শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৫ পি.এম
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ঢাকা-সিলেট পুরাতন মহাসড়কের চান্দপুর নামক স্থানে অটোরিকশা ও টমটমের সাথে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
এই দুর্ঘটনাটি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চান্দপুর চা বাগান এলাকায় সংঘটিত হয়।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন উপজেলার হলহলিয়া গ্রামের আজগর খানের ছেলে মোহাদ্দিছ খান (২০) এবং অপরজন সতং গ্রামের শেখ কাইয়ুমের ছেলে নয়ন মিয়া (২০)।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, নিহতরা মোটরসাইকেলে করে চন্ডি-রামগংগা চা বাগান এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে টমটমের সাথে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু ঘটে। দুর্ঘটনার পর সড়কে কিছু সময়ের জন্য যানজট সৃষ্টি হয়।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ভাঙ্গা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যপাড়া হাসামদিয়া মহল্লায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন সুজন মাতুব্বর (৩০), দেলোয়ার খন্দকার ওরফে দেলু (৪০), মো. মান্নান ওরফে মান্দার খা (৫০), মো. মিরাজুল শেখ ওরফে মিরাজ (৩৮), মো. সোহাগ কাজী (২৭), মো. রকীব খান ওরফে রাজু (৩৪), আলমগীর মোল্লা (৩৫) ও হৃদয় খান (২৫)। এই আটজন ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও পিরোজপুর জেলার বাসিন্দা।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভাঙ্গা পৌর এলাকার মধ্যপাড়া হাসামদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। শুক্রবার দুপুরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সুজন মাতুব্বরের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা, দেলোয়ার খন্দকার ওরফে দেলুর বিরুদ্ধে আটটি মামলা, মো. মান্নান ওরফে মান্দার খার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা, মো. সোহাগ কাজীর বিরুদ্ধে একটি মামলা, মো. রকীব খান ওরফে রাজুর বিরুদ্ধে দুটি মামলা এবং মো. মিরাজুল শেখ ওরফে মিরাজের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতির মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লন্ডন: চট্টগ্রামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, গৌরব এবং ব্যবসা-বাণিজ্যকে যুক্তরাজ্যে তুলে ধরার লক্ষ্যে আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার, রমফোর্ডের মেফেয়ার হলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’।
উৎসবকে সামনে রেখে গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায়, পূর্ব লন্ডনের নিউ রোডের তারা-তারে রেস্টুরেন্টে এক প্রেস ব্রিফিং ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সুজন বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী রেজা ও মো. মাসুদুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সাংবাদিক সম্মেলনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও কমিউনিটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে আয়োজকদের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলী রেজা চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬-এর প্রেস রিলিজ পাঠ করে শোনান। এতে উৎসবের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
আয়োজকরা জানান, চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয়োজন নয়; এটি চট্টগ্রামবাসীর সম্মিলিত ঐতিহ্য, পরিচয় ও গৌরবের উৎসব। যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে নিজ শিকড়ের সংযোগ আরও শক্তিশালী করাই উৎসবের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের জন্যও এ উৎসব একটি কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম উৎসবকে আরও বৃহৎ পরিসরে, উন্মুক্ত মাঠে এবং আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজন করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী উপাদান যথাযথ মর্যাদায় উৎসবের অংশ হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।
চট্টগ্রাম উৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাজ্যে কার্যরত বিভিন্ন চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটির বিভিন্ন অংশকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। পারস্পরিক সহযোগিতা, মতবিনিময় ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কমিউনিটি গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আয়োজক, শিল্পী, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, স্বেচ্ছাসেবক, সংগঠক কিংবা দর্শনার্থী যে ভূমিকাতেই থাকুন না কেন, সবার অংশগ্রহণেই এ উদ্যোগ আরও সমৃদ্ধ হবে। তাই যুক্তরাজ্যের সকল চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠন, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, তরুণ প্রজন্ম এবং সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করা হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, আবুল মুনছুর শাহজাহান, আরশাদ মালেক, শওকাত মাহমুদ টিপু, কাউন্সিলর ফিরোজ গনি, ইঞ্জিনিয়ার মো. আলমগীর, সলিসিটর জাগির আলম, মোহাম্মাদ কায়সার, মনির মাহমুদ, সুজন বড়ুয়া, অনুপম দাদা, মোহাম্মদ আলী রেজা, মো. মাসুদুর রহমান, শওকাত ওসমান, রায়হান চৌধুরী টিটু, আনন্দ বড়ুয়া, এম. আলিম উল্লাহ রাহাত, মোরশেদ ইসলাম, মোহাম্মদ আসলাম, গিয়াস উদ্দিন, ওমর বাপ্পী, সোহেল ইসলাম, মোছাম্মৎ সাদিয়া, শেখ সাজ্জাদ হোসেন, সায়েদ এ. এম. সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ রাকিব উদ্দিন, ওমর গনি, সায়েদ রফিকুল ইসলাম, মো. সাজ্জাদ হোসেন সায়েম, আশিকুর রহমান, তানভীর, নাবিল রহমানসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রতিনিধিরা।
এ সময় গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে, সন্দ্বীপ সমিতি ইউকে, গ্রেটার ম্যানচেস্টার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন, গ্লোবাল চাটগাঁ সোসাইটি ইউকে, কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে, বকতিয়ার সোসাইটি ইউকে, সীতাকুণ্ড সমিতি, চট্টগ্রাম ক্লাব ইউকে, ব্রিটিশ বাংলাদেশি ফোরাম, সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন এবং চট্টগ্রাম কমিউনিটি কেন্টসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলন শেষে চট্টগ্রাম উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী, অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, সম্মিলিত উদ্যোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমে চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ একটি মর্যাদাপূর্ণ, সর্বজনীন ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আধুনিক প্রজন্মের প্রেমের গল্পে নব্বই দশকের ভালোবাসা, অপেক্ষা এবং আন্তরিকতার একটি বিশেষ আবহ তৈরি হয়েছে। কমেডি, রোমান্স ও পারিবারিক নাটকের মিশ্রণে নির্মিত ওয়েব ফিল্ম ‘মিশন ডিডিএলজে’ সম্প্রতি প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক এবং এটি বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রদর্শিত হয়।
প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে ছবির কলাকুশলীদের পাশাপাশি শোবিজের অনেক তারকা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন আশনা হাবিব ভাবনা, মন্দিরা চক্রবর্তী, আজিজুল হাকিম, নাজমি জান্নাত, ইমতিয়াজ বর্ষণ এবং এসআরকে ইউনিভার্স বাংলাদেশ ফ্যান ক্লাবের সদস্যরা।
‘মিশন ডিডিএলজে’-এর প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদ নাওভী এবং লাবণ্য চৌধুরী। অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন আরমান বিন মাহমুদ, সাদিয়া ইসলাম জুই, শওকত শোভন, মাসুদ মহিউদ্দিন, শেখ স্বপ্না, শারমিন সুলতানা শর্মী, নিয়ন আহসান এবং নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক।
ছবির কাহিনী ধ্রুব ও দিয়ার প্রেমকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। বর্তমান সময়ের এই জুটি নব্বই দশকের একটি প্রেমকাহিনির মূল্যবোধ ও আবেগ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের ভালোবাসার গল্প তৈরি করতে চায়। তাদের যাত্রায় নানা বাধা-বিপত্তি, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রেমের বিচিত্র অনুভূতি উঠে এসেছে। গল্পের প্রতিটি পরতে রয়েছে নানা বাঁক, যা প্রেম, হাস্যরস, বন্ধুত্ব এবং পারিবারিক সম্পর্কের মাধ্যমে একটি স্বস্তিদায়ক রোমান্টিক-কমেডির আবহ তৈরি করেছে।
প্রিমিয়ার শেষে অতিথি ও তারকারা ছবিটি নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা এবং ভালো লাগার কথা জানান। ধ্রুব চরিত্রে অভিনয় করা সাদ নাওভী বলেন, "কমেডি, রোম্যান্স ও ফ্যামিলি ড্রামার একটি দারুণ কম্বিনেশন ‘মিশন ডিডিএলজে’। এটি একটি ফিল-গুড গল্প। ক্লাসিক ধাঁচের একটি চরিত্রকে নিজের মতো করে আয়ত্ত করতে পারাটা তার জন্য দারুণ এক অনুভূতি। চরিত্রটির সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা বিশেষ ভালো লাগা দিয়েছে।"
দিয়া চরিত্রে অভিনয় করা লাবণ্য জানান, কাজটির অভিজ্ঞতা তার জন্য দারুণ ছিল। তিনি বলেন, "৯০ দশকের প্রেমের গল্প আমার ব্যক্তিগতভাবেই খুব পছন্দ। তাই চরিত্রটি ধারণ করতে খুব বেশি প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়নি। তবে কিছু রিহার্সাল করতে হয়েছে। নাওভির সঙ্গে প্রথমবার জুটি গড়ে কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল। আমি বিশ্বাস করি, বর্তমান প্রজন্মও গল্পটি উপভোগ করবে এবং নিজেদের প্রেমে সেই আবেগের ছায়া খুঁজে পাবে।"
নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক জানান, নব্বই দশকের রোমান্টিক ছবির আবেগ ও মূল্যবোধকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরার ভাবনা থেকেই ‘মিশন ডিডিএলজে’ নির্মাণ করেছেন তিনি।
অর্ক বলেন, "আমি যেহেতু ৮০ দশকে জন্ম এবং ৯০ দশকের রোমান্টিক গল্পগুলো দেখে বড় হওয়া, আমার চেষ্টা ছিল ৯০ দশকের ক্লাসিক লাভ স্টোরির মূল্যবোধ ও অনুভূতিকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা। গল্প ও চরিত্রগুলো আধুনিক, কিন্তু তারা ৯০ দশকের প্রেমের গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের ভালোবাসার গল্প গড়ে তুলতে চায়। তাই এটি একদিকে আধুনিক, অন্যদিকে নস্টালজিক।"
ছবিটির নামের পেছনের গল্প জানিয়ে নির্মাতা আরও বলেন, "দর্শক এখানে ক্লাসিক অনেক জনপ্রিয় রোমান্টিক চলচ্চিত্রের আবহ খুঁজে পাবেন। D D L J এর পূর্ণ রূপ ‘Dhrubo-Diya’s Love Journey’। অবশ্যই এর একটি লুকানো অর্থ আছে, তবে সবকিছু আগে বলে দিলে রহস্য নষ্ট হয়ে যাবে। আমি শুধু এটুকু বলতে পারি, বর্তমান জেনারেশন থেকে শুরু করে আমাদের মা-বাবা, দাদি-নানি র জেনারেশন পর্যন্ত সবাই গল্পটি পছন্দ করবে। কারণ তারা এই গল্পে তাদের পুরান মূল্যবোধ খুঁজে পাবে। দর্শক ওয়েব ফিল্মটি দেখে আশাহত হবেন না। পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে উপভোগ করতে পারবেন।"
ওয়েব ফিল্মটির নির্বাহী প্রযোজক আশেক হোসেন তন্ময় বলেন, "এই প্রজেক্টে কাজ করতে গিয়ে আমরা সবাই যেন একটি পরিবারের মতো হয়ে গিয়েছিলাম। টিমের প্রত্যেকের কাজে ছিল আন্তরিকতা, সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া। সেই বন্ধনই পুরো টিমকে একসঙ্গে কাজ করার শক্তি জুগিয়েছে।"
‘মিশন ডিডিএলজে’র মতো বড় একটি প্রকল্পের দায়িত্ব ও আস্থা দেওয়ার জন্য ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এবং চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নির্মাতা অর্ক ও নির্বাহী প্রযোজক আশেক হোসেন তন্ময়।
২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে আইস্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে ওয়েব ফিল্মটি। এটি দেখতে খরচ হবে ১৫ টাকা অথবা থাকতে হবে আইস্ক্রিনের সাবস্ক্রিপশন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত না হলে একটি দেশের প্রকৃত সমৃদ্ধি সম্ভব নয়।
তিনি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ওয়ার্ল্ড ফার্মাসিস্ট ডে-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
রুহুল কবীর রিজভী উল্লেখ করেন, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো যথেষ্ট নয়; মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাও জাতীয় সমৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ডের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একটি ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একজন রোগীর চিকিৎসার অধিকার এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে দেশের হাসপাতাল, ক্লিনিক, ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সব খাতকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে। চিকিৎসকের দায়িত্বের পাশাপাশি রোগীর প্রয়োজনীয় ওষুধ নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও থাকতে হবে।
দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে রিজভী বলেন, দেশে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের ওষুধশিল্পকে আরও শক্তিশালী ও মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সমাজের ঝুঁকিপূর্ণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অনেকেই সহজে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন না। তাদের জন্য ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ডের মতো উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।
রিজভী আরও বলেন, শান্তি ও সমৃদ্ধির যে লক্ষ্য সামনে রাখা হয়েছে, তা অর্জনের জন্য জাতীয় ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ। সমৃদ্ধি বলতে শুধু মানুষের আয় বা খাদ্য কেনার সক্ষমতা বোঝায় না; একজন মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সক্ষমতাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তিনি আরও বলেন, যে দেশ তার নাগরিকদের উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারে না, সেই দেশের সামগ্রিক সামাজিক উন্নয়নও পূর্ণতা পায় না। তাই জাতীয় সমৃদ্ধির সূচকগুলো মূল্যায়নের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবার অবস্থান ও মানকে গুরুত্ব দিতে হবে।
দেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে পেশাজীবীদের জ্ঞান, দক্ষতা, চিন্তা, উদ্ভাবন ও নতুন ধারণাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, অতীতে বিভিন্ন সেক্টরে দলীয়করণ ও দখলদারিত্বের মাধ্যমে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভবিষ্যতে এসব খাতকে উন্নত করতে পেশাজীবীদের চিন্তা, উদ্ভাবন ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশকে শান্তিময় ও সমৃদ্ধিশালী করতে স্বাস্থ্যসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে আধুনিক ও কার্যকরভাবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
সোসাইটি অফ বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টের আহ্বায়ক মো. জাকারিয়া হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, ইউজিসির সদস্য ড. আসলাম হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর ড. মামুনুর রশিদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর ড. শফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. মো. সোহেল রানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ডিন প্রফেসর সেলিম রেজা, একই বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. শাহ আরমান প্রমুখ। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. মো. আব্দুর রশিদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ