সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৮ এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও ছাত্রনেতা সাদিক কায়েমকে কেন্দ্র করে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন আলোচিত ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তিনি একটি ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন যে, ক্ষমতার মোহে ও পশ্চিমা বিশ্বকে খুশি করার উদ্দেশ্যে ইসলামপন্থীরা নিজেদের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে নীতিহীন প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
ফেসবুক পোস্টে রফিকুল উল্লেখ করেন, "ভাবছিলাম ডাকসু ও সাদিক কায়েম বিষয়ে আর কিছু লিখব না। কারণ আমরা যতই বলি, এরা দুঃখ প্রকাশ পর্যন্ত করবে না। কারণটাও স্পষ্ট- এরা এখন প্ল্যানিং করে আমেরিকা ও তাদের পশ্চিমা আব্বুদের খুশি করছে।"
তিনি আরও লেখেন, "এখন দেখছি, এমন ঘৃণ্য বিষয়ের পরও একদল ছাপড়ি ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর লাগিয়ে দিয়েছে সাদিক কায়িমের বক্তব্যের পক্ষে বয়ান তৈরি করার জন্য।"
রফিকুল বলেন, "এরা বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি মাদ্রাসা? এখানে কি সব মেয়েদের পর্দা করতে হবে? এই মোল্লারা কি বুঝে? আরও যত থার্ডক্লাস মার্কা ফালতু যুক্তি!"
তিনি উল্লেখ করেন যে, বিরোধিতা করার সময় কেউ বলেনি মেয়েরা কেন খেলল বা কেন পর্দা করে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন খেলাধুলা হয় এবং মেয়েরাও খেলায় অংশগ্রহণ করে-এটি সকলের জানা। তিনি বলেন, "এটা এখনই বললেই বন্ধ হয়ে যাবে না।"
পোস্টে তিনি আরো লেখেন, "কিন্তু প্রশ্ন হলো, সাদিক কায়িমের মতো ইসলামি নামধারী সংগঠনের দায়িত্বশীল জায়গা থেকে, সেই খেলা প্রথম আয়োজন করেছে মর্মে, স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে শর্ট প্যান্ট ও টাইট ফিটিং গেঞ্জি পরা মেয়েদের সামনে তাদের খুশি করতে একেবারে গদগদ হয়ে বক্তব্য দেওয়া এবং আয়োজনে ভূমিকা রাখা আরেকজনের প্রশংসায় হাততালি দিতে বলা-এটা কেমন বিষয়।"
তিনি উল্লেখ করেন, "আল্লাহর সুস্পষ্ট হারামকে প্রকাশ্যে আয়োজন, স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন, তারপর উৎসাহ দেওয়া-সেটার আয়োজকের জন্য হাততালি! এই লোকের বিধান কী? দেশের অথবা তাদের পছন্দমতো বাইরের শীর্ষস্থানীয় ফতোয়া বোর্ডে এটার ফতোয়া চাওয়া হলে কী ফতোয়া আসবে-ভাবতেই গা শিউরে ওঠে!"
মাদানী বলেন, "আসলে আমার মনে হয়, এগুলো তারাও বুঝে। কিন্তু এখন মৌসুম হলো-আমেরিকা ও পশ্চিমকে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য খুশি করার। যেটা আওয়ামী লীগ-বিএনপিও করে!"
তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, "যেমন শামা ওবায়েদ জাতিসংঘে গিয়ে বলছে, আমরা পিংক বাসে মহিলা চালক দিয়েছি! মানে এটার হাজিরাও সেখানে দিতে হবে! আমার ধারণা, সাদিক কায়িম একা না-এরা সবাই আগামী ১-২ বছর পশ্চিমের কাছে নিজেদের মডারেট ও প্রগতিশীল বোঝাতে, ক্ষমতা পাওয়ার নেশায় আরও অনেক নিচে নামবে। ক্ষমা তো চাইবেই না!"
রফিকুল ইসলাম মাদানী আরো লেখেন, "বাকি একটা পরামর্শ-ক্ষমতার জন্য প্রকাশ্যে নিচে নামলেও, গোপনে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েন। তবে সেটাও আল্লাহ গ্রহণ করবেন কি না, উনার বিষয়। কারণ তিনি তো মনের খবর জানেন!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের গত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ১৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করে এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে।
আজ সোমবার রাজশাহী রেঞ্জ কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজশাহী রেঞ্জ এলাকায় ১টি খুনের ঘটনা ঘটেছে এবং ৩টি চুরির মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ৬২টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ১১টি অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
এই সময়ে ডাকাতি, দস্যুতা, যৌতুকের জন্য হত্যা, সাইবার সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন, নারী ও শিশু নির্যাতন কিংবা দ্রুত বিচার আইনে কোনো মামলা বা অন্য কোনো ঘটনা ঘটেনি।
অপরাধ দমনে পরিচালিত অভিযানে মোট ১৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পরোয়ানাভুক্ত ৩৯ জন, সাজাপ্রাপ্ত ৮ জন, তদন্তাধীন মামলার ৮৯ জন এবং প্রতিরোধমূলক অন্যান্য ৭ জন আসামি। এছাড়া মাদক ব্যবসায়ী ও সেবী হিসেবে আলাদাভাবে ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানকালে পুলিশ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, মাদক ও বিস্ফোরক দ্রব্যাদি উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ইউএসএ-তে তৈরি ১টি পিস্তল (নম্বর-১১ লেখা), ২ রাউন্ড গুলির খোসা এবং ১টি বার্মিজ চাকু। মাদকদ্রব্যের মধ্যে উদ্ধার হয়েছে ২,১৯৯ পিস ইয়াবা, ৫ গ্রাম হিরোইন, ২৬.৫ লিটার চোলাইমদ, ৩ কেজি ৯০ গ্রাম গাঁজা, ৩,৩৮০ পিস টাপেন্টাডল, ৪৮ বোতল ফেন্সিডিল এবং ৩৪ বোতল উইনসিরাক্স। অপরাধ দমন ও আসামি ধরতে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১৪৫টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৫৭ জন এবং চলতি মাসে মোট ২৫ হাজার ২৭১ জন নাগরিক পুলিশি সেবা গ্রহণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী তুন ড. সিতি হাসমাহ মোহামাদ আলী মারা গেছেন। কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ১০০ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু ঘটে। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি ছেলে তান শ্রী মোকজানি মাহাথির নিশ্চিত করেছেন।
মালয়েশিয়ার জাতীয় বার্তা সংস্থা বারনামা সিতি হাসমাহর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানায়, তিনি সাত সন্তান রেখে গেছেন। তবে তাঁর মৃত্যুর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সিতি হাসমাহ ছিলেন মালয়েশিয়ার চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য খাতের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি দেশটির প্রথম দিকের মালয় নারী চিকিৎসকদের মধ্যে একজন এবং চিকিৎসা ও সামাজিক কল্যাণে দীর্ঘকাল ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৫৬ সালে মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। চলতি বছরের আগস্টে তাঁদের ৭০তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। তাঁদের সাত সন্তানের মধ্যে ব্যবসায়ী মোকজানি মাহাথির, সমাজকর্মী মারিনা মাহাথির এবং রাজনীতিক মুখরিজ মাহাথির রয়েছেন।
চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি সিতি হাসমাহ মাতৃ ও শিশুসেবা, জনস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা এবং সামাজিক কল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তরুণদের মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরিতেও তিনি কাজ করেছেন।
মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম এবং রানি রাজা জারিথ সোফিয়াসহ দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সিতি হাসমাহর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন। আনোয়ার তাঁর মৃত্যু দেশ ও সমাজের জন্য বড় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেছেন।
সিতি হাসমাহ ১৯২৬ সালের ১২ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। চিকিৎসাশিক্ষায় তিনি ছিলেন পথিকৃৎ। সিঙ্গাপুরের কিং এডওয়ার্ড সপ্তম চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে চিকিৎসাশাস্ত্র পড়ার সুযোগ পাওয়া প্রথম মালয় নারী ছিলেন তিনি। পরে মাতৃ ও শিশুসেবা বিভাগে চিকিৎসা কর্মকর্তা হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বজুড়ে ৫০ বছর এবং বাংলাদেশে সাড়ে তিন দশকের (৩৫ বছর) সফল উন্নয়ন অভিযাত্রা পেরিয়ে নতুন ভিশন ও ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি উন্মোচন করেছে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ‘স্ট্রমী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’। সম্প্রতি ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংস্থাটির নতুন লোগো ও ব্র্যান্ডের আত্মপ্রকাশ ঘটে। একই সঙ্গে দারিদ্র্য দূরীকরণে নিজেদের টেকসই ও দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী।
স্ট্রমী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সহযোগী সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন উন্নয়ন সংস্থা (ইউএস)-এর নির্বাহী পরিচালক ফাহাদ মাহমুদ ইবনে হুদা, এথনিক কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইসিডিও)-এর নির্বাহী পরিচালক লক্ষ্মীকান্ত সিংহ, সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা (এসইউএস)-এর নির্বাহী পরিচালক এস কে ঈমান আলী, কারিতাস-এর প্রতিনিধি রোজী রংমা, গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)-এর প্রতিনিধি আফতাব হোসেন, ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)-এর প্রতিনিধি মশিউর রহমান এবং স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি (এসইউএস)-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার কর্নেলিয়াস ডালবোট।
অনুষ্ঠানে অংশীদার সংস্থাসমূহের তৃণমূল প্রতিনিধি ও যুব ফোরামের সদস্যরা অংশ নেন। পুরো আয়োজনটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন রাহুল এবং সংস্থাটির ‘সংলাপ’ কর্মসূচির কিশোরী প্রতিনিধি মোছা. ইয়াসমিন আক্তার ঈশিতা।
অনুষ্ঠানের মূল পর্বে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে কাউন্টডাউনের মাধ্যমে স্ট্রমী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের নতুন লোগো ও ব্র্যান্ড উন্মোচন করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্র্যান্ডের বাহ্যিক রূপ ও লোগোতে আধুনিক পরিবর্তন এলেও সংস্থার মূল দর্শন ও লক্ষ্য অটুট থাকবে; যার মূলমন্ত্র— ‘উই আর পোভার্টি ফাইটার’ (আমরা দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যোদ্ধা)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী শহরে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে ৩৮ কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে ২৫ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আটক অন্যদের অভিভাবকদেরও থানায় আসতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে ফেনী মডেল থানা পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করেন।
ফেনী মডেল থানা সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা ও কিশোরদের সম্পৃক্ততায় বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ বাড়তে থাকায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে শহরের রাজনন্দিনী দিঘি, পেট্রোবাংলা, একাডেমি, মাস্টারপাড়া ও নাজিররোড থেকে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করছিল এমন ৩৮ কিশোরকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে প্রায় সবার বয়স ১৬ থেকে ২২ বছরের মধ্যে।
এ ব্যাপারে ফেনী মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা কমাতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে আটক ৩৮ জনের মধ্যে ২৫ জনের অভিভাবককে থানায় ডেকে এনে মুচলেকা নিয়ে জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদের অভিভাবকরা না এলে বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ