেন। তিনি ও তার বাবা বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা হয়। প্রাণভয়ে তারা ঘরে ঢুকে আত্মরক্ষা করেন। এ সময় তার মা উঠানে ভাত রান্না করছিলেন এবং চুলার ওপর তার মেয়ে জামাই তিতাশ পা পিছলে পড়ে গরম পানিতে ঝলসে যান। সুমন দাবি করেন, তারা কেউ গরম পানি ছোড়েননি। এদিকে, সুমন ৯৯৯-এ ফোন করে অভিযোগ করেন যে, তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ উভয় পক্ষকে বিরোধপূর্ণ জায়গায় কাজ বন্ধ রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে পরামর্শ দেয়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন শহিদুল বলেন, সমঝোতার আলোচনা চলাকালে সুমন গরম পানি ছিটালে তিতাশ আহত হন। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন