ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেইকো ফুজিমোরির সম্ভাব্য জয়


পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেইকো ফুজিমোরির সম্ভাব্য জয়

পেরুর ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কেইকো ফুজিমোরি মঙ্গলবার রান-অফ বা দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের ভোট গণনায় প্রায় নিশ্চিত জয়ের দিকে এগিয়ে রয়েছেন। সরকারি পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

জাতীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়া কার্যালয় কর্তৃক অনলাইনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, ৯৯.৮৬ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ফুজিমোরি ৫০.১২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন, যা তার বামপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী বার্তো সানচেজের চেয়ে প্রায় ৪৩ হাজার ভোট বেশি।

বিজয়ী ঘোষণা করার আগে, নির্বাচন কর্মকর্তাদের ১৩১টি ট্যালি শিট যাচাই করতে হবে, যা প্রায় ৩৯ হাজার ভোটের সমান। তবে এই ভোটসংখ্যা সানচেজের পক্ষে ব্যবধান কাটিয়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট নয়।

আরও পড়ুন: একই নারীর সঙ্গে মামা-ভাগিনার প্রেমের জেরে ব্যবসায়ী হত্যা

সানচেজ বলেছেন, তিনি ফুজিমোরির নেতৃত্বাধীন কোনো সরকারকে স্বীকৃতি দেবেন না। তিনি অভিযোগ করেছেন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় 'গুরুতর অনিয়ম' হয়েছে। সানচেজ অভিযোগ করেছেন যে, নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ প্রায় ৩ লাখ প্রবাসী ভোট ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অনিয়ম করেছে।

এই প্রবাসী ভোটে তুলনামূলকভাবে ফুজিমোরির সমর্থন বেশি দেখা গেছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানে থাকা ভোটারদের মধ্যে।

নির্বাচনে জয়ী প্রার্থী আগামী ২৮ জুলাই পাঁচ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

৭ জুনের এই রান-অফে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন প্রয়াত সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির কন্যা কেইকো ফুজিমোরি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কাস্তিয়োর রাজনৈতিক উত্তরসূরি রবার্তো সানচেজ।

আরও পড়ুন: জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাশেদ খান

বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন বহু বছর ধরে চলা রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটাবে বলে আশা করা হলেও ফলাফল দেখাচ্ছে দেশটি এখনো গভীরভাবে বিভক্ত। বিশেষ করে, উপকূলীয় অঞ্চল ও গ্রামীণ-আদিবাসী দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএজি-এএজিদের পদত্যাগ নিয়ে বক্তব্য 'পলিটিক্যাল স্ট্যান্ডবাজি': বদরুদ্দোজা বাদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১২ পি.এম


ডিএজি-এএজিদের পদত্যাগ নিয়ে বক্তব্য

বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার এম বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) এর পদত্যাগ সংক্রান্ত বক্তব্যকে তিনি ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্ডবাজি’ বলে চিহ্নিত করেছেন।

আজ তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জানান, ইসলামি ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনপুষ্ট ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। তারা পদত্যাগের পেছনে কিছু রাজনৈতিক বিষয় উল্লেখ করেছেন, যা তিনি অতি অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মনে করেন।

ব্যারিস্টার এম বদরুদ্দোজা বাদল আরও উল্লেখ করেন, ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, যে বন্ধুরা গতকাল পদত্যাগ করেছেন, তারা এই সরকারের অধীনে আইন কর্মকর্তা হিসেবে চার মাস কাজ করে বেতন ও সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এখন চার মাস পর তাদের মনে হতে পারে যে পদত্যাগ করা দরকার, অথবা তারা ধারণা করেছেন যে তারা রিমোভ হবেন। এ কারণে তারা রাজনৈতিক কিছু বিষয় তুলে ধরেছেন, যা তিনি খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত বলে জানাই।

তিনি বলেন, তাদের বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে পলিটিক্যাল স্ট্যান্ডবাজি বা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। এ নাটকের জন্য তিনি তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করেননি।

তিনি আরও মন্তব্য করেছেন, গত চার মাস তারা যে কাজে ছিলেন, তা কি সরকারি স্বার্থে ছিল নাকি সরকারের বিরুদ্ধে স্যাবোটাজ ছিল? গত চার মাসে তাদের উপস্থিতি থাকা ফাইলগুলো সম্পর্কে একটু খোঁজখবর নিয়ে দেখতে হবে। তিনি মনে করেন, তারা অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে সরকারি স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করেননি। বরং তিনি ধারণা করেন, সরকারের বিরুদ্ধেই কাজ করা হয়েছে। এজন্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে তারা এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।

গতকাল ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগ করা ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন- অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবদুল করিম, অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট গোলাম রহমান ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম। ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন- অ্যাডভোকেট ইমরুল কায়েছ রানা, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির তানিম, অ্যাডভোকেট আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, অ্যাডভোকেট জোয়াদুর রহমান, অ্যাডভোকেট শামসিল আরেফিন, অ্যাডভোকেট মাহাবুবা আক্তার রলি, অ্যাডভোকেট নূর নবী উজ্জ্বল, অ্যাডভোকেট আল রেজা আমির, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম এবং অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৪ পি.এম


বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাণিজ্য ঘাটতি পূর্ণের জন্য প্রধানমন্ত্রী যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যে ঘাটতি বিদ্যমান, তা কমিয়ে আনার প্রয়োজন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কার্যকর এবং যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান।

রিজভী বলেন, একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করছে। তবে বর্তমান সরকারের সময়ে দেশবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডের স্থান হবে না।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ এনে চলেছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়।

বিশেষ করে, প্রধানমন্ত্রী চীন সফরের মাধ্যমে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।

তিনি আরো বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রী কার্যকর ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে আর পরনির্ভরশীল অবস্থায় রাখা হবে না।

রিজভী বলেন, সরকার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে একটি আত্মনির্ভরশীল এবং সক্ষম রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের সফর ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


তারেক রহমানের সফর ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে

ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কে নতুন মাত্রা দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনে তিন দিনের দ্বিপাক্ষিক সফরে আছেন। এটি তার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফর, যেখানে দ্বিতীয় গন্তব্য হিসেবে বেইজিংকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে দেশের কূটনৈতিক ও ব্যবসা-বাণিজ্য মহলে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে দুই দেশের মধ্যে শিল্পখাত ও মেগা অবকাঠামোসহ বহুমাত্রিক সহযোগিতার লক্ষ্যে ১৫টিরও বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে।

চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের এক মতামত নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী শুক্রবার পর্যন্ত চীন সফর করবেন। এটি তার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফর এবং দ্বিতীয় গন্তব্য হিসেবে চীনে এসেছেন।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো এ সফর নিয়ে ব্যাপক আশাবাদী। তাদের ধারণা, এ সফরে ১৫টির বেশি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও সমঝোতা সই হতে পারে, যার মধ্যে বড় অবকাঠামো ও শিল্প খাতের প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘকাল ধরে একে-অপরের বন্ধু, প্রতিবেশী এবং কৌশলগত সহযোগী হিসেবে পরিচিত। কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দুই দেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখেছে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রেও তারা একটি উদাহরণ তৈরি করেছে। রাজনৈতিক পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বিদ্যমান। ২০২৪ সালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারত্বে’ উন্নীত করা হয়েছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে টানা ১৫ বছর ধরে চীন বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানি হওয়া শতভাগ শুল্কযোগ্য পণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সহকারিতার নজির স্থাপন করেছে বেইজিং।

অবকাঠামো উন্নয়নে দুই দেশের সহযোগিতা উল্লেখযোগ্য। পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্প বাংলাদেশে পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আঞ্চলিক পর্যায়ে চীন ও বাংলাদেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করছে এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায়ও সহযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছে। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় তাদের সহযোগিতা আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। এছাড়া, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে দারিদ্র্য বিমোচন ও আঞ্চলিক সুশাসন নিয়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মও গড়ে তোলার কাজ করেছে দুই দেশ।

তবে এসব সাফল্যের পরও দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিতে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার প্রভাব। কিছু পরাশক্তি বাংলাদেশকে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা ও উন্নয়ন কাঠামোর মধ্যে টানার চেষ্টা করছে। এমনকি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়েও হস্তক্ষেপ, অসম চুক্তির চাপ এবং ‘ঋণের ফাঁদ’ তত্ত্বের মতো ধারণা ব্যবহার করে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্ঠা চালানো হচ্ছে।

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হলো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নীতির ধারাবাহিকতা। তৃতীয় চ্যালেঞ্জ হলো দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য। দক্ষিণ এশিয়ায় এখনও অনেকের মধ্যে চীন সম্পর্কে ধারণা সীমিত। বাংলাদেশের কিছু প্রভাবশালী মহল পশ্চিমা উন্নয়ন মডেলের প্রতি বেশি আস্থাশীল এবং চীনের উন্নয়নপথ ও শিল্প সহযোগিতার বিষয়ে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করছে।

অন্যদিকে, কিছু অভিজাত মহল চীনের উন্নয়ন মডেল ও সহযোগিতার সুবিধা স্বীকার করলেও যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। একই সঙ্গে, দেশের কিছু আলোচনায় বাণিজ্য ঘাটতির জন্য শুধুমাত্র চীনা পণ্যের প্রবেশকে দায়ী করা হচ্ছে, অথচ রপ্তানি পণ্যের সীমিত বৈচিত্র্য ও সক্ষমতা সম্পর্কিত কাঠামোগত বিষয়গুলো উপেক্ষিত থাকে।

যাই হোক, এসব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করা অসম্ভব নয়। এজন্য উভয় পক্ষের আরও দূরদর্শিতা ও ধৈর্যের প্রয়োজন। বিশেষ করে, পারস্পরিক দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য কমাতে খোলামেলা আলোচনা ও যোগাযোগ বৃদ্ধি করা জরুরি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের প্রকৃত অর্থে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের রাজনৈতিক সাহস দেখাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর কতটা গভীর সহযোগিতা চান, তা দুই দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে পরিষ্কার করে তুলে ধরবে।

বাংলাদেশি গণমাধ্যমে সফরটির যেসব গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হয়েছে, তা থেকে বোঝা যায় যে দুই দেশ আরও ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতার দিকে এগোচ্ছে। প্রথমত, শিল্প খাতে সহযোগিতা বাড়বে। চীন দীর্ঘদিন ধরেই তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনে উৎসাহিত করে আসছে। তুলনামূলক কম শ্রমব্যয়ের সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন করে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে।

দ্বিতীয়ত, গ্লোবাল সাউথ এবং আঞ্চলিক পর্যায়ের সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ এশিয়ার শিল্প শৃঙ্খল ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা কাঠামোর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হতে পারবে। চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো এবং চীন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা ব্যবস্থার মতো প্ল্যাটফর্ম এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে।

সবশেষে, সুশাসন ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়ানোর প্রচেষ্টা শুরু হবে, যাতে বাংলাদেশ নিজস্ব বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নপথ খুঁজে নিতে পারে। রাজনৈতিক দল, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও জোরদার করা সম্ভব হবে।

উন্নয়নের কোনও একক মডেল নেই। পূর্ব ও পশ্চিম—উভয় অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নিজস্ব আধুনিকায়নের পথ অনুসরণ করার মতো সক্ষমতা ও সুযোগ বাংলাদেশের রয়েছে।

এই মতামত নিবন্ধটি গ্লোবাল টাইমসে লিখেছেন লিউ জোংই। তিনি সাংহাই ইনস্টিটিউটস ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর সেন্টার ফর সাউথ এশিয়া স্টাডিজ-এর পরিচালক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎ ‎আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


মধুপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট প্রকাশ

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জন্য ৮৭ কোটি ৩৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৩০২ টাকা ৭৬ পয়সার প্রস্তাবিত বাজেট পৌরসভার সভা কক্ষে ঘোষণা করা হয়েছে। এ বাজেটে রাজস্ব উদ্বৃত্ত হিসেবে ১৩ কোটি ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭ শত ২৮ টাকা ৪৯ পয়সা দেখানো হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১২ টায় পৌর ভবনের সভাকক্ষে, উপজেলা পৌর প্রশাসক ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর্জা জুবায়ের হোসেন এ বাজেটটি ঘোষণা করেন।

এ সময় বাজেট অধিবেশনটিতে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফ জী প্রিন্স, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না, মধুপুর পৌরসভার ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর সমাজ সেবা অফিসার মোস্তফা হোসাইন, ৯ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ একে এম ফজলুল হক, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইদুর রহমান, ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম ভুইয়া, ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম খান, ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ ইসমাইল হোসেন, প্রধান হিসাব সহকারী মোঃ শাহিন মিয়া এবং পৌর সভার বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শ্রেণীপেশার প্রতিনিধি, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।

বাজেট অধিবেশন চলাকালে উপস্থিত নাগরিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের নানা প্রশ্নের সঠিক জবাব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জুবায়ের হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%