ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফরিদপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৮ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র


ফরিদপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৮ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র

ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ভাঙ্গা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যপাড়া হাসামদিয়া মহল্লায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন সুজন মাতুব্বর (৩০), দেলোয়ার খন্দকার ওরফে দেলু (৪০), মো. মান্নান ওরফে মান্দার খা (৫০), মো. মিরাজুল শেখ ওরফে মিরাজ (৩৮), মো. সোহাগ কাজী (২৭), মো. রকীব খান ওরফে রাজু (৩৪), আলমগীর মোল্লা (৩৫) ও হৃদয় খান (২৫)। এই আটজন ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও পিরোজপুর জেলার বাসিন্দা।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভাঙ্গা পৌর এলাকার মধ্যপাড়া হাসামদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: ‘সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবেন, তা নিশ্চিত করব’ এমপি খোকন তালুকদার

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। শুক্রবার দুপুরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সুজন মাতুব্বরের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা, দেলোয়ার খন্দকার ওরফে দেলুর বিরুদ্ধে আটটি মামলা, মো. মান্নান ওরফে মান্দার খার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা, মো. সোহাগ কাজীর বিরুদ্ধে একটি মামলা, মো. রকীব খান ওরফে রাজুর বিরুদ্ধে দুটি মামলা এবং মো. মিরাজুল শেখ ওরফে মিরাজের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতির মামলা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬: ঐতিহ্য-সংস্কৃতির পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও কমিউনিটি ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শ‌হিদুল ইসলাম, প্রতি‌বেদক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬: ঐতিহ্য-সংস্কৃতির পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও কমিউনিটি ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম

লন্ডন: চট্টগ্রামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, গৌরব এবং ব্যবসা-বাণিজ্যকে যুক্তরাজ্যে তুলে ধরার লক্ষ্যে আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার, রমফোর্ডের মেফেয়ার হলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’।

উৎসবকে সামনে রেখে গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায়, পূর্ব লন্ডনের নিউ রোডের তারা-তারে রেস্টুরেন্টে এক প্রেস ব্রিফিং ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সুজন বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী রেজা ও মো. মাসুদুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সাংবাদিক সম্মেলনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও কমিউনিটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে আয়োজকদের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলী রেজা চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬-এর প্রেস রিলিজ পাঠ করে শোনান। এতে উৎসবের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

আয়োজকরা জানান, চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয়োজন নয়; এটি চট্টগ্রামবাসীর সম্মিলিত ঐতিহ্য, পরিচয় ও গৌরবের উৎসব। যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে নিজ শিকড়ের সংযোগ আরও শক্তিশালী করাই উৎসবের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের জন্যও এ উৎসব একটি কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম উৎসবকে আরও বৃহৎ পরিসরে, উন্মুক্ত মাঠে এবং আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজন করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী উপাদান যথাযথ মর্যাদায় উৎসবের অংশ হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।

চট্টগ্রাম উৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাজ্যে কার্যরত বিভিন্ন চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটির বিভিন্ন অংশকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। পারস্পরিক সহযোগিতা, মতবিনিময় ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কমিউনিটি গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আয়োজক, শিল্পী, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, স্বেচ্ছাসেবক, সংগঠক কিংবা দর্শনার্থী যে ভূমিকাতেই থাকুন না কেন, সবার অংশগ্রহণেই এ উদ্যোগ আরও সমৃদ্ধ হবে। তাই যুক্তরাজ্যের সকল চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠন, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, তরুণ প্রজন্ম এবং সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করা হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, আবুল মুনছুর শাহজাহান, আরশাদ মালেক, শওকাত মাহমুদ টিপু, কাউন্সিলর ফিরোজ গনি, ইঞ্জিনিয়ার মো. আলমগীর, সলিসিটর জাগির আলম, মোহাম্মাদ কায়সার, মনির মাহমুদ, সুজন বড়ুয়া, অনুপম দাদা, মোহাম্মদ আলী রেজা, মো. মাসুদুর রহমান, শওকাত ওসমান, রায়হান চৌধুরী টিটু, আনন্দ বড়ুয়া, এম. আলিম উল্লাহ রাহাত, মোরশেদ ইসলাম, মোহাম্মদ আসলাম, গিয়াস উদ্দিন, ওমর বাপ্পী, সোহেল ইসলাম, মোছাম্মৎ সাদিয়া, শেখ সাজ্জাদ হোসেন, সায়েদ এ. এম. সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ রাকিব উদ্দিন, ওমর গনি, সায়েদ রফিকুল ইসলাম, মো. সাজ্জাদ হোসেন সায়েম, আশিকুর রহমান, তানভীর, নাবিল রহমানসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রতিনিধিরা।

এ সময় গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে, সন্দ্বীপ সমিতি ইউকে, গ্রেটার ম্যানচেস্টার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন, গ্লোবাল চাটগাঁ সোসাইটি ইউকে, কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে, বকতিয়ার সোসাইটি ইউকে, সীতাকুণ্ড সমিতি, চট্টগ্রাম ক্লাব ইউকে, ব্রিটিশ বাংলাদেশি ফোরাম, সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন এবং চট্টগ্রাম কমিউনিটি কেন্টসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক সম্মেলন শেষে চট্টগ্রাম উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী, অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, সম্মিলিত উদ্যোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমে চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ একটি মর্যাদাপূর্ণ, সর্বজনীন ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধ্রুব-দিয়ার প্রেমে ক্ল্যাসিক ভালোবাসার ছোঁয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


ধ্রুব-দিয়ার প্রেমে ক্ল্যাসিক ভালোবাসার ছোঁয়া

আধুনিক প্রজন্মের প্রেমের গল্পে নব্বই দশকের ভালোবাসা, অপেক্ষা এবং আন্তরিকতার একটি বিশেষ আবহ তৈরি হয়েছে। কমেডি, রোমান্স ও পারিবারিক নাটকের মিশ্রণে নির্মিত ওয়েব ফিল্ম ‘মিশন ডিডিএলজে’ সম্প্রতি প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক এবং এটি বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রদর্শিত হয়।

প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে ছবির কলাকুশলীদের পাশাপাশি শোবিজের অনেক তারকা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন আশনা হাবিব ভাবনা, মন্দিরা চক্রবর্তী, আজিজুল হাকিম, নাজমি জান্নাত, ইমতিয়াজ বর্ষণ এবং এসআরকে ইউনিভার্স বাংলাদেশ ফ্যান ক্লাবের সদস্যরা।

‘মিশন ডিডিএলজে’-এর প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদ নাওভী এবং লাবণ্য চৌধুরী। অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন আরমান বিন মাহমুদ, সাদিয়া ইসলাম জুই, শওকত শোভন, মাসুদ মহিউদ্দিন, শেখ স্বপ্না, শারমিন সুলতানা শর্মী, নিয়ন আহসান এবং নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক।

ছবির কাহিনী ধ্রুব ও দিয়ার প্রেমকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। বর্তমান সময়ের এই জুটি নব্বই দশকের একটি প্রেমকাহিনির মূল্যবোধ ও আবেগ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের ভালোবাসার গল্প তৈরি করতে চায়। তাদের যাত্রায় নানা বাধা-বিপত্তি, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রেমের বিচিত্র অনুভূতি উঠে এসেছে। গল্পের প্রতিটি পরতে রয়েছে নানা বাঁক, যা প্রেম, হাস্যরস, বন্ধুত্ব এবং পারিবারিক সম্পর্কের মাধ্যমে একটি স্বস্তিদায়ক রোমান্টিক-কমেডির আবহ তৈরি করেছে।

প্রিমিয়ার শেষে অতিথি ও তারকারা ছবিটি নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা এবং ভালো লাগার কথা জানান। ধ্রুব চরিত্রে অভিনয় করা সাদ নাওভী বলেন, "কমেডি, রোম্যান্স ও ফ্যামিলি ড্রামার একটি দারুণ কম্বিনেশন ‘মিশন ডিডিএলজে’। এটি একটি ফিল-গুড গল্প। ক্লাসিক ধাঁচের একটি চরিত্রকে নিজের মতো করে আয়ত্ত করতে পারাটা তার জন্য দারুণ এক অনুভূতি। চরিত্রটির সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা বিশেষ ভালো লাগা দিয়েছে।"

দিয়া চরিত্রে অভিনয় করা লাবণ্য জানান, কাজটির অভিজ্ঞতা তার জন্য দারুণ ছিল। তিনি বলেন, "৯০ দশকের প্রেমের গল্প আমার ব্যক্তিগতভাবেই খুব পছন্দ। তাই চরিত্রটি ধারণ করতে খুব বেশি প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়নি। তবে কিছু রিহার্সাল করতে হয়েছে। নাওভির সঙ্গে প্রথমবার জুটি গড়ে কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল। আমি বিশ্বাস করি, বর্তমান প্রজন্মও গল্পটি উপভোগ করবে এবং নিজেদের প্রেমে সেই আবেগের ছায়া খুঁজে পাবে।"

নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক জানান, নব্বই দশকের রোমান্টিক ছবির আবেগ ও মূল্যবোধকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরার ভাবনা থেকেই ‘মিশন ডিডিএলজে’ নির্মাণ করেছেন তিনি।

অর্ক বলেন, "আমি যেহেতু ৮০ দশকে জন্ম এবং ৯০ দশকের রোমান্টিক গল্পগুলো দেখে বড় হওয়া, আমার চেষ্টা ছিল ৯০ দশকের ক্লাসিক লাভ স্টোরির মূল্যবোধ ও অনুভূতিকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা। গল্প ও চরিত্রগুলো আধুনিক, কিন্তু তারা ৯০ দশকের প্রেমের গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের ভালোবাসার গল্প গড়ে তুলতে চায়। তাই এটি একদিকে আধুনিক, অন্যদিকে নস্টালজিক।"

ছবিটির নামের পেছনের গল্প জানিয়ে নির্মাতা আরও বলেন, "দর্শক এখানে ক্লাসিক অনেক জনপ্রিয় রোমান্টিক চলচ্চিত্রের আবহ খুঁজে পাবেন। D D L J এর পূর্ণ রূপ ‘Dhrubo-Diya’s Love Journey’। অবশ্যই এর একটি লুকানো অর্থ আছে, তবে সবকিছু আগে বলে দিলে রহস্য নষ্ট হয়ে যাবে। আমি শুধু এটুকু বলতে পারি, বর্তমান জেনারেশন থেকে শুরু করে আমাদের মা-বাবা, দাদি-নানি র জেনারেশন পর্যন্ত সবাই গল্পটি পছন্দ করবে। কারণ তারা এই গল্পে তাদের পুরান মূল্যবোধ খুঁজে পাবে। দর্শক ওয়েব ফিল্মটি দেখে আশাহত হবেন না। পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে উপভোগ করতে পারবেন।"

ওয়েব ফিল্মটির নির্বাহী প্রযোজক আশেক হোসেন তন্ময় বলেন, "এই প্রজেক্টে কাজ করতে গিয়ে আমরা সবাই যেন একটি পরিবারের মতো হয়ে গিয়েছিলাম। টিমের প্রত্যেকের কাজে ছিল আন্তরিকতা, সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া। সেই বন্ধনই পুরো টিমকে একসঙ্গে কাজ করার শক্তি জুগিয়েছে।"

‘মিশন ডিডিএলজে’র মতো বড় একটি প্রকল্পের দায়িত্ব ও আস্থা দেওয়ার জন্য ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এবং চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নির্মাতা অর্ক ও নির্বাহী প্রযোজক আশেক হোসেন তন্ময়।

২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে আইস্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে ওয়েব ফিল্মটি। এটি দেখতে খরচ হবে ১৫ টাকা অথবা থাকতে হবে আইস্ক্রিনের সাবস্ক্রিপশন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যসেবা উন্নত না হলে প্রকৃত সমৃদ্ধি সম্ভব নয়: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


স্বাস্থ্যসেবা উন্নত না হলে প্রকৃত সমৃদ্ধি সম্ভব নয়: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত না হলে একটি দেশের প্রকৃত সমৃদ্ধি সম্ভব নয়।

তিনি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ওয়ার্ল্ড ফার্মাসিস্ট ডে-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

রুহুল কবীর রিজভী উল্লেখ করেন, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো যথেষ্ট নয়; মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাও জাতীয় সমৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ডের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একটি ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একজন রোগীর চিকিৎসার অধিকার এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে দেশের হাসপাতাল, ক্লিনিক, ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সব খাতকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে। চিকিৎসকের দায়িত্বের পাশাপাশি রোগীর প্রয়োজনীয় ওষুধ নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও থাকতে হবে।

দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে রিজভী বলেন, দেশে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের ওষুধশিল্পকে আরও শক্তিশালী ও মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সমাজের ঝুঁকিপূর্ণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অনেকেই সহজে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন না। তাদের জন্য ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ডের মতো উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।

রিজভী আরও বলেন, শান্তি ও সমৃদ্ধির যে লক্ষ্য সামনে রাখা হয়েছে, তা অর্জনের জন্য জাতীয় ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ। সমৃদ্ধি বলতে শুধু মানুষের আয় বা খাদ্য কেনার সক্ষমতা বোঝায় না; একজন মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সক্ষমতাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি আরও বলেন, যে দেশ তার নাগরিকদের উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারে না, সেই দেশের সামগ্রিক সামাজিক উন্নয়নও পূর্ণতা পায় না। তাই জাতীয় সমৃদ্ধির সূচকগুলো মূল্যায়নের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবার অবস্থান ও মানকে গুরুত্ব দিতে হবে।

দেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে পেশাজীবীদের জ্ঞান, দক্ষতা, চিন্তা, উদ্ভাবন ও নতুন ধারণাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, অতীতে বিভিন্ন সেক্টরে দলীয়করণ ও দখলদারিত্বের মাধ্যমে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভবিষ্যতে এসব খাতকে উন্নত করতে পেশাজীবীদের চিন্তা, উদ্ভাবন ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশকে শান্তিময় ও সমৃদ্ধিশালী করতে স্বাস্থ্যসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে আধুনিক ও কার্যকরভাবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

সোসাইটি অফ বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টের আহ্বায়ক মো. জাকারিয়া হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, ইউজিসির সদস্য ড. আসলাম হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর ড. মামুনুর রশিদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর ড. শফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. মো. সোহেল রানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ডিন প্রফেসর সেলিম রেজা, একই বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. শাহ আরমান প্রমুখ। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. মো. আব্দুর রশিদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্যারোলে মুক্তি পেয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন গ্যাংস্টার, পাহারায় ছিল পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


প্যারোলে মুক্তি পেয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন গ্যাংস্টার, পাহারায় ছিল পুলিশ

পুরোহিত মন্ত্র পড়তে পড়তে হন্তদন্ত হয়ে ছিলেন, আর অগ্নিকুণ্ডে একটার পর একটা ‘স্বহা, স্বহা’ শব্দে আহুতি দিচ্ছিলেন। অন্যদিকে, মেটা তার কান্নাকাটি করা তিন সন্তানের একজনকে ফোনের স্ক্রিনে ইউটিউব চালিয়ে শান্ত রাখতে চেষ্টা করছিলেন। আগুনের ধোঁয়ায় তার চোখ জ্বলছিল। বারবার তিনি একবার সন্তানদের দিকে তাকাচ্ছিলেন, আবার ফিরে তাকাচ্ছিলেন যজ্ঞের আগুনের দিকে।

গ্যাংস্টার মাইনপাল ধিল্লার দুই হাত একটি বড় কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল—এটি সম্ভবত তার হাতের হাতকড়াটা ঢেকে রাখার জন্যই করা হয়েছিল। তবুও কাপড়ের ফাঁক দিয়ে মাঝে মাঝে ঝিকমিক করে উঠছিল ধাতব হাতকড়াটি। কেউ খেয়াল করতেই আবার দ্রুত কাপড় দিয়ে সেটি ঢেকে দেওয়া হচ্ছিল।

মণ্ডপের চারপাশে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পুলিশ সদস্যরা কড়া নজরদারি চালাচ্ছিলেন। অদূরেই বরের নারী আত্মীয়রা নারী কনস্টেবলদের সঙ্গে গল্পে মেতে ছিলেন এবং কনের লেহেঙ্গাটা ঘুরেফিরে দেখছিলেন।

‘কনের লেহেঙ্গাটা কিন্তু একদম গায়ে মানায়নি,’ মন্তব্য করলেন এক নারী কনস্টেবল। ‘আমি শুনেছি এটার দাম নাকি ছয় হাজার রুপি,’ পাশ থেকে উত্তর দিলেন আরেক কনস্টেবল।

সত্যিই এটি একটি অদ্ভুত ও তাড়াহুড়োর বিয়ে! ধিল্লাকে যে অন্য জায়গায় ফিরতে হবে—তার আসল ঠিকানা এখন কারাগার।

৫০ বছর বয়সি ভারতের হরিয়ানার এই গ্যাংস্টারকে তার ৩৭ বছর বয়সি কম্বোডিয়ান প্রেমিকা মেটাকে বিয়ে করার জন্য বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত—মাত্র ১২ ঘণ্টার জন্য কাস্টডি প্যারোল দেওয়া হয়েছিল। মেটা তার তিন সন্তানকে নিয়ে ঝাজ্জারে এসেছেন, তবে পরিবারের অন্য কোনো সদস্য তার সঙ্গে ছিলেন না।

ধিল্লা মূলত বাদলি গ্রামের এক ট্রাক্টর মেকানিক ছিলেন। ২০০০ সালে গ্রামের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে বিরোধের জেরে নিজের চাচা হেমচন্দ্রকে হত্যা করার পর থেকে পুলিশের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় তার নাম ওঠে। পরবর্তীতে তিনি নিজের মামা ওমপ্রকাশকেও হত্যা করেন এবং দ্রুতই ওই এলাকার কুখ্যাত অপরাধী হয়ে ওঠেন। বছরের পর বছর ধরে তিনি আরও দুজনকে হত্যা করেছেন এবং বর্তমানে তার বিরুদ্ধে অন্তত ২২টি অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। হত্যা, হত্যাচেষ্টা, ডাকাতি, ছিনতাই, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও অবৈধ অস্ত্র মামলার মতো নানা অপরাধে তিনি এখন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

বাদলি গ্রাম থেকে আসা ধিল্লার আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসী যখন মণ্ডপ ঘিরে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন প্রায় ১৫ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য চারপাশ পাহারা দিচ্ছিলেন। পুলিশ সদস্যদের জন্য এই বিয়ের একটাই কড়া শর্ত ছিল- রাত ৮টার মধ্যে ধিল্লাকে আবার জেলখানায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

কৃত্রিম ফুল দিয়ে সাজানো একটি অস্থায়ী ঘরেই বানানো হয়েছিল বিয়ের মণ্ডপ। একপাশে পুরুষদের বসার জন্য সারি সারি চেয়ার সাজানো ছিল, আর নারীরা বসেছিলেন কাছেই মাটিতে। ছোট সেই ঘরটিতে শুধু ধিল্লা, মেটা, তাদের সন্তান এবং পণ্ডিতের দাঁড়ানোর মতো জায়গা ছিল। তাদের ঘিরে চারজন বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা ও বন্দুকধারী পুলিশ কর্মকর্তা পুরো আনুষ্ঠানিকতার ওপর নজর রাখছিলেন।

পুলিশের কড়া পাহারায় বিয়ে

গুড়গাঁও-ঝাজ্জার সড়কের পাশের ওই ফার্মহাউসের বাইরে প্রায় ৫০টির মতো গাড়ি পার্ক করা ছিল—যার মধ্যে রয়েছে এসইউভি, স্করপিও এবং থার। তবে বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে ভেতরে কোনো বিয়ের আয়োজন চলছে। বাইরের দিকে কোনো আলোকসজ্জা বা সাজসজ্জা ছিল না। তার বদলে গেটে পুলিশ সদস্যরা দাঁড়িয়ে ও বসে থেকে আগত অতিথিদের ওপর নজর রাখছিলেন।

প্রবেশদ্বারে পুলিশ সদস্যরা প্রত্যেকের ব্যাগ তল্লাশি করছিলেন, গায়ে হাত দিয়ে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেক করছিলেন এবং নাম, বাবার নাম ও ফোন নম্বর লিখে রাখছিলেন। গণমাধ্যমকর্মীদের ভেতরে ঢোকার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।

ভেতরে গোলাপি ও সাদা রঙের তাঁবুতে অতিথিদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফাঁকা জায়গায় চেয়ারে বসে পুরুষেরা খাবার খাচ্ছিলেন আর বিড়ি টানছিলেন, আর নারীরা যাতায়াত করছিলেন ঘর ও বিয়ের আয়োজনের জায়গায়।

স্যুট পরা নারীরা একসঙ্গে ফার্মহাউসের ভেতরে বসে নিজেদের মধ্যে এবং নারী কনস্টেবলদের সঙ্গে গল্প করছিলেন। কোনো বলিউডের গান বাজছিল না, এমনকি হরিয়ানার বিয়ের প্রথা ভেঙে নারীরা কোনো ঐতিহ্যবাহী বিয়ের গীতও গাইছিলেন না।

নারী কনস্টেবলদের পোশাকের দিকে তাকিয়ে এক নারী বলেই উঠলেন, ‘আগে তো নারী কনস্টেবলরা স্যুট পরতেন, এখন তো দেখছি শার্ট আর ট্রাউজার পরা শুরু করেছেন!’

আরেকজন জানতে চাইলেন, গ্রাম থেকে কেউ থানায় গেলে এখনো তারা ঘোমটা দেন কিনা।

‘আমাদের তো ইউনিফর্ম পরতেই হয়। গ্রাম থেকে কেউ থানায় এলে আমি তো আর মুখ ঢাকি না। কাজ তো কাজই,’ উত্তর দিলেন কনস্টেবল।

ধিল্লার এক আইনজীবী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘মেটা এক মাসের মতো গ্রামে থাকবেন, তারপর কম্বোডিয়া ফিরে যাবেন। পরবর্তীতে তিনি হয়তো ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন।’

বিয়ের পর্বটি সম্পন্ন হয় ধিল্লার এক চাচাতো ভাইয়ের মালিকানাধীন ফার্মহাউসে।

চার-পাঁচটি ঘর আর একটি রান্নাঘর সম্বলিত এই ফার্মহাউসের চারপাশে ছিল বিশাল খোলা জায়গা। সেখানে সুইমিং পুল বা অন্য কোনো বিলাসবহুল আয়োজন ছিল না। জায়গাটি দেখে মনে হচ্ছিল না এখানে কেউ নিয়মিত থাকেন। এর মালিক, অর্থাৎ ধিল্লার চাচাতো ভাই থাকেন রোহতকের একটি গ্রামে।

কয়েকজন নারী ছবি তোলার চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যরা তাদের বাধা দেন এবং নির্দেশ মেনে চলতে বলেন। নিকটাত্মীয়রা ফার্মহাউসে ঘুরে ঘুরে কাজ সামলাচ্ছিলেন, বাচ্চাদের সামলাচ্ছিলেন আর ধিল্লার বিয়ের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে সাহায্য করছিলেন।

অবশ্য হরিয়ানার কোনো কয়েদি গ্যাংস্টারকে জেল থেকে বের হয়ে বিয়ে করার অনুমতি পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়।

২০২৪ সালের মার্চ মাসে দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও রাজস্থানে ৩০টিরও বেশি মামলার আসামি সন্দ্বীপ ওরফে ‘কালা জাতেডি’কে ৬ ঘণ্টার প্যারোল দিয়েছিল দিল্লির একটি আদালত। অনুরাধা চৌধুরী নামের এক তালিকাভুক্ত অপরাধীকে (যিনি ‘রিভলভার রানি’ ও ‘ম্যাডাম মিঞ্জ’ নামেও পরিচিত) বিয়ে করার জন্য এই সুযোগ দেওয়া হয়। দ্বারকার একটি ভেন্যুতে তাদের বিয়ে হয়, যেখানে প্রায় ২৫০ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল।

একই মাসে হরিয়ানার আরেক গ্যাংস্টারকে তার বিয়ের জন্য প্যারোল দেওয়া হয়েছিল। সোনিপতের বাসিন্দা ও গোগি গ্যাংয়ের সদস্য যোগেশ দহিয়া ওরফে ‘টুন্ডা’কে দিল্লির হাইকোর্ট ৬ ঘণ্টার প্যারোল দেয় বিকাশপুরীর একটি আর্য সমাজ মন্দিরে বিয়ে করার জন্য। দহিয়া সে সময় তিহার জেলে বন্দি ছিলেন।

এর এক বছর পর, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে নিহত গ্যাংস্টার তিলু তাজপুরিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত অমিত ওরফে ‘দাবাং’-কে দিল্লির নারেলায় নিজের বিয়েতে উপস্থিত থাকার জন্য ৫ ঘণ্টার প্যারোল দেওয়া হয়েছিল। কড়া পুলিশ পাহারায় তাকে বিয়ের ভেন্যুতে নেওয়া হয় এবং অনুষ্ঠান শেষ হতেই আবার কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়।

সূত্র: দ্য প্রিন্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%