ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

অষ্টম তলা থেকে পড়ে বেঁচে গেলেন জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ বছর বয়সী ছাত্রী


অষ্টম তলা থেকে পড়ে বেঁচে গেলেন জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ বছর বয়সী ছাত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে অষ্টম তলার জানালা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েও ২১ বছর বয়সী এক বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী বেঁচে গেছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তার বাবার মতে, তার শরীরে একাধিক হাড় ভেঙেছে।

ঘটনাটি ঘটে ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটের দিকে। জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ক্রিস্টিন সার্জেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি ছাত্রাবাসের অষ্টম তলার কক্ষে খোলা জানালার পাশে সোফার ওপর নাচছিলেন। একপর্যায়ে তিনি জানালার বাইরে পড়ে যান এবং নিচে ভবনের উঠান ও সুইমিং পুলের অংশে গিয়ে পড়েন।

অ্যাথেন্স-ক্লার্ক কাউন্টি পুলিশ জানায়, জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ক্রিস্টিনকে সচেতন ও সজাগ অবস্থায় পান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন: হ্যাকের পর বাইন্যান্স থেকে ৩৬০ কোটি ডলার তুলে নিলেন গ্রাহকরা

ক্রিস্টিনের বাবা রিচার্ড সার্জেন্ট স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন, তার মেয়ে এখনো নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি কথা বলতে পারছেন এবং তার শরীরে একাধিক আঘাতের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি হাড় ভেঙেছে। পরিবার তার সুস্থতার দিকে পুরোপুরি মনোযোগ দিচ্ছে।

পুলিশের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, পড়ে যাওয়ার আগে ক্রিস্টিন কক্ষে লাফাচ্ছিলেন ও গান গাইছিলেন। একপর্যায়ে তিনি জানালার দিকে গিয়ে পর্দা ভেদ করে নিচে পড়ে যান। ছাত্রাবাসের অন্যান্য বাসিন্দারাও ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন।

তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি দুর্ঘটনাজনিত। এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার সম্ভাবনা নেই।

ঘটনার পর ছাত্রাবাসটির জানালার নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবনের সব জানালায় এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, যা জানালা কতটা খোলা যাবে তা সীমিত করে। বাসিন্দাদের এসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা নষ্ট, খুলে ফেলা বা অকার্যকর না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আয়ারল্যান্ডের বইয়ের দোকানগুলো স্যালি রুনির উপন্যাসের চাহিদা মেটাচ্ছে

তবে ক্রিস্টিন যেই জানালা দিয়ে পড়ে গেছেন, সেখানে থাকা ওই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘটনাটিতে কোনো ভূমিকা রেখেছিল কি না, তা কর্তৃপক্ষ জানায়নি।

অ্যাথেন্স শহরের পশ্চিম ব্রড স্ট্রিটে অবস্থিত ছাত্রাবাসটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে প্রায় তিন ব্লক দূরে। ভবনটিতে ৩৪২টি আবাসিক ইউনিট ও আটটি আবাসিক তলা রয়েছে। সেখানে ব্যায়ামাগার, বড় সুইমিং পুল, কফি বারসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।

ক্রিস্টিন জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। তার পরিবার ঘটনাটি জানার পর ভার্জিনিয়া থেকে জর্জিয়ার অ্যাথেন্সে ছুটে আসে।

ক্রিস্টিনের বাবা জানিয়েছেন, জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দল ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকে হারানোর পরই ঘটনাটি ঘটে। তবে ঘটনার ঠিক আগে কী হয়েছিল, সে বিষয়ে পরিবার বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

আরও পড়ুন: চীন নীতি নিয়ে হোঁচট খাচ্ছে যুক্তরাজ্য, এমপিরা সতর্ক করেছেন

মেয়ের শারীরিক অবস্থার দিকে মনোযোগ দেওয়ার কথা জানিয়ে রিচার্ড সার্জেন্ট বলেন, তার মেয়ে লড়াই করে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে তিনি আশাবাদী।

সূত্র: ইউএসএ টুডে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন এক ফ্রেমে শাহিদের সাবেক ও বর্তমান? কী কথা বললেন তারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


কেন এক ফ্রেমে শাহিদের সাবেক ও বর্তমান? কী কথা বললেন তারা?

একসময় বলিপাড়ায় কারিনা কাপুর খান এবং শাহিদ কাপুরের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চলতো। তবে, তাদের সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি এবং বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে হয়েছে এই তারকা জুটিকে। বিচ্ছেদের সঠিক কারণ কখনোই পরিষ্কার হয়নি। বিচ্ছেদের পর কারিনা ও শাহিদ আর বন্ধুত্ব কিংবা সৌজন্যের সম্পর্ক বজায় রাখেননি। একই অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হলেও তারা পরস্পরকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

‘জব উই মেট’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় কারিনা ও শাহিদের মধ্যে সমস্যা শুরু হয়। কিন্তু তাদের অভিনয়ে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। তারা কখনোই নিজেদের সমস্যা ছবির সেটে নিয়ে আসেননি। পরিচালক ইমতিয়াজ আলি এক সাক্ষাৎকারে দুজনের পেশাদার আচরণের প্রশংসা করেন।

পরে বাংলার অলিখিত নবাব সাইফ আলি খানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন কারিনা কাপুর। ২০১২ সালে সাইফের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। অন্যদিকে, শাহিদ কাপুর ২০১৫ সালে মীরা রাজপুতকে বিয়ে করেন। তবে এবার কারিনার মুখোমুখি হচ্ছেন শাহিদ-পত্নী মীরা কাপুর।

কারিনার জনপ্রিয় আড্ডার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে দেখা যাবে শাহিদ কাপুরের স্ত্রী মীরাকে। ইতোমধ্যে সেই অনুষ্ঠানের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করে মীরা রাজপুত অনুষ্ঠানটির ঝলক দেখিয়েছেন। কারিনাও একটি ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে শাহিদের সাবেক ও বর্তমান সঙ্গীদের একই ফ্রেমে প্রথমবার দেখা গেছে।

মীরা রাজপুত কারিনার সঙ্গে কথোপকথনে কী বিষয়গুলো উঠে এসেছে তা এখনও প্রকাশ করেননি। সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করে শাহিদপত্নী ক্যাপশনে লিখেছেন— "নারীরা নিজেদের মতো করে বাঁচতে চান। আমাকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ কারিনা। তুমি যেমন মানুষ ও নারী, ঠিক তেমনই থাকার জন্য তোমাকেও ধন্যবাদ।"

কারিনা সেই পোস্টে মন্তব্য করেছেন, 'তুমি এসেছ, এর জন্য আমি খুব খুশি।' কারিনা ও মীরাকে একসঙ্গে দেখে উচ্ছ্বসিত ভক্ত-অনুরাগীরাও। তাদের মধ্যে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গেছে।

কারিনার এই অনুষ্ঠানে সাধারণত সম্পর্ক, বিয়ে, পরিবার ও বন্ধুত্বসহ তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। তাই মীরা অতিথি হওয়ায় এ পর্ব নিয়ে ইতোমধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। শাহিদের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন, সন্তানদের বড় করে তোলা কিংবা নিজের জীবনযাপন নিয়ে কি কোনো অজানা কথা বলবেন মীরা, সেই অপেক্ষাতেই দর্শকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


কাউখালীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর

পিরোজপুরের কাউখালীতে ভয়াবহ নদীভাঙনে সন্ধ্যা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে পাঁচটি মন্দির, একাধিক বসতঘর ও বৈদ্যুতিক খুঁটি। আকস্মিক ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। ভাঙন অব্যাহত থাকায় আরও অন্তত ১৫ থেকে ২০টি বসতঘর চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
এ অবস্থায় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার তীব্র নদীভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ণ এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি সন্ধ্যা, কঁচা ও কালিগঙ্গা নদীর তীরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম তীরে মধ্য সোনাকুর গ্রামের পালপাড়ায় হঠাৎ তীব্র নদীভাঙন শুরু হয়। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় এলাকার ঐতিহ্যবাহী লোকনাথ মন্দির, কালী মন্দির, দুর্গা মন্দির, শীতলা মন্দির ও গঙ্গা মন্দিরসহ একাধিক স্থাপনা। একই সঙ্গে কয়েকটি বসতঘর ও বৈদ্যুতিক খুঁটিও নদীগর্ভে চলে যায়।
ভাঙন অব্যাহত থাকায় পালপাড়াসহ আশপাশের এলাকার আরও অন্তত ১৫ থেকে ২০টি বসতঘর ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো সময় এসব ঘরবাড়িও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ভাঙনে সর্বস্ব হারানো ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা অমল পাল ও সঞ্জীব মালো বলেন, আমরা দিনরাত চরম আতঙ্কের মধ্যে আছি। নদীভাঙনে আমরা একপ্রকার নিঃস্ব হয়ে গেছি। এখনই স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সোনাকুর গ্রামের অস্তিত্বই একদিন মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার বিষয়েও তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের দেওয়া সাক্ষাৎকারে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে কাউখালীর পালপাড়ার মন্দির ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। নদীভাঙন এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যা।
তিনি আরও বলেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে এ এলাকায় একটি স্থায়ী গাইড বাঁধ বা প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও সব ধরনের সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো পরিবারকেই গৃহহীন থাকতে দেওয়া হবে না।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তার, আমড়াজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মেহেদী হাসান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম দীন মোহাম্মদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাফিউল আজম দুলাল, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিম পাড়ার কচ্ছপের পিঠে চড়ে ভিডিও, ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


ডিম পাড়ার কচ্ছপের পিঠে চড়ে ভিডিও, ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা

ওমানের সংরক্ষিত এলাকায় ডিম পাড়ার জন্য আসা একটি সামুদ্রিক কচ্ছপের পিঠে ওঠার অভিযোগ ইউক্রেনের এক ফিটনেস ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে উঠেছে। এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। খবরটি প্রকাশ করেছে মেট্রো ইউকে।

এনডিটিভি জানায়, অভিযুক্ত ইনফ্লুয়েন্সারের নাম ভাদিম ওলেইনিক, যিনি ৩২ বছর বয়সী। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ওমানের রাস আল জিনজে এই ঘটনা ঘটে। এলাকাটি সামুদ্রিক কচ্ছপের ডিম পাড়ার জন্য সংরক্ষিত। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায়, ওলেইনিক একটি ছোট কচ্ছপ হাতে ধরে আছেন। এরপর তিনি একটি বড় সামুদ্রিক কচ্ছপের কাছে গিয়ে সেটির পিঠে ওঠার চেষ্টা করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রাপ্তবয়স্ক কচ্ছপটি ধীরে ধীরে হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এ সময় ওলেইনিক সেটির পিঠে বসে পড়েন। কচ্ছপটি চলতে থাকায় কিছুক্ষণ পর তিনি পিঠ থেকে পড়ে যান। পরে তাকে হাসতে হাসতে আবার কচ্ছপটির পিঠে উঠতে দেখা যায়। মেট্রো ইউকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওলেইনিকের সঙ্গী ওলেনা ক্রাভচেঙ্কোকেও একই কচ্ছপের পিঠে বসে থাকতে দেখা গেছে।

ভিডিওতে ওলেইনিকের হাতে থাকা ছোট কচ্ছপটিকেও ছটফট করতে দেখা যায়। কচ্ছপটি তার হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। এ সময় ওলেইনিককে হাসতে দেখা যায়। ঘটনার ভিডিও ও ছবিগুলো পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ইতালির সামুদ্রিক প্রাণী সংরক্ষণ প্রকল্প বায়োলজিকামেন্তালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনে। সংগঠনটি সামুদ্রিক কচ্ছপের সঙ্গে এমন আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের বক্তব্য, সামুদ্রিক কচ্ছপ বন্য প্রাণী, তাই তাদের স্পর্শ করা বা ছবি তোলার জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। সংগঠনটি আরো জানিয়েছে, ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

বায়োলজিকামেন্তালে বলেছে, বৈজ্ঞানিক কমিটির অনুমোদন পাওয়া কোনো দায়িত্বশীল ও পেশাদার সংগঠন ছবি তোলার জন্য তাদের স্বেচ্ছাসেবকদের কচ্ছপের পিঠে বসতে দেবে না। সংগঠনটি ঘটনাটিকে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছে। তাদের ভাষ্য, এ ধরনের আচরণ প্রাণীর শোষণ, দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের শামিল। এর সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবার কোনো সম্পর্ক নেই। ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনা শুরু হওয়ার পর ভাদিম ওলেইনিক ইনস্টাগ্রামে একটি ক্ষমা চেয়ে পোস্ট দেন। সেখানে তিনি ওমানের পরিবেশ কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে কথা বলেন। পাশাপাশি সবুজ সামুদ্রিক কচ্ছপ সংরক্ষণে কাজ করা একটি সংগঠনের কাছেও তিনি বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রিস গেইলের কাছে টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে কঠিন বোলার লাসিথ মালিঙ্গা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১১ এম


ক্রিস গেইলের কাছে টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে কঠিন বোলার লাসিথ মালিঙ্গা

টি-টোয়েন্টির অন্যতম বিধ্বংসী ব্যাটার ক্রিস গেইল জানিয়েছেন, লাসিথ মালিঙ্গার অস্বাভাবিক বোলিং অ্যাকশন এবং স্লোয়ার বলের কারণে তাঁর বিপক্ষে আক্রমণে যাওয়া ছিল অত্যন্ত কঠিন। তাই গেইল মালিঙ্গার বল ঠেকিয়ে অথবা স্ট্রাইক বদলে অন্য বোলারদের আক্রমণ করার সুযোগ তৈরি করার কৌশল গ্রহণ করতেন।

বিশ্বের প্রায় সব বোলারকেই টি-টোয়েন্টিতে ব্যাট হাতে শাসন করেছেন গেইল। কিন্তু শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গার বিপক্ষে তাঁকে নিজের স্বাভাবিক খেলার ধরন বদলাতে হয়েছিল। গেইলের মতে, মালিঙ্গা ছিলেন টি-টোয়েন্টিতে তাঁর মুখোমুখি হওয়া সবচেয়ে কঠিন বোলার।

গেইল জানিয়েছেন, মালিঙ্গার অস্বাভাবিক বোলিং অ্যাকশন তাঁকে সমস্যায় ফেলত। বিশেষ করে, মালিঙ্গার স্লোয়ার বল কখন আসছে, সেটি বুঝতে পারতেন না তিনি। ফলে, মালিঙ্গার বিপক্ষে নিজের স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং বাদ দিয়ে উইকেট বাঁচানো এবং স্ট্রাইক বদলের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হতো।

এক সাক্ষাৎকারে গেইল বলেন, মালিঙ্গার অ্যাকশনের কারণে নির্দিষ্টভাবে পজিশন নিয়ে শট খেলা ছিল কঠিন। যদিও মালিঙ্গা তাঁকে খুব বেশি আউট করতে পারেননি, তবুও তাঁর বিপক্ষে ব্যাটিং করা ছিল অত্যন্ত কঠিন—এমনটাই জানিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক এই তারকা।

গেইলের স্লোয়ার বল নিয়ে স্বীকারোক্তি ছিল স্পষ্ট। তাঁর ভাষায়, মালিঙ্গার স্লোয়ার বল তিনি কোনোভাবেই আগে থেকে পড়তে পারতেন না। তাই বোলারটিকে আক্রমণ করার পরিবর্তে নিরাপদে খেলা এবং অন্য প্রান্তের বোলারদের লক্ষ্য করার কৌশল নিয়েছিলেন তিনি।

পরিসংখ্যানও গেইলের বক্তব্যকে সমর্থন করে। ২০০৯ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে মালিঙ্গার বিপক্ষে ৭২ বলে মাত্র ৫৭ রান করেছেন গেইল। স্ট্রাইক রেট ছিল ৭৯.২। এই সময়ে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে আটটি চার, কিন্তু একটিও ছক্কা নয়। ৭২ বলের মধ্যে ৪২টি ডট বল ছিল। মালিঙ্গা তাঁকে আউট করেছেন মাত্র একবার, ২০১৫ সালে।

২০১৩ সালটি গেইলের ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় সময় ছিল। ওই বছর আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে মাত্র ৬৬ বলে অপরাজিত ১৭৫ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছিলেন তিনি, যা এখনো আইপিএলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। অথচ একই বছরে মালিঙ্গার পাঁচ বল মোকাবিলা করে গেইল করেছিলেন মাত্র এক রান।

অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টিতে মালিঙ্গার নিজের রেকর্ডও অসাধারণ ছিল। আইপিএলে ১২২ ম্যাচে তিনি নিয়েছেন ১৭০ উইকেট এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে জিতেছেন চারটি শিরোপা। ২০১১ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের বিপক্ষে ১৩ রানে পাঁচ উইকেট ছিল আইপিএলে তাঁর সেরা বোলিং। মালিঙ্গার নিচু অ্যাকশন, গতি পরিবর্তন এবং ইয়র্কার তাঁকে বিশেষ করে ডেথ ওভারে ভয়ংকর করে তুলেছিল।

গেইলের মতো বিধ্বংসী ব্যাটারের বিপক্ষে মালিঙ্গার সাফল্যের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ছক্কা বন্ধ করে দেওয়া। ৭২ বল খেলেও গেইল একটি ছক্কাও মারতে পারেননি। এমনকি গেইল নিজেই স্বীকার করেছেন, মালিঙ্গাকে আক্রমণ করার চেয়ে তাঁর বল ঠেকিয়ে অন্য বোলারদের মোকাবিলা করাই ছিল বেশি কার্যকর কৌশল।

টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে ভয়ংকর ছক্কা-ব্যাটারদের একজনকে এভাবে নিজের খেলা বদলাতে বাধ্য করা মালিঙ্গার বোলিংয়ের কার্যকারিতার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%